Showing posts with label ইচ্ছাপূর্বক. Show all posts
Showing posts with label ইচ্ছাপূর্বক. Show all posts

Monday, July 27, 2020

বয়ফ্রেন্ডের আব্দার রক্ষায় ভাইকে দিয়ে ন‍্যাড়া করালো বোন

আমার নাম তৌফিক। আমি আমার আব্বু ও আপুর সঙ্গে একটা মফস্বল শহরে ফ্ল্যাটে থাকি। আমার বয়স যখন ৫ বছর তখন আমার আম্মু আমার আব্বুর থেকে তালাক নিয়ে আমাদের ছেড়ে চলে যান। এরপর অনেকের অনুরোধ সত্ত্বেও আব্বু আবার বিয়ে করেননি। আসলে আব্বু আমাদের দুই ভাইবোনকে ভীষণ ভালোবাসেন তো তাই। আমার আব্বু একটা গার্মেন্টসের মালিকের অংশীদার। তাই আব্বু ম‍্যাক্সিমাম নিজের বিজনেস নিয়ে ব‍্যস্ত থাকে। এবার আসি আমার আপুর ব‍্যাপারে। আপু আমার থেকে প্রায় ৬ বছরের বড়। আপু বেশ স্বাস্থ্য সচেতন। মিডিয়াম হাইট আর খুব চিকন বা মোটাও না। আপুর পিঠ ছাপানো এক মাথা চুল আছে। আর আমি মনে মনে সেই চুলের পাগল। আমি আপুকে চুল ছাড়া কল্পনাই করতে পারি না। তবুও আমার মনে সুপ্ত ইচ্ছা আপুর চুল নিয়ে খেলব, গন্ধ নিব। কিন্তু কখনো করার সাহস হয়নি। তো যা বলছিলাম আপু একটা প্রাইভেট ভার্সিটিতে এমবিএ পড়ছে। আপু খুব ফ‍্যাশন সচেতন। সবসময় ট্রেন্ডিভাবে চলাফেরা করে। আপুর এক বয়ফ্রেন্ড আছে নাম রামিন। রামিন ভাই খুব সোজা সরল আর মিশুক লোক। আমাকে খুবই ভালোবাসে। যাই হোক কোভিড-১৯ এর কারণে আপুর ভার্সিটি বন্ধ সাথে আমার কলেজও বন্ধ। তো আমরা পুরো ফ‍্যামিলি এখন বাসাতেই থাকি বেশিরভাগ সময় যদিও আব্বুর ব‍্যবসা চাঙ্গা রাখতে অফিসে দৌড়াতে হয়। তো এবার মূল ঘটনায় আসি– আপু বাসায় থাকলে ম‍্যাক্সিমাম মোবাইল, ল‍্যাপটপ সামনে নিয়ে বসে থাকে কেবল রান্না, খাওয়া, গোসলের সময় বাদে। তো একদিন আপু দুপুরে গোসল সেরে আমাকে খেতে ডেকে নিজেও খেতে বসলো। বসার পর আপু খেতে খেতে হঠাৎ বলল আচ্ছা তৌফিক আমাকে আমার চুল ছাড়া কেমন দেখাবে? আমি শুনে থতমত খেয়ে আপুর দিকে তাকিয়ে বললাম কেন আপু তুমি তোমার চুল কি করবে?
আপু : আহঃ বল না।
আমি : (একটু ভেবে নিয়ে) খারাপ দেখাবে না। কিন্তু তুমি কি করতে চাচ্ছ বলো তো?
আপু : সত‍্যি বলছিস আমাকে খারাপ দেখাবে না?
আমি : হ‍্যাঁ সত‍্যি
আপু : বলছি শোন তবে, তোর রামিন ভাইয়া বলছে- সে আমার টাক মাথার ছবি দেখতে চায়।
আমি : রামিন ভাইয়ের হঠাৎ এই খেয়াল হইলো কেন? এখন তুমি কি নাড়ু হইতে চাও? নাড়ু মাথার ছবি দিতে তো নাড়ু হওয়ার দরকার নাই। অনেক এ‍্যাপসে তোমার ছবি ইনপুট করলে নাড়ু মাথার ছবি দেখাবে।
আপু : না ও সিরিয়াসলি বলছে ভিডিও কলে আমার নাড়ু মাথার ছবি দেখবে।
আমি : ও এখন এই আব্দার পূরণ করতেই হবে?
আপু : হ‍্যাঁ, ও তো কখনো আমার কাছে কিছুই চায় নাই। এই বার কিছু বলছে। আহ্লাদ পূর্ণ করে দেই।
(কথা বলার ফাঁকে ফাঁকে খাওয়া শেষ করে দুজনেই দুজনের থালা গ্লাস ধুয়ে উঠিয়ে রাখলাম।)
আমি : কিন্তু আপু তুমি নাড়ু হবে কেমনে? আব্বু মাইন্ড করবে না?
আপু : ঐসব আমি দেখে নিবো।
আমি : নাড়ু কোথায় হবা? কবে হবা? পার্লার তো এখন বেশিরভাগ সময় বন্ধ পড়ে থাকে। বিয়ে, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে গিয়ে বসে থাকে ওরা। এছাড়া তো বাইরে দেখাই যায় না।
আপু : কেন তুই করে দিবি। কালকেই হবো বলছি রামিনরে।
আমি : আমি কেমনে করব! আমি পারব না।
আপু : এহঃ বদমাইশ। তুমি যে ফোনে কিসব নাপিতের কাজকারবার দেখো আমার জানা আছে। তুই মানা করলে আমি আব্বুকে তোর সব দুষ্কর্মের কথা বলে দিব‌।
আমি : (একটু ভেবে নিয়ে) আচ্ছা ঠিক আছে। তো কখন নাড়ু হবা বলছিলা?
আপু : আজকে রাতে ফাইনাল করে বলব তোকে। বিকালে দোকানে যেয়ে নতুন ব্লেড কিনে আনিস। কেমন?
আমি : ওকে।
(যার যার রুমে গিয়ে দরজা চাপিয়ে দিয়ে নিজের নিজের মত ব‍্যস্ত হয়ে গেলাম)
রাতে আব্বু বাসায় আসলে সবাই একসঙ্গে খেতে বসলাম। আব্বু খেতে খেতে বললেন শোনো আমি আগামী তিনদিন কাজের জন্য তোমাদের আঙ্কেলের বাড়িতে থাকব বাসায় আসব না। তোমরা সাবধানে মিলেমিশে থাইকো। আমি আপুর দিকে তাকালে আপুকে অনেক নিশ্চিন্ত মনে হলো। এরপর খেয়ে উঠে যখন আব্বু টিভি দেখছিল তখন আব্বুর বিছানা করে দেওয়ার নাম করে আপু আমাকে ডেকে বলল কাল সকাল ১০টার সময় ন‍্যাড়া করব। তুই মাথায় রাখিস। আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম। 


আমি নিজের ঘরে ঘুমাতে চলে এলাম। কিন্তু কেন যেন ঘুম এলো না। আমি আধো ঘুমে স্বপ্ন দেখলাম ব্লেডের টানে আপুর চুল মাথার ত্বক থেকে খসে খসে পড়ছে। আর আপুর চুলভরা কালো মাথা সাদা হয়ে যাচ্ছে। তারপর দেখলাম আপুর চুলের মুঠি আমার হাতের মুঠোয় আর আপু নিজেকে আয়নায় ন‍্যাড়া অবস্থায় দেখছে। দেখে আমার বেশ ভালো লাগল। ইচ্ছা করল আপুর ন‍্যাড়া মাথায় একটা চুমু খাই।
এভাবে বিছানায় গড়াগড়ি করতে করতে কখন ঘুমিয়ে গেছি মনে নাই। ঘুম থেকে উঠে মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি ৮:২৩ বেজে গেছে। আর এদিকে রুটিন অনুযায়ী আমার সেদিন সকালে চা বানানোর কথা। আমি তড়িঘড়ি উঠে ড্রয়িং রুমে গিয়ে দেখি ওখানে টি-টেবিলে এক কাপ চা আর নাস্তা রাখা আর আপু বসে ফোন টিপছে। আমাকে দেখে বলল গতরাতে ঘুমিয়েছিলি কয়টায়? আমি উত্তর না দিয়ে ব্রাশ হাতে নিয়ে বেসিনে গিয়ে ব্রাশ করলাম। তারপর আপুকে বললাম স‍্যরি দেরি হয়ে গেছে। আপু বলল সমস্যা নাই। খালি আমার দেরি হইলেই কথা শুনাতি। আমি চুপ করে আপুর ডান পাশের সোফায় বসে নাস্তা খেয়ে ফেললাম। আপু আমাকে বলল মনে আছে আর সোয়া এক ঘণ্টা পর। আমি ফোনের দিকে তাকিয়ে বললাম হ‍্যাঁ। নাশতা খেয়ে কিছু হোমটাস্ক করে এক ঘণ্টা পর আমি আপুর রুমে নক করে ডাক দিলাম। আপু বলল আমার অনলাইন ক্লাস চলছে আধাঘণ্টা ওয়েট কর। আমি গিয়ে ব্লেড, ডাবল এজড সেফটি রেজর, সাবান, শ‍্যাম্পু এগুলো জড়ো করতে লাগলাম। আধা ঘণ্টা পর আপু রুম থেকে বেরিয়ে আমাকে ডাকল। আমি আওয়াজ দিয়ে বললাম বাথরুমে এসো। আপু বলল বাথরুমে কেন? আমি বলি প্রথমে চুলে শ্যাম্পু লাগিয়ে পরিষ্কার করে নিই। আপু সম্মতি দিয়ে নিচে রাখা টুলে বসে পড়ল। আপু আপুর মাথা নিচু করে পানি ঢেলে চুল ভিজিয়ে প্রথমে ভালো মত কয়েকবার ম‍্যাসাজ করলাম তারপর শ‍্যাম্পুর বোতল থেকে শ‍্যাম্পু আপুর মাথার তালুতে ঢেলে আবার ম‍্যাসাজ করলাম। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর আবার আপুর মাথায় পানি ঢেলে ধুয়ে দিলাম। এরপর চুল শুকিয়ে গেলে দেখলাম মাথার ত্বকে কোনও ধুলো নেই। অতঃপর আপুকে বললাম এবার আব্বুর রুমে চলো। সেখানে আয়নার সামনে আব্বুর বিছানার র‍্যাক্সিন শীট বিছিয়ে তার উপর চেয়ার রেখে তাতে আপুকে বসালাম। অতঃপর আপুর চুল আবার স্প্রেয়ার দিয়ে ভিজিয়ে আঁচড়ালাম যাতে চুল মসৃণ হয়। চুল আগাগোড়া আঁচড়ানো হলে তার চুলে একটা হালকা ঢিল দেয়া পনি বাঁধলাম। তারপরে রেজরটিতে ব্লেড ভরে আপুর কপালের সামনে ধরলাম তারপর আলতো করে পিছন দিকে ব্লেড এগিয়ে আনলাম। সবকিছু ভালোই চলছিল কিন্তু আমি ভুলে আপুর চুল আঁচড়ানোর বিপরীতে (পেছন‌ থেকে সামনে) রেজর টান দিলাম আর আপুর মাথার একদিকে সামান্য কেটে যায়। আপু উঃ করে হালকা আওয়াজ করে বলল এই তুই কি করতেছিস? তোকে আমার মাথা ন‍্যাড়া করতে বলছি মাথার চামড়া তুলে ফেলতে বলি নাই। আমি স‍্যরি বলে আস্তে আস্তে চুল আঁচড়ানোর দিক অনুসারে চুলের গোড়ায় রেজর চালাই। চুলগুলো গোল গোল দলা পাকিয়ে আপুর ঘাড় আর কাঁধ বেয়ে নিচে পড়তে থাকে। এভাবে পুরোটা কামানো হলে আপুকে বললাম মাথা ছুঁয়ে দেখতে। আপু মাথা উঠিয়ে আয়নায় তাকিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে বলল খসখসে যেন না থাকে এমন কর। আমি আপুর মনের ভাব বুঝতে পেরে আপুর মাথায় আমার শেভিং ক্রিম লাগালাম তারপর আরেকবার সামনে থেকে পিছনে রেজর চালিয়ে পরিষ্কার চকচকে টাক করে ফেললাম। আবার আপুকে বললাম এবার ছুঁয়ে দেখো কেমন হয়েছে? আপু আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের মাথায় আবার হাত দিয়ে হাসিমুখে বলল এবার একদম মনমাফিক হয়েছে। আমি বললাম একটু বসো আমি এন্টিসেপটিক নিয়ে আসি। আপু বললো থাক গোসল করে এলে তারপর লাগিয়ে দিস। আমি বললাম তাহলে গোসল করে এসো। আমি এগুলো গুছিয়ে নিতে পারব। আপু থ‍্যাঙ্কস বলে দৌড়ে তোয়ালে হাতে নিয়ে গোসল করতে ঢুকল। আমি এই ফাঁকে আপুর কামানো চুল ধরে দেখলাম তা শুকিয়ে গেছে। আমি দৌড়ে কিচেন থেকে একটা পলিথিন ব্যাগ খুঁজে এনে চুলগুলো সেই ব‍্যাগে পুরে আমার ঘরে এনে রেখে দিলাম।

Friday, April 26, 2019

টাকলা ফ‍্যামিলি

লিখেছেন : © রাজভী রায়হান শোভন ( Razvi Rayhun Shovon )
আমার ক্লাস নাইনে পড়া ছোট বোনের মাথা ন্যাড়া করে দিতে হবে, আম্মা এসে আমার কাছে প্রস্তাব করলো।। এই কাজে নাকি আমার সাহায্য লাগবে।। আমি একটু ভড়কে গেলাম, বলে কি আম্মা!! এই বয়সেই আমার বোনের যে স্ট্যাইলে চলাফেরা, সে যদি শুনে আম্মা তার মাথা নাড়ু করে দিতে চায়, রাগ-টাগ করে বাসা থেকে চলেও যেতে পারে।।
আমি আম্মাকে কারণ জিজ্ঞেস করলাম- তুমি শান্তারে নাড়ু করতে চাও কেন? ও এখন বড় হইছে না? তোমার কি মাথা-টাথা ঠিক আছে আম্মা?

আম্মা কটমট করে আমার দিকে তাকিয়ে বলে- আমি তোরে পেটে ধরছি, না তুই আমারে পেটে ধরছিস?? আমার মাথা ঠিকি আছে।।

আমি আম্মার কথা শুনে, জিহ্বায় কামড় দিয়ে বললাম- এইটা তো শান্তারে শোনানের ডায়লগ, আমি তো আম্মা পোলা, মাইয়া মানুষ না- আমি কেম্নে পেটে বাচ্চা ধরুম!!

আম্মা আমার মাথার পিছনে চাটি মেরে বললো- ফাজিল পোলা, খবরদার আমার সাথে ফাইজলামী করবি না।। শুন, শান্তার বান্ধবী জুলির কাহিনী জানোস?

আমি আম্মার চাটি খেয়ে অস্ফুট কণ্ঠে বললাম- উহু, ব্যাথা পাইলাম তো।। জুলি জানি ক্যারা, কি করছে?

আম্মা আমার কাছে চেপে আসলো, আস্তে আস্তে বলছে- এই পিচ্চি মাইয়া কোন পোলার লগে জানি ভাইগা গেছে, প্রেম পিরিতি করতো এই বয়সেই।। জুলির আম্মা প্রথমে স্বীকার যায় নাই, এখন এই ঘটনা শান্তাগো স্কুলের সবাই জানে।।

আমি জুলির চেহারা মনে করতে পারছি না, মেয়েটা যে শান্তার খুব কাছের বান্ধবী তাও না।। তাহলে আম্মার এত চিন্তিত হবার কি আছে।। মহিলা মানুষ এসব গসিপ খুব পছন্দ করে।। আম্মার নিশ্চয় আমাদের পাশের বাসার আন্টিকে, চাকরীর সুবাদে চট্টগ্রাম থাকা আমাদের বাবাকে সহ মোটামোটি শ’ খানেক লোককে নিশ্চয় জানানো শেষ- যে জুলি নামের এক মেয়ে কারো সাথে ভেগে গেছে।। আম্মাকে নিয়ে আর পারলাম না।।

আমি আম্মাকে বললাম- জুলি জানি ক্যারা আম্মা, চিনতাছি না।। তা যাই হোক, শান্তা কই?

আম্মা জবাব দিলো- কোচিংয়ে, শুন বদ পোলা তোরে যেইটা কই, শান্তারে নাইড়া কইরা দিতে হবেই হবে।। বুঝাইয়া কইলে রাজী হবে না, যদিও এখন যে গরম পড়ছে, গরমের ছুঁতা দিয়া রাজী করানো যাইতে পারে, কিন্তু মনে হয় না পাত্তা দিবো আমার কথায়।। তুই কি বলিস?

আমি আম্মার চোখে চোখ রেখে বললাম- আমি আর কি বলমু, তুমি রান্না বান্না ফালাইয়া শান্তার পিছে লাগলা কেন? ওরে নাড়ু করার দরকার কি?

আম্মা এবার নির্লিপ্ত গলায় বলে- আমাগো শান্তার চেহারা তো মাশাল্লাহ্‌, তোর চেহারাও সুন্দর।। বলে আমার গায়ে থু থু ছিটাচ্ছে।। আমি মুখ বাড়িয়ে দিলাম, কারণ এই থু থু ছিটানোর সময় মুখ সরিয়ে নিলেও দুই চার ঘা চড় থাপ্পড় মারতে পারে আম্মা।। থু থু ছিটানো শেষ করে আম্মা আবার বলছে- নজর না লাগুক মানুষের।। শুন, শান্তার এখন উড়তি বয়স, মন আকডুম বাকডুম করবো, আর চারপাশে সবার এইসব কান্ড দেইখ্যা মাইয়া আমার কতদিন ভালো থাকবো আল্লাহ্‌ই জানে।। তাই নাইড়া কইরা দিলে, কেউ ওর দিকে তাকাইবোও না, আর শান্তাও প্রেম পিরিতি ডাইনে বামে ভাবার সময় পাইবো না।।

আমি মুগ্ধ চোখে আম্মার দিকে তাকিয়ে আছি, মহিলার বুদ্ধি বটে।। নানাভাই কি খাইয়ে এই জননীকে বড় করেছে কে জানে, বুদ্ধির জাহাজ না, পুরাই বুদ্ধির স্যাটেলাইট।।
আমি আম্মাকে বললাম- কিন্তু আম্মাজান, বিড়ালের গলায় ঘন্টা পড়াবে কে?

আম্মা কুতকুত করে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বললো- বিড়াল, কিসের বিড়াল, তুই বিড়াল-টিড়াল বাসায় আনিস না।। খবরদার, থাপড়াইয়া দাঁত ফেলে দিবো।।

আমার মুখের হাসি হাসি ভাব মুহূর্তেই গায়েব, আম্মার প্রতি একটু আগে মুগ্ধতা ছিলো, তা এখন নিমেষেই শেষ, শুধু বললাম- বিড়াল না, বাদ দাও বুঝবা না।। কিন্তু আম্মা শুনো, শান্তা তো জীবনেও রাজী হবে না নাইড়া হইতে।। তাইলে কেম্নে কি করবা?

আম্মা আবার রাগান্বিত হয়ে তাকিয়ে বলে- কি বাদ দিমু বদ পোলা, যাই বলো খবরদার বিড়াল আনবি না বাসায়।।

আমি এবার মুখ দিয়ে বিরক্তিসূচক শব্দ বের করে বললাম- আচ্ছা মা আনমু না, কিন্তু তোমার মেয়ের চুল কাটার বুদ্ধি কি?

আম্মা কথা বলতে বলতে একটু পিছিয়ে গিয়েছিলো, আবার কাছে এসে বললো- সোজা বুদ্ধি, রাতে তুই গিয়ে কেচি দিয়ে ঘ্যাচাং ঘ্যাচাং চুল কেটে দিয়ে আসবি।। সকালে আমি তোরে দুই একটা চড় থাপ্পড় দিমু শান্তার সামনে, তারপর ওকে বুঝ দিয়া নাইড়া কইরা দিমু ব্যাস।। তবে, শান্তার চুল গোঁড়া থেকে কাটবি, খুব খেয়াল কইরা।।

আমি তব্দা খেয়ে আছি, আম্মার প্ল্যান শুনে।। একটু থিতু হয়ে বললাম- কিন্তু এই কাজ তুমি করো, তোমরা তো একসাথেই ঘুমাও, হুদাই আমার করার দরকার কি?

আম্মা আবার আমার মাথার পিছনে চাটি মেরে বললো- ওরে বলদা শুন, আমি করতে গিয়ে ধরা খাইলে খবর আছে।। তুই করিস, শান্তা জিগাইলে বলবি গরমে বোনের উপকার করতে চুল কেটে দিছিস, আর আমি তো তোর সাথেই আছি, ঝামেলা হলে সামলে নিমু নে।। কেচি তোর রুমে রাইখ্যা যাই, রাতে খাবার পর ঘুমাইতে গেলে, তুই তালে থাকবি।। শান্তা ঘুমাইলেই তুই গিয়ে চুল কেটে দিবি, দেখিস জাগনা যেনো না পায়।। আর, আমি জেগেই থাকবো, সমস্যা নেই।।

আম্মার সাথে এই দূরভিসন্ধি শেষ করে, রাতের অপেক্ষায় রইলাম।।

……………...
বিকেলে শান্তা কোচিং থেকে বাসায় আসলো।। আমি আড়ালে আবডালে খালি মেয়েটার চুলের দিকে তাকিয়ে থাকি।। আর মনে মনে মিটি মিটি হাসি, আহা স্বাধের চুল, আজ রাতেই ঘ্যাচাং ফু করে দিবো।। শান্তা কিভাবে যেনো খেয়াল করলো, আমাকে ডাক দিয়ে জিজ্ঞেস করলো- ওই ভাইয়া!! কি দেখো বার বার এমনে তাকাইয়া??

আমি শান্তার মাথায় গাট্টা মেরে বললাম- কিছু না রে বুড়ি, তোর চুল দেখি!! তোর চুল দেখলে মনে হয়, চুল তার কবে কার বিদিশার নিশার, আমার শান্তার পান্তার জান্তার মান্তার………...

ঐ চুপ করো তো ভাইয়া, আমার চুলের আগা ফেটে যাচ্ছে।। মাঝে মাঝে কি মন চায় জানো? আহ্লাদী কণ্ঠে বললো শান্তা।।

আমি বললাম- কি মন চায় তোর?

শান্তা নিজের মাথার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে বলে- মন চায় নাইড়া বেল্লু হয়ে যাই, আবার নতুন চুল গজাবে, তখন খুব সুন্দর চুল হবে।।

আমার হাসি হাসি মুখ থেমে গেলো, ঢোঁক গিললাম, মনে মনে ভাবলাম, যাক্‌ চুল কাটার পরে শান্তা তেমন উচ্চবাচ্য করবে না।। আমারও আর বাড়তি ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হবে না।। আম্মা এই অবেলায় রুমের মধ্যে ঘুমাচ্ছে, নইলে চুপি চুপি আম্মাকে বলে আসতাম, শান্তা নিজেই নাড়ু হতে চায়।। তাহলে আর রাতের মিশন করা লাগবে না।।

শান্তার চুলে আমি হাত বুলিয়ে দিয়ে বললাম- কি সিল্কি চুল তোর।।

শান্তা বলে- সিল্কি না ঘোড়ার ডিম, ওই ভাইয়া শুনো, আমারে দুই হাজার টাকা দিবা, আর আমার কিছু টাকা ভরে চুলগুলো রিবন্ডিং করমু।।

আমি আবার ঢোঁক গিললাম, তারপর বললাম- দুই হাজার তো দূরের কথা দুই টাকাও নাই।।

আমি মনে মনে বলছি, আইছে রিবন্ডিং!! বেটি তোর চুল তো আজকেই ঘ্যাচাং ফু, তুই আছিস রিবন্ডিং নিয়া।।

……………
রাত ১ টার মত বাজে।। আম্মু শান্তাকে নিয়ে ১২ টার দিকেই বিছানায় গেছে।। আমি আর এরমধ্যে ওই রুমে যাই নাই, নিজের রুমে বসে ফেসবুক চালাচ্ছিলাম।। ড্রয়ার থেকে আম্মুর রেখে দেয়া কেচি বের করলাম।। কি যে আছে কপালে কে জানে!!
এর আগে একবারের কথা মনে পড়লো, আমার মুখে এখনও অনেকগুলা খামচির দাগ আছে, সব শান্তার দেয়া।। এই জন্যে ক্লিন সেভ করলে আমাকে অদ্ভুত দেখায়, তাই খোঁচা খোঁচা দাড়ি রাখি সবসময়।।

মাস দুয়েক আগে, আমি দেখলাম শান্তা হাতের নখ বড় রাখা শুরু করছে।। কয়েকবার বললাম, নখ কেটে ফেল, আমি নিজে কেটে দিতে চাইলাম- না সে কিছুতেই নখ কাটতে দিবে না।। বরং সেই লম্বা লম্বা নখে বাহারি ডিস্কো নেইল পালিশ মেখে বেড়ায়।। আমি কি করলাম, রাতে গিয়ে ঘুমন্ত শান্তার নখগুলো কেচি দিয়ে মাঝখানে একটা করে ঘ্যাচাং দিয়ে আসলাম।।

কিন্তু সকালে দেখি আম্মু আর শান্তা দুইজন মিলে আমাকে পিটাচ্ছে।।

কারণ, হাতের নখ এভাবে ফেটে যাওয়াতে শান্তা ঘুমের মধ্যে শরীরের যে জায়গা চুলকিয়েছে, সে সব জায়গায় একদম লম্বা দাগ হয়ে গেছে, কিছু কিছু জায়গা বেশ কেটে রক্তও বেরিয়ে গেছে।। আমি আসলে কল্পনাও করি নাই এমন হতে পারে।। এই আকাম করে ঘুমিয়ে ছিলাম, দুইজন আমার রুমে এসে ইচ্ছামত ধুমাদ্ধুম মাইর।। তারপর শান্তা ওই কাটা কাটা নখ দিয়ে আমার মুখে আঁচড় কেটে দেয়।। সেই দাগগুলা এখনো জীবন্ত, আল্লাহ্‌ জানে আজ চুল কাটা নিয়ে আবার কি হয়।।

পা টিপে টিপে চোরের মত আম্মুর রুমের দিকে যাচ্ছি।। দরজা ভিড়ানো আছে, ধাক্কা না দিয়ে ওই ফাঁক দিয়েই শরীর গলিয়ে ভিতরে ঢুকলাম, লাইট নেভানো, বিছানার পাশে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম।। অন্ধকারে চোখ সয়ে গেলে আস্তে আস্তে আম্মুকে ডাক দিলাম।। মর জ্বালা, আম্মুও দেখি ঘুমিয়ে গেছে।। ভাবলাম, থাক্‌ ঘুমেই থাকুক আমি আমার মিশন শেষ করে চলে যাই।।

আস্তে আস্তে বিছানার কাছে গেলাম, আমি যে পাশে গেলাম এই পাশে আম্মু শুয়ে আছে, আর তারপর বিছানার ভিতরের দিকে শান্তা।। সমস্যা হলো, শান্তার দিকের অংশের খাট দেয়ালের সাথে চাপানো, তাই আম্মুকে ডিঙ্গিয়ে গিয়ে শান্তার চুলে হামলা করতে হবে।। সমস্যা নাই, আম্মু জাগনা পেলেও তো কিছু হবে না।।

আমি খুব সন্তর্পণে আস্তে আস্তে আম্মুর মাথার উপর দিয়ে, শূন্যে শরীর সামনের দিকে বেঁকিয়ে নিয়ে এক হাত দিয়ে শান্তার চুল ধরলাম।। অন্য হাতে কেচি রেখে, আস্তে আস্তে কেটে দিচ্ছি।। ইস্‌ চুল কাটতে যে এত মজা লাগবে কে জানতো।। একদম ইচ্ছামত কেটে কুটে তামা তামা করে দিলাম।। কিছুক্ষণ কাটার পর আম্মু বা শান্তা কারো মধ্যে কোন নড়াচড়া নেই, তাই দেখে আমার সাহস আরো বেড়ে গেলো।। এবার আরামসে চুল কেটে, সুন্দর করে রুমে চলে আসলাম।।

ল্যাপটপে কিছুক্ষণ ইউটিউব ঘেঁটে, বিছানায় গা এলিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।।

……………
সকালে আচমকা কোন কিছুর আঘাতে ঘুম ভেঙে গেলো।। ঘুমের জড়তা কাটলো, আম্মু আর শান্তার অগ্নিমূর্তির সাথে অদ্ভুত চেহারা দেখে।। আমার দুই গাল মা মেয়ে মনে হয় কিনে নিয়েছে, শান্তা ডান গালে চড় মারে, আম্মু বাম গালে।। ঘটনা কি!! আমি ধরফর করে উঠে বসলাম।।
সর্বনাশ আম্মুর চুলের এই অবস্থা কেন, শান্তার চুলের অবস্থা তো আরও খারাপ!!

মানে কি, আমি কি তবে রাতে অন্ধকারে দুইজনের চুলই কেটে তামা, লোহা, কাসা, পিতল, বোঞ্জ করে দিয়েছি।।

মাইর কারে কয়, আমি দুই হাত মাথার উপর তুলে শিল্ট তৈরি করে নিচের দিকে তাকিয়ে রইলাম মাইর ঠেকাতে।।

তখন দেখি ঘ্যাচাং একটা শব্দ হইলো।। শান্তা কই থেকে কেচি এনে আমার চুলের উপর চালিয়ে দিয়েছে।। হাত দিলাম দেখি একগাছা চুল আমার হাতে চলে এলো।।

এবার আমি মাথা তুলে তাকালাম।। শান্তা শক্ত করে ডাকিনী দলের সর্দানীর মত আমার দুই হাত চেপে ধরলো, কেচিটা আম্মু তার আগেই নিজের হাতে তুলে নিয়েছে।। আম্মু এবার নিজেই দিলো আমার চুলে ঘ্যাচাং।। বুঝতেছি, আমি সেই লেজ কাটা বানরের মত হয়ে গেছি, এরা আমাকেও বেল্লু করার ব্যবস্থা করবে।।

আমরা এখন মা, বোন সবাই মিলে বেল্লু ফ্যামেলি।। গরমে বেশ শান্তিতেই আছি।। আফসোস, আব্বা চট্টগ্রাম থাকে, যদিও বেচারার মাথায় আগেই তেল চকচকে টাক, শুধু চান্দির সাইড দিয়ে কয়েক গাছি চুল আছে।। এটা না থাকলে আমরা হয়ে যেতাম কমপ্লিট টাকলু ফ্যামেলি।।

আসলে শান্তা আর আম্মার চুল এমন ভাবে ঘুমের মধ্যে জড়িয়ে ছিলো, আমি কাটতে গিয়ে দুজনের চুলই কেটে ফেলেছি।। যদিও আম্মার চুলের গোড়ার দিকে ঠিকই ছিলো, বব কাট দিয়েই আপাতত সামলে নেয়া যেতো।। কিন্তু, শান্তার নাড়ু হওয়া ছাড়া উপায় ছিলো না।। তবে শান্তার অগ্নি চেহারা দেখে আম্মুও নাড়ু হয়ে গেছে।। আর আমি তো আমিই!! শান্তা আর আম্মু কি সুন্দর মাথায় কালো কাপড় বেঁধে, হিজাবে নিজের মাথা ঢেকে বের হয়।। আমি বেচারা ক্যাপ কিনে নিয়েছি, তাও ভালো এখন কেউ ক্ষেপায় না- নাইড়া মাথা চার আনা, চাবি দিলে ঘুরে না।।

…………
আব্বা একটু আগে চট্টগ্রাম থেকে বাসায় আসলো, এসে আমাদের দেখে বেচারার চেহারা দেখার মত হয়েছে।। উনি ব্যাগ থেকে একে একে জিনিস বের করছেন, সানসিল্ক শ্যাম্পুর বড় টিউব, ডাব কন্ডিশনার, একটা হেয়ার ড্রায়ার, হেয়ার স্ট্রেইটনার মানে এইগুলা সে এইবার চট্টগ্রাম থেকে আমাদের জন্যে নিয়ে এসেছে।। বুঝলাম না অন্যসময় জামা কাপড় বা অন্যকিছু আনে, এইবার এইগুলা আনার মানে কি।। উনাকে যদিও জানানো হয় নাই, উনার বউ, ছেলে, মেয়ে সব সিবাজির মত টাকলা বস সেজে বসে আছে।।
আম্মু চুলের যত্নের এইসব প্রসাধনী দেখে সোজা ক্ষুর নিয়ে এলো।। আমাদের নাড়ু হবার উদ্দেশ্যে এই ক্ষুর কেনা হয়েছিলো।। এসেই আব্বাকে বলে- এই যে শুভনের বাপ, বাথরুমে চলেন।। কি মনে করে এবার শ্যাম্পু, কন্ডিশনার এইসব আনলেন।। আপনের টাক্কু মাথাটাই এখন চেঁচে দিবো।।

বাপজান মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বললেন- চলো কি আর করার।।

উই আর নাউ, ফুল অফ টাক্কু ফ্যামেলি।। 


ফেসবুকে আমাদের চারজনের মাথা এক করে উপর থেকে তোলা একখানা ছবি পোস্ট করেছিলাম।। আর ক্যাপশনে লিখে দিয়েছিলাম-
আমরা কুত্তামারা গরমের চোটে অফিসিয়ালি পরিবারের সবাই নাড়ু হয়ে গেছি।। চাইলে আপনিও হতে পারেন, গরমের শান্তি।। আমাদের বাসায় যেই আসবে, তাকেই বাধ্যতামূলক নাড়ু করে দেয়া হবে।।

ছোট মামা এই মাসে টাংগাইল থেকে আমাদের বাসায় আসার কথা ব্যবসায়ের কাজে।। সে প্রতিমাসে এসে আমাদের বাসায় এক দুইদিন থাকেন।। এই মাসে কল করে মামা জানালো, আপাতত আসবে না।।

অথচ আম্মা গোপনে গোপনে খবর পাইছে, সে ঢাকা এসে কোন এক আবাসিক হোটেলে থাকতেছে।। আম্মার রাগ দেখে কে, ছোট ভাই নাড়ু হবার ভয়ে আবাসিক হোটেলে থাকতাছে, আম্মা ঘোষণা দিছে, এইবার পাথরাইল মানে আমার নানু বাড়ি সে ক্ষুর নিয়েই যাবে, ছোট ভাইকে পরিবারসহ নাড়ু করাই হবে তার একমাত্র লক্ষ্য।।

এদিকে আমার বিয়ে পিছিয়ে গেলো, এখন নাকি বউ ঘরে তুললে তাকেও নাড়ু করে দিবে আম্মা।। অথচ আগামী মাসে আমার বিয়ের পাকা কথা হবার কথা ছিলো।। কিন্তু ওই বাড়ি থেকে যেই আসবে তাকেই নাড়ু করে দেয়া হবে।।

ও হ্যাঁ, অনেকদিন ধরে বন্ধুদের এত্তগুলা মিস করতেছি, ওরা কতদিন আমার বাসায় আসে না।। কেউ আসবি নাকি রে- সোনার চান পিতলা ঘুঘুরা??

………...
সমাপ্ত!!

Wednesday, April 17, 2019

ভালবাসা নাকি অভিশাপ

ছােটো থেকেই রিয়ার বড় চুলের খুব শখ ছিল -ঠিক মায়ের মতাে। মা যখন কোমর ছাপানো চুলের বিনুনি বাঁধত, রিয়ার খুব ইচ্ছা হতাে তারও অমন চুল হবে। কিন্তু স্কুলে লম্বা চুল নিষেধ থাকায় প্রতি দু'মাস অন্তর মা ওর চুল কেটে দিত।
যেদিন চুল কাটা হতাে সেদিন রিয়া সারাদিন কান্নাকাটি করেই কাটাত। মা-বাবা অনেক বুঝিয়ে, আদর করে, গল্প বলে খাবার খাওয়াত। বাবা মেয়েদের মন ভােলাতে বেড়াতে নিয়ে যেত। এখন সেসব ছেলেমানুষির কথা মনে পড়লে রিয়ার হাসি পায়।
কলেজে ওঠার পর চুল লম্বা করার ছাড়প মিলেছিল। ঘন কালো এক আকাশ চুল নিয়ে রিয়া কলেজ যেত। সেই চুল যেমন অনেক মেয়ের মনে হিংসার উদ্রেক করত, তেমনি বহু ছেলের বুকে দোলাও লাগাত। 
বিকাশ একদিন আর থাকতে না পেরে প্রেম নিবেদন করে বসল রিয়াকে। কলেজে সেটা তাদের দ্বিতীয় বর্ষ। দিনটা আজও মনে আছে রিয়ার - পয়লা বৈশাখ ছিল সেদিন। মায়ের লাল পেড়ে ঢাকাই পরেছিল রিয়া, লম্বা চুল বিনুনি বেঁধে একটা গােলাপ লাগিয়েছিল।
বিকাশের কথায় রিয়া হেসে বলেছিল - "বিয়ের পর যদি চুল কেটে ফেলি, তখন কি করবি?”
বিকাশ একটুও না ভেবে ফাজলামো মিশিয়ে বলেছিল - তোকে ধরে রেখে দেব আর চুল বেড়ে ওঠার অপেক্ষা করব।
সেদিনের ফাজলামি গভীর অনুরাগে পরিণত হয়েছিল তৃতীয় বর্ষের শেষে এসে, যখন দুজনের রাস্তা আলাদা হয়ে গেল।
- "কখনো চুল কাটিসনা রিয়া। যখনই তুই চুল কাটবি, মনে করবি আমার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে যাচ্ছে। 
"আবার ফাজলামো করছিস! ভাল করে মন দিয়ে MBA করে আয়।”
"তুই কখনও আমাকে seriously নিলি না রিয়া। একদিন এর মর্ম বুঝবি।” ছদ্ম অভিমানে বলেছিল বিকাশ।
এতদিন বাদে রিয়া ভাবে, সত্যি কি সবটাই মিথ্যে ছিল!? কিছুই কি ছিল না বিকাশের মনে? আর রিয়ার মনে?
"ম্যাডাম, এরপর আপনি আসুন!” পার্লারের মহিলার গলার আওয়াজে বাস্তবে ফিরে আসে রিয়া।
ধীর পায়ে চেয়ারে গিয়ে বসল। সামনে বিশাল একটা আয়না, যেটা দিয়ে পিছনের আয়না দেখা যাচ্ছে - আর দেখা যাচ্ছে রিয়ার মেঘের মতাে চুল.… 
বিয়ের পর সন্দীপ বলতাে - প্রহর শেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্র মাস...তােমার চুলে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ
"যা:, রবিঠাকুরকে বিকৃত কোরাে না…!”
- বিকৃত কোথায় করলাম...এটাকে ধার করা বলে!" ফিচেল হাসি হেসেছিল সন্দীপ। 
ইতিহাসে মাস্টার্স করে একটা স্কুলে চাকরী নিয়েছিল রিয়া। সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রিয়াকে পছন্দ করেন তার ভাইপাের জন্য। সন্দীপ software engineer, দেখতে-শুনতে ভালােই, বেশ মােটা অঙ্কের টাকা হাতে আসে মাস গেলে। উপরোন্ত সদ্য আমেরিকা থেকে ফিরেছে। রিয়া বা রিয়ার মা-বাবার আপত্তি করার কোনো কারণ তাে ছিলোই না, বরং মেয়ের জন্য এমন সােনার টুকরাে ছেলে পেয়ে তারা আর দ্বিতীয়বার ভাবেননি। এক মাসের মধ্যে বিয়ে হয়ে যায় রিয়া আর সন্দীপের।
নতুন সংসারে বেশ ভলােই মন বসছিল রিয়ার। বাড়িতে রিয়া, সন্দীপ, সন্দীপের মা আর কাজের মহিলা কমলা। রিয়া স্কুল সামলে টুকটাক রান্না শিখছিল শাশুড়ির কাছে। একদিন স্কুল থেকে ফিরে দেখল সন্দীপ ফিরে এসেছে, খুব টেনশনে। 
- কি হয়েছে সন্দীপ?
- এইতো তুমি এসে গেছ। ফোন ধরছিলে না কেন? কতবার ফোন করছি!

রিয়ার মনে পড়ল, ক্লাস নিতে যাওয়ার আগে ফোনটা silent করেছিল। তারপর বেরোনোর তাড়াহুড়ােতে আর ঠিক করা হয়নি।
- “যাকগে...আমার বস আসছেন। বিয়েতে আসতে পারেননি, তাই আজ সন্ধ্যায় তােমার সাথে দেখা করতে আসবেন।dinner করে যাবেন। উনি আবার বাঙালী রান্না খেতে ভালোবাসেন।” 
-"ও..আমি এখুনি মায়ের সাথে কথা বলছি...কি কি বানানাে যায় দেখি।”

সন্ধ্যা হতেই মি.শমিত গুপ্তা হাজির হলেন নিজের স্ত্রীকে নিয়ে। সন্ধ্যেটা ভালােই কাটল। মি. গুপ্তা রান্নার পাশাপাশি রিয়ার চুলের খুব প্রশংসা করলেন। এত সুন্দর চুল উনি নাকি কারোর দেখেননি। রিয়া সেদিন চুলটা খুলে রেখে একপাশে একগুচ্ছ রঙ্গন ফুল লাগিয়েছিল। একবার তাে মজা করে শমিত গুপ্তা বলেই ফেললেন, "সন্দীপ যদি রাজি থাকে তিনি বৌ পাল্টাপাল্টি করবেন।" রিয়া আরক্ত মুখে সন্দীপের দিকে তাকিয়েছিল - সন্দীপ খুব নির্বিকারভাবে বসের সাথে হাসছিল।

সেদিন রাতেই ঘটনাটা ঘটল। রিয়া কাজ সেরে আয়নার সামনে বসে চুল বাঁধছিল। সন্দীপ ঘরে ঢুকল - মদ্যপ অবস্থায়। বসকে সঙ্গ দিতে আজ একটু বেশী খেয়ে ফেলেছে। রিয়া কিছু বলেনি, কারণ ও জানে সন্দীপ খুব সংযত। এরকম আগেও এক-দুবার হয়েছে এবং সন্দীপ সােজা শুয়ে পড়েছে, রিয়াকে একটুও বিরক্ত না করে। কিন্তু যেদিন বিয়াকে অবাক করে দিয়ে অন্য এক সন্দীপ বেরিয়ে এসেছিল - “চুলের খুব বাহার হয়েছে না? দেখনদারি শুধু...আজ তােকে দেখাব ঐ চুল কি করে থাকে তোর!”

খুব নােংরা ভাষায় কথা বলছিল সন্দীপ আর তারপর রিয়ার চুল ধরে টেনে মাটিতে আছড়ে ফেলে দিয়েছিল ওকে। রিয়া চিৎকার করতে পারেনি - প্রচন্ড বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছিল। এরপর থেকে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে থাকে, যখনই কেউ রিয়ার চুলের সুখ্যাতি করে। অথচ অন্য সময় সন্দীপ একদম অন্য মানুষ। দুবার ক্ষমাও চেয়েছে। রিয়ার কাছে। রিয়া বাড়িতে জানাবে জানাবে করেও কিছু বলতে পারেনি। শাশুড়ি সব জেনে বুঝেও চুপ করে থাকতেন। একদিন রিয়াকে ডেকে কিছু পূজোর ফুল দিয়ে বলেন:

- ‘আমি দীপের জন্য পূজো দিয়েছি; এই ফুলটা ওর বালিশের তলায় রেখাে, সব ঠিক হয়ে যাবে।’ একটু থেমে বললেন, 'আমি সবটা জানি...কিন্তু কি জানাে মা, সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে।' 
রিয়া শাশুড়ির কথার তাৎপর্য বুঝতে পারেনা, এটাও বুঝতে পারে না এখানে রিয়ার কি দোষ! এরমধ্যেই রিয়ার গর্ভে আসে সন্দীপের সন্তান। সবাই খুব খুশী হয় এই সংবাদে। সন্দীপ নিজের আনন্দ ধরে রাখতে পারে না - চলো, কোথাও ঘুরে আসি। এইসময় মন ভালো থাকা খুব দরকার।

রিয়া একটু হলেও আশ্বস্ত হয়, হয়তো সন্তানের আগমন সন্দীপকে বদলে দেবে। বেশ ভালোই কাটছিল পুরীতে দিনগুলো। এক সপ্তাহ ছুটি নিয়ে গেলেও রিয়ার অনুরােধে আরও দুদিন থেকে যায় ওরা। সেদিনও সূর্যোদয় দেখে ফিরছিল…সন্দীপের হাত রিয়ার কোমরে জড়ানাে... দুজনেই দুজনের শরীরের ওম দিচ্ছিল…হঠাৎ

"আরে রিয়া না!! হ্যাঁ রিয়াই তো....” 
বিকাশকে প্রথমে চিনতে পারেনি রিয়া। চাপদাড়ি আর রিমলেস চশমায় একদম অন্যরকম লাগছিল ওকে।

- '‘ম্যাডাম, চুলটা শ্যাম্পু করতে হবে। প্লিজ একটু wash basin-এ আসুন।’'

ঘাড়ে তােয়ালে জড়িয়ে মাথা নামিয়ে দেয় রিয়া। ঠান্ডা জলের স্রোত ভিজিয়ে দিতে থাকে রিয়ার মনের মেঘ।

"চলো সন্দীপদা, সমুদ্রে গা-টা ভিজিয়ে আসি।

দেখা হওয়ার পর থেকেই বিকাশ ওদের সঙ্গী। সন্দীপ শুধু জেনেছে ওরা একসাথে কলেজে পড়ত। এতদিন বাদে বিকাশকে দেখে রিয়াও কলেজের দিনে ফিরে গেছিল। 
- "আমিও যাব।" রিয়ার আদুরে আবদার সন্দীপ ফেলতে পারে না। রিয়া খোঁপা বাঁধা চুলটা খুলে দেয়। পুরাে জলে না নেমে বসে পড়ে...সমুদ্র এসে ভেজাতে থাকে রিয়ার চুল।

- “চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের ’পর
হাল ভেঙে যে-নাবিক হারায়েছে দিশা
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি দ্বীপের ভিতর,
তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, এতদিন কোথায় ছিলেন? 
পাখির নীড়ের মতাে চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।

বিকাশের মুখে জীবনানন্দ শুনে রিয়া এবং সন্দীপ দুজনেই অবাক। পরিস্থিতি হালকা করে রিয়া নিজেই বলে উঠলাে -

- "ফাজলামো করা এবার বন্ধ কর।” সবাই হেসে ওঠে একসাথে।

কিন্তু সন্দীপ যে এটা এত সহজে মেনে নেয়নি সেটা বাড়ি ফিরে বুঝতে পারে রিয়া। আকন্ঠ মদ্য পান করে এসেছিল সেদিন। রিয়ার লম্বা, মােটা বেণীটা গলায় পেঁচিয়ে ধরেছিল সর্বশক্তি দিয়ে ততক্ষণ, যতক্ষণ না রিয়া অজ্ঞান হয়ে নেতিয়ে পড়েছিল।

জ্ঞান এসেছিল হাসপাতালের ঠান্ডা ঘরে, আর তখনই অনুভব করে পেটে অসহ্য ব্যথা। পাশে মা আর শাশুড়ি দাঁড়িয়ে - দুজনের চোখেই জল। 
- "ম্যাডাম, শুধু ট্রিম করব? নাকি length একটু ছােট করবেন?
- “ছােটো করব...”
দুদিন বাদে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরে রিয়া। সন্দীপ হাসপাতালে যায়নি। রিয়া যেদিন ফেরে, সেদিনও অনেক সকালে অফিস বেরিয়ে গেছিল। মাঝরাতে ফিরে ড্রয়িং রুমেই শুয়েছিল, রিয়ার ঘরে ঢােকেনি। সপ্তাহ খানেক পরে রিয়া কিছুটা সুস্থ বোধ করে...সন্দীপ ঘরে আসে - আমাকে ক্ষমা করাে রিয়া...আআআমি কিছু ভেবে...মানে.. আমি তাে বাচ্চা চেয়েছিলাম... কিন্তু ক্কি কি যে হলো...”
রিয়া মুখ ফিরিয়ে থাকে, জানলা দিয়ে রাস্তা দেখতে থাকে...
-"ম্যাডাম, আর কাটব?” 
-“হ‍্যাঁ" 
-"ম্যাম, এত সুন্দর চুল...সামনেটা layers কেটে নিতে পারেন
- "আপনাকে বললাম তো ছোট করে কাটতে
কাঁচি চলতে থাকে- রিয়ার চুলের সাথে মনেও। পার্লারের মেয়েটি অবিশ্বাস ভরা চোখ নিয়ে রিয়াকে দেখে "আরও ছােট করব ম্যাডাম?”
কোমর ছাপানাে চুল কাঁধে এসে দাঁড়িয়েছে।
- “আরও ছােট!” রিয়ার দৃষ্টি স্থির আয়নার দিকে।
আবার কাঁচি চলে। কাঁধের চুল ঘাড় অবধি। কাঁচি থামিয়ে রিয়ার দিকে তাকায় মেয়েটি “আরও ছােট!" রিয়ার দৃপ্ত কণ্ঠে পার্লারে থাকা বাকিরাও ঘুরে দেখে। মালিক ভদ্রমহিলা এগিয়ে আসেন “are you sure ma'am?” 
রিয়া মাথা ঝাঁকায়।
"ছােট করে দিন...যতটা ছােট করা যায়...ও যেন আর চুল ধরতে না পারে...আমার বাচ্চাকে কেড়ে নিতে না পারে…" ডুকরে কেঁদে ওঠে রিয়া....! 

কৃতজ্ঞতা স্বীকার:
কবিতা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জীবনানন্দ দাশ।
গল্প অনুপ্রেরণা- টেলিভিশনে দেখা বিজ্ঞাপন। 

[মমস্প্রেসোতে ২০১৯ সালের ১৭ই এপ্রিলে একই শিরোনামে পাবলিশ করা সংগৃহীত গল্প। লেখিকা রিতা সিনহা]

Tuesday, May 24, 2016

ঘরে নাপিত ডেকে গিন্নির মাথা মুড়ানোর শখ পূরণ

হাই,
আমার নাম আরাধ্যা। আমি ফর্সা, লম্বা এবং আমার চুল খুব সুন্দর—ঈশ্বর আমাকে এমন সবকিছুই দিয়েছেন যা আমাকে আকর্ষণীয় ও আবেদনময়ী করে তোলে। আমার বয়স ২৯ বছর, এবং বিয়ের পর গত দুই বছর ধরে আমি আমার পতির সাথে দিল্লিতে একা থাকি। সে আমাকে আদর করে “আরু” বলে ডাকে। আমার বর আমাকে খুব ভালোবাসে। আমরা বাইরে ঘুরতে যাই, পার্টিতে যাই এবং বহুত তৃপ্তিদায়ক যৌন জীবনও উপভোগ করি।

 

তবে, আমাদের বিয়ের প্রায় ছয় মাস পর আমি জানতে পারি যে তার হেয়ার ফেটিশ আছে। যখনই আমি চুল কাটাতে যেতাম, সে আমার সাথে আসত এবং চুল ছোট করে কাটার পরামর্শ দিত, কিন্তু আমি সবসময় না করে দিতাম।

একদিন, সে তার ল্যাপটপে কিছু একটা দেখছিল, এমন সময় তার বসের কাছ থেকে একটি ফোন আসে এবং সে ল্যাপটপটি খোলা রেখেই বারান্দায় চলে যায়। এরই মধ্যে, আমি দেখলাম যে সে মেয়েদের চুল কাটা এবং মাথা কামানোর ভিডিও দেখছে। আমার কাছেও ব্যাপারটা আকর্ষণীয় মনে হলো, কিন্তু ঠিক তখনই সে ফিরে এলো, তাই আমি ল্যাপটপটি রেখে রান্নাঘরে চলে গেলাম।

সেই রাতে ঐ ভিডিওগুলা আমার মাথায় ঘুরতে থাকল, বিশেষ করে যেগুলাতে মেয়েরা মাথা ন্যাড়া করছিল। পরদিন সকালে, আমার স্বামী অফিসে চলে যাওয়ার পর, আমি বাড়ির কাজ শেষ করে আমার শোবার ঘরে গেলাম, বিছানায় বসলাম এবং আমার ফোনে ইউটিউবে ‘girls going bald’ লিখে সার্চ করলাম। ভিডিও আসতে শুরু করল।

ভিডিওগুলো দেখতে দেখতে আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না যে মেয়েরা এভাবে আনন্দের সাথে মাথা ন্যাড়া করতে পারে। কিন্তু আমি এটা উপভোগ করতে শুরু করলাম। আমি অন্তত ৫০টা ভিডিও দেখলাম—কিছু মেয়ে পুরোপুরি মাথা কামাচ্ছিল, আবার অন্যরা বাজ কাট করাচ্ছিল, তারা পুরোপুরি ন্যাড়া ছিল না, তবে ন্যাড়ার চেয়ে কমও ছিল না। তাদের ন্যাড়া ভাবটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল। তাদের মাথায় খুব ছোট ছোট চুল ছিল, যেখানে মুণ্ডন করা মেয়েদের মাথা একদম মসৃণ থাকে। আমি এই সবকিছু দেখতে খুব উপভোগ করছিলাম। আমার চুচুকগুলান আঁটসাঁট হয়ে গিয়েছিল। আমি চুল খুলে দিলাম আর ধীরে ধীরে আমার স্যুট আর সালোয়ারও খুলে ফেললাম। তারপর আমি দেখলাম আমার প্যান্টি ভিজে গেছে কারণ আমার চুত্ থেকে পানি বের হচ্ছিল, আমি আমার প্যান্টি আর ব্রা-ও খুলে ফেললাম, এখন আমি সম্পূর্ণ নাঙ্গা ছিলাম এবং ভিডিও দেখতে দেখতে আমার গুদে আঙলি চালাচ্ছিলাম, আমি এটা খুব উপভোগ করছিলাম, তখন আমি ভাবলাম যে এই সব মেয়েরা যদি খুশি খুশি টাকলি হতে পারে তাহলে আমি কেন পারব না? এখন আমারও বেইল্লা হয়ে যেতে মন করছিল, আমারও আমার টাকলা মাথায় হাত বোলানোর ছিল। কিন্তু তারপর আমার স্বামীর কথা মনে পড়ল—সে সবসময় ছোট চুল রাখার কথা বলত, কিন্তু আমাকে কখনো পুরোপুরি ন্যাড়া হতে বলেনি। আমার ভয় হচ্ছিল যে সে হয়তো এটা পছন্দ করবে না, তাই আমি আমার সিদ্ধান্ত বদলে ফেললাম।

পরিবর্তে, আমি আমার পতির শেভিং কিটটা নিয়ে বাথরুমে গেলাম, শাওয়ারটা চালু করলাম, এবং আমার ভোদা ও বগলের চুল কামিয়ে ফেললাম। আমি আমার চুলও কিছুটা কেটে ফেললাম—প্রায় দুই ইঞ্চি। এরপর, আমি আবার মেয়েদের মাথা কামানোর ভিডিও দেখতে শুরু করলাম।
শিগগিরই, এটা আমার দৈনন্দিন রুটিন হয়ে গেল। আমার স্বামী কাজে চলে যাওয়ার পর, আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা এই ভিডিওগুলো দেখতাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত, আমি নিজেকে আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারলাম না এবং নেড়ামুণ্ডি করানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।

আমি বাজারে গিয়ে আমার চুলের দৈর্ঘ্যের মতো একটি পরচুলা কিনলাম। তারপর আমি একজন নাপিতের সাথে যোগাযোগ করে জিজ্ঞেস করলাম "ভাইয়া, আপনি কি চুল ফেলানোর জন্য আমার বাড়িতে আসতে পারবেন?" সে বলল, হ্যাঁ, এবং তাকে ঠিকানা দিয়ে ফিরে এলাম। সে বলল দু'ঘণ্টার মধ্যে আসবে। 

আমি খুশি মনে বাড়ি ফিরে এসে নিজেই নিজের চুল কাটা শুরু করলাম। প্রথমে কাঁধ পর্যন্ত কেটে কিছু ছবি তুললাম। তারপর আরও ছোট করে কেটে নাপিতের আসার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। 



যখন দরজার বেল বাজল, নাপিত এসে গেল। সে আমাকে সেই বাচ্চাটিকে ডাকতে বলল যার মাথা মুড়ানো হবে। তাকে জল এগিয়ে দিয়ে আমি বললাম, “আমার মাথা মুড়াতে হবে, কোনো বাচ্চার নয়।” সে অবাক হলেও রাজি হয়ে গেল।

আমি আয়নার সামনে বসলাম। আমি ন্যাড়া হতে হতেও সেক্সী দেখাতে চেয়েছিলাম, তাই আমি আমার ম্যাক্সি গুদ আর গাঁড় পর্যন্ত কেটে ফেলেছিলাম, যার ফলে আমার মোটা জঙ্ঘা দেখা যাচ্ছিল। সে আমার চুল ভিজিয়ে দিলো, সে দরকারের চেয়ে বেশি জল ঢেলেছিল। আমার ব্রা এবং মেক্সিকান পাছা ভিজে গিয়েছিল এবং কালো রঙের ব্রা-টা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল।

এবার সে জিজ্ঞেস করল, “শুরু করব ম্যাডাম?” আমি বললাম, “জলদি প্লিজ শুরু করুন।” সে আমার মাথা কামানো শুরু করল। আমার চুল রানের উপরে আর মেঝেতে পড়তেছিল। আমার খুব আনন্দ লাগছিল।

পুরোপুরি লাড্ডুমাথা হয়ে যাওয়ার পর, আমি তাকে টাকা দিয়ে বিদায় করে দিলাম।

গল্পের বাকি অংশ পরের পর্বে…

Monday, May 16, 2016

গৃহিণীর হঠাৎ জেদ করে ন‍্যাড়া হওয়া

হ্যালো বন্ধুরা
আমার নাম শবনম এবং আমি বিবাহিত ও আমার চুল বেশি লম্বা নয় স্রেফ ব্রা স্ট্র্যাপ তক। আমরা দুজনে একাই থাকি। আমি বিশাল বড় হেয়ার ফেটিশার। ঘরের সব কাজ সেরে আমি মোবাইল আর ল্যাপটপে হেডশেভিং হেয়ারকাটিং ভিডিয়ো দেখি আর খুব মন করে যে আমিও টাকলি হয়ে যাই কিন্তু মিনসের ভয়ে শুধু ট্রিম করাই। আমার পতিও আমাকে খুব ভালোবাসে; আমরা রবিবার দিন বহুত মজা মাস্তি করি। উনি আমার ফুল বডি মালিশ করেন আমিও ওনাকে ম্যাসাজ করে দেই আর ওনার দাসীও হই। ছুটিতে আমরা ঘরের সারা কাজ মিলেমিশে করি তবে আজ ক্রিকেট ম্যাচ থাকায় উনি কেবল টিভি দেখছিলেন। বাকী কোনো কাজে আমার সঙ্গে হাত লাগাচ্ছিলেন না। আমার ভীষণ রাগ হচ্ছিল এদিকে আমি আমার চুল নিয়েও পেরেশান ছিলাম কেননা আজকাল ওগুলো বেশি করে ঝরছিল আর কমজোর, রুক্ষ, নিষ্প্রাণ হয়ে যাচ্ছিল।

যখন আমি কামরায় ঝাড়ু দিতে আসি তখন আমার স্বামী বলেন জানেমন চুল বেঁধে রেখেছ কেন? এগুলো খুলে দাও না। আমি গোসসা করে বললাম পয়লা তো এক ঝাড়ুর মতো চুল রয়েছে আমার উপর আর তুমি খুলে রাখতে বলছ আমার তো কিছু বুঝে আসে না কি করব! তখন ও বলল এক কাজ কর যাতে তোর চুল পড়া কম হয়ে যাবে। আমি বড় উৎসাহের সঙ্গে বলি হ্যাঁ বল জলদি। ও বলে তুই নাইড়া হয়ে যা না থাকবে চুল না পড়বে চুল এই বলে ও জোরে জোরে হাসতে লাগল। আমার আরো রাগ চড়ে গেল আর বলি দেখে নিও পরে আবার বলবা না। ও বলে হ্যাঁ হ্যাঁ বলব না কারণ ওর পুরো বিশ্বাস ছিল যে আমি এক বা দুই ইঞ্চি চুল কাটাতে কাতরে উঠি তো ন্যাড়া কেমনে হব?

আমি রান্নাঘরে গিয়ে চা বানিয়ে পান করে রিল্যাক্স হলাম এবং আর পার্স নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলাম। আজ আমি পুরো মনস্থ করে নিয়েছিলাম ন্যাড়া হতে। রবিবার বিধায় পাশের নাপিতের ওখানে প্রচুর ভিড় ছিল আমি রিকশা নিয়ে সামনে কোনো খালি দোকান খুঁজতে চলে যাই। সামনে গিয়ে দেখি গাছের নিচে এক নাপিত বসা ছিল ওখানে কেউ নেই খালি বসে ছিল ও। আমি ওর কাছে পৌঁছালে ও বলে জী আপা বলুন। আমি বললাম ভাইয়া চুল কাটানোর আছে আর চেয়ারের উপর বসে পড়ি। নাপিত বলল কীভাবে কাটব? আমি কিছুটা চাপা আওয়াজে বললাম ন্যাড়া হতে চাই আমি কারণ আমার কিছু বুঝে আসছিল না রে কী করব উত্তেজনাও ছিল আর ভয়ও লাগছিল। নাপিত ফের জিজ্ঞেস করে কীভাবে কাটতে হবে? আমি বিরক্ত হয়ে বলি ভাইয়া কতবার বলব ন্যাড়া করে দাও। নাপিত বলে ঠিক আছে। আমি আমার ওড়না সরিয়ে রাখি এবং হাতাকাটা স্যুটে বসে পড়ি। ওড়না সরানোর পর আমার বুকের চিড় সাফ দেখা যাচ্ছিল কেননা আমি ডিপ নেক স্যুট পরেছিলাম যা আগেও অনেক কাটা ছিল আর পিছনেও।

নাপিত পানি দিয়ে আমার মাথা ভিজিয়ে দিলো আর ম্যাসাজ করতে লাগল। ম্যাসাজের সময় আমার বড়ই প্রমোদ অনুভব হচ্ছিল। ও আমার চুলগুলি দুভাগে ভাগ করে আর ক্ষুরে নতুন ব্লেড লাগিয়ে যেই পিছে ও ঘাই লাগাল মানে যখনই ক্ষুর চলল আমার তনু বদনে শিরশির করে উঠল। সারা পশম দাঁড়িয়ে গেল। আমার মজা আসছিল। কিছুক্ষণ বাদে আমার সমস্ত চুল মাটির উপর আর আমি একেবারে বেল হয়ে গিয়েছি একদম সাফ চাটি। আমি মাথায় হাত বুলাই আর কিন্তু ভাল করে আয়নায় দেখি তো আমার গোঁফের জায়গায় লোম ছিল এবং গালেও। প্রথমে যখন চুল ছিল তো চোখে পড়ত না পরন্তু এখন ওটা অনেক আজব লাগছিল‌। আমি নাপিতকে বলি ভাইয়া গালে আর গোঁফে শেভ করে দাও। আমার ক্ষুর চালানোতে খুব মজা লাগছিল। আমি সব কিছু মুড়ানোর পরে আমার বগলও কামাই আর পয়সা দিয়ে ঘরে চলে আসি। মিয়াঁ দেখেই বলল তুই সত্যিই নাইড়া হয়ে গেলি! আমি তো মজা করছিলাম। আমি বলি আমি প্রথমেই বলেছি বেলু হয়ে যাব তো ফালতু বকোয়াস করবে না। ও হাসতে হাসতে বলল না জানেমন করব না এমনিতেও তোমায় টাক্কু হয়ে অনেক সুন্দর লাগছে।




Wednesday, March 9, 2016

নারী দিবস কাট: বোন আসে নাপিতের কাছে

২১ বছর বয়সী শ্বেতা তাদের বাড়ির ঠিক উল্টোদিকে নাপিতের দোকানে ঝড়ো গতিতে ঢুকল। তার মাঝপিঠ দৈর্ঘ্যের চুলগুলো সব আলুথালু, এবং সে এমনকি তার পোষাকও পরিবর্তন করেনি বরং সে তার বাড়িতে যে সালোয়ার স্যুট পরেছিল সেই একই সালোয়ার স্যুট পরে এসেছে। 

ইতোমধ্যে তিন জন সেবাপ্রার্থীর সিরিয়াল পর্যবেক্ষণ করে যাদের মধ্যে তার ভাইও একজন; সে অপেক্ষার জায়গায় একটি আসনে বসল। সে আসা মাত্রই সবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠল কেননা সে আরামে বসার জন্য সমস্ত চুল সামনে এনেছিল, কিন্তু সে কোনও পাত্তা দেয়নি। তার চুল কুচকুচে কালো, এবং ঘন ছিল।

সে একটু গা ছেড়ে বসে সামনে তাকিয়ে দেখল নাপিতরা কেমন চেয়ারে বসা লোকগুলোর চুল বাজ করছে। সে চোখ সরিয়ে তার ভাইয়ের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে, তিন বছরের ছোট, একই ধরণের হেয়ারস্টাইলের জন্য অপেক্ষমান। সে তার চোখ বন্ধ করল। 

যখন দিন শুরু হয়েছিল, সে কখনই ভাবেনি যে সে দুপুরে একটি নাপিতের দোকানে যাবে, আসলে সে ১৬ বছর বয়সে পার্লারে যাওয়া শুরু করার পরে আর কখনো এ মুখো হবার কথা ভাবেইনি। তবে দিনটা ছিল অন‍্যরকম। এটি সব শুরু হয়েছিল যখন সে নারী দিবস উদযাপন করার জন্য একটি গার্লস ডে আউট করার কথা বলেছিল। তার মা তাকে সমর্থন করেছিলেন এই শর্তে যে সে তার চুল কমপক্ষে ২ ইঞ্চি ট্রিম করাবে যাতে শ্বেতা রাজি হয়েছিল। 

সবকিছু ঠিক ছিল, যতক্ষণ না তাদের মা তার ভাইকেও তার সঙ্গে গিয়ে চুল বাজ করানোর নির্দেশ দিলো। সে প্রথমে বাধ সাধলেও পরে মেনে নেয়, তবে সে শ্বেতার সঙ্গে বেরিয়ে কেবল একটি কথা বলেছিল যা শ্বেতাকে আঘাত করে, “ধন্যবাদ দি, তোমার জন্য কেবল ট্রিম, আর আমার জন্য বাজ” তার দুর্দশার জন্য তাকে অভিযুক্ত করে।

সে কিছু বলে না, তবে তার ভাই অবিরত বলে যায়, “বকোয়াস নারী দিবস, তোমরা সমস্ত মহিলারা সর্বত্র সমতার জন্য চিৎকার কর তবে তোমরা পার্লারে যাও যখন …তোমরা কেবল আগ্রহী…” শ্বেতা তাকে চুপ করানোর চেষ্টা করেছিল, “আরে…কি জ্বালা, আমি জানতাম না যে মা তোমাকে আজকের দিনেই চুল কাটাতে বলবে…এবং নাপিতের দোকানে মহিলাদের চুল কাটায় না তাই আমাকে তুমি নিরর্থক কথা শুনিয়ো না…” তার ভাই রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে বলে উঠে, "তুমি আসলে কখনও নাপিতের দোকানে চুল কাটানোর চেষ্টা করোনি, যদি তারা তোমার চুল না কাটে তবে নাপিতের দোকানে কেন তুমি সমান অধিকার দাবি করবে না যদি না থাকে?" 

কয়েক মিনিট পরে, সে চুল কাটার জন্য নাপিতের দোকানে তার ভাইয়ের পাশে বসে অপেক্ষা করছে। দোকানে কাজ খুব দ্রুত হচ্ছিল। কখন তার ভাই তার পাশ থেকে উঠে গিয়ে নাপিতের চেয়ারে বসল এবং তার চুল কাটা প্রায় অর্ধেক শেষ হয়ে গেল সে খেয়ালই করল না। অন্য নাপিত তার কাজ শেষ করতেই তার ডাক পড়ল। সে মন্থর গতিতে উঠে গিয়ে নাপিতের চেয়ারে বসল, এটি তার শরীরের মাপের তুলনায় বেশ বড়। 

নাপিত একজন মধ্যবয়স্ক পুরুষ, আলতো করে তার সমস্ত চুল একত্রে মুঠো করে উঁচুতে ধরলেন যখন তিনি একটি সাদা জর্জেটের কাপড় তার গায়ে জড়িয়ে দেন। অনন্তর নিজের মুষ্টি আলগা করে চুলের মুঠি ছেড়ে দিলেন। এরপর একটি চিরুনি হাতে জিজ্ঞাসা করলেন, "ম্যাডাম কী করাবেন?" 


শ্বেতা জবাব দিল, "উম্ম… আমাকে ঠিক ওর মতো করে চুল কেটে দিন" নিজের ভাইয়ের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে সে বলল। নাপিত তাজ্জব হয়ে বলল, "আপনি নিশ্চিত ম্যাডাম? সে গ্রীষ্মকালের জন্য চুলে তেল কম ছাঁট দিচ্ছে... এটা খুব ছোট চুলের স্টাইল আপনি জানেন। মহিলাদের সাথে এটা একদম যায় না ” শ্বেতা জবাব দিয়েছিল, "হ্যাঁ আমি পুরোপুরি নিশ্চিত ... আপনি কি বিশ্বাস করেন যে আমি কেবল আমার চুলের কারণে একজন মহিলা?" নাপিত তোতলিয়ে বলে, "না… তবে, মহিলারা লম্বা চুল রাখে সাধারণত…" শ্বেতা বলেছিল, "পুরুষরা যদি তেল কম ছাঁট দিতে পারে তবে আমিও পারি" 

নাপিত আর কথা বাড়ায়নি। তিনি একটি কাঁচি নিয়েছিলেন এবং তার চুলে শেষবারের মত চিরুনি দিয়েছিলেন। তার হাতের কাঁচিটি তার ঘাড়ে রেখে তিনি আলতো করে তার মাথাটি সামনের দিকে নুইয়ে দিলেন। কাচ্চাছ ... ছচ্চছ ... ছ্যাচ তার গুচ্ছবদ্ধ চুল তার কাঁধ ঢাকা কাপড়ের ওপর দিয়ে গড়িয়ে মেঝেতে পড়তে শুরু করল। তিনি তার পিছনে ঝুলন্ত কেশর সম্পূর্ণ মাথা থেকে বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত কাটতে থাকে। শ্বেতা সমস্তটা অনুভব করল, কাঁচির ধাতব ব্লেড ও তার মাথার নির্ভারতা। শ্বেতা মাথা উপরে তুলল, তার চুল এখন কেবল ঘাড়ের দৈর্ঘ্যে। সে এটি স্পর্শ করার চেষ্টা করেছিলেন, তবে পারল না কারণ তার হাত কেপের ভিতরে ছিল। 

নাপিত তখন একটি ক্লিপার নিয়ে তার চার্জার প্লাগ ইন করেন। তিনি গার্ড সরিয়ে এবার আরেকটি চিরুনি নেন। তিনি তার মাথার চারপাশে তার চুল ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, তাকে একটি বব চুলের চেহারা দেয়। এরপরে কাঁচি দিয়ে তার লম্বা অলকদাম কেটে ফেলা শুরু করেন। তিনি তার চুল মুঠি দিয়ে ও আঙ্গুল দিয়ে চিমটার মত করে ধরে কাটা চালিয়ে যেতে থাকেন। 

তিনি সামনে থেকে চুলের বড় অংশ মুঠ করে ধরে টান দিলেন। তার মাথা পিছনে বেঁকে গেল। তারপরে কাচ্চাছ ... ছাছ… ছছ। কোলে চুল পড়তেই শ্বেতা চোখ বন্ধ করল। খানিকটা তার মুখে লেগে আছে। 

তিনি তারপর কাঁচি রেখেছিলেন এবং ক্লিপারটি তুলেছিলেন। তিনি এটিকে সামনের দিকে স্পর্শ করলেন ধীরে ধীরে এটি তার মাথার কেন্দ্রের দিকে চালান। চুলগুলো ওর কোলে এসে বৃষ্টির মত ঝরে পড়ল। তিনি ক্লিপারটি স্থানান্তরিত করলেন এবং আবার একই কাজ করলেন। অনন্তর তিনি ডান দিকে সরে যান, এবং তার ডান দিকে বাজ করলেন। তিনি বামদিককার চুলের সঙ্গে একই কাজ করেছেন। শ্বেতা এখন মাথায় ঠান্ডা হাওয়া অনুভব করতে পারছে। তার মাথা এখন কালোর বদলে ধূসর দেখা যাচ্ছে। ক্লিপারটি যাওয়ার সাথে সাথে মেঝেটি আরও বেশি ঢেকে যাচ্ছিল। 

শুধু তার পিছের চুল বাকি ছিল। তার মাথা সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে তিনি তার পিছনের চুলগুলোয় আঘাত হানলেন। শেষ অবশিষ্ট চুল কেটে ফেলা হয়েছিল। নাপিত অনন্তর কাঁচি নিয়ে তার পিঠে ও পাশে চুলের রেখা তৈরি করতে লাগলো। 

পরে উনি তার ঘাড়ের গাঁইটে এবং পাশে জল ছিটিয়ে একটি ক্ষুর বের করলেন। তার পিছে রেজার রেখে তিনি তাকে নড়াচড়া না করার জন্য সতর্ক করেছিলেন। শচ্...চ্চ্চ্‌। শ্বেতার একটু বেদনাদায়ক অথচ উত্তেজনাপূর্ণ অনুভূতি হয়েছিল। সচচক…চ সে আবার অনুভব করল। তার পিছনে গ্রীবার কাজ শেষ হওয়ার পর। নাপিত তার কানের পাতার পাশগুলোও করেছিল।

নাপিতের ক্ষুরের কারসাজি শেষ হবার পরে, সে নিজেকে দেখবার জন্য মাথা তুলে। সে প্রথম ঝলকে নিজেকে চিনতে পারল না। তার ঝাঁকড়া চুল আর নেই। তার মাথার আয়তন আগের তুলনায় অনেক ছোট মনে হলো। 

সে তার ভাইকে দেখতে তার পাশের চেয়ারটির দিকে তাকাল। পরন্তু বছর ৪০য়ের এক ব্যক্তি সেখানে বসা ছিলেন। নাপিত তার ঘাড়, গলা, মুখ ব্রাশ দিয়ে ঝেড়ে দেবার পরে আস্তে আস্তে জড়ানো কাপড় খুলল। তিনি তাকে বসে থাকতে ইঙ্গিত করলেন যেমনি তিনি আবার ক্ষুরটি তুলে নিলেন। তিনি আলতো করে তার পিছনে স্পর্শ করে তাকে সম্মুখপানে ঠেলে দিলেন অতঃপর তার পিঠের সামান্য চুলের বৃদ্ধি পরিষ্কার করলেন যা সালোয়ার থেকে উন্মুক্ত হয়েছিল। শ্বেতা খানিকটা লজ্জিত বোধ করলেও বাধা দেয়নি। সে এরপরে চেয়ার থেকে উঠে তার কামানো জায়গাটা ছুঁয়ে দেখতে থাকে। 

তার ভাই তাদের উভয়ের চুল কাটার জন্য অর্থ প্রদান করে এবং তারা একসাথে দোকান ছেড়ে চলে যায়। 

সে তার মাথা এবং এরপর তার ভাইয়ের মাথা স্পর্শ করেছিল এবং বলেছিল, "নারী ও পুরুষ সমান"।

Saturday, February 13, 2016

প্রেমিকের জন্মদিনের উপহার

২৪ বছর বয়সী আরতি উদযাপনের জন্য প্রস্তুত। সে তার পোষাক চেক করল, জিন্সের সাথে একটি হলুদ টপ, তার প্রেমিকের পছন্দের। তার চুল ওর প্রিয় শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়েছে, এবং তার পছন্দ মতো একটি ক্ল ক্লিপ দিয়ে এঁটেছে। সে দরজার বেল টিপে অপেক্ষা করতে লাগল। 

দরজা খুলল এবং তাকে দ্রুত ভিতরে টেনে নিয়ে গেল। সে তাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে বলল, "শুভ জন্মদিন যশ" 

লোকটি তাকে পাল্টা জড়িয়ে ধরে তারপর তাকে চুম্বন করে, "ধন্যবাদ সুইটি" এবং চুলের গন্ধ নিল এবং চুল পড়ে যেতে দিয়ে ক্লিপটি খুলে ফেলল। সমস্ত কালো এবং চকচকে চুলগুলি তার কোমর পর্যন্ত পৌঁছেছে, এটি কোনও ঢেউখেলানো ছাড়াই ঘন এবং সোজা। 

আরতি ওকে থামানোর চেষ্টা করলো, “আরে আমি তোমার পছন্দের পোশাক পরেছি, প্রিয় খুশবু লাগিয়েছি তবুও আমার চুল আগে”। 

যশ উত্তর দিল, "আমি সেরা দিয়ে শুরু করি, তোমার চুল সবচেয়ে ভালো... তোমার ঠোঁটের পরে" 

আরতি এবার তার চুল পিছনে রেখে আবার অভিযোগ করল, “তুমি এখনও প্রস্তুত নও” 


যশ ওকে টেনে নিয়ে বলল, "এটা সকাল ০৫-৩০টা প্রিয়ে, চলো বিছানায় গিয়ে ঘুমাবো" 

আরতি বাঁধা দিল, "এটা তোমার জন্মদিন, আর তোমার জন্য আমার অনেক সারপ্রাইজ আছে এবং দিনটা আগেই প্ল্যান করে রেখেছি" 

যশ হাসল, "হ্যাঁ, আমার জন্মদিন, আমি কি আরাম করব না?" 

আরতি উত্তর দিল, “না…তোমাকে উপভোগ করতে হবে, আরাম করতে হবে না। ফ্রেশ হয়ে নাও…জলদি। আমি কিছু কফি এবং নাস্তা বানাবো" 

কিছুক্ষণ পর যশ ফিরে এল, নাস্তা দেওয়া হল। তারা একসাথে এটি খেয়েছিল এবং তারপর অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে বেরিয়ে গেল। 

আরতি জিজ্ঞেস করলো, "আমার চুল নিয়ে খেলতে চাও?" “এখন না” যশ উত্তর দিল। 


আরতি নিঃশব্দে বলল, “তুমি আফসোস করবে”। যশের প্রথম চমক মোড়ক খুলে গেল যখন সে তার বাইকের চাবির নাগাল ধরতে গেল। আরতি বলল, আজ তুমি পিলিয়ন (ব‍্যাকসিট) রাইডার হবে, আমি চালাব। 

যশ উত্তর দিল, "তোমার লাইসেন্স নেই" 

আরতি খুব একটা পাত্তা দেয়নি, কিছুক্ষণ পরেই ওরা বাইকে করে কোথাও যাচ্ছে। যশ জিজ্ঞেস করল, "আমরা কোথায় যাচ্ছি?" আরতি জবাব দিলো, "তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে" 

আধঘণ্টা পথ চলার পর তারা উপশহরে পৌঁছে যায়। তারা সিনেমা হলের কাছে থামে এবং বাইক পার্ক করে। আরতি বলল, “এই যে তোমার সারপ্রাইজ! শুভ জন্মদিন যশ" 



যশ জিজ্ঞেস করল, "তাহলে কি আমার সারপ্রাইজ হচ্ছে পুরনো সিনেমা হলে সিনেমা দেখা" আরতি মুচকি হেসে বললো, "না বোকা, তোমার সারপ্রাইজ হচ্ছে তোমার গার্লফ্রেন্ডকে একজন রাস্তার নাপিত দ্বারা নেড়া করা দেখা।" 


যশ বিড়বিড় করে বলল, "কি??" 

আরতি হাসতে থাকে এবং তার জ ক্লিপ ছুঁয়ে বলে, "হলের বাম পাশে দেখ, রাস্তার একজন নাপিত" 

সে তখন তার হাত ধরে নাপিতের কাছে হাঁটা শুরু করল। 

যশ কেঁপে উঠল, “দাঁড়াও। মাথা ন্যাড়া করছো?" 

আরতি থেমে উত্তর দিল, "আজ্ঞে হ্যাঁ" 

যশ এবার ঘাবড়ে গেল, “তুমি কি সিরিয়াস? আমার জন্য? আমি তোমার চুল লম্বা পছন্দ করি" 

আরতি মুচকি হেসে বলল, "আমি জানি তুমি আমাকে টাক দেখতে পছন্দ করবে, তুমি ঘুমের মধ্যে বকবক কর, আমি কয়েকবার শুনলাম" 

যশ লাল হয়ে যাচ্ছিল। আরতি বললো, "আমিও তোমার রাস্তার নাপিতের কথা জানি" 

তারপর সে আবার হাঁটা শুরু করে। তাকে শেষবারের মতো থামানো হয়েছিল যশ বলল, এটা করার দরকার নেই। আরতি কিছু বলল না। যশ চালিয়ে যান, "আমি চাই না তুমি এটা কর, এটি খারাপ এবং অদ্ভুত দেখাবে" 

আরতি তাকে আশ্বস্ত করে বললো, "এটা তোমাকে আমার উপহার, তুমি ঠিক করো না কি উপহার পাবে, তোমার কি টাক গার্লফ্রেন্ড নিয়ে কোন সমস্যা আছে?" যশ তোতল‌‌িয়ে বললো, "হ্যাঁ... মানে না... হ্যাঁ...আআ" 


তারা নাপিতের কাছে পৌঁছে গেল। সে ফ্রী ছিল এবং কেবল তার কাঁচি তীক্ষ্ণ করছিল। তাদের দেখে সে থমকে গেল। 

নাপিত একজন মধ্যবয়সী লোক ছিল। একটি বড় কাপড়ের উপর বসার জন্য একটি ইট ছিল। এর পাশে একটি বাক্স রাখা ছিল। আর তার পাশে ছিল কাটা চুলের স্তূপ। আরতি দ্রুত ইটের উপর আড়াআড়ি পায়ে, চুল নাপিতের দিকে মুখ করে বসল। তিনি বসার সাথে সাথে তার ক্লিপটি সরিয়ে ফেললেন। তার চুল এত লম্বা ছিল, এটি মাটিতে স্পর্শ করেছিল এবং সেখানে স্তূপে দলা পাকিয়েছিল। সে বলল, "মাথা ন‍্যাড়া করুন প্লিজ" যশের হৃৎপিণ্ড একটা স্পন্দন এড়িয়ে গেল। নাপিত অবাক হলো না। সে ধীরে ধীরে বললো, "মাথা মুণ্ডনের জন্য ঘুরে যাও" সে ঘুরেছিল, এবং এখন নাপিতের মুখোমুখি হয়েছিল। নাপিত তার কাঁধে হাত পাঠিয়ে চুলগুলো আঁকড়ে ধরে তার দুই পাশ দিয়ে সামনের দিকে নিয়ে এল। তার চুল এখন দুই ভাগে বিভক্ত। তারপরে তিনি বাম অংশটি নিয়েছিলেন এবং একটি গুছি তৈরি করার জন্য এটি তার হাতের চারপাশে মুড়িয়েছিলেন। তিনি ডানে একই কাজ করেছেন। তারপর সে উঠে দাঁড়াল এবং একটি সাদা কেপ নিয়ে তার পিছনে গেল এবং ধীরে ধীরে তাকে কেপ দিয়ে ঢেকে দিল। 

নাপিত যশের দিকে ফিরে জিজ্ঞেস করল, "তুমি এটা কামানো চাও?" 

যশ আবার তোতলা হয়ে উঠল, “উম…না, হ্যাঁ। শুধু তার চুল কামানো" 


নাপিত কাষ্ঠহাসি হেসে বলল, "ওর সুন্দর চুল আছে" নাপিত তখন তার টুল বক্স থেকে একটি ক্ষুর বের করে তাতে নতুন ব্লেড ঢুকিয়ে দেয়। নাপিত তখন মাথাটা সামনের দিকে বাঁকিয়ে তার কাছে পানির বোতলটা নিয়ে তার মাথায় ঢেলে দিল। তারপর আস্তে আস্তে গুছি খুলে তার ভিতরে আঙ্গুল ঢুকিয়ে তার মাথার ত্বকে বৃত্তাকার দিকে নাড়াতে লাগলো। আরতি ম্যাসাজ উপভোগ করলো। যশও উত্তেজিত হয়ে উঠছিল। নাপিত তখন চুলের গোড়ায় আঁকড়ে ধরে এবং বারবার শেষ পর্যন্ত আঙ্গুলগুলি পিছলে যেতে থাকে। অবশেষে ম্যাসাজ সম্পূর্ণ হল, এবং নাপিত চুল দুটি ভাগে বাম এবং ডানে ভাগ করে, সামনে থেকে পিছনের সবটুকু, এবং অংশগুলিকে সামনে ছুঁড়ে দিল। কিছু চুল তার কোলে, অন্যগুলো ভূমি স্পর্শ করেছে। 

আরতি বলল, “ওহ! আমার স্কুল হেয়ারস্টাইল। তোমার মনে আছে আমার দুই পাশের পোনি ঠিক কতটা ছিল" যশ পাল্টা জবাব দিল, "হ্যাঁ, আছে, পার্থক্য হল তোমার চুল তখন কাঁধ পর্যন্ত ছিল" আরতি কিছু বলার আগেই নাপিত তার মাথা এমনভাবে বাঁকিয়ে নিল যে তার চিবুক তার বুকে স্পর্শ করল, তারপর ক্ষুরটি নিল। 

তার মাথার কেন্দ্রে ব্লেডটি স্পর্শ করে তিনি ধীরে ধীরে ডানদিকে সরান। একটা সাদা টাক দাগ দেখা দিল। যশ আগের চেয়ে বেশি উত্তেজিত ছিল। কামানো বিখণ্ড চুলগুলি পড়ে গেল কিন্তু তার কাঁধে থেমে গেল। নাপিত টাকের জায়গাটা আঙ্গুল দিয়ে ছুঁয়ে আবার ক্ষুরটা রাখল, এবার বেশ দ্রুত চালাল। আরও বেশি তার স্বাস্থ্যবান চুল পড়ে গেছে। 


নাপিত তখন তার বাম দিকে ক্ষুর চালাতে শুরু করে এবং তার টাকের দাগ আকারে বেড়ে যায়। নাপিত তারপর ডান দিকে সরে গেল। তিনি একবার থামলেন, তার ডান কাঁধে জমে থাকা সমস্ত ভেজা চুল তুলে মাটিতে ফেলে দিলেন। সে তার মাথা বাম দিকে বাঁকিয়ে তারপর কেন্দ্রের কাছে রেজার রেখে তার ডান কানে পর্যন্ত লম্বা খাবল দিতে শুরু করে। ঘাই চালিয়ে তিনি পিছনে সরে যান। তার চুল একবার কামানো তার সামনে পিছলে যেতে শুরু করে। নাপিত অন্য অংশের তুলনায় তার চিপে ক্ষুরটি বেশি চালায়। তার মাথার ডান দিকটা প্রায় পরিষ্কার হয়ে গেছে। আরতি অনুভব করতে পারল শীতল হাওয়া। তার ডান পার্টিশনের সামনে থেকে শুধু চুল বাকি ছিল। নাপিত বাম পাশ দিয়ে একই কাজ করেছে, এবং তার সামনের চুল এখন পর্যন্ত রেহাই পেয়েছে। আরতির আশেপাশের জমিন কালো পুঞ্জ দিয়ে ছেয়ে গেছে। 


নাপিত ক্ষুর দিয়ে থামল। তিনি তারপর সামনের চুলের পার্টিশন বিগঠিত করে ফেললেন, এবং সামনের সমস্ত চুল মিশ্রিত করলেন। তার ছেড়ে যাওয়া কেশরাজির মধ্যে দিয়ে চুলগুলি স্লাইড করার পরে, সে আবার শুরু করল, এখন চুলগুলি সামনে এমনভাবে ছুঁড়েছে যাতে এটি আরতির মুখ ঢেকে যায়। 

তাই ক্ষুরটি মাঝখানে রেখে সামনের দিকে ছোট ছোট ঘাই দিতে লাগলেন। প্রতিটি আঘাতে তার কিছু চুল মাটিতে পড়ে যায়। আরতি শেভ উপভোগ করছিল তাই যশও ছিল। আরও কিছু আঘাতের পর শেষ কুচিটি বাকি ছিল। নাপিত খুব ধীরে ধীরে এটি মুণ্ডন করে। নাপিত তখন তার মাথায় হাত চালায়, পরীক্ষা করে এবং এটি মসৃণ করার জন্য ক্ষুরটি আবার চালায়। শেষ হয়ে গেলে তিনি যশের দিকে ফিরে বললেন, "এটা পরীক্ষা করে দেখুন" 

যশ তার মাথা ছুঁয়ে দিল, খুব ধীরে ধীরে। তার একটি খুব ভিন্ন সংবেদন হলো। যখনই তিনি তার মাথায় স্পর্শ করতেন তখন তিনি একটি নরম কুশনে অভ্যস্ত ছিলেন, কিন্তু এখন এটি ভিন্ন। হাত চালাতে গিয়ে আরতি জিজ্ঞেস করল, "কেমন?" 

যশ উত্তর দিল, "ধন্যবাদ" এবং তারপর নাপিতের দিকে ফিরে তার কাজ অনুমোদন করল। নাপিত ধীরে ধীরে কেপটি খুলল এবং আরতিকে একটি আয়না দিয়েছিল যখন সে তার মাথায় আফটার শেভ লোশন লাগিয়েছিল। আরতি নিজেকে চিনতে পারল না। সে তার মাথা ছুঁয়ে অবাক হয়ে গেল। উঠতে উঠতেই যশকে জড়িয়ে ধরল সে। সে অবাক হয়ে বলল, "এটা এখন খুব হালকা" যখন তারা তাকে টাকা দিয়ে চলে গেল তখন নাপিত ঝাড়ু দিতে শুরু করেছিল। তার চুল পুরানোটির কাছাকাছি একটি দ্বিতীয় গাদা তৈরি করেছে। যশ যখন বাইকে তার পিছনে বসেছিল তখন সে অভিযোগ করেছিল, "আমি খোঁপা মিস করছি..." আরতি হেসে বলল, “এখন খোঁচাভাব উপভোগ কর। আমার পরিকল্পনা অনুযায়ী আমাদের পরবর্তী গন্তব্য..." 

যশ তাকে বাধা দিল, "প্ল্যানটা কেটে দাও, চলো শেষ গন্তব্যে যাই, আমার বাড়ি... আমি রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারব না" আরতি খিলখিল করে হেসে উঠল। যশ হেসে বললো, "আমি তোমাকে বলছি, এটা শেভ করার জন্য তুমি আফসোস করবে না" 


Translated from HC&S stories

Thursday, January 7, 2016

সাঁতারু সুস্মিতার চুল কাটানোর জার্নি (১ম অংশ)

"সুস্মিতা, তুমি আজ বিকাল ৪টায় বাড়িতে থাকবে।", মিসেস চাঁদনী শর্মা তার মেয়েকে সকালের নাস্তা দিতে বললেন। সুস্মিতা উত্তর দিল, "তুমি ভুলেই গেছ, আমার তখন সাঁতারের ক্লাস আছে, আমায় সন্ধ্যা ৬টার পর পাওয়া যাবে।" চাঁদনী হিসেব করে কিছু একটা বললেন, “সমস্যা নেই, রাজীব আসতে পারে সন্ধ্যা ৬টায়।” প্রতিবারের মতো এবারও অবাক হলো সুস্মিতা। রাজীব যখন তাদের বাড়িতে আসে তখন তার ভালো লাগে না। তার একটি অস্বস্তিকর অনুভূতি হয়, ওনার হাতে তার চুল ছেড়ে দিতে। সে তার চুল পরীক্ষা করার জন্য তার পিঠের দিকে এগিয়ে গেল এবং কোমরের কাছে প্রান্ত স্পর্শ করে সন্তুষ্ট হলো। সুস্মিতা বলল, “কিন্তু মা, আমার এবার ট্রিম লাগবে না, আমাকে পড়াশুনাও করতে হবে, তিনদিন পর আমার পরীক্ষা আছে”। চাঁদনী উত্তর দিল, "সুস্মিতা, তুমি এখন ১৮ বছরের মেয়ে না ভদ্রমহিলা, আমি তোমার সাথে তর্ক করব না, তবে আমি তোমাকে পরামর্শ দেবো যে শেষটা একটু কাটতে হবে"। সুস্মিতা কিছু বলতে চাইলেও তার মা বাধা দিলেন, “তোমার স্কুলে যেতে দেরি হবে। এখন তাড়াতাড়ি করো।" 

সুস্মিতা এই জায়গাটা কখনোই পছন্দ করেনি; তার বাবা একজন ভূতাত্ত্বিক যিনি সরকারের সাথে কাজ করছেন তাকে দেশের এই প্রত্যন্ত উত্তর-পূর্ব অংশে এমন একটি জায়গায় স্থানান্তর করা হয়েছিল যেখানে একটি বিউটি পার্লারও নেই। স্কুল, মুদির দোকান, নাপিতের দোকান, সবজি এবং মাংসের দোকানের মতো সামান্য জিনিসই এখানে রয়েছে এবং এই জায়গার ইতিবাচক পয়েন্ট একটি উন্নত সুইমিং ক্লাব। তার ভাই তার থেকে এক বছরের সিনিয়র, স্কুল শেষ করে দিল্লির একটি আবাসিক কলেজে চলে গেছে। সেও তার জন্য তড়পাচ্ছে। কাঁধের সমান লম্বা চুল নিয়ে সে যখন এখানে আসে, তখন মহিলাদের জন্য পার্লার ছাড়া একটি জায়গা দেখে হতবাক হয়ে যায়। তার বাবা তাকে এবং চাঁদনীকে বলেছিলেন, নাপিতের দোকান যেখানে মহিলা এবং পুরুষরা তাদের চুল কাটে, তবে রাজীব নামে নাপিত বাড়িতেও পরিষেবা দেয়, তবে কেবল মহিলাদের জন্য এবং কমপক্ষে দু'জন খদ্দের প্রয়োজন, নইলে তিনি আসবেন না। 

সে এবং চাঁদনী কখনই নাপিতের দোকানে যাওয়ার ধারণা পছন্দ করেননি, তাদের কিছু প্রতিবেশীর মতো পার্টনার খুঁজে পেতে তাদের সমস্যা হয়নি। তারা তাকে ডেকেছিল, এই জায়গায় আসার এক মাস পর। তিনি পৌছেঁছিলেন। তারা দুজনেই নার্ভাস, একজন স্ব-প্রশিক্ষিত নাপিতকে কাঁচি দিয়ে তাদের চুল স্পর্শ করতে দেয়াতে। সুস্মিতাকে প্রথমে ধাক্কা দিয়ে বসিয়ে দিলো রাজীবের সামনে। তাকে যেমন বলা হয়েছিল তার চুল ৫" ছেঁটেছিল। চাঁদনীকে তখন পরিবেশন করা হয়; তিনিও ছাঁটালেন কিন্তু ২”। 

তারা উভয়ই সন্তুষ্ট ছিল না, কারণ তারা সেলুন কর্মীর উষ্ণ মিথস্ক্রিয়ায় অভ্যস্ত ছিল। কিন্তু রাজীবকে আবার ডাকা হয় পরের মাসে, চাঁদনীর কারণে। সে হতাশ হয়ে পড়েছিল, কারণ তার ব্যবহৃত সমস্ত শ্যাম্পু এবং তেলের অভাব ছিল। চাঁদনী তার দৈর্ঘ্য কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুস্মিতাকে এবার ঠেলা দেওয়া হয়নি, কারণ পাড়ার মিসেস সিং তাদের জায়গায় চুল কাটতে রাজি হয়েছেন। মিসেস সিং প্রথমে গেলেন; তার বব চুল ছাঁটিয়ে নিয়ে চলে গেল, চাঁদনীকে সুস্মিতার সাথে রেখে। পরেই ছিল চাঁদনী। 

চাঁদনী চেয়ারে বসল, এবং তার পিঠের মাঝামাঝি দৈর্ঘ্যের চুল আঁকড়ে ধরে বলল, "প্লিজ, এইটা সরিয়ে আমাকে বাঁচান"। রাজীব মুচকি হেসে একটা কেপ বের করে চাঁদনীর চারপাশে আঁটসাঁট করল। এরপর তিনি চাঁদনীর চুল আঁচড়ান এবং কেটে দেন। তার কাটা চুল ড্রয়িংরুমের মেঝেতে পড়েছিল। চাঁদনী তার কাটার গতি দেখে কিছুটা হতভম্ব হয়ে গেল। যদি সে একজন সেলুন কর্মীকে বলে থাকে, তাহলে সে অন্তত ৫ মিনিট চিরুনি দেবে, শতবার জিজ্ঞেস করবে যে সে প্রস্তুত কিনা, এবং তারপর একটি পনি তৈরি করে কেটে ফেলবে। কিন্তু রাজীব ছিল বর্বর। 


রাজীব তখন একটি ক্লিপার বের করে, এর গার্ডকে সরিয়ে, একটি সকেটে প্লাগ করে এবং তার মস্তকের পিছনে ঠেলে দেয়, এমনকি তিনি সাড়া দেওয়ার আগেই। তার চুলের টুকরো তার চারপাশে উড়ে গেল। চাঁদনী বদলে মাথা নাড়ল। রাজীব থেমে গেল। তিনি তার মস্তকের পৃষ্ঠের জন্য হাত পৌঁছিয়েছেন, এবং একটি অদ্ভুত spikiness পেলেন। তিনি রাজীবের দিকে তাকালেন, তারপর আবার ঘুরে চোখ বন্ধ করলেন। রাজীব চালাতে থাকে। 

সুস্মিতা ঘটনাস্থলে প্রবেশ করে তার মায়ের মাথার পিছনের বাজ দেখে আশ্চর্যান্বিত হয়ে যায়। সে মায়ের মুখে একটা অদ্ভুত হাসি দেখতে পেল, সুস্মিতার উপস্থিতি সম্পর্কে অজ্ঞাত, রাজীব তার মাথায় ক্লিপার চালান। রাজীব চালাতে থাকে, এখন সামনে থেকে করছে। থরে থরে চুল পড়ল তার কোলে। রাজীব ক্লিপারটি বন্ধ করে দিলেন, এবং তখনই তিনি তার চোখ খুললেন। সুস্মিতা তার দিকে তাকিয়ে আছে দেখে তিনি লজ্জা পান। 

রাজীব তারপর একটা সেফটি রেজার বের করে একটা নতুন ব্লেড ঢুকিয়ে জিজ্ঞেস করল, “ক্লিন শেভ?” চাঁদনী তা প্রত্যাখ্যান করেন। রাজীব তখন চাঁদনীর মাথা কাত করে, তার দুপাশে এবং পিঠে জল লাগাল এবং তার পাশ এবং পিঠে শশশহ্হ্হ্ শশশহ্হ্হ্হ্হ্হ্হ্ চাঁছা শুরু করল। তারপর সে তার মুখের এলোমেলো চুল আঁচড়ালো, এবং তারপর কেপ খুলল। সুস্মিতা রাজীবকে জিজ্ঞেস করলো, "তুমি আমার মায়ের চুলের সাথে এ কি করলে?" তিনি নির্দোষীতার সাথে উত্তর দিলেন, "ম্যাডাম চেয়েছিলেন তার চুল সরাতে, আমি বলেছিলেন দেখেই করলাম"। ফি আদায় করে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। 

চাঁদনী নতুন চেহারাকে অপছন্দ করেননি, তিনি সবসময় বাজের স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু রাতের খাবারের সময় তিনি অস্বীকার করেছিলেন যে তিনি এটি করতে বলেছিলেন, এবং বলেছিলেন যে এটি দুর্ঘটনা, যদিও সুস্মিতা এবং মিস্টার শর্মা উভয়ই জানতেন যে তিনি দুর্ঘটনাটি এড়াতে পারতেন। 

তো চাঁদনীর বাজের কারণে রাজীবকে ৫ মাস বাড়িতে ডাকা হয়নি। সুস্মিতার চুলগুলো লম্বা হয়ে গেছে। ঘটনার দুই মাস পর তাকে তার মা নাপিতের দোকানে পাঠান। সে এই সফর ঘৃণা করে, বিশেষ করে একলা। 

তিনি দোকানে প্রবেশ করলেন, যথারীতি একটি ছোট, শুধুমাত্র একটি নাপিতের চেয়ার এবং দুটি ওয়েটিং চেয়ার যা তখন দখল করা হয়েছিল। রাজীব সেখানে ছিলেন না। নাপিতের চেয়ারে বসা গ্রাহক, ৫০-এর দশকের এক ব্যক্তি বললেন, "রাজীব বিকেল ৫টার মধ্যে আসবে, তাকে নর্থ কলোনিতে ডাকা হয়েছে"। সুস্মিতা তার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে ঘড়ির দিকে তাকাল যা দেখায় সাড়ে চারটা। অন্য অপেক্ষমান গ্রাহক একটি মেয়ে তার চেয়ে বড়, সম্ভবত ২৫ এবং বিবাহিত এবং একটি ছেলে, স্কুল থেকে তার এক জুনিয়র। সে তার দিকে হাসল। সেও তার নিজের চুলের দিকে ইশারা করে ফিরে হাসল। সে নেতিবাচক কণ্ঠে মাথা নেড়ে বলল, "আমি এখানে এসেছি যে তাকে আগামীকাল দুপুরে আমার বোন এবং মায়ের চুল কাটার জন্য আসতে বলব।" 

{চলবে…}

নাপিতের দোকানে নিশার আকস্মিক চমক

১৯ বছর বয়সী নিশা নাপিতের কাছে যাওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। সে তার চুলগুলিতে আরো একবার চিরুনি দিয়ে আবার একবার আয়নায় পরীক্ষা করে নিল। তার চুল গাঢ় কালো ও ব্রা স্ট্র্যাপ ঘেঁষা লম্বা। সে সমস্ত চুল আঁকড়ে নিয়ে একটি পনি করে নীচে নেমে এলো। 


‘চলো চলো' নিশা উত্তেজিতভাবে বলল। সে তার ৮ বছরের মামাত ভাই জিতুকে নিয়ে চুল কাটার দোকানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হল।
তারা নাপিতের দোকানে পৌঁছেছিল, একটি পুরানো কিন্তু বড়সড় ৩টে ড্রেসিং চেয়ার এবং প্রচুর ওয়েটিং চেয়ারসহ। তিনটি চেয়ারই দখল ছিল। তারা দুজনেই অপেক্ষার স্থানে বসে।


নিশার কখনই নাপিতের দোকানে আসবার শখ ছিল না; আসলে সে চুল কাটার সাথে সম্পর্কিত যেকোনও জায়গাকে ঘৃণা করে, তবে নাপিতের দোকান এমন একটি জায়গা যা তার বিভিন্ন ভীতিকর স্মৃতিকে সতেজ করে তোলে। সে কেবল তার মামীকে কিছু সময় বের করে দেয়ার জন্য এবং সে কতটা দায়িত্বশীল তা দেখানোর জন্য জিতুর সাথে গিয়েছিল। সে তার মামীকে জানাতে চেয়েছিল যে সে আর সেই কেঁদো ছোট্ট মেয়েটি নেই। তার মামী ছোট কোঁকড়ানো চুলের এক সুন্দরী মহিলা যদিও তাকে সতর্ক করেছেন নাপিতের দোকানে জিতুর আশেপাশে খুব সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। 


দ্বিতীয় নাপিত একজন মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি তার চেয়ারের লোকের কাজ সম্পূর্ণ করে পরবর্তীদের আসতে আহ্বান করলেন। সে তার মামাত ভাইয়ের হাত ধরে ওকে চেয়ারে বসাতে নিয়ে গেলে নাপিত তখন বলল, ‘আপনিই বরং বসে পড়ুন দিদিমণি, আপনার ভাই একটু অপেক্ষা করতে পারবে’
নিশা বিস্মিত হয়ে বলল, ‘এক্সকিউজ মি! আমি এখানে কোনো চুল কাটাচ্ছি না'
নাপিত ক্ষমা চেয়ে বললেন, 'ওহ! তবে আপনি ওয়েটিং চেয়ারে বসে ছিলেন কিনা’
নিশা অপ্রতিভ হয়ে লম্বা শ্বাস ফেলে বলল– "দেখুন আমি চুল কাটছি না, আমি কেবল ওকে এগিয়ে দিতে এসেছি"
নাপিত বললেন :  'তবে আপনার চুল… উমম ছেড়ে দিন'

নিশা এবার উতলা ও অতিষ্ঠ হয়ে উঠছিল। তখন জিতু বলল, 'কেবল আমিই কেন চুল কাটাব দিদি?’
সে ক্ষেপে উঠে বলে- 'কারণ এটা তোমার চুল কাটার দিন, আমার না'
জিতু হাত পা ছুঁড়ে বলল "তুমি চুল না কাটালে আমিও চুল কাটাব না”
নিশা তাকে এ কথা সে কথায় ভুলানোর চেষ্টা করে কিন্তু ব্যর্থ হয়। সে কাঁচুমাচু হয়ে বলে, “বেশ বাবা বেশ আমিও কাটাব তবে এখন আপনি কাটান পরে আমি"
জিতু এবার ঠাণ্ডা হয়েছিল এবং তার চুল কাটা আরম্ভ হয়। সে ভেবেছিল যে এবার সে রেহাই পেয়েছে আর অমনি জিতুর বিপরীত দিকের চেয়ারে বছর ৫০ এর একজন বুড়ো নাপিত তখন তার কাস্টমারের কাজ শেষ করে পরের জনকে আসতে ডাকলেন। ব‍্যস তার খুদে মস্তান আবার শুরু করল। সে জিতুর ওপর রাগ দেখানোর জন্য মেঝেতে জোরে পা দিয়ে দুপদাপ করে হেঁটে চেয়ারে বসতে গেল। সে বড় চেয়ারের হাতলে হাত রেখে ঠিক মত বসে চুল খুলল এবং চেয়ারের পিছনে ফেলে দিলো। 


নাপিত ভারী কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী করাবেন মেম?'
সে তার কাছে ব‍্যাখ‍্যা করল :– "আমি আজ কোনও চুল কাটার নিয়ত করে আসিনি, তবে আপনি দেখতে পাচ্ছেন আমার ছোট ভাইটা কেমন জেদি এই জন্য বসতে বাধ্য হলাম। সুতরাং ২ ইঞ্চি করে দিলেই হবে”
“দু ইঞ্চি? আপনি নিশ্চিত?" নাপিত আশ্চর্যান্বিত হয়ে বলে। অন্য নাপিতরাও তাকে এক ঝলক দেখল।
সে তড়িঘড়ি উত্তর দেয়: "তা না হয় এক ইঞ্চিই সই"
নাপিত জবাব দেয়, 'আপনি যেমন বলছেন আপনার চুল কাটানো হয়ত অপরিকল্পিত হতে পারে তবে শেষ পর্যন্ত যখন কাটাতে বসেছেন কিছুটা লম্বা রাখা উচিত’
নিশা প্রত‍্যুত্তরে বলে- ‘যতটা সম্ভব কম করুন।'
নাপিত তখন খুব বেশি কিছু বলেনি। 


নিশা এত বড় চেয়ারে বসে আয়নায় তার প্রতিচ্ছবির দিকে তাকিয়ে রইল, তার পনিটেল এখন খোলা, তার চুল পিছনের দিকে ছড়ানো, কিছুটা সামনে ছড়ানো, সেই সময় একটি বড় ঈষৎ ধূলিময় সাদা পরিচ্ছদ তার গায়ে জড়িয়ে দেয়া হল। সে স্পর্শ থেকে বুঝতে পারে তার চুলগুলো কাপড়ের ভিতর থেকে বাইরে টানা হচ্ছে ও কাপড়টি তার ঘাড়ে গলায় শক্ত করে আঁটা হচ্ছে।
নাপিত তার অঙ্গুলি চালিয়ে চুলের জট ছাড়িয়ে নেয়। নাপিত অনন্তর চিরুনি হাতে নেয় তার চুলগাছি সোজা করবার জন্য। নিশা তার গর্দানে নাপিতের হাতের ছোঁয়া অনুভব করতে পারল, কারণ নিচের চুলগুলোকে আঁচড়ে জট ছাড়ানোর জন্য তার চুলের গোছা উপরে তুলে ধরেছিল। 


নাপিত তখন চিরুনি রাখে, চুল সমানভাবে ছড়িয়ে দিয়ে। তার চুলগুলি চেয়ারের পিছনে ঝুলতে অপূর্ব দেখাচ্ছিল। নাপিত তার চুলের তারিফ করেছিল, "আপনি আপনার চুলের ভাল যত্ন করেন, অতীব সুন্দর" নিশা নিরুত্তর থাকে। নাপিত অতঃপর একটি বড়সড় ক্লিপার বের করে এনে সুইচ টিপে চালু করে আর এর শব্দ শুনেই নিশা লাফিয়ে উঠল।
নিশা পীড়িত হয়ে বলল, ‘কোন কাঁচি নেই?’
নাপিত তাতে কর্ণপাত না করে নিশার মাথাটি এমনভাবে ঠেলে দেয় যেন তার চিবুক তার স্তনকে স্পর্শ করেছে। নিশা বাঁধা দেয়নি। নাপিত এই বার তার বাঁ হাত দিয়ে সমস্ত চুল পুঁজিকৃত করে পনি করে, ও পিছনে টান দেয়।
তিনি বলেন, '‘আমি এটি কাঁচি দিয়ে করতে পারি, তথাপি আপনি যা বলেছেন তা করার জন্য আমি ক্লিপারের ব‍্যবহার করায় আরও ভাল’' 


নিশা কোনো প্রতি উত্তর করে না। সে চোখ বন্ধ করল। নাপিতটি তার বাঁ হাতে ধরা চুলের মুঠি টেনে তার মাথার চাঁদিতে চেপে ধরে এবং ক্লিপারটি পিছনে রাখলেন। নিশা কিছু বুঝতে পারার আগেই, সে শোঁ শোঁ শব্দ করে ক্লিপারটিকে নিশার চুলের উপর দিয়ে তার মাথার শিখরের দিকে চালিয়ে দিল।
নিশা যেন বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছিল। সে তার পিছনে কিছু অনুভব করতে পারে। নাপিত আবার ক্লিপারটিকে পূর্ববর্তী অঞ্চল থেকে কিছুটা পাশে সরিয়ে রেখেছিল, তখনই কেবল সে চেঁচাতে শুরু করেছে। সে তাৎক্ষণিক চেয়ার থেকে ওঠার চেষ্টা করে পরন্তু পারে না কারণ নাপিত তার চুল খামচে ধরে রেখেছিল। সে কাঁপা কাঁপা হাতে কাটা চুলের অংশের জন্য হাতড়ায় এবং তার ডান হাত দিয়ে স্পর্শ করে। নাপিত তার আঁকড় শিথিল করেন, কিছু কাটা চুল মাটিতে পড়ে গেল। নিশা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে চিৎকার করে বলল, "এটা তুমি কি করেছ?"
নাপিত বিহ্বল হয়ে অস্ফুট স্বরে বললেন, "আপনি বলেছিলেন আপনি এটি যতটা সম্ভব খাটো চান" 


নিশার মুখ ফ‍্যাকাশে হয়ে গেল সে বিড়বিড় করে বলল, "আমি যতটা সম্ভব খাটো … কাটতে বলেছি, আমি মানে…"
নাপিত কিছু বললেন না। নিজের ভুলের শোচনায় তিনি মাথা নিচু করলেন। নিশা নিচে তাকিয়ে তার কর্তিত কেশগুচ্ছ দেখে অধিকন্তু ফুঁসে উঠল। সে গলা চড়িয়ে বলল, 'তুমি এটা কি করেছ?' তুমি…’
কথা শেষ করতে পারার আগে জিতু তার প্লাজো ধরে বাধা দেয়। তার চুল কাটা সমাপ্ত। নিশা তাকে দেখে নিঃশব্দে চেয়ারে বসল এবং মৃদু স্বরে বলল- এটা ঠিক করার জন্য কিছু করুন"
নাপিত কাঁপতে কাঁপতে বললেন, "উমম, দুঃখিত, তৎসত্ত্বেও আমি মনে করি আমাকে দৈর্ঘ্যের বেশিরভাগ অংশ নিতে হবে, এটা কাটাতে হবে… সবসমেত ছোট, তবে আমি সামনের দিকটা বড় রাখতে পারি।’
সে জিজ্ঞাসা করল, কতটা বড়?
তিনি বললেন, ‘'কয়েক ইঞ্চি, সম্ভবত ৪/৫। আপনার চুল কাটার পাশাপাশি আপনার ভাইয়ের চুল কাটানোর জন্য কোনো পয়সা দিতে হবে না।'’ সে দীর্ঘশ্বাস ফেলল ও চেয়ারে বসে নাপিতের কাছে আত্মসমর্পণে মাথা নমিত করল। 


নাপিতটা আবার তার চুল মুঠি করলেন, অথচ এবার সে আর ক্লিপার নেয়নি, তবে কাঁচি তুললেন। তিনি নিশার ঘাড়ের চুলকে মুষ্টিবদ্ধ করে পনি করলেন এবং কাঁচিটি ঢুকিয়ে দিলেন এবং কাছচ্চচ…ছচ্চচচ…চছ।
নিশা গর্দানে কাঁচির ঠাণ্ডা লৌহফলকের দোদুল্য টের পায়। চুল বিচ্ছিন্ন করার সময় কাঁচির ঝাঁকুনি এবং শব্দটি সে অনুভব করে। তার কেশগুচ্ছ কাঁচির প্রতিটি পোঁচে মেঝেতে গড়িয়ে পড়ে।
ছচচছ.চ্ছ। নাপিত কাটা শেষ করেছিলেন এবং তার হাতের মুঠোয় ধরা চুলের প্রান্ত ছেড়ে দিয়ে হাত দিয়ে এলিয়ে দিয়েছিলেন। চুলের কাটা প্রান্ত এখন তার ঘাড় অবধি দীর্ঘ। তার সুন্দর কেশর মেঝেতে পড়েছিল। নাপিতটি আবার ক্লিপারে স্যুইচ করে। 


তিনি ওর মাথাটি পিছনে কাত করেছিলেন, যাতে সে নিজেকে আয়নায় দেখতে পারে এবং ক্লিপারে একটি গার্ড সংযুক্ত করলেন। সে তার সমস্ত চুল পিছনে আঁচড়েছিলেন, এবং তারপরে ক্লিপারটি তার চুলের ঠিক সামনে মাঝামাঝি জায়গায় রেখে আস্তে আস্তে মাথার শীর্ষে নিয়ে যান।

বিচ্ছিন্ন দীর্ঘ চুলের কুচি তার কোলে এসে পড়ল। তিনি পুনশ্চ একবার চিরুনি দিয়েছিলেন এবং একই কাজটি একটু পাশ দিয়ে করেছিলেন। তিনি এভাবেই চালিয়ে যান।
নিশা তার চোখের সামনে তার রূপান্তর দেখতে পাচ্ছিল। তার রমণীয় চুলগুলো এখন তার মাথা কালো দেখানোর জন্য যথেষ্ট ছোট খোঁচা খোঁচা চুল। সে তার কোলে তার তাল পাকানো কাটা চুলগুলি দেখতে পায় এবং বুঝতে পারছিল আরো চুল কাটা পড়ছে ও কিছুটা মেঝেতে গড়িয়ে পড়েছে। 


একবার নাপিতের সামনের দিকটা করা হয়ে গেলে, তিনি গার্ডটি সরিয়ে ফেলেন, ও তার চেয়ারটিকে নব্বই ডিগ্রি দিয়ে ঘুরিয়ে দিলেন এবং ক্লিপারটি পাশ থেকে উপরে চালালেন। তার আরো চুল পড়ে গেল মেঝেতে।

নিশা এখন তার বাম দিকে সামান্য হাওয়া অনুভব করতে পারে। সে জানত এটি সামনের চেয়ে খাটো তবে কতটা ছোট তা সে জানতে আগ্রহী। নাপিত বাঁদিক সম্পন্ন করার পর, তিনি তাকে তার ডান দিকে ঘুরিয়ে দিলেন ডানপাশ দেখার জন্য। ঘোরানোর সময় নিশা তার পাশটা এক ঝলক দেখেছিল। সে কেবল কালচে ছোপযুক্ত সাদা দাগ দেখেছিল তার বাম দিকে।
নিশা এই মুহূর্তে তার ডানে ক্লিপার অনুভব করতে পারে। তার চুল মেঝেতে ঝরে যাচ্ছে। সে এখন ক্লিপারের ভাইব্রেশন পছন্দ করতে শুরু করেছে। 


ডানপাশ সম্পূর্ণ হওয়ার পরে, নাপিত আবার তার চেয়ারটি এমনভাবে ঘুরিয়ে দিলো যে সে তার প্রাথমিক অবস্থানে ফিরে গেল। নিশা যা দেখেছিল তা বিশ্বাস করতে পারল না। তার মাথার দুইপাশ প্রায় টাক হয়ে গেছে, তার খুলির ত্বক দেখা যাচ্ছে। ভালভাবে চাক্ষুষ করা শেষ করার আগে, সে অনুভব করল নাপিতের হাত তার মাথায় ধাক্কা দিচ্ছে। সে মেনে নিল এবং মাথা ঝুঁকাল।

নাপিত পেছনটা সত্যিই দ্রুত করছিল। তার চুল ক্লিপারের প্রতিটি ঘর্ষণে মেঝেতে বৃষ্টির মত ঝরে পড়ছিল। তিনি ক্লিপার সরিয়ে রাখতেই নিশা মাথা তুলেছিল। নাপিত এবার দুহাতে তার মাথার পিছনে ও দুপাশে মর্দন করা শুরু করে যা সে পছন্দ করে না। 


পরবর্তীতে নাপিত একটি ক্ষুর বের করলেন এবং তাতে ব্লেড ঢোকালেন। নিশা ভয়ার্ত হয়ে চিৎকার করেছিল, "আমাকে ন‍্যাড়া করবেন না" 

নাপিত জবাব দিলেন, "এটি কেবল ঘাড় পরিষ্কার করার জন্য" ও তার গর্দানে পানি স্প্রে করেন। 

তিনি রেজারটি তার পেছনে রেখে বললেন, "নড়বেন না" এবং কানের পিছন পর্যন্ত তার চুলগুলি চেঁছে ফেললেন। 


তিনি ঘোষণা করলেন, “এটা শেষ” এবং তারপরে তার শরীরে লেগে থাকা চুল ঝেড়ে দিলেন এবং কেপ খুলে ফেললেন। 


নিশা উঠে দাঁড়াবার সাথে সাথে তার কাটা চুল তার পায়ের নিচে পড়ল। সে তার চুল পরীক্ষা করতে খুব উদ্বিগ্ন ছিল। সে তার মাথার পার্শ্বদেশ এবং পিছনে স্পর্শ করল। 


সে নিজেকে পরীক্ষা করার জন্য সময় নিয়েছিল। তার অন্যরকম উপলব্ধি হয় এবং সে আনন্দ পাবে বা না দুঃখিত হবে ভেবে উঠতে পারছিল না। পরে জিতুর সাথে দোকান থেকে বেরিয়ে এলো সে।
নিশার মামী তাকে এমনভাবে দেখে মোটেও অবাক হয় নি। তিনি মুচকি হাসলেন, "আমি তোমাকে সাবধানী হতে বলেছিলাম জানো তো…"
নিশা জবাব দেয়নি। তার মামী তার মেজাজ ঠিক করার জন্য বললেন, "যাও গোসল করে নাও, তোমাকে মোটেই খারাপ দেখাচ্ছে না"
নিশা ধীরে জবাব দিলো, "আপনি ছোট চুল পছন্দ করেন ঠিক আছে তবে আমার চুল সবসময় লম্বা থাকে" তার মামী জবাব দেয়, "বিশ্বাস কর তোমার চেয়ে আমার চুল বেশি লম্বা ছিল এবং…"

Friday, July 3, 2015

কুচ বরণ মেয়ে তার মেঘ বরণ চুল (২য় খণ্ড)

লিখেছেন : সন্ধ্যা প্রদীপ

এমন সেলিব্রিটি ইমেজ নিয়ে তার দিনগুলো ভালই কাটছিল এমন সময় ডিপার্টমেণ্টের একটি ব্যাচের নবীনবরন উপলক্ষে অনেক বড় অনুষ্ঠান করার প্রস্তুতি শুরু হলো। সব ব্যাচ অংশ নেবে এতে। সে যেন এক আনন্দ মেলা। প্রতি দিন বিকেলে রিহার্সেল হয়,আড্ডা হয় আরো কত কিছু। একটা ফ্যাশান শো আর একটি যুগল নাচ। পার্টনার তিন ব্যাচ সিনিয়র রিয়াদ ভাই। রিহার্সাল চলতে লাগল পুরোদমে। রিয়াদ ছেলে হিসাবে বেশ হ্যান্ডসাম, জান্নাত তাকে আগেও অনেকবার দেখেছে কিন্ত এই প্রথম বার কাছে থেকে ভাল করে লক্ষ্য করল। কি চমৎকার তার কথা বলার ভঙ্গি আর কি চমৎকার তার ব্যাক্তিত্ব। এই রিহার্সালের মধ্যে দিয়ে সবার সাথে সবার অনেক খাতির হয়ে গিয়েছে। জান্নাত যদিও অন্য সবার ব্যাপারে খুব সাবলীল কিন্ত রিয়াদ ভাইর কাছে তার কেমন যেন একটা সঙ্কোচ রয়েই গেল। যদিও সেটা শুধু সাধারন ক্ষেত্রে, রিহার্সালে তারা দুজনেই খুব ভাল করতে লাগল। তার ছোট চুল তাই তাদের জন্য ঠিক করা হয়েছে ওয়েষ্টার্ন গান। তাদের বোঝাপড়া এক্ষেত্রে এত ভাল হয়েছিল যে অন্যরা তাদের কাজ ফেলে ওদের রিহার্সাল দেখত।

আজকাল জান্নাতকে কেমন যেন একটা নেশায় পেয়ে বসেছে। সারাদিন বিকেলের জন্য মন উতলা হয়ে থাকে। আর বিকেল চলে গেলেও স্মৃতিগুলো পিছু ছাড়তে চায় না। সে বার বার নিজেকে আয়নায় দেখে আর নিজের মনেই হাসে। এর মাঝেই একদিন সে রিয়াদ আর তার বন্ধুদের কিছু আলোচনা শুনে ফেললো। মাস্টার্সের ব্যাচের কিছু ছাত্রছাত্রী ডিপার্টমেন্টের ক্যান্টিনের বারান্দায় বসে আড্ডা দিচ্ছিল ভেতরের ঘরে যে সে আছে তারা সেটা খেয়াল করেনি তাই এটা সেটা বলতে বলতে একজন হঠাৎ বলে ফেললো– আমি যে নাটকটা লিখেছি তাতে রিয়াদ কে নায়ক করবো ভাবছি কিন্ত মনমতো নায়িকা পাচ্ছিনা। অন্য একজন বলল কেন ওর পার্টনারকে নিয়ে নে। আগেরজন বললো, নাহ! ঐ মেয়ের তো চুল নেই গ্রাম ভিত্তিক কাহিনীতে একদম মানাবে না। অন্য আর একজন বললো, মেয়েটাকে কিন্ত আমাদের রিয়াদের সাথে খুব মানায়, পার্টনারশিপটা পার্মানেন্ট করে নে, কি বলিস রিয়াদ? তখন রিয়াদ বিব্রত গলায় বলে উঠল, আরেহ কি যে বলিস তোরা।বাজে কথা বলিস না। সবার একচোট হাসির মাঝেই একজন মেয়ে বলে উঠল, ওখানেও তো একই সমস্যা, চুল! আমাদের রিয়াদ দেখতে হাইফাই হলে কি হবে পছন্দ একদম কবরী-ববিতার যুগের মত ঘন কালো কেশবতী কন্যা। বয়কাট দিয়ে কি আর ওর মন ভরে? সবাই আর একচোট হেসে উঠল।

এইসব আলোচনা শুনে জান্নাতের গালদুটো লাল হয়ে উঠল। সে মনে মনে ভাবল, ও তাহলে আমাকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, আমার চুল নিয়ে মজা করা হচ্ছে?রূমে ফিরে আয়নাতে নিজের চেহারা দেখে চুল কাটার পর প্রথমবার তার আফসোস হলো। বারবার মনে হতে লাগল, ইশ যদি চুলগুলো এভাবে কেটে না ফেলতাম তবে কেউ আর আমাকে নিয়ে মজা করতে পারত না। একটা দিন তার এইসব ভাবনাতেই কেটে গেল, এমনকি সে ক্লাসে বা রিহার্সেলেও গেল না। তারপর হঠাৎ তার মনে হলো আচ্ছা, আমি তো আমিই।আমার চুল বা অন্য কিছু তো আমি নই শুধু আমার দেহের একটা অংশ। সেটা সাময়িকভাবে না থাকতে পারে কিন্ত আমি তো সম্পূর্নই রয়েছি তার সামনে। আমার সাথে মিশে আমাকে চেনার ও কাছ থেকে জানার সুযোগ সে পাচ্ছে। এতকিছুর পর যদি মানুষ হিসাবে আমাকে তার ভাল লাগে তবে সে নিশ্চয় চুলের মত তুচ্ছ কোনো বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাবে না। আর যদি কারো কাছে আমার চেয়ে আমার চুল বড় হয়ে দেখা দেয় তো সেই মানুষকে আমার দরকার নেই। নিজের এভাবে বুঝিয়ে জান্নাত মনটাকে স্থির করে।

পরদিন থেকে সে আবার রিহার্সেলে যাওয়া শুরু করে। রিয়াদের সেই বন্ধু অবশেষে নাটকের নায়িকা হওয়ার জন্য তাকে প্রস্তাব দেয়, অবশ্য তার জন্য একটা পরচুলা আনা হবে বলে ঠিক করা হয়। জান্নাত ভেবেছিল না করে দেবে কিন্ত হায়রে মানুষের মন! মোহ থেকে বের হওয়া কি এত সোজা? আর কিছু না হোক রিয়াদ ভাইয়ের একটু কাছে থাকা, তার গায়ের পারফিউম আর সিগারেটের ধোঁয়া মিশ্রিত পুরুষ পুরুষ গন্ধ, তার কথা শোনা। এটুকু ভাললাগার জন্যেই সে প্রস্তাব ছাড়তে পারেনা। একমাসের রিহার্সেলের পর দারুন একটা প্রোগ্রাম হয়। জান্নাত অনেক প্রশংসা পায়। তারপর দিন কাটতে থাকে আপন গতিতে। পরীক্ষা শেষে রিয়াদের বিদায়ের সময় হয়ে আসে। তারা পরিচিতদের নিয়ে একটা বিদায়ী ডিনারের আয়োজন করে কিন্ত বিশেষ নিমন্ত্রন সত্ত্বেও জান্নাত সেখানে যায় না। কেন যায় না তা সে নিজেও জানে না। বরং সেদিন সে পার্লারে গিয়ে ২য় বারের মত ন্যাড়া করে আসে।

এরপর কেটে গেছে আরো একটা বছর। জান্নাত এবছর অনার্স ফাইনাল দেবে। বহু ব্যস্ততার মাঝে তার দিন কাটে। কখনও হঠাত করে তার রিয়াদের কথা মনে হয় খুব অল্প সময়ের জন্য। আসলে মোহ অনেকটা বৃক্ষের মত, তার বীজ বপনের পর যত্ন করলে তবেই চারা বের হয় আর একদিন তা বিশাল আকার নেয়। জান্নাতের মনে মোহের বীজ বপন হয়েছিল সেইসব দিনে, চারাও গজিয়েছিল কিন্ত সে বুদ্ধিমান তাই হাওয়া পানি দিয়ে সেটাকে আর বড় হতে দেয়নি। নিজের জীবনে চেয়ে না পাওয়ার বেদনার কূপ খনন করেনি। শুধু মাঝে মাঝে হঠাৎ একটু ফিরে তাকায় মোহের চারাটির দিকে। ব্যস এ পর্যন্তই। সে শুধু একটা হিসাব মেলাতে পারেনা। নাটকের দিন স্টেজে ওঠার আগে লাল-সবুজ গ্রামীনচেক শাড়ি, রেশমি চুড়ি পড়ে যখন সে রিয়াদের সামনে যায় তখন রিয়াদের চোখে এক অদ্ভুত দৃষ্টি ছিল।নিজের স্বপ্ন পুরুষের চোখে তীব্র মোহ আর মুগ্ধতার প্রথম দৃষ্টি যে দেখেছে সেই নারীমাত্রই জানে সে দৃষ্টি কেমন। জান্নাত হিসাব মেলাতে পারেনা, সেই দৃষ্টির কারণ কি সে না তার লম্বা নকল চুল সে তা আজও বোঝে না।

Wednesday, January 28, 2015

মালা চ‍্যাটার্জীর ন‍্যাড়া অভিযান (১৮+) [শেষ ভাগ]

একটি মেয়ে যখন যৌনসঙ্গমের গল্প শেয়ার করতে আসে তখন তার লুকানোর কিছুই থাকে না, সেটা তার স্বামীর সাথেই হোক বা একজন ছেলে বন্ধুর সাথে (অবশ্যই আমি নীলকে ফিরে আসার পর সে সম্পর্কে সব বলেছিলাম। সে শুধু অভিভাবকীয় ভঙ্গিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছিল – না কেন তুমি তোমার পায়ের মধ্যে তার শিশ্ন নিয়েছিলে? - যা খুব সাধারণ হবে। আমার স্বামী আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে ঠিক যতটা আমি তাকে বাসি - তিনি বিদ্বিষ্ট হয়েছিলেন কেন আমি একজন অচেনা পুরুষ নাপিতকে তার লূঁঢ়টিকে আমার শরীরে প্রবেশ করতে দিয়েছিলাম, এবং তাও , আমার মধ্যে সরাসরি বীর্যপাত করার জন্য, যদিও আমি কিছুই জানতাম না যে সে ভিডি (যৌনব্যাধি) বহন করছে নাকি এইচআইভি বা হেপাটাইটিস-বি, যা যৌন সংক্রমিত?) আমি বললাম – তুমি যদি তার পাংশুকেশী, ৯ ইঞ্চি বাড়া এবং তার রেশম-কোমল অণ্ডকোষ দেখতে , তুমি নিশ্চিত হতে তিনি বাগান থেকে তাজা। যাই হোক না কেন, তারপর এসেছিল আমার স্বপ্ন- আমার মাথা মুণ্ডানোর ইচ্ছা। আমি আবার সপসপে ভিজে ম্যাক্সিটা আবার না পরে সম্পূর্ণ ল্যাংটো হয়ে বসলাম, আমার নগ্ন শরীরের উপর বাসি, ট্যালকম পাউডারের গন্ধযুক্ত বহির্বাসের একটি সাদা কভার-পিস দিয়ে। সামনে খোলা ছিল যেহেতু সে আমার সামনের অংশটি ঢেকে দিয়েছে। আমার স্তন তার সামনের দিকে ঝুলে ছিল, এবং আমি তাকে সতর্ক করে দিয়েছিলাম যে আমার মাথা কামানোর সময় আমার স্তন দেখতে বা স্পর্শ করতে না, কারণ তখন সে প্রক্রিয়ার মধ্যে ক্ষুর দিয়ে আমাকে আঘাত করতে পারে। 

আমি তাকে আমার চুলের আস্তরণ উপরে তুলতে আদেশ দিয়েছিলাম, সে তা করেছিল। আমি তাকে তার জোড়া কাঁচি দিয়ে আমার কাকের ন‍্যায় কালো জলপ্রপাতের ধারা কাটতে বলেছিলাম, সে তা করেছিল। আমি তখন তাকে আমার মাথার ত্বকে স্পর্শ করা কাঁচি দিয়ে বাকি চুলটি কেটে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলাম, এবং সে আবার তা করেছিল। এই ক্রু কাটের পরে আমাকে একটি স্কুলের ছেলের মতো লাগছিল, যদিও অসমভাবে কাটা হয়েছে, এবং কেবল চিরে কেটেছে। 

তারপর আমি নিচু হয়ে, সে যে পায়জামা পরেছিল তার উপর তার কুঁচকির অঞ্চলে আমার মুখ রাখলাম। আমি তার পায়জামার উপর ধূসর দাগ নিয়ে কৌতুক করেছিলাম এবং সে স্বীকার করে যে এটি তার বীর্য ছিল যেটি সে ২ দিন আগে হস্তমৈথুনে বের করেছিল, কারণ সে তার শরীরে থাকা বীর্য নিয়ে ঘুমাতে পারেনি। আমি ভেবেছিলাম তার ঊরুসন্ধি দিয়ে ‘মিল্কিং অফ এ‍্যা কাউ’ স্টাইলটি করা উচিত, কিন্তু এর বিপরীত ভেবেছিলাম, কারণ পরের দিন যখন সে আমার কাছে আসবে, সে যত বেশি সময়কাল বীর্যধারন করবে ততই ভাল। 

তারপর সে আমার মাথায় পানি ছিটিয়ে মালিশ করতে লাগল। ওহ কি ম্যাসাজ. আমি হয়তো সারা জীবন পাথরের মতো ন‍্যাড়া হয়ে থাকতে পারি যদি ২৯/৩০ বছরের এমন কোনো ছেলে প্রতিদিন তার মোটা হাত দিয়ে আমার মাথায় মালিশ করে, 'বিড়ির' গন্ধ এবং সস্তা শেভিং রাউন্ডের অজানা সুগন্ধসমেত যা সে তার শেভিং কাস্টমারদের জন্য ব্যবহার করে। . সে আমার মাথাকে আদর করেনি, বরং দুদিক থেকে আমার মাথাকে উৎপীড়ন করেছে – উভয় চিপ এবং উভয় কান।

প্রায় ১৫/১৬ মিনিট পর, আমার প্রিয় নীল আমাদের তাগাদা দিতে আসে। আমাকে বিরজুকে ম্যাসাজ বন্ধ করতে এবং শেভিং শুরু করতে বলতে হয়েছিল। আমার সামনে একটি আয়না (১০ × ১২ ইঞ্চি হতে পারে) রাখা ছিল। আমি স্টিলেটো ক্ষুরটিকে আমার কোমল মাথার ত্বকের উপর পালকের মতো দৌড়াতে দেখছিলাম, এবং প্রতিবার এটি দৌড়ানোর সাথে সাথে নীলাভ বেগুনি রঙের নগ্ন মাথার একটি দাগ একসাথে যুক্ত হয়েছে, এবং ৩ মিনিটের মধ্যে, আমি ভুলে গিয়েছিলাম যে আমি কখনও লোমহর্ষক কাকের মতো কালো ঢেউ খেলানো জলপ্রপাতের ধারার তুল‍্য কালো চুল জিনিসটি বহন করেছি। যেন আমি মাথা ন্যাড়া হয়েই জন্মেছি। 

কিছু মেয়ে বলে যে তারা মাথা মুণ্ডানোর সময় কেঁদেছিল। আমার কাছে হাস্যকর লাগে। কারণ একটি মেয়ে বা এমনকি একজন বিবাহিত মহিলা যার মাথা চকচকে কামানো, যদি টাক মাথাটি মেহেন্দি ডিজাইনে রাঙিয়ে দেওয়া হয় তবে আরও সুন্দর, লম্বা লম্বা চুলের ১০০০ বছরের পুরানো স্টাইলের চেয়ে অনেক বেশি মনকাড়া এবং সেক্সি এবং আকর্ষণীয় দেখায়। 



মালা চ‍্যাটার্জীর ন‍্যাড়া অভিযান (১৮+) [দ্বিতীয় ভাগ]

সে (বিরজু) আমার মুখ ও গালে সামান্য জিলেটের ফোম লাগিয়ে তাতে জল ছিটিয়ে ফেনা তৈরি করে। এই সময় ক্যামেরা ক্রুদের একজন দেখতে এসেছিল আমরা দুজন কি করছিলাম, এবং আমাকে চোখ টিপে ইঙ্গিত দিয়ে জিজ্ঞাসা করল। আমি উত্তর দিয়েছিলাম যে আমরা সেক্স করছি না যদি সে এটাই বোঝাতে চায়। বরং বলেছিলাম যে আমি ইতিমধ্যে আমার বগলের সাথে আমার ভোদা কামিয়েছি, এবং এখন আমি আমার মুখ এবং গাল শেভ করার সময় উপভোগ করছিলাম 'ছেলেরা যেমন করে'। 


আমরা দুজনেই হাসিতে ফেটে পড়লাম, আর বিরজুও আমার কৌতুক উপভোগ করে হাসিতে ফেটে পড়ল। আমি তার দিকে চোখ টিপে বললাম যে আজ আমি ট্রেইলর-শুটে ব্যস্ত থাকব, কিন্তু তাকে অবশ্যই পরের দিন আমার হোটেলে এসে দেখা করতে হবে, ঠিক সকাল ১১-০০ টায়, কারণ পুরো ইউনিট একসাথে আমার ভবিষ্যত স্বামীর "নীল'’ সাথে আগামীকাল 'স্পট হান্ট'-এর জন্য বের হবে। বিরজু আমাকে সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ট সময় থাকতে হবে, কারণ আমি ইতিমধ্যেই বিরজু দ্বারা কামোত্তেজিত হয়েছিলাম, যার হাত আমার গোপনাঙ্গ স্পর্শ করেছিল এবং আমার মাথা ব্যথা হবে যতক্ষণ না সে নিজেই আমার মধ্যে কামনার আগুন নিভিয়ে দেয়। বিরজু অবশ্যই, পরের দিন সকাল ১০-৫০ টায় হাজির হলো, এবং ৩-৩০ টা পর্যন্ত আমার সাথে বিছানায় রইল, কিন্তু এটি অন্য গল্প।

Friday, September 26, 2014

পরিবর্তন (১৮+) ২য় পর্ব

বিল্টু এতক্ষণ শুয়েছিল খাটের ওপর। এবার উঠেছে। পরমা বুঝতে পারছে বিল্টু বাথরুমে যাচ্ছে। বিল্টু বাথরুমে ঢুকতেই পরমা ঘরে ঢুকে চিরুনিটা হাতে তুলল তারপর চিরুনিটা ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারে রেখে বিছানায় বসে চোখে হাত দিয়ে জোরে জোরে শ্বাস নিতে লাগল। প্রায় আধঘণ্টা পর বিল্টু বেরোলো বাথরুম থেকে। পরমা ডাকল

– “বিল্টু শোনো”

বিল্টু ঘরে ঢুকল। ওকে দেখে মনে হচ্ছে যেন খুব ক্লান্ত। বুঝতে কিছুই বাকী ছিল না পরমার। গম্ভীর গলায় আদেশ বেরোলো ওর মুখ থেকে,

– “এখানে বসো”

বিল্টু বসল। মুখ নিচের দিকে। পরমা অধৈর্য হয়ে উঠে দাঁড়াল। খোলা চুল টা জড়িয়ে নিলো। ঘাড়ের কাছে একটা বড়সড় রেশমের বলের মত ঝুলে রইল খোঁপাটা। পরমা বলতে শুরু করল,

– "কি চাও তুমি? তোমার কম্পিউটারে আমি দেখেছি। কি ওগুলো…" আরো বলতে যাচ্ছিল, বিল্টু কেঁদে ফেলল। পরমা এটা আশা করেনি। ঘাবড়ে গেল বিল্টুর কান্না দেখে। ওর খোলস টা যেন হঠাৎ উধাও হয়ে গেল বিল্টুর কান্না দেখে। ওর পাশে বসল পরমা। ওর গলা অনেক নরম হয়ে এসেছে। বিল্টুর মাথায় হাত বোলাতে লাগলো। বিল্টু এক ঝটকায় জড়িয়ে ধরল ওকে। অঝোরে কেঁদে চলেছে সে। পরমা এবার বলল,

– "কি চাই তোর? আমায় বল, কেন ওসব দেখিস তুই?”

বিল্টু এবার কথা বলল, ওর কান্না থেমেছে।

– “আমি জানি না মা। তোমার চুলটা দেখলেই আমার…"


পরমা কোনও কথা বলল না। শুধু বিল্টুর মাথায় হাত বোলাতে লাগলো। ও বুঝতে পেরেছে ওর কি করা উচিত। কিছুক্ষণ পর সব শান্ত হলে বিল্টুকে বলল এদিকে এসো। বিল্টু গেলে পরমা বলল সকালে তুমি যেই চুল আমার চিরুনি থেকে নিয়েছিলে ওটা এখনই দাও আমায়। বিল্টু ঘাবড়ে গিয়ে বলল আমি কিছু জানিনা তুমি কোন চুলের কথা বলছ। পরমা বলল তাহলে আমায় তোমার বাবাকে একটা ফোন করতে হবে মনে হয়। বিল্টু কাঁদতে কাঁদতে বলল না না দাঁড়াও দিচ্ছি বলে সে বাথরুমের দিকে যেতে গেল তো পরমা ধমক দিয়ে বলল ওদিকে না এখানে দাঁড়িয়ে যা করার কর। বিল্টু কোনো উপায় না পেয়ে পরমার সামনেই ধোনটা বের করে ওতে লেগে থাকা চুলগুলো ছাড়াতে লাগল। পরমা বলল এগুলো তুমি কি করেছ ছিঃ! ছিঃ!! বিল্টু লজ্জায় মাথা হেঁট করে ধোনের থেকে চুল বার করে পরমার হাতে দিলো। পরমা রেগে বলল তুমি এমন কেন করেছ? তুমি জানো চুলের ধারে তোমার নুনু কেটে গিয়ে রক্তপাত হতে পারত? বিল্টু চুপ করে রইলো। পরমা বলল অনেক হয়েছে আর না বিল্টুকে বলল তৈরি হয়ে নে। আমরা বেরুবো। বিল্টু জিজ্ঞেস করল, ‘কোথায়?’

– 'আমি চুল কেটে ফেলব, তুই আমায় নিয়ে যাবি।'

বিল্টু চমকে উঠল একটু। ও নিজেও অনেকবার মাকে কল্পনা করেছে, গলায় সাদা কেপ জড়ানো, মায়ের চোখে জল পড়ছে, তবুও ও থামছে না নিজের হাতে কেটে ফেলছে মায়ের চুল। একদম ছোট বয়কাট। টিভিতে যে মেয়েটা খবর পরে ঠিক তার মত। ওর আজ যেন একটু সাহস হল। বলল


– ‘মা, তোমার চুল যদি আমি কাটি? প্লিজ না বলো না। আমি কথা দিচ্ছি আর ওসব আমি দেখব না। মন দিয়ে পড়াশোনা করব।'

পরমা এবার হাসল। বুঝল সমস্যা এখন সমাধানের পথে। এতদিন নিজেকে দিদিমণি ভেবে এসেছে। আজ প্রথম মা ভাবতে ভাল লাগছে নিজেকে। ছেলের জন্যে এটুকু করতে পারবেনা সে? বলল ঠিক আছে। বিল্টুকে এত খুশি দেখেনি সে কোনোদিন। বিল্টুকে বলল, 'বল আমি কি করব। কোথায় বসব? বরং তোর ঘরে চল।’

বিল্টু অবাক, আজ কি সে স্বপ্ন দেখছে? তারাতারি সব ব্যবস্থা করতে লাগলো সে। নিজের ঘর পরিস্কার করে ঘরের মাঝে একটা টুল রাখল সে। একটা সাদা কাপড় জোগাড় করলো চুল কাটার সময় মায়ের গায়ে জড়ানোর জন্য। বাবার শেভিং কিট কাঁচি চিরুনি সব জড়ো করল টুলটার কাছে।

পরমা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখছিল চুলের গোছা সামনে নিয়ে। নিজেকে আজ বড় কুৎসিত লাগছে তার। কি করতে চলেছে সে কিছুই জানে না। সোমবার যখন কলেজ যাবে তাকে দেখে লোকে হাসবে। কিন্তু কোনো উপায় নেই তার। ওর মুখ চোখ দেখে মনে হচ্ছিল যেন কোন অজানা শত্রু তার সর্বস্ব লুট করে নিতে চলেছে। যেন সর্বসমক্ষে উলঙ্গ করে দেয়া হবে আর একটু পরেই। না, সব চুল সে কিছুতেই কাটবে না। খুব জোর চার আঙ্গুল, আট আঙ্গুল, আচ্ছা বেশ খুব বেশি হলে কোমর অব্দি। তার বেশি না। সে তখনও জানে না, বিল্টু ঠিক তখনই ট্রিমারটা চালিয়ে টেস্ট করছে তার জন্যে।কবিতা আর তাকিয়ে থাকতে পারল না আয়নায়, চুলটা তুলে খোঁপা করে নিলো। আরও মিনিট দশ কাটল। চমক ভাঙল বিল্টুর ডাকে, 'মা, এসো।' 

পরমা গিয়ে ঢুকল বিল্টুর ঘরে। বিল্টু মাকে ঘরে ঢুকিয়ে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দিলো যাতে কেউ ওদের বিরক্ত না করে। পরমাকে দেখে মনে হচ্ছিল না যে সে স্বেচ্ছায় মেনে নিচ্ছে এই ব্যবস্থা। যেন ওকে জোর করে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল এমন একটি ঘরে যেখান থেকে সে যখন বেরোবে ততক্ষণে তার মান সম্মান শরীরের আচ্ছাদনটুকু লুট করে নেবে কেউ। তবুও ওকে ঢুকতেই হবে ওই ঘরে। এছাড়া আর কোনো উপায় নেই ওর। বিল্টু ওকে হাত ধরে নিয়ে গিয়ে টুলটাতে বসিয়ে দিলো। পরমার শরীরে যেন প্রাণ নেই। বিল্টু সাদা কাপড়খানা জড়িয়ে দিচ্ছে ওর গলায়। তারপর হাত পড়ল ওর খোঁপায়। কবিতার শরীরে শিহরণ খেলে গেল। বিল্টুর শরীরও স্থির নেই। মায়ের নরম চুলের খোঁপায় হাত দিয়ে ওর বুক উত্তেজনায় কাঁপতে শুরু করেছে। ওর পক্ষে মাথা ঠিক রাখা অসম্ভব হয়ে উঠল। এতদিন যা সে স্বপ্নে দেখে এসেছে আজ তা বাস্তবে পেয়ে সে সব ভুলে গেল। সে ভুলে গেল একটু আগে কি ঘটেছে। খালি তার মনে হতে লাগলো এতদিন যে সকল মডেলদের সে কম্পিউটারে দেখে এসেছে তাদেরই কেউ একজন তার সামনে বসে আছে এবং তাকে নিয়ে সে যা খুশি করতে পারে। সে পাগলের মত খেলা করতে লাগল মায়ের চুল নিয়ে। প্রথমে খোঁপাটা দু’হাতে নেড়েচেড়ে দুহাতে টিপে শেষে নাক ডুবিয়ে গন্ধ শুঁকতে লাগল। পরমা বুঝতে পারল না বিল্টু কেন এমন করছে। কিন্তু তার খালি মনে হতে লাগল বিল্টু এখন যা চাইছে তা না পাওয়া অব্দি ওর মন শান্ত হবে না। তাকে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে গেলে সে যা চাইছে তাই দিতে হবে। নতুবা সে তলিয়ে যাবে এক অন্ধকার জগতে। তাই সে চুপচাপ বসে রইল। আর নিজেকে পুরোপুরি বিল্টুর হাতে ছেড়ে দিল। বিল্টুর তখন মাথার ঠিক নেই। ততক্ষণে খোঁপাটা খুলে ফেলেছে সে।ঘন কালো মখমলের মত নরম কালো চুল মেঝে অবধি ঝুলে রয়েছে, ঢেকে ফেলেছে পরমার গোটা দেহ। আর বিল্টু দুহাতে নিয়ে খেলছে, গায়ে মাখছে সেই পশম। হঠাৎ বিল্টুর মনে হল এই চুল তো মা কেটেই ফেলবে খানিক বাদে। 


চলবে…

Tuesday, April 30, 2013

বাবার শ্রাদ্ধে মেয়ের মুণ্ডন

সুন্দরী লম্বা চুলের মেয়ে। তার কোমর অবধি লম্বা চুল ছিল। সে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করছে, যেখানে সে কেবল গত মাসে যোগদান করেছে। সে আজই তার ১ম মাসের মাইনে পেয়েছে। এই মুহূর্তে সে একটি বড় বিপণী বিতানের সামনে দাঁড়িয়ে তার বাবার জন্য কি কিনবে তা ভাবছে। সুন্দরী তার বাবাকে ভালবাসে, তার মা নেই। তার মা তার বোঝবার বয়স হবার আগেই মারা যান। এর পরে তার বাবা বহু লড়াই করে তাকে এতদূর এনেছে। সুন্দরী এটা কখনোই ভুলে যাবে না। তাই সে তার ১ম মাইনের টাকায় বাবাকে কিছু উপহার দিতে চায়। তার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক। তার বাবার স্বপ্ন তার মেয়ের বিয়ে। তবে সুন্দরী তার বাবার কারণেই তার বিয়ের জন্য প্রস্তুত না। সে তার বাবার যত্ন নিতে চায়। তবে তার বাবা তার বিয়ের জন্য বেশ পীড়াপীড়ি করায় সে বলেছিল দুই বছর পর সে বিয়ে করবে। তার বাবাও এটি মেনে নিয়েছিল। 


সুন্দরী তার বাবার জন্য রেশমের ধুতি এবং নতুন ফতুয়া কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অতএব সে মিষ্টির দোকানে গিয়ে মিষ্টি কিনে বেরিয়েই কাপড়ের দোকানে ঢুকে একটি সুন্দর ধুতি ফতুয়ার সেট কিনে ফেলে। তারপর পথে বেরোতেই হঠাৎ তার চোখে বাবার সঙ্গে কাটানো নিজের শৈশবের দৃশ্য কল্পনায় ভেসে উঠল। ২ বছর বয়সেই তার মা আচমকা মারা যান। এরপর থেকে তার ছোট্ট জগৎ জুড়ে কেবল তার বাবারই অস্তিত্ব আছে, তার মায়ের মুখ কেমন সে তো তা ভুলেই গেছে অবশ্য তার বাবাই এমনটা করেছেন যাতে সে কষ্ট না পায়। তার মায়ের মৃত্যুর পর তার বাবার বন্ধু শুভানুধ্যায়ীদের অশেষ পীড়াপীড়িতেও তার বাবা তাকে রেখে দ্বিতীয় সংসার পাততে রাজি হননি এমনকি কয়েক বছর আগে যখন সে সবে স্কুল শেষ করেছে তখনো তারা হাল ছাড়েননি। যা হোক সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ। ৩ বছর বয়সে গ্রামের মন্দিরে তার মুণ্ডনের আয়োজন করা হয়। সে চকচকে ক্ষুরের ফলা দেখে ঘাবড়ে গিয়েছিল কিন্তু তার বাবা তাকে মুণ্ডন করাতে রাজি করেছিল। এবং তার ৬ বছর বয়সে সে একটি স্কুলে ভর্তি হয়ে গেল। তার বাবা তাকে তার স্কুলে ছেড়ে আসতেই প্রথম দিনে সে অনেক কাঁদল। এর কিছুদিন পরেই তার বাবা আবার তার মাথা মুড়াতে চায় তবে সে আর সায় দেয়নি। কারণ তার চুল বেশ লম্বা হয়েছিল এবং তার চুলের ওপর মায়া পড়ে গেছিল। সে নিজের যত্ন নিবে এবং চুলের জন্য অসুখ বাঁধাবে না বলেছিল তাই তার বাবাও তাকে আর জোর করে না। এর পর থেকে সে তার চুল লম্বা করতে থাকে। কলেজ অবধি সে চুলে বলতে গেলে কাঁচিই ছোঁয়ায়নি। কেবল মাঝেমধ্যে চুলের সামান্য ডগা ছাঁটিয়েছে। ভাবতে ভাবতে সে তার লম্বা চুলে হাত বোলায় ও সামনে তাকিয়ে দেখে বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। 


এক গাল হাসি নিয়ে বাড়ির উঠানে পা দিয়ে দেখল, সবকিছু শেষ হয়ে গেছে! হ্যাঁ, তার বাবা মারা গেছেন। ঘুমন্ত অবস্থায় স্ট্রোক করে তিনি মারা যান। সে তার বাবাকে ডেকে জাগানোর চেষ্টা করে কিন্তু মৃত কি তাতে সাড়া দিতে পারে? সে কি করবে বুঝতে পারে না, তার চোখ বেয়ে পানি গড়াতে থাকে আর সেই ঘোলা চোখ নিয়েই সে তার বাবার মৃতদেহের উপর ঢলে পড়ে। কিছু সময় পরে প্রতিবেশীরা তার কান্নার আওয়াজ শুনে জড়ো হয় এবং সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে তার আত্মীয়-স্বজনদের বাবার মৃত্যু সংবাদ পাঠাতে থাকে। তার বেশিরভাগ আত্মীয়ই দূরে দূরে থাকে। তাই তাদের মধ্যে অল্প কয়েকজন এসেছিল। এছাড়াও তার জ্ঞাতিগোষ্ঠীতে পুরুষের সংখ্যা কম, তাদের অধিকাংশই মহিলা। তাই তার প্রতিবেশীরা তার বাবার শেষকৃত্যের জন্য তাকে সাহায্য করছে এবং তারা স্বল্পসময়ের মধ্যে চূড়ান্ত অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা করছে। 



পরের দিন সকলেই জিজ্ঞাসা করছিল কে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করছে? কারণ মৃত পুরুষের যদি কোনো পুত্র বা জামাতা থাকে সাধারণত তারা দাহাধিকারী হয় তবে সুন্দরীর বাবার সন্তান বলতে তার একমাত্র কন্যা সুন্দরীই আছে তবে সেও অবিবাহিতা এবং তার কোনো তুতো ভাই নেই বা কাকাও নেই। অবশেষে সুন্দরী বলল আমিই আমার বাবার অন্ত‍্যেষ্টিক্রিয়া করব। প্রাথমিকভাবে প্রত্যেকেই অমত করল পরে কিছুক্ষণ পর কোনো বিকল্প খুঁজে না পেয়ে সকলেই সম্মতি দিল। তারা তার বাবার শবের ওপর ফুলের মালা চড়িয়ে একফালি কাপড় দিয়ে ঢেকে দাহক্ষেত্রে নিয়ে যায়। সুন্দরীও পিছন পিছন যাচ্ছে। এই ভিড়ের মধ্যে অধিক সংখ্যক মহিলাই রয়েছেন। শ্মশানে পৌঁছেই তার বাবার মরদেহের মাথা দক্ষিণ দিকে রেখে কুশের ওপর শুইয়ে দেয়া হয়। 


সকলে চিতার জন্য কাঠ আর খড় যোগাড় করা আরম্ভ করে সুন্দরীর প্রিয় আমগাছটা যেখান থেকে সে খেলার সাথীদের সঙ্গে ছোট বেলা আম কুড়োতো তার গুঁড়িটা বাদে প্রায় সব ডাল কেটে ফেলা হয়। এর মাঝে পারিবারিক পুরোহিত তাকে স্নান করে আসতে বলেন। কিন্তু এদিকে আবার গোল বাঁধল দাহের আগে যে মৃতদেহের স্নান প্রয়োজন। এখন উপস্থিত সবার সিদ্ধান্তে সুন্দরী এরই মধ্যে দাহ করার তৈয়ারি করে ফেলেছে তাই আর ওকে বাঁধা দেয়া সাজে না। অগত্যা উপস্থিত শ্মশানযাত্রীরাই কয়েকজন স্নান সেরে সুন্দরীর বাবার গায়ে তেল ও কাঁচা হলুদ মেখে স্নান করান এবং মৃতদেহের কপালে চন্দন দিয়ে, মালা দিয়ে, নতুন কাপড়ে জড়িয়ে দেন এবং ৭ ছিদ্রে (চোখ, কান, নাসারন্ধ্র ও মুখ) কাঁসার দানা ঢুকিয়ে দেন। এবার সুন্দরীর কাজ পিণ্ডদান করার মধ্য দিয়ে শুরু হয়। ইতিমধ্যে চিতা তৈরি এবং চন্দনের টুকরোও দেয়া হয়েছে। কয়েকজন মিলে লাশটা চিতায় তুলে দিলেন আর একজন মুখাগ্নি করার জন্য এক আঁটি খড় জ্বালিয়ে সুন্দরীর হাতে তুলে দেয়। সে মন্ত্র পড়ে ৩ চক্কর কেটে চিতায় আগুন দিলো। দাউদাউ করে জ্বলে উঠল চিতা। কয়েক মিনিট পর দাহ শেষে ১২ আঙ্গুল সমান আমকাঠ নিয়ে ৭ বার চক্কর কেটে প্রতিবার ১টি ধনিচার কাঠি চিতায় দিলো ও পরক্ষণে পুরুতের হাত থেকে কুড়াল নিয়ে জ্বলন্ত চিতার ওপর ৭ কোপ দিলো। এরপর শ্মশানবন্ধুরা প্রত‍্যেকে একটি কলসি নিয়ে ৩ কলস জল দিয়ে চিতার আগুন নিভিয়ে চিতাস্থল সাফ করলেন। সকলের পানি দেওয়া শেষে কলসিটা জল ভরে চিতার উপর রেখে ৮টি কড়ি ও একটি বাঁশের টুকরো কলসের নিকট পুঁতে রাখে আর সুন্দরী পেছনে ফিরে ইটের ঢিল মেরে কলস ভেঙ্গে বামদিক ঘুরে বয়স্কদের সামনে রেখে নদীতে ডুব দিতে যায়। সকলে ১ ডুব দিয়ে সুন্দরীর বাড়িতে এসে নিমপাতা দাঁতে কেটে ঘি, আগুন, নুড়ি পাথর স্পর্শ করলেন। এরপর শুরু হল সুন্দরীর অশৌচ কুশশয‍্যায় শয়ন, হবিষ‍্যান্ন ভোজন; উঠোনে তুলসী চারা পুঁতে প্রতিদিন এর তলায় তার বাবার উদ্দেশ্যে দুধ ও জল দেয়া। চতুর্থীতে ও দশমীতে ১০ খানা পূরকপিণ্ড দিলো। তারপর এভাবে ১২ দিন অশৌচ করে ১৩ দিনের দিন আসে শ্রাদ্ধ। এবার আরেকটা গভীর দ্বন্দ্বে পড়ল সবাই। অশৌচের পর শ্রাদ্ধের আগে তো মস্তক মুণ্ডনের প্রয়োজন। সবাই বলল সে মেয়ে মানুষ তাই মাথা কামানোর দরকার নেই, তৎপরিবর্তে সে নিজের সব চুলের আগা ধরে দুই আঙ্গুল পরিমাণ ছাঁটলেই হবে। তবে সুন্দরী বলল তার কোনও সমস্যা নেই, আমাদের গোত্রের শ্রাদ্ধবিধি অনুযায়ী যা করতে হয় তা আমি করব। সকলেই হতবাক হয়ে গেল, কিন্তু সে বলল প্লিজ আপনারা মেনে নিন আমি আমার বাবার জন্য কাজ করছি, তাই আমি আমার মাথা ন‍্যাড়া করব। 


নাপিত ইতিমধ্যেই শ্মশানে উপস্থিত ছিল, সুন্দরী শীলের সামনে পিঠ ফিরিয়ে নতজানু হয়ে বসে পড়ে, সে তার শৈশবের দিনটির কথা ভাবছে, সে তার মুণ্ডন মনে মনে গ্রহণ করছে না, কিন্তু আজ তার বাবার জন্য সে মাথা কামাচ্ছে। সে কাঁদছে। এরই মাঝে শীল তার মাথায় পানি ঢালে। তার মাথাটি মোলায়েমভাবে ম্যাসাজ করে নেয়; এরপর নাপিত একটি নতুন ব্লেড ভেঙ্গে অর্ধেকটা রেজারে ঢুকিয়ে নিয়ে তার মাথার চাঁদি বরাবর কামাতে লাগলেন। তার লম্বা চুল তার কোলে ঝরে ঝরে পড়ছিল, সে তার মাথায় শীতলতা অনুভব করে। প্রায় কুড়ি মিনিট পর তার মাথা পুরোপুরি চাঁছা হয়ে গেছে, তার দীঘল চুল তার পায়ের কাছে মাটিতে পড়ে আছে। সে উঠে দাঁড়িয়ে তার মাথা স্পর্শ করে ও কাছের নদীতে স্নান করে আসে। অতঃপর তার প্রতিবেশীরা সুন্দরীকে একটি নতুন সাদা থান উপহার দিয়েছিল, শেষ অবধি সে একটি সাদা শাড়ি এবং নতুন টেকো চেহারা নিয়ে এলো এবং শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সম্পন্ন করল। তার বাড়ির প্রত্যেকে তার নিয়মানিষ্ঠা দেখে বিস্মিত। শ্রাদ্ধের পরে তার মনে এক অদ্ভুত ভাবান্তর হলো। ৪ মাস পর যখন তার চুল কানের লতি ঢেকে ফেলে তখন সে গিয়ে তার চুল কাটিয়ে আসে‌। তারপর তাকে আর কখনোই লম্বা চুলে দেখা যায়নি। সবসময় ছেলেদের মত ছোট বয়কাট চুলেই দেখা যায়।

সিনেমায় সুযোগ

আমার বাড়ি দক্ষিণ ভারতের কোচিতে এবং গত বছর যখন ঘটনাটি ঘটেছিল তখন আমার বয়স ছিল উনিশ বছর। আমার বাবা, যিনি সৌদি আরবে একজন ব্যবসায়ী ছিলেন, মার...