বাংলা ভাষাভাষী হেয়ার ফেটিশদের চাহিদা মেটানোর জন্য এই ব্লগ। পোস্ট পড়ে কমেন্টে নতুন গল্পের আইডিয়া দিয়ে সাহায্য করলে আমি আরো ভালো গল্প লিখতে পারব।
Friday, April 10, 2026
দেওয়ালিতে মস্তকমুণ্ডন
Saturday, March 2, 2024
গ্রামীণ নাপিত~আনন্দ (শেষার্ধ)
Friday, March 1, 2024
গ্রামীণ নাপিত~আনন্দ (প্রথমার্ধ)
Thursday, January 4, 2024
আধেক কামানো
Friday, October 6, 2023
স্কুলের নিয়ম লঙ্ঘন করায় বাবার পদক্ষেপ {১ম পর্ব}
Thursday, June 30, 2022
নিউ লুক - রাখী দে (দত্ত)
Tuesday, August 17, 2021
ছোট করে চুল কাটানো নিয়ে দুই বান্ধবীর সংলাপ
বিন্দু ও কৃত্তিকা ঘনিষ্ঠ দুই পড়শি। বিন্দু সম্প্রতি তার বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে অন্য শহরে চলে যায় ফলে কিছু বছরের জন্য তাদের দুজনের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রায় দু'বছর পর হঠাৎ কৃত্তিকা ইউটিউবে তার প্রিয় সইকে নব রূপে দেখে। বিন্দুর সেই একমাথা লম্বা চুল আর নেই বরং সেখানে পিক্সি কাট করা ছোট চুল। কৃত্তিকা অবাক হয়। এদিকে এ সময়ের মাঝেই কৃত্তিকা চুল পড়া সমস্যায় আক্রান্ত হয়। কৃত্তিকা সমাধানের জন্য বিন্দুর কাছে হোয়াটসএ্যাপে নির্দেশনা চায়। এটা কৃত্তিকার চুলের সমস্যার সমাধান নিয়ে দুই বান্ধবীর কথোপকথন।
কৃত্তিকা : আমি সবসময় আমার চুল খুব লম্বা রেখেছি, প্রায় উরুর দৈর্ঘ্যে। কিন্তু আমি জানি না কেন গত ১ বছর থেকে তারা যে কোনও কিছুর মতো পড়ে যেতে শুরু করেছে। আমি সমস্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসার শরণ নিয়েছি কিন্তু কিছুই কাজ করেনি। আমার মা আজ আমাকে তোমার ভিডিও দেখালেন। তুমি আমাকে আশা দেখিয়েছ। আমাকে পরামর্শ দাও। আমার কি পিক্সি কাটের জন্য যাওয়া উচিত হবে? এটা কি সত্যিই উপকারী?
বিন্দু : প্রিয়, প্রথমত, চুল পড়া নিয়ে খুব বেশি চাপ নেবে না। এমনকি কয়েক বছর আগেও আমার লম্বা ঘন চুল ছিল। ধীরে ধীরে তা পাতলা হয়ে আসছে। কিন্তু, তা কাটিয়ে নেবার পর ছোট চুলের কারণে চুল পড়ার প্রতি আমার মনোযোগ ধীরে ধীরে কমে গেছে কারণ যদিওবা পড়ে যায় তবে তা আগের মতো কম এবং লক্ষণীয় নয়। তুমি যদি একটি ছোট চুলের কাট করাতে চাও তবে এটি সম্পূর্ণরূপে তোমার সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। একজন বান্ধবী হিসেবে, আমি শুধু একটা কথাই বলতে পারি যে ছোট চুল সহজে ম্যানেজ করা যায় এবং যত্ন নেওয়া সহজ। এছাড়াও, আমি আজকাল কিছু প্রতিকার ব্যবহার করছি। যদি তারা কাজ করে তবে আমি তোমার সঙ্গে শেয়ার করব। পজিটিভ থাকো এবং নিজেকে ভালোবাসো। সবকিছু ঠিক থাকবে।
কৃত্তিকা : উত্তরের জন্য ধন্যবাদ প্রিয়। আমি গত কয়েকদিনে আমার বাবা-মা এবং ডাক্তারের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেছি এবং উভয়েই আমাকে প্রথমে আমার চুল কেটে ফেলার পরামর্শ দিয়েছে। তারা বলেন, এত লম্বা চুল রাখার কোনো মানে হয় না যদি সারাক্ষণ পড়তে থাকে। তাই আমি আমার জীবনে প্রথমবারের মতো একটি ছোট বয়কাট করতে যাচ্ছি। আমার সুন্দর লম্বা চুলকে বিদায় জানানোটা খুবই কঠিন সিদ্ধান্ত কিন্তু এটা সময়ের প্রয়োজন। অনুপ্রাণিত করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
বিন্দু : আমি আনন্দিত যে আমি তোমাকে অনুপ্রাণিত করেছি। শক্ত থেকো সই। ছোট চুলও সুন্দর। নিজেকে ভালবাসো এবং যত্ন নিয়ো।
কৃত্তিকা : এই ভিডিওটি দেখে এবং তোমার পরামর্শগুলি খুব মনোযোগ সহকারে শুনে আমার মা আমার লম্বা চুল সম্পূর্ণ ছোট করে কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে আমি কি তোমার মতো ১ বছর লাগিয়ে সেগুলিকে পর্যায়ক্রমে ছোট করতে পারি? তদুত্তরে তিনি বলেছিলেন যে এটিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রসারিত করার কোন মানে নেই। তিনি নিজেই সেগুলিকে একযোগে সব কাটিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্টাইলিস্ট যখন আমার উরুর দৈর্ঘ্যের চুলকে অত্যন্ত ছোট করতে শুরু করে তখন কীভাবে সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় তা হলো আমার একমাত্র চিন্তা। সেটা হবে সবচেয়ে কঠিন সময়। কিন্তু আমি জানি আমার মা শেষ পর্যন্ত এটির অন্ত করেই ছাড়বেন।
বিন্দু : চিন্তা করবে না। তুমি সাহসী মেয়ে। খুব বেশি চাপ নিও না সই। তুমি যদি এটিকে সত্যিই ছোট করতে আত্মবিশ্বাসী না হও তবে হেয়ার সেলুনে যাওয়ার আগে অনুগ্রহ করে প্রথমে নিজেকে জিজ্ঞাসা করো। তোমার ঠিক না লাগলে ধাপে ধাপে করতে পারো। আমি তোমার ব্যথা বুঝতে পারি কারণ আমি আমার লম্বা চুলকে এতটাই ভালবাসতাম। এটা তোমার নিজের সিদ্ধান্ত হতে হবে। মা তোমাকে অবশ্যই সমর্থন করবে। ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুক।
১৫ দিন পর…
কৃত্তিকা : আমি তোমার সাথে আলোচনার ফল হিসাবে আমার চুল কাটিয়েছি এবং তুমি চরম চুল পড়ার প্রতিকার হিসাবে পরামর্শে যেমনটি বলেছিলে আমার চুল পড়া নাটকীয়ভাবে কমে গেছে।
বিন্দু : তোমার চুল পড়া কমে যাচ্ছে শুনে খুশি হলাম। শুধু তোমার জন্য একটি অনুস্মারক-চুল ধোয়ার অন্তত কয়েক ঘন্টা আগে নারকোল তেল বা তোমার জন্য উপযুক্ত যে কোনও তেল দিয়ে তোমার চুল ম্যাসাজ করতে ভুলবে না।
কৃত্তিকা : অবশ্যই করব। আমি আমার উরুর দৈর্ঘ্যের চুল ছোট করতে এতটাই ভয় পেয়েছিলাম যে আমি আমার মাকে ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেগুলি কাটতে রাজি করিয়েছিলাম। তিনিও রাজি হয়েছিলেন, কিন্তু সেলুনে তিনি স্টাইলিস্টকে সেগুলি খুব শর্ট করতে বলেছিলেন। আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম কিন্তু এত লোকের সামনে কিছু বলতে পারলাম না। এবং তারা একবারেই এটিকে উরুর দৈর্ঘ্য থেকে সুপার শর্ট পিক্সি কাট পর্যন্ত কেটে ফেলে। ১ সপ্তাহের জন্য আমি কেঁদেই চলছিলাম কিন্তু এখন আমি এত ছোট চুল নিয়ে খুব ভালো অনুভব করছি। এটা খুব চমৎকার লাগছে। চুল পড়া ৯০% বন্ধ হয়ে গেছে এবং মাথা বেশ হালকা হয়ে গেছে। আজ আমি অনুপ্রেরণার জন্য তোমার কাছে অনেক কৃতজ্ঞ এবং আমার মায়ের কাছে কৃতজ্ঞ যে তিনি জোর করে সেগুলো সব কেটে দিয়েছেন। তোমাদের দুজনকে ছাড়া এটা অসম্ভব ছিল। অতি লম্বা চুল থেকে অত্যন্ত ছোট চুলে যাওয়া সত্যিই মুক্তিদায়ক। তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
Sunday, May 23, 2021
বিদ্যালয়ে কেশমোচনের গল্প (শেষ পর্ব)
আমাদের শিক্ষিকা আমাদের এক্সট্রা রুমে যেতে বললেন। উনি আমাদের টেনে সেই ঘরে নিয়ে গেলেন যেখানে নাপিত মাঝখানে একটা চেয়ার রেখেছিল। তার সাথে একটি কিটও ছিল যাতে তিনি তার সাথে সমস্ত যন্ত্র বহন করেছিলেন। তিনি বললেন তিনি প্রস্তুত এবং আমার শিক্ষিকা আমাকে গিয়ে বসতে বললেন। তিনি আমাকে চেয়ারে বসিয়ে দিলে আমি কাঁদছিলাম। নাপিত দ্রুত আমার গলায় একটি সাদা কেপ পরিয়ে পিছনে বেঁধে দিল। তিনি তার কিট থেকে একটি চিরুনি তুললেন এবং আমার লম্বা চুল আঁচড়ানো শুরু করলেন তিনি অধ্যক্ষাকে জিজ্ঞাসা করলেন তার কি করা উচিত? প্রিন্সিপাল তাকে একটি শর্ট বব কাট করতে বলেন। তিনি তাকে নির্দেশ দিলেন যে প্রান্তটি কানের ঠিক নীচে হওয়া উচিত। সে মাথা নেড়ে জলের স্প্রে নিয়ে আমার সমস্ত চুলে জল স্প্রে করতে লাগল। আমি জোরে জোরে কাঁদতে লাগলাম আর মা আমাকে চুপ থাকতে বললেন।
তিনি কিছুক্ষণ আমার চুল আঁচড়ান এবং তারপর চিরুনিটি ব্যবহার করে আমার চুলের মাঝখানে ভাগ করেন। এর পর তিনি আমার মাথা নিচু করে পিছনের চুলগুলিকে আরও দুটি ভাগে ভাগ করে দিলেন। এখন আমার মাথার পিছনে চারটি অংশ ছিল এবং তিনি উপরের অংশগুলিকে মোচড় দিয়ে কেটে ফেললেন। তিনি নীচের অংশগুলিতে চিরুনি দিয়ে কাঁচি ধরলেন। তিনি একটি চ্ছিক আওয়াজ করলেন এবং আমি অনুভব করলাম কাঁচি আমার চুলের একটি ছোট অংশ কেটে দিয়েছে। আমি শুনতে পাচ্ছিলাম আমার চুল কেটে যাচ্ছে। তিনি আমার ঘাড় জুড়ে কাঁচি চালালেন এবং খুব ছোট করে ছাঁটলেন। আমি দেখতে পাচ্ছিলাম না কিন্তু আমার মাথা হালকা হতে শুরু করেছিল। তারপরে তিনি আরও কিছু অংশ নিয়েছিলেন এবং এটি কেটেছিলেন সাথে সাথে আমার চুল ছোট হচ্ছিল। আমি শুধু শুনতে পাচ্ছিলাম আমার চুল আরও বেশি করে কাটা যাচ্ছে। আমার মনে হয় ততক্ষণে উনি আমার পিঠের সব চুল কেটে ফেলেছেন। তারপরে তিনি বাকি চুলগুলিকে আমার কানের নীচে কাটা শুরু করেছিলেন। এখন আমার সমস্ত চুল কানের ঠিক নীচে সমান ছিল। তিনি সামনের দিকে হেঁটে এসে সামনের অংশে চিরুনি দিলেন। উনি কিছু জল স্প্রে করে আমাকে চোখ বন্ধ করতে বলল। সে সামনের অংশটা ধরে পেঁচিয়ে আমার চোখের স্তরে কেটে দিলেন।
হ্যাঁ, তিনি কপালের সামনে ঝুলে থাকা একটি ছোট অংশ কাটলেন। অতঃপর তিনি দৈর্ঘ্যের বাকি অংশ কেটে ফেলল যাতে সেগুলি আমার চোখের ভ্রুর ঠিক উপরে থাকে। আমার চুল কাটা হয়েছিল এবং আমাকে একটি বব কাট দেওয়া হয়েছিল। আমি আমার সুন্দর চুল হারানোর পর জমে গিয়ে হতবাক হয়ে বসেছিলাম বলে তিনি কাটা প্রান্ত কেটে শেষ করছিলেন। ঠিক যখন তিনি আমার কেপটি সরিয়ে আমার বান্ধবীকে ভিতরে আসতে বলতে যাচ্ছিলেন, শিক্ষিকার কাছ থেকে একটি প্রস্তাব আসে। কেন আমরা তার মাথা পুরোপুরি ন্যাড়া করছি না? একটি বব কাট এখন বেশ প্রচলিত এবং এটি একটি শাস্তিও নয়। সে এত খারাপ মানুষ ছিল, সে শুধু আমাকে কষ্ট পেতে দেখে আনন্দ পেত। প্রিন্সিপাল আমার মায়ের দিকে তাকালেন যিনি শুধু সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং প্রতিবাদ করেননি। কিছুক্ষণ পর তিনি বললেন, হ্যাঁ তাহলে পরের বছরের জন্যও কোনো ছোকরা তার কাছে যাবে না, এটাই পারফেক্ট। আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না সেখানে কি ঘটছে। আমি শুধু আবার কাঁদতে শুরু করলাম এবং প্রতিবাদ করলাম। আমি চিৎকার করছিলাম এবং বলেছিলাম আমি আমার মাথা কামাতে চাই না। কিন্তু প্রিন্সিপ্যাল বললেন, তাহলে অন্য স্কুলে যান যেখানে তারা আপনাকে চুল ছেড়ে রাখার অনুমতি দেয়। বছর শুরু হওয়ায় আমার কোনো বিকল্প ছিল না এবং সত্যি বলতে আমার মা তাদের পক্ষে ছিলেন।
সে নাপিতকে আমার মাথা পুরোপুরি মুড়িয়ে দিতে বলল। তিনি সম্মত হন এবং তার কিটের কাছে পৌঁছে যান। ফিরে এসে চিরুনিটা নিয়ে আমার চুল আঁচড়াতে লাগলো। সে নিজেকে অনুচ্চস্বরে বলছিল যদি তারা আমাকে খেউরি করতে বলত তাহলে আমাকে এটা কাটতে এত সময় দিতে হতো না। সে আবার স্প্রেয়ার নিয়ে আমার চুলে পানি ছিটাতে লাগল। এবার উনি অনেক পানি ছিটিয়ে দিল আর আমি ভিজে ভিজে যাচ্ছিলাম। তিনি আমার চুল বেঁধে দেননি যেহেতু এটি ইতিমধ্যে খুব ছোট ছিল। তিনি শুধু আমার চুলকে মাঝখানে ভাগ করেছেন এবং তার উভয় হাত ব্যবহার করে কিছুটা আলাদা করেছেন যাতে মাঝখানের লাইনটি স্পষ্টভাবে দেখা যায়। তিনি একটি ব্লেড ভেঙ্গে রেজারে ঢুকিয়ে আবার এর কব্জা এঁটে ফেললেন। তিনি বললেন মাত্র ৫ মিনিটেই শেষ হয়ে যাবে এবং আমি কাঁদতে লাগলাম। তিনি ক্ষুরটি ঠিক মাঝখানে রাখেন এবং আমার মাথার তালুর ছাল যেন ছাড়িয়ে ফেললেন। এটা খুব রুক্ষ ছিল, আমি অনুভব করি ক্ষুরটি আমার মাথা ন্যাড়া করছে। তিনি তখন আমার মাথাটা তার দিকে নিচু করে ক্ষুরটা মাঝখান থেকে সামনের দিকে টেনে আনল। আমার কোলের উপর কয়েকটা ছোট চুলগুচ্ছ পড়ে যাওয়ায় বুঝি আমার কপালের ঝালর চুল প্রথমে কামানো হয়েছিল। আমি আমার টাক মাথার ত্বকে ঠান্ডা হাওয়া অনুভব করলাম। আমি সম্ভবত সামনের দিকে টাক নিয়ে একটি বব কাটে ছিলাম। তিনি এরপর আমার আমার খুলির কেন্দ্র থেকে ঘাড় পর্যন্ত সবটুকু শেভ করলেন। আমি মাঝখানে সম্পূর্ণ টাক ছিলাম এবং পাশের চুল এখনও বাকি ছিল। তিনি ডান দিকে শেভ করতে শুরু করেছিলেন যথা আরো বেশি বেশি চুল কেপের উপর পড়েছিল। আমি আমার ডানদিকে সম্পূর্ণ টাক হয়ে গিয়েছিলাম। তিনি আমার কানের পিছনে শেভ করেছিলেন, আমার পাশের ঝুলপি সব। অব্যবহিত পরে তিনি একইভাবে আমার মাথার বাম পাশ কামালেন। এখন আমি আমার সাদা মাথার খুলি উন্মুক্ত হবার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে কামানো ছিল। একটি ছোট চুলও যেন অবশিষ্ট না থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি আমার সারা মাথায় আরও কয়েকবার ক্ষুরটি সম্পূর্ণরূপে চালান। আমি বিলিয়ার্ড টেবিলের একটি কিউবলের ন্যায় টাক ছিলাম।
তিনি আমার কেপটি সরিয়ে ফেললেন এবং আমি কাঁদতে কাঁদতে উঠে দাঁড়ালাম। আমি আমার শিক্ষিকা বা অধ্যক্ষ বা আমার মাকে দেখতে চাইনি। আমি অমনি সেই ঘর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে এসেছি। আমার বান্ধবীরা যারা বাইরে অপেক্ষা করছিল তারা আমাকে ক্লিন শেভড দেখে হতবাক হয়ে গেল। আমি ওয়াশরুমে গিয়ে কাঁদছিলাম। আমি আমার হাত দিয়ে আমার মাথা অনুভব করলাম। তাজা চাঁছা ছোট চুল এবং আমি কোনোক্রমে তাদের অনুভব করতে পারি। আমি আয়নায় তাকালাম এবং আমায় সম্পূর্ণ টাক দেখাল। আমি প্রথমে নিজেকে চিনতে পারিনি।
অব্যবহিত পর আমার অন্য বান্ধবীকে ডাকা হয়। তার মাও তাকে সম্পূর্ণ মুণ্ডন করাতে রাজি হন। তাই নাপিত সরাসরি তার মাথায় জল ছিটিয়ে দিল, দুই ভাগে ভাগ করল, দুই ভাগ তাদের চুল দিয়ে বেঁধে ন্যাড়া করল। তারাও কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে পড়ে। আমরা তিনজন ওয়াশরুমে মিলিত হয়েছিলাম এবং আমাদের সকলেরই মাথা সম্পূর্ণ মুড়ানো ছিল। আমরা একে অপরের দিকে তাকিয়ে কাঁদছিলাম। আমি আমার বাবা-মায়ের সাথে ১৫ দিন কথা বলিনি।
![]() |
এখন আমার চুল ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা দুই মাস হয়ে গেছে এবং আমি এখনও একটি ছেলের মত দেখতে নই। আমার চুলের বৃদ্ধি বেশ ধীর। আমি মনে করি আমার চুল ফিরে পেতে ৩-৪ বছর সময় লাগবে। আমি শুধু চাই আমার মা আমার ১০ম বোর্ডের জন্য আবার আমার মাথা ন্যাড়া না করে দেয়। তাহলে আমি আবার টাক হয়ে যাব এবং আরও ৩ বছর লাগবে।
বিদ্যালয়ে কেশমোচনের গল্প (পর্ব-১)
হাই, আমি নীহারিকা এবং আজ আমি তোমাদের আমার মাথা মুণ্ডানোর গল্প বলব। আমি ৮ম শ্রেণীতে পড়ি এবং আমি ছবি আঁকা পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সাথে পুনেতে থাকি। আমি একমাত্র সন্তান এবং আমার বাবা-মা বেশ কঠোর। তারা সবসময় চায় আমি পড়াশুনা করি এবং ভালো নম্বর পাই। কিন্তু পড়ালেখায় আমার অতটা আগ্রহ নেই, আমি শিল্প ভালোবাসি। আমি বড় হয়ে শিল্পী হতে চাই কিন্তু আমার বাবা-মা চান আমি একজন ডাক্তার হই।
যাই হোক, আমি একজন দীর্ঘাঙ্গী মেয়ে, লম্বাটে মুখ, পিঠের মাঝামাঝি চুল। আমার গাঢ় কালো চুল আছে, সোজা এবং যখন আমি রোদে বাইরে যাই তখন তা বাদামী হয়ে যায়। আমার মনে হয় আমি আমার মায়ের কাছ থেকে জিন পেয়েছি যার লম্বা চকচকে কালো চুল আছে। তাই যখন আমি সম্প্রতি সপ্তম শ্রেণীতে স্নাতক হয়েছি এবং ভালো নম্বর পেয়েছি। গ্রীষ্মের ছুটিতে আমি এবং আমার বন্ধুরা তাদের জায়গায় আড্ডা দিচ্ছিলাম এবং আমরা অষ্টম শ্রেণি কেমন হবে তা নিয়ে কথা বলছিলাম। যখন আমরা এটি সম্পর্কে কথা বলছিলাম তখন আমার বন্ধু আমার ভিন্ন স্কুল আমাকে বলেছিল যে ৭ম গ্রেডের পরে তাদের স্কুলে দুটি বেণী করতে হবে না এবং তাদের একটি পনিটেল হেয়ারস্টাইল করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাদের চুল খোলা রাখতে দেওয়া হয়নি কিন্তু তা ছাড়া তারা শুধু চুল বেঁধে যেতে পারত।
তাই ৭ম শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত মেয়ের জন্য তাদের চুল দুটি ভাগে বিনুনি করা, ফিতা বাঁধা এবং যে কোনও অবন্ধিত চুলে ক্লিপ লাগিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক ছিল। কারো না বাঁধা চুল থাকলে তারা রুলার দিয়ে আমাদের মারত। তাই প্রতিদিন সকালে মা আমাকে তার সামনে বসতে বলতেন। তিনি সুন্দরভাবে আমার চুল আঁচড়াতেন এবং দুই ভাগে ভাগ করতেন। তিনি উভয় অংশ শক্ত করে বেণী পাঁকাতেন এবং তারপর ইউনিফর্মের সাথে ম্যাচিং ফিতা জড়িয়ে দিতেন। তিনি তারপর এটি গেরো বাঁধতেন এবং পাশের শিথিল চুল ক্লিপে আঁটতেন। আমি প্রতিদিন সকালে এটা করতে নিরতিশয় অপছন্দ করতাম কিন্তু শাস্তি এড়াতে এটা করতে হতো।
এখন যখন আমার বন্ধুরা বলেছিল যে তাদের প্রতিদিন বিনুনি পরতে হবে না এবং বিভিন্ন চুলের স্টাইল করতে পারে তখন আমি খুব খুশি হয়েছিলাম যে আমিও এটি করতে পারি। তাই গ্রীষ্মের ছুটি শেষ হলে আমার চুল লম্বা, সোজা এবং চকচকে হয়েছিল। প্রথম দিন আমি এবং দুই বান্ধবী সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা পনিটেল উঁচু করে বেঁধে স্কুলে যাব। আমি আমার মাকে বলেছিলাম আমার চুল বেণী না করে শুধু একটা পনিটেল বাঁধতে। সে আমাকে বকাঝকা করতে লাগল এবং বলল তুমি এর জন্য শাস্তি পাবে। কিন্তু আমি তাকে বলেছিলাম যে আমার অন্য স্কুলের বন্ধুরা এভাবে স্কুলে যাচ্ছে এবং আমিও একই ভাবে যেতে চাই। তিনি সত্যিই রাগান্বিত ছিলেন কারণ তার মতে, পনিটেলটি ছাত্রীসুলভ দেখাবে না। আমি একগুঁয়ে ছিলাম এবং তাকে শুধু একটি পনি বাঁধতে বলেছিলাম। সেদিন আমি এবং আমার দুই বান্ধবী পনিটেইল নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম এবং হ্যাঁ আমাদের ভালো দেখাচ্ছিল।
সব ছেলেই আমাদের দিকে তাকাচ্ছিল কারণ আমাদের চুল লম্বা হয়ে গেছে এবং পোনিটা সত্যিই সুন্দর লাগছিল। অন্য সব মেয়েরা আগের মতোই তাদের চুল দুটি বিনুনিতে বেঁধে রেখেছিল। আমাদের তিনজনকে এত সুন্দর দেখে তারা সবাই ঈর্ষান্বিত ছিল। আমরা পাত্তা না দিয়ে ক্লাসের ভিতরে চলে গেলাম। শিক্ষিকা লক্ষ্য করলেন যে আমরা স্বাভাবিকের মতো দেখাচ্ছি না। তিনি আমাদের তিনজনকে উঠে দাঁড়াতে বললেন। আমরা অবিলম্বে জানতাম কেন তিনি এইটা করছিলেন। আমরা যখন উঠে দাঁড়ালাম তখন তিনি আমাদের জিজ্ঞাসা করলেন কেন আমরা অন্য মেয়েদের মতো চুল বেঁধে রাখিনি। পুরো ক্লাস আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসছিল কারণ তারা জানত যে আমাদের শাস্তি দেওয়া হবে। শিক্ষিকা আমার দিকে এগিয়ে এলেন ও আমাকে জোরে জিজ্ঞাসা করলেন কেন আমি আমার চুল বেণী করিনি এবং কেন আমি একটি পনি নিয়ে এসেছি। তিনি আরও জিজ্ঞাসা করলেন কেন তুমি নিজেকে অন্য মেয়েদের থেকে বিশেষ মনে করো?
আমি এই সময়ে ভয় পেয়েছিলাম কারণ আমাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। আমি তাকে বলেছিলাম যে অন্যান্য স্কুলে আমার বন্ধুরা বলেছিল যে তারা ৮ম শ্রেণী শুরু করার পরে তাদের চুল বেণী করতে হবে না। শিক্ষিকা খুব রেগে গেলেন এবং আমাকে হাত বের করতে বললেন। তিনি রুলার নিয়ে আমার হাতের তালুতে জোরে আঘাত করলেন। রুলারের চড় জোরে শোনা গেল যে পুরো ক্লাস আমার দিকে তাকিয়েছিল। আমি চিৎকার করেছিলাম কারণ এটি অনেক ব্যাথা করছে। তারপরে তিনি অন্য দুটি মেয়ের দিকে ফিরে জিজ্ঞাসা করলেন কেন তারা তাদের চুল বিনুনি করেনি। অন্য দুজন বলেছিল যে আমি তাদের আমার বন্ধুদের সম্পর্কে বলেছি এবং তাই তারা তাদের চুলও বিনুনি করতে চায় না। তাদের হাতের তালুতেও রুলার দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল।
আমাদের স্কুল খুব কঠোর ছিল এবং কোন কুব্যবহার সহ্য করত না। তাই শিক্ষক স্কুলের প্রিন্সিপালকে ডেকে আমাদের চুলের স্টাইল দেখালেন। অধ্যক্ষ ক্ষিপ্ত ছিলেন যে আমরা নিয়ম ভঙ্গ করছি। প্রিন্সিপালের একটি ছোট বব কাট লম্বা চুল ছিল একটু ধূসর এবং বেশিরভাগই কালো। আমি মনে করি না উনি তার চুলের প্রতি খুব একটা যত্নশীল। তিনি আমাদের ক্লাস থেকে বেরিয়ে আসতে বললেন। আমাদের ওয়াশরুমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল যেখানে তিনি শিক্ষিকাকে আমাদের পনি টেইল খুলে ফেলতে বলেছিলেন। শিক্ষিকা তার কথামত তা করলেন এবং এখন আমাদের চুল মুক্ত করে দেওয়া হল। তিনি শিক্ষককে দ্রুত আমাদের চুল বেণী করতে ও ফিতা দিয়ে বেঁধে দিতে বললেন। তাই তিনি নির্দেশ অনুসরণ করেন এবং এটি বেঁধে দেন। আমরা এটি ঘৃণা করি এবং আমার এক বন্ধু কথা বলে ওঠে যে অন্যান্য স্কুলের মেয়েদের বিভিন্ন চুলের স্টাইল করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে কিন্তু আমরা তা করি না। আমিও একই কথা পুনরাবৃত্তি করলাম কারণ আমি এই স্টাইলটি পছন্দ করিনি। প্রিন্সিপ্যাল আমাদের সাবধান করে দিয়েছিলেন যে তার সাথে এভাবে কথা না বলতে এবং তিনি বলেছিলেন যে সময় এলে তিনি এর জন্য আমাদের শাস্তি দেবেন।
তারপর তিনি আমাদের ক্লাসে পাঠালেন এবং আমরা ফিরে গিয়ে বসলাম। পরের দিন আমরা স্কুলে এলাম এবং সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। আমরা সাধারণ দিনের মতো স্কুলে উপস্থিত হয়েছিলাম। হঠাৎ অধ্যক্ষ আমাদের কেবিনে ডাকতে কাউকে পাঠালেন। সেদিন আমরা চুল বেণী করেছিলাম বলে আমাদের কেন ডাকা হচ্ছে তা আমরা জানতাম না। আমরা যখন তার ঘরে ঢুকলাম, সে আমাদের বাবা-মাকে ডেকেছিল। আমি দেখলাম আমার মা এসেছেন এবং আমার বান্ধবীদের মায়েরাও করেছেন। তক্ষণ প্রিন্সিপ্যাল তাদের বলেছিলেন যে আপনাদের মেয়েরা নিজেদের বড় মনে করে, তারা সমস্ত ছেলেদের সামনে ভাল দেখতে চায় তাই তারা নিয়ম ভঙ্গ করেছে। তারা অন্য সবার মতো শৃঙ্খলা মেনে চলেনি। আমাদের বাবা-মা আমাদের সমর্থন করেননি, পরিবর্তে আমার মা বলতে শুরু করেছিলেন যে সে মানে আমি প্রতিদিন আয়নার সামনে নিজেকে সাজানোর জন্য অনেক সময় ব্যয় করি। সে পড়ালেখা ইত্যাদির প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। অন্য সব মায়েরা তাতে সায় দিয়েছিলেন।
প্রিন্সিপাল তাদের কথা শুনে বললেন, আপনাদের মেয়েরা নিয়ম ভঙ্গ করেছে বলে আমি তাদের শাস্তি দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি প্রত্যেকের জন্য একটি শিক্ষা হওয়া উচিত যে তাদের কঠোরভাবে নিয়মগুলি অনুসরণ করা উচিত। তিনি বলেছিলেন যে তিনি স্থানীয় একজন নাপিতকে আমাদের চুল কাটার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। যখন তিনি তা বললেন আমার হৃদযন্ত্র প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। আমি তাকে সনির্বন্ধ অনুরোধ করতে লাগলাম যে আমি প্রতিদিন আমার চুল বেণী করব এবং তাকে আমার চুল না কাটতে বললাম। আমি আমার মাকে প্রিন্সিপালকে একই কথা বলতে বলেছিলাম। আমাকে অবাক করে আমার মা প্রিন্সিপালকে সমর্থন দিতে শুরু করলেন। তিনি বলেন যে সে যাইহোক আমার চুল কেটে ছোট করার পরিকল্পনা করছিল তাই এটি আরও ভাল। অন্য সব মায়েরা সম্মত হয়েছেন যে তাদের মেয়েদের চুল কাটা যাবে। আমরা সবাই কাঁদতে শুরু করলাম এবং একবার আমাদের ক্ষমা করার জন্য মিনতি করছিলাম। এদিকে কেউ একজন বললো নাপিত এক্সট্রা রুমে রেডি।
{চলবে…}
Saturday, May 1, 2021
লকডাউন চলাকালে হোস্টেলে ছেলে বন্ধুকে দিয়ে চুল কাটানো
সায়ন ও মেধা কলেজের তরুণ ছাত্রছাত্রী। দেশব্যাপী লকডাউনের কারণে কলেজটি বন্ধ রয়েছে এবং বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বাড়িতে চলে গেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, কিছু ছাত্র সময়মতো চলে যেতে পারেনি...তারা থেকে গেছে...এখন ছুটি চলছে...তাই কোনো ক্লাস নেই...এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে একটা ছোট কমিউনিটি তৈরি হয়েছে... চলুন শুরু করা যাক
১ম দৃশ্য
সায়ন এবং মেধা মেস হলে দুপুরের খাবারের জন্য দেখা করে। (ইতালিক্সে হল সায়ন, স্বাভাবিক ফন্টে হলো মেধা)
– ওহ হো আবার সেম মেনু, সেই খিচুড়ি, এই নিয়ে ৪ বার হলো এই সপ্তাহে।
– আর বলিস না। এই যা পাচ্ছিস তাই খা।
বাইরে দেখছিস তো কী হাল!
– তা ঠিক কিন্তু এক জিনিস খেয়ে খেয়ে আর ভাল লাগে না। সেই এক রুটিন আর পারছি না।
– যারা আছে তারা এই ছাড়া আর বোধহয় কিছুই আর জানে না… আমারও পেটে চাটা পড়ে যাচ্ছে একই একই খাবার খেতে খেতে।
– আরে শুধু খাবার নয়… রোজ দেখ, ঘুম থেকে উঠে, খেতে আসি… আবার ঘুমাই… উঠে খাই… একটু খেলে, দৌড়িয়ে আবার একটু পরে… খাই আর ঘুম লুকস লাইক রোবট হয়ে যাচ্ছি।
– সিরিয়াসলি এ্যাক্টিভিট ইজ লিমিটেড। মানে আর কি বলব। তুই ওয়েট পুট অন করবি না যা খাবার এদের। বেশি খাওয়া যায় না।
– খেলেই বা কি…থোড়ি এখন কালকে কোনো পার্টিতে যেতে হবে?
– তুই দিতেই পারিস। তোর বার্থডে ট্রিট ডিউ আছে কিন্তু ভুলিস না।
– বার্থডে ট্রিট এখন! দাড়ি কামানোর নাপিত পাওয়া যাচ্ছে না, আর এখন নাকি বার্থডে কেক পাওয়া যাবে? কি যে বলিস?
– হা হা। একদম ঠিক বলেছিস… যা আকাল এলো…মেয়েদেরও মোচ বেরোচ্ছে। 😉 দাড়ি বাড়িয়ে রবীন্দ্রনাথ হয়ে যা।
– দেখ সব মেয়েদের বেরোচ্ছে না। তোর কেন বেরোচ্ছে সে আমি জানি না। 😛
– শাট আপ আমার অত নেই। এমনিতেও করে নেব!!
– কী করবি?
– দেখছি… নিজে থেকে বাবা আমি পারি না… পায়েলকে বলে দেখব।
– তুই কী শেভ করার কথা বলছিস? ফেস শেভ করতে হলে বলিস, আমরা তো প্রায়ই করি। 😜
– পাগল… আই মীন্ট আপার লিপস্টিক! উফফফ!! মেয়েরা নাকি শেভ করবে… অত গাধা না আমি।
– তুই তো বললি…
– আমি বললাম আপার লিপস। নট শেভ রে বাবা!! তুই রবীন্দ্রনাথ হয়ে ঘুরে বেড়া। 😁
– ঠিক আছে, ভুল হয়ে গেছে…
– দাড়ি লম্বা হলে আমি তোকে একটা গার্ডার দেবো…বেঁধে ঘুরিস।
– দাড়িটা সমস্যা নয় রে। চুল তো জঙ্গল হয়ে যাবে মনে হচ্ছে।
– হা হা তা ঠিক দেখ কতদিন চলে, আমাদের ক্যাম্পাসে ঐ এক নাপিত ছিল না? ও নেই?
– ও কাকা প্রথম দিনই হাপিস…বুদ্ধি আছে, এমনি নাপিত থোড়ি হয়েছে।
– ওহঃ! অলরেডি টা টা বাই বাই? তাহলে তো আমার হেয়ার ব্যান্ড নিয়ে নিস। 😉 জানি না ক দিন চলবে এটা! কিছু বলল রে? অলরেডি এত দিন হচ্ছে।
– বোঝা যাচ্ছে না, যা মনে হয় এখন অনেক দেরি… আমি তো একটু ট্রান্সপোর্ট শুরু হলেই পালাব। তুই কী করবি?
– আমার তো সব মামা বাড়িতে গিয়ে বসে আছে, আমাকে গেলে মামা বাড়ি যেতে হবে।
– হুম…রিস্ক আছে।
– তাই তো চিন্তা। দেখি কী হয়! আপাতত এখানে তো কাটাই দিনগুলো। গরমও বেশ পড়েছে।
– তোর একটা হেয়ারব্যান্ড দিস, এবার লাগবে।
– দেখি… না। আর একটু বড় হলে দেবো!! ওই ৩ উইকসে আই থিঙ্ক।
– খুব মজা না…এমনি লম্বা চুল বলে, কোনো ডিফারেন্সই বুঝছিস না।
– আমারটাও বেড়েছে একটু…বেশি না।
– তুই আর বুঝবি কী? বছরে একদিন তো কাট করাস।
– কে বলল তোকে? ওরম হলে চুল আমার হাঁটু অব্দিই হতো।
– একটা কথা বল, যদি ওরম হয়, হোস্টেলে নাপিত কাকাকে অত গাল কেন দেয়া হচ্ছে? আর ঐ পার্লার দিদিকে নয়! – পার্লার এ তো এ্যালাউডই না কি করবে? পার্লারে মেশিনগুলো লাগে যেটা ক্যারি করতে পারবে না। মেয়েদের তো শুধু হেয়ারকাট আর আপারলিপস হয় না। অন্য অনেক কিছুই প্যাম্পার করে…হি হি।
– যাই হোক, তোর কি এখন কাটিং করার প্ল্যান ছিল?
– অত কি লম্বা হয়েছে রে? দেখ।
– সে আমি কি করে জানব! হলেও বা কী, কে কাটবে?
– তুই আগে আমার চুল দেখিসনি নাকি? ন্যাকামো না তোর!
– আচ্ছা ঠিক আছে; অনেক লম্বা হয়েছে। এবার কাটবি? কী কাটবি বল?
– থাক লম্বা কাটার দরকার নেই। হি হি…দেখি লাগলে বলব কোনো মেয়েকে।
– আমি কি কেটে দিব? 😛
– আচ্ছা? খুব শখ না? কেটেছিস কারোর? শুনি তো বাবু আগে
– সে তো লকডাউন…এ ও আগে কোনো দিন থাকে নি, তোরটা থেকেই শুভারম্ভ করি।
– আচ্ছা…আমি হলাম ল্যাব র্যাট? বাহ বাহ!! খুব আনন্দ মনে তোর
– 😁
– উমম ট্রিম করাতে পারি দৌ…বাট সত্যি তুই পারবি?
– আমি জানি না…সত্যি কথা বলতে করিনি কোনোদিন…বাট না পারারও কিছু নেই।
– আচ্ছা…ক্রাফটে কেমন ছিলিস? তা বল আগে ওখান থেকে বুঝব।
– এ+ তো পেয়েছি।
– তাহলে তো ঠিক ঠাক করতে পারা উচিত।
– তাহলে কি তুই সিরিয়াস?
– হ্যাঁ সিরিয়াস…কতটা কাটবি? বলেই টার্নড এরাউন্ড…বেণীটা তোমার সামনে।
– সেটা পরে হবে, আগে বল কাটব কোথা? রুমে তো যাওয়া যাবে না, একজন অপরের রুমে যাওয়া বারণ…
– আচ্ছা…আমাদের ঐ মিউজিক রুম? সেটা তো খালি থাকেই।
– নোংরা হবে। ওপেন জায়গা চাই। টেনিস কোর্ট বা ফুটবল মাঠে?
– সব হা করে দেখবে রে…
– কত জনই বা আছে? আর দেখলে নাহলে আমার কিছু আর কাস্টমার হবে! 😛
– ওহ অলরেডি প্রমোশনের প্ল্যান? বিজনেসম্যান!!
– তুই কাঁচি নিয়ে চলে আয় বিকেলে, আর চিরুনি অবশ্যই…আর কি লাগবে তুই দেখে নে…আমার খাওয়া শেষ। আমি গেলাম ঘুমাতে।
–আচ্ছা…দেখা হবে…টেনিস কোর্টে।
২য় দৃশ্য
সন্ধ্যা, মেধা ইতিমধ্যেই কোর্টে অপেক্ষা করছিল।
– আমি ভাবলাম, তুই আসবি না।
– কই রে… এত লেট? শুধু ঘুমই আমি আগেই এসে ওয়েট করছি।
– স্যরি…এনেছিস সব?
– মেধা ব্যাগটা দেখায়…আছে!!
– তো কতটা কাটবি? বেণীটা খোল এবার…
– দাঁড়া বলেই ও ব্যান্ডটা খোলে…এই নে তোর জন্যে…ঝুঁটি করিস…কী নাপিত! চুল ক্লায়েন্টকে দিয়ে খোলাচ্ছে!!
– আরে ক্লায়েন্টের অওকাত দেখে নাপিত কাজ করায়। 🤪
বল বল, কতটা কাটব?
– ট্রিম করাব ভেবেছিলাম… হোয়াট ডাজ মাই নাপিত সাজেস্ট?
– নাপিত ইজ কনফিউজড…মাগো আমার। ট্রিম কাট আদি না বলে, হাত দিয়ে দেখাও কতটা কাটব।
– দাঁড়া…বেণীটা খুলি।
– (আঙ্গুল পাস করল, বেণী দিয়ে…চুলটাকে আলাদা করার জন্যে…) বাবা রে, চুল নাকি অন্য কিছু!
– কেন রে? চুল কি আমার? আগে ধরে টানতিস…তখন মনে নেই?
– টানতাম বলেই তো ভালো হয়েছে। বল কতটা কাটব…তাড়াতাড়ি। এরপর খেলতে যাব।
– নিচ থেকে কেটে দে না একটু। এত চিন্তা কিসের!! ঠিক করে কাটবি… সোজা করে।
– (কনুইয়ের কাছে হাত রেখে বলল) এতটা কাটব?
– আচ্ছা ঠিক আছে…কাট…ঠিক করে কিন্তু।
– ঠিক আছে… আমি চিরুনি ধরলাম, আর তোকে উল্টো করে দিলাম…চুলটা মাথার সামনে থেকে পিছনে আঁচড়াতে শুরু করলাম।
– ভালো করে আঁচড়াস…আরাম হয়।
– তুই দাঁড়িয়ে থাক। নড়িস না…(চুলটা নিচের দিকে আঁচড়াতে আঁচড়াতে বলল)
– কতটা লম্বা হলো রে?
– আর একটু লম্বা হলে, কোমর ঠেকত।
(সায়ন চুলটা আঁচড়ে কাঁচি ওঠাল।)
(মেধা দাঁড়িয়ে দেখে আশেপাশে একটা দুটো মেয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে।)
– কাঁচিটা কনুইয়ের কাছে রাখল, কিছু চুল কাঁচির ফলার মধ্যে…
– সাবধানে কাটিস সায়ন।
– নড়বি না একদম…
– কাচছচছচ…ছছচ…
(চুলের একটু গোছা টেনিস কোর্টে পড়ল…)
– মেধা নিঃশ্বাস ছাড়ল…আওয়াজ পাচ্ছে…কাটার
– ছছছচ…কাছচছচ…চচ কাটিং চলছে।
(কোর্টের মধ্যে একটা গোছা জমা হয়ে গেল, যেটা আস্তে আস্তে ছড়াচ্ছে হাওয়ার জন্যে…)
– লেংথটা কাটা হয়ে গেছে, এবার একটু শেপ ঠিক করি…
– বাবা… শেপ… উফফ! প্রো হয়ে গেলি তো……
– বামদিকটা একটু কাটলাম…তো শেপ আপ…নে দেখ মেধা, ঠিক আছে?
– আই গিভ ইউ মাই ফোন…ফটো তুলে দেখা।
– এই দেখ…
– তুই ই তো বললি।
– এলবো বললি তো? কতটুকুন করে দিলি…উফফ।
– ঐ এরর হয় তো জানিস, সব এক্সপেরিমেন্টে…ভাল লাগছে কি?
– হাঁ ঠিক আছে… লকডাউনে আবার বেড়ে যাবে। নো চাপ…থ্যাংক ইউ মিঃ নাপিত।
– তাহলে চাপ কিসের, বাড়িতে তো যাচ্ছিস না, যে ঝাড় খাবি।
আবার লাগলে বলিস, আবার কেটে দেবো। 🙂
– হা হা নিশ্চয়ই যা করেছিস। আই গেস কিছু… অনেক মাস না কাটলে চলবে।
– ছো আমি পালালাম, খেলতে…তুই এই চুলগুলো ফেলে দিস। এইখানে পড়ে থাকলে, কেস খাব দুজনেই।
– যাওয়ার সময় ডাস্টবিনে ফেলে দে না… আমি যাচ্ছি অই শম্পাদের দিকে। প্লিজ প্লিজ প্লিইইসস।
– তুই রেখে দে, প্যাক করে, আমি পরে ফেলে দেবো।
আমি কাটলাম, টাটা…ডিনারে দেখা হবে।
– আচ্ছা টাটা… মেধা চুল জড়ো করতে লাগল… আর নিজের চুলে হাত দিয়ে দেখল।
Saturday, January 2, 2021
লকডাউনের সময় চুল কাটা
Saturday, October 31, 2020
প্রেম করবার শাস্তি দিলো মা
হাই বন্ধুরা আমি কান্তা। ৯ম শ্রেণিতে পড়ার সময় একবার মা আমাকে ন্যাড়া করে দিয়েছিল। কেন? আজ তোমাদের সেই গল্প বলব। ক্লাস এইটে থাকতেই আমার টিউশন ক্লাসের একটা ছেলের সঙ্গে বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়, ওর নাম ছিল ঋভু। তখন ছেলেটি অন্য স্কুলে পড়ত কিন্তু টিউশন পড়ত আমার স্কুলের ব্যাচের সঙ্গে। ক্লাস নাইনে উঠে ও আমাদের স্কুলে ভর্তি হলো এবং কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের বন্ধুত্ব প্রেমে রূপান্তরিত হয়। যেদিন ও আমাকে প্রপোজ করে সেদিন আমি এক্সেপ্ট করার পরপরই ও জোর করতে থাকে যে স্কুল ছুটির পর ও আমাকে বাড়ি অবধি দিয়ে আসবে। তো যেমন ভাবা তেমন কাজ। এভাবে কয়েকদিন ও আমাকে বাড়ি ড্রপ করে দিয়ে আসাতে আমার মায়ের সন্দেহ হলো; মা আমাকে জিজ্ঞেস করল ছেলেটা কে রে? কোথায় থাকে? আমি বললাম ক্লাসমেট কিন্তু কোথায় থাকে বললাম না।
ঋভুর বাড়ি ছিল স্কুলের থেকে উত্তরে ১ কিলোমিটার দূরে আর আমার স্কুলের থেকে দক্ষিণে ১ কিলোমিটার দূরে। মানে পুরো বিপরীত দিকে। যা হোক আমার মা কয়েকদিন আমাকে নামিয়ে দিয়ে ঋভুর উল্টো দিকে সাইকেল ঘোরানোতেই আন্দাজ করতে পারলেন ঋভুর বাড়ি উল্টোদিকে কোথাও। আর আমার আরেক ছেলে ক্লাসমেট থেকে জিজ্ঞেস করে পুরো নিশ্চিত হলেন। এমনকি এটাও বুঝতে পারলেন আমার আর ওর মধ্যে কিছু একটা চলছে।
একদিন স্কুল ছুটির পর আমি আর ঋভু চড়কের মেলায় গেলাম সেখানে ঘোরাঘুরির পর ও আমাকে আইসক্রিম কিনে দিলো; আমরা দুজনে দাঁড়িয়ে আইসক্রিম খাচ্ছিলাম তো হঠাৎ করে মা আর পাশের বাসার কাকী আমাদের দেখতে পেয়ে যান। যদিও তারা আমাদের দেখে কিছু বলেননি। ঋভু যদিও তাদের দেখতে পেয়ে আমার হাত ধরে টেনে এনে অন্য দিকে নিয়ে যায়, এমনকি বাসায় ফেরার পরও মা আমাকে এ নিয়ে কোনো বকাঝকা করেনি। অন্য আরেকদিন আমি ও ঋভু স্কুল পালিয়ে সিনেমা দেখতে বাজারের হলে গিয়েছিলাম এবং দুর্ভাগ্যবশত ঐদিনও আমার মা ও ছোট ভাই আমাদের হল থেকে বেরোনোর সময় হলের গেটের পাশে এসে পড়ে। এবার আমার মা চরম ক্ষেপে গেল কিন্তু সেদিন রাতেও আমায় কিছু বলল না।
কিছুদিন পরের ঘটনা আমার স্কুলের এক বান্ধবী জিনিয়া ওর বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে পালিয়ে ওর বয়ফ্রেন্ডের ঠাকুরদার বাড়ি চলে গেল। যথারীতি পাঁচ কান ঘুরে এটাও আমার মায়ের কান অবধি পৌঁছাল। তারপরই আমার মা সিদ্ধান্ত নিলেন আমার ডানা ছাঁটতে হবে। অবশ্য ডানা না থাকায় আমার চুলই লক্ষ্যে পরিণত হলো।
তো একদিন স্কুল যাবার আগে চান করে আমি নিজের চুল শুকোচ্ছি আর আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আঁচড়াচ্ছিলাম। নিজের চুলকে আমি যথেষ্ট যত্ন করতাম, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করতাম চুলে শ্যাম্পু ও তেল দিয়ে আঁচড়াতে যদিও আমার মা এত সময় ড্রেসিং টেবিলের সামনে কাটানো মোটেও পছন্দ করত না। তো দেখলাম আমার ছোট ভাই যে কিনা আমার মাত্র দু বছরের ছোট এক দৃষ্টিতে আমার চুলের পানে তাকিয়ে আছে। আমি অবাক হয়ে ওকে জিজ্ঞেস করলাম এই এমন করে কি দেখিস??
ও আমার চুলের গোছা হাতে নিয়ে বলে- কিছু না রে দি, তোর চুল দেখি!! তোর চুল দেখলে মনে হয়, ‘চুল তার কবে কার বিদিশার নিশা’ এই বলে খিলখিল করে হেসে উঠল।
আমি ওর গাল টেনে ধরে বললাম চুপ কর তো, আমার চুলের আগা ফেটে যাচ্ছে।। মাঝে মাঝে কি মন চায় জানিস? আহ্লাদী কণ্ঠে বলি।
ও বলল- কি মন চায় তোর?
আমি নিজের মাথার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে বলি- মন চায় বেল মাথা হয়ে যাই, আবার নতুন চুল গজাবে, তখন খুব সুন্দর চুল হবে। হি হি হি।
ও আমার চুলে হাত বুলিয়ে দিয়ে বিড়বিড় বলল- তথাস্তুঃ তোর মনোবাসনা পূর্ণ হোক। তারপরই আমি যাতে বুঝতে না পারি তাই বলে: কি সিল্কি চুল তোর!
আমি বলি- সিল্কি না ঘোড়ার ডিম, এই শোন না, আমাকে হাজার দেড়েক টাকা দিতে পারিস? আর আমার জমানো কিছু টাকা দিয়ে চুলগুলো রিবন্ডিং করবো।
ও মুহূর্তে মুখ কালো করে বলল- দুই হাজার তো দূরের কথা দুই টাকাও নাই। বাবা তো আমাকে টাকা দিতেই চায় না মা-ও এখন আর মাসিক হাতখরচ দিতে চায় না যা দেয় দৈনিক হিসাবে।
সেদিন রবিবার। ক্লাস ছিল না। আমি কালো দেখে একটা কামিজ আর ডিপ ব্লু পাজামা পরে টিউশনির নাম করে ঋভুর সঙ্গে জাদুঘর দেখে বাড়ি ফিরলাম। বাড়ি এসে দরজায় টোকা দেবার সঙ্গে সঙ্গে দরজা খুলে মা আমাকে ঠাস করে একটা চড় মারল। আমি হকচকিয়ে বললাম কি করছ মা? মারছ কেন?
- মার তো তোর উচিৎ পাওনা নয়। আয় তবে।
এই বলে আমার হাত ধরে টেনে ছাদে নিয়ে চলল। আমার ভাই আগেই ছাদে দাঁড়িয়ে ছিল। ছাদে একটা জায়গায় প্লাস্টিকের চট ও তার উপর চৌকি ও পিঁড়ি পাতা ছিল আর দুটোর মাঝখানে কাঁচি ও রেজার। দেখে আমার আর কিছু বুঝতে বাকি থাকল না। মা আমাকে পিঁড়িতে বসিয়ে কাঁচি দিয়ে আমার চুল বাঁধা অবস্থাতেই কাটতে লাগল। আর আমার ভাই সেটা ভিডিয়ো করতে লাগল। আমার বেশ মজা লাগছিল কারণ এমনিতেই গ্রীষ্মকালে গরমে ঘামে আমার চুল ভিজে মাথা ব্যথা করত। তাছাড়া সারাদিন স্কুল-টিউশন-বাড়ি-বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে টো টো করে বেড়ানোতে আমার মাথার ঘাম ও রাস্তার ধুলোকণা মিলে মাথায় খুশকি হয়ে গেছিল আর ডগাচেরা তো ছিলই। তাই ন্যাড়া করলে আমার মাথাও ভারমুক্ত হবে আর নতুন ভালো চুলও হবে। আমি আমার ছোটভাইয়ের ফোনের দিকে তাকিয়ে ভেংচি কাটলাম ও মিটিমিটি হেসে পরে কান্নার অভিনয় করতে লাগলাম।
মায়ের যদিও সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই। মা আমাকে শাস্তি দেবার বাসনায় উদ্বেল হয়ে আছে। মা আস্তে আস্তে আমার মাথার চুলগুলো বাঁধা অবস্থায় সেগুলোর গোড়া মুঠোয় টেনে টেনে কাঁচি দিয়ে কাটতে লাগল। মোটামুটি ১৫ মিনিটেই আমার মাথা থেকে চুলের বোঝা নেমে গেল। হাল্কা হাল্কা বাতাস মাথার ত্বক ছুঁয়ে যাচ্ছে। তারপর আমার ভাইকে ইশারা করতেই ছাদের গাছে জল ঢালবার ঝাঁঝরি এগিয়ে দিলো। আমার মা তখন তা থেকে জল ঢেলেই আমার মাথা ভিজিয়ে দিয়ে ভালো করে রগড়াতে লাগলেন যাতে চুলের গোড়া অবধি ভিজে।
এরপর বাবার দাঁড়ি কাটার ক্ষুরটা থেকে পুরনো ব্লেড বের করে নতুন ব্লেড ঢুকালেন। এবার খুব সাবধানে ক্ষুর টেনে টেনে অবশিষ্ট এলোমেলো অসমান করে কাটা চুলের সৎকার করতে লাগলেন। স্কর… ছর… ছর… শব্দে আমার মাথার তালু হতে মেরুদণ্ড শিহরিত হতে লাগল। বিকেলের রোদের মৃদু আঁচ আবার মুড়ানো মাথায় লাগছিল তবে হাল্কা বাতাসের ছোঁয়ায় সেটা বেশ সহনীয় ছিল। এভাবে আমার মা মাথার মাঝখান থেকে কপালের শেষের হেয়ারলাইন পর্যন্ত ঝটপট ক্ষুর দিয়ে কামিয়ে ফেললেন, এরপর ডানপাশে, বামপাশ এবং পিছনে কামালেন। সব ছোট ছোট দলাপাকানো চুল আমার ঘাড়ে, কোলে, কাঁধে ঝরে পড়তে লাগল। আমার মা আমার মাথার কামানো জায়গা ধরে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মুড়াচ্ছিলেন। উন্মুক্ত ত্বকে মায়ের হাতের ছোঁয়ায় আমার বেশ লাগছিল। এরপর কামানো শেষে মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে কি যেন ভাবলেন তারপর ছোট ভাইকে বললেন বাথরুম থেকে যেন শ্যাম্পুর বোতলটা নিয়ে আসে। আমার শুনে বেশ ভাল লাগল। ও শ্যাম্পুর বোতল নিয়ে এলে মা আমার মাথায় আরেকটু জল দিয়ে, বোতলের মুখ খুলে অল্প খানিকটা শ্যাম্পু নিয়ে পুরো মাথায় মাখিয়ে দিলেন। তারপর আরেকবার মাথার পেছন থেকে মাঝখানে, কানের পেছন থেকে মাথার মাঝখানে ও উঠে গিয়ে পেছনে দাঁড়িয়ে মাথার সামনে থেকে মাঝ পর্যন্ত কামালেন।
এবার আমার মাথা পুরো তকতকে টাক হয়ে গেছে। আমার মা পুরো মাথায় হাত বোলালেন। আমার ভাইও ভিডিয়ো থামিয়ে এগিয়ে এসে মাথায় হাত বোলায় ও একটা চাঁটি মারে। আমি ওর দিকে রাগী চেহারা করে ঘুরে তাকাতেই ও আমার ছবি তুলে হাসতে থাকে। আমাদের মা ওকে ধমকে দিয়ে আমাকে বলল যা চান করে আয়, আমি টেবিলে খাবার রেখে দিয়েছি; চান সেরে খেয়ে নিস। আমি চান করতে ঢুকে বেসিনের আয়নায় নিজের সদ্য মুড়ানো মাথা দেখতে লাগলাম, মাথায় বেশ কয়েকবার হাত বোলালাম। বেশ আনন্দ লাগছিল ও এরপর শাওয়ার ছেড়ে দিলাম আর তখনই এলো দুর্ভাবনা। কাল স্কুল গেলে কি হবে?
পরদিন আমাকে স্কুলে যেতে হয়েছিল তবে আমার মা আমাকে ক্যাপ বা স্কার্ফ কিছুই পরতে দেয়নি। মা আমাকে খোলা মাথায় স্কুল যেতে বলেছিল। তবে আমি স্কুল যাবার পথে একটা সাদা ক্যাপ কিনে নিলাম। আমি স্কুলে যাবার পর আমার সহপাঠীরা আমার ক্যাপ খুলে ইয়ার্কি ঠাট্টা করতে লাগল এবং আমার মাথা ছুঁয়ে দেখছিল ও বারবার হাত বোলাচ্ছিল। আমার ঋভুর সামনে যেতে ভয় করছিল। যখন ঋভু আমাকে দেখল সে বিস্মিত ও বিব্রত হয়েছিল। আমি ওকে দেখে হাসলাম। ও তখন কিছু না বলে ঘুরে ওর বেঞ্চিতে গিয়ে বসল। আমি ওর এমনটা করায় ভীষণ দুঃখ পেলাম যে আমি ফার্স্ট পিরিয়ডের পর ওয়াশরুমে গিয়ে কাঁদলাম। টিফিন পিরিয়ডে অন্য দিনের মতো আমার কারো সঙ্গে বসে টিফিন করতে ইচ্ছা করল না তাই আমি আমার টিফিন বক্স হাতে সিঁড়ি বেয়ে উঠছিলাম এমন সময় হঠাৎ করে সুরেশ আমার হাত হ্যাঁচকা টান দিয়ে ল্যাবরেটরি রুমে টেনে বলে কি হয়েছিল? কেন এমনটা হলো আমায় বলো? আমি ওকে সব বলতে বলতে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেললাম আর ও আমার ন্যাড়া মাথায় হাত বুলাতে থাকে। এরপর চোখ মুছিয়ে আমার ন্যাড়া মাথায় চুমু খেয়ে বলে কোনো ব্যাপার না; তোমাকে ন্যাড়া মাথাতেও দারুণ লাগে।
এর দু হফতা পর গরমের ছুটি পড়ে যায় আর ঋভুঞও তখন আমাকে সাথে নিয়ে নাপিতের দোকানে ক্লিপার দিয়ে ন্যাড়া হয় যদিও ও ক্ষুর দিয়েই করাতো তবু আমি বলায় ক্লিপার দিয়েই করিয়েছিল।
Sunday, August 9, 2020
মা এলো নাপিতের দোকানে
Monday, July 27, 2020
একটি মেয়ের গল্প
বিয়ে হবে না শুনে দুঃখে মরে যেতে ইচ্ছে করছিল । বরাবরই মা হওয়ার বাসনা আমার। মায়েদের স্কুলে যেতে হয় না , সকাল সন্ধ্যে পড়তে বসতে হয়না, পরীক্ষা দিতে হয়না । একটু রাঁধো বাড়ো, ঘরদোর পরিষ্কার করো আর ঠাকুর দাও…এই তো মায়েদের কাজ। কি আরাম। স্কুল থেকে ফিরে দেখতাম মায়ের সব কাজ শেষ…সামনের বারান্দায় আরাম করে বসে চালটাল বাছছেন আর কাকিমাদের সাথে গল্প করছেন। আমাকে দেখেই মা উঠে পড়তেন আর আমার সবচেয়ে খারাপ লাগা কাজটা করতেন…ভাত বেড়ে দিতেন। খাওয়া দাওয়া আমার অসহ্য লাগতো। কিন্তু নিস্তার নেই …খেতে তোমাকে হবেই তিনবেলা। নিজে কিন্তু প্রায়ই রাতে খাচ্ছেন না..কিন্তু আমার বেলায় ওটি হবার জো নেই। ভাবতাম আমি যখন মা হবো তখন খাবই না…কোনদিনও খাবো না। কেউ বকার থাকবে না বা জোর করে খাইয়ে দেওয়ারও থাকবে না..কি মজা। কিন্তু মা টা হবো কি করে ? বিয়েই তো হবে না শুনলাম ।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখতাম…বিশেষ করে নাক আর চুলটা। নাক ভর্তি দেখে খুব কষ্ট হতো…হে ভগবান, তুমি একি করলে ? এতো সর্দি দিলে কেন ? দেখো এখন আমার বিয়ে হবে না। কাঁধ উঁচু করে চুল টেনে সামনে আনার চেষ্টা করতাম। সে তো মগডালে উঠে বসে আছে। দুদিন বাদে বাদেই মেপে দেখতাম কতটা লম্বা হলো। যেই কে সেই। মনে দুঃখ নিয়ে পড়তে বসতাম। পড়ায় মনে নেই… খাতায় , টেবিলে , বইয়ে , দেওয়ালে শুধু একটা মেয়ের ছবি আঁকতাম ..শাড়ী পরা , মস্ত একটা খোঁপা আর কপালে টিপ। নিজেকে ওরকম দেখতে চাই কিন্তু মায়ের জ্বালায় সেটি হবার নয়।
পরের গ্রীষ্মের ছুটি আসতেই আমার বুক ধুকপুকু করতে লাগলো..কি জানি কোন রবিবারে নাপিত আসে আর আমার লম্বা চুলের স্বপ্নে ক্ষুর চালায়। এক একটা রবিবার আসে আর আমার টেনশন বাড়ে। রবিবারে তো সকাল হলেই পেট ব্যাথা করছে বলে আমি বিছানায় শুয়ে থাকতাম। তারপর একদিন সেই দুঃস্বপ্নের রাত এলো…মা বাবাকে বললেন..কাল নিতাই নাপিতকে খবর দিও তো। পড়ার টেবিলে বসে আমি শুনতে পেলাম। মনে হলো বেঁচে থেকে আর কি করবো..যার বিয়ে হবে না তার আর কি জীবন ? সারাজীবন পড়াশোনা করার চেয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া অনেক ভালো। তবে নিরুদ্দেশ হওয়ার আগে একটা শেষ চেষ্টা করবো। বাবার সাথে আলোচনা করবো। রাতে খাওয়ার পর মা যখন রান্নাঘর গোছাচ্ছেন তখন বাবাকে একা পেয়ে বললাম…বাবা , চুল আমি কাটবো না। বাবা বই পড়তে পড়তে বললেন ..কেটো না। আমি তো অবাক। এত সহজে আমার জিৎ হয়ে গেল !!!! লাফিয়ে বাবার কোলে উঠে বললাম…সত্যি ? হ্যাঁ সত্যি । আমার যে কি আনন্দ হলো কি বলবো। বাবার কানে কানে চুল না কাটার কারণটা বললাম। বাবা হো হো করে হেসে উঠলেন। ওওওওও এই কারণে তুমি চুল কাটবে না ? আর সর্দি র ব্যাপারে কি ভেবেছ ? বললাম ..একটা আইডিয়া বের করেছি..রুমাল দিয়ে নাকটা ঢেকে রাখবো…কেউ টের পাবে না।
সেদিন ঘুমিয়ে পড়লাম নিশ্চিন্তে । স্বপ্নও দেখলাম বোধহয় … বেনারসী পরে, বড় একটা খোঁপা বেঁধে নাকটা রুমাল দিয়ে ঢেকে আমি খাটে বসে আছি আর সবাই এসে আমাকে দেখছে আর উপহার দিচ্ছে । সকাল হলো । মা ঘুম থেকে ডেকে তুললেন । ওঠো, নিতাইদাদা এসেছে..চুল নখ কেটে সোজা স্নানে চলে যাও। আমি তো চমকে উঠলাম ..সেকি , বাবা তো বললেন কেটো না। তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে নেমে দৌড়ে বাবার পড়ার ঘরে গেলাম। বাবা নেই । বাবা তো এসময় বাজারে যান। এখন কি হবে ? নিতাইদা তো ছোট জলচৌকিতে বসে ক্ষুর শানানো শুরু করে দিয়েছে। আমি মরিয়া হয়ে রান্নাঘরে গিয়ে মাকে বললাম আমার পেট ব্যাথা করছে..পারছি না.. বলেই পেটে হাত দিয়ে মেঝেতে শুয়ে পড়লাম । মা রুটি বেলা বন্ধ করে হাত ধুয়ে চ্যাংদোলা করে আমায় নিয়ে নিতাইদার সামনে বসিয়ে দিলেন। আগে অ আ ক খ শেখো তারপর বিয়ের কথা ভাববে..বলে রান্নাঘরে চলে গেলেন। আমি পিঁড়িতে মাথা নিচু করে বসে আছি; আমার চুল আর আমার চোখের জল একসাথে মাটিতে পড়ে একাকার হয়ে গেল।
সেই আমার বিয়েও হলো..নাকের সর্দি যে কবে গায়েব হলো জানিনা..চুলও লম্বা হলো..মা ও হলাম কিন্তু টের পেলাম মা হওয়া কি যে জ্বালা। মায়ের কাজগুলো কি যে বাজে কাজ । রান্না থেকে রেহাই নেই, ঘরদোরের খেয়াল রাখা, ঘরে বাইরে কাজ করা, উফফ। সীমানার সেনাদের মতো মায়েরা পরিবারের অতন্দ্র প্রহরী …ওরে বাবা কি কঠিন কাজ । আর ভাবতাম মা হয়ে গেলে খাওয়া দাওয়াটা পুরো ছেড়ে দেবো। ওওও হরি …এখন ডাক্তার হাতে পায়ে ধরেও আমার খাওয়া কমাতে পারছে না।
[২২ জানুয়ারি, ২০১৮ সনে খেলাঘরওয়েবে বিজয়া পুরকায়স্থের লেখা]
বয়ফ্রেন্ডের আব্দার রক্ষায় ভাইকে দিয়ে ন্যাড়া করালো বোন
আপু : আহঃ বল না।
আমি : (একটু ভেবে নিয়ে) খারাপ দেখাবে না। কিন্তু তুমি কি করতে চাচ্ছ বলো তো?
আপু : সত্যি বলছিস আমাকে খারাপ দেখাবে না?
আমি : হ্যাঁ সত্যি
আপু : বলছি শোন তবে, তোর রামিন ভাইয়া বলছে- সে আমার টাক মাথার ছবি দেখতে চায়।
আমি : রামিন ভাইয়ের হঠাৎ এই খেয়াল হইলো কেন? এখন তুমি কি নাড়ু হইতে চাও? নাড়ু মাথার ছবি দিতে তো নাড়ু হওয়ার দরকার নাই। অনেক এ্যাপসে তোমার ছবি ইনপুট করলে নাড়ু মাথার ছবি দেখাবে।
আপু : না ও সিরিয়াসলি বলছে ভিডিও কলে আমার নাড়ু মাথার ছবি দেখবে।
আমি : ও এখন এই আব্দার পূরণ করতেই হবে?
আপু : হ্যাঁ, ও তো কখনো আমার কাছে কিছুই চায় নাই। এই বার কিছু বলছে। আহ্লাদ পূর্ণ করে দেই।
(কথা বলার ফাঁকে ফাঁকে খাওয়া শেষ করে দুজনেই দুজনের থালা গ্লাস ধুয়ে উঠিয়ে রাখলাম।)
আমি : কিন্তু আপু তুমি নাড়ু হবে কেমনে? আব্বু মাইন্ড করবে না?
আপু : ঐসব আমি দেখে নিবো।
আমি : নাড়ু কোথায় হবা? কবে হবা? পার্লার তো এখন বেশিরভাগ সময় বন্ধ পড়ে থাকে। বিয়ে, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে গিয়ে বসে থাকে ওরা। এছাড়া তো বাইরে দেখাই যায় না।
আপু : কেন তুই করে দিবি। কালকেই হবো বলছি রামিনরে।
আমি : আমি কেমনে করব! আমি পারব না।
আপু : এহঃ বদমাইশ। তুমি যে ফোনে কিসব নাপিতের কাজকারবার দেখো আমার জানা আছে। তুই মানা করলে আমি আব্বুকে তোর সব দুষ্কর্মের কথা বলে দিব।
আমি : (একটু ভেবে নিয়ে) আচ্ছা ঠিক আছে। তো কখন নাড়ু হবা বলছিলা?
আপু : আজকে রাতে ফাইনাল করে বলব তোকে। বিকালে দোকানে যেয়ে নতুন ব্লেড কিনে আনিস। কেমন?
আমি : ওকে।
(যার যার রুমে গিয়ে দরজা চাপিয়ে দিয়ে নিজের নিজের মত ব্যস্ত হয়ে গেলাম)
রাতে আব্বু বাসায় আসলে সবাই একসঙ্গে খেতে বসলাম। আব্বু খেতে খেতে বললেন শোনো আমি আগামী তিনদিন কাজের জন্য তোমাদের আঙ্কেলের বাড়িতে থাকব বাসায় আসব না। তোমরা সাবধানে মিলেমিশে থাইকো। আমি আপুর দিকে তাকালে আপুকে অনেক নিশ্চিন্ত মনে হলো। এরপর খেয়ে উঠে যখন আব্বু টিভি দেখছিল তখন আব্বুর বিছানা করে দেওয়ার নাম করে আপু আমাকে ডেকে বলল কাল সকাল ১০টার সময় ন্যাড়া করব। তুই মাথায় রাখিস। আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম।
আমি নিজের ঘরে ঘুমাতে চলে এলাম। কিন্তু কেন যেন ঘুম এলো না। আমি আধো ঘুমে স্বপ্ন দেখলাম ব্লেডের টানে আপুর চুল মাথার ত্বক থেকে খসে খসে পড়ছে। আর আপুর চুলভরা কালো মাথা সাদা হয়ে যাচ্ছে। তারপর দেখলাম আপুর চুলের মুঠি আমার হাতের মুঠোয় আর আপু নিজেকে আয়নায় ন্যাড়া অবস্থায় দেখছে। দেখে আমার বেশ ভালো লাগল। ইচ্ছা করল আপুর ন্যাড়া মাথায় একটা চুমু খাই।
দেওয়ালিতে মস্তকমুণ্ডন
বহুদিন পর, আমি দীপালিকা উদযাপন করতে এবং আমার পুরনো বন্ধুদের সাথে দেখা করতে আমার বাড়িতে গিয়েছিলাম। ৫ বছর পর আমরা ৪ বন্ধু একত্র হয়েছিলাম। আ...
-
দাদুর গ্রামে বেড়াতে এসেছি আমার দাদুর প্রায় ১০০ বছরের পুরানো বাংলো দেখার জন্য। সেখানে আমার পরদাদার বড় ভাই (আমারও পরদাদা) এর পার্সোনাল রুমে ঢ...
-
১৭ বছর বয়সী টিনা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তার চুল পরীক্ষা করছিল। অবশেষে তার চুলগুলি তার স্তনের দৈর্ঘ্যকে স্পর্শ করেছে দেখে সে খুবই উত্তেজিত...
-
মুহিত দেখল তার বহুদিনের লালিত আকাঙ্ক্ষা পূরণ হতে গিয়েও হচ্ছে না। সে তড়িঘড়ি বলল চল মা আমার এক পরিচিত সেলুন আছে ওখান থেকে চুল কাটিয়ে নিয়ো...


















