বাংলা ভাষাভাষী হেয়ার ফেটিশদের চাহিদা মেটানোর জন্য এই ব্লগ। পোস্ট পড়ে কমেন্টে নতুন গল্পের আইডিয়া দিয়ে সাহায্য করলে আমি আরো ভালো গল্প লিখতে পারব।
Wednesday, April 8, 2020
যে ৭টি কারণে চুল ছোট রাখাটাই সবদিক দিয়ে ‘ভালো’
Friday, March 20, 2020
স্কুল হোস্টেলে উকুনের উপদ্রবে চুল ছাঁটানো
বাবা-মাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে সেঁজুতি সদ্যনির্মিত হোস্টেলে উঠল। হোস্টেলের কেবল নিচতলা কম্প্লিট হয়েছে। নবম শ্রেণি মাধ্যমিকের সবচেয়ে জুনিয়র তাই তাদের আগে রুম বরাদ্দ দেয়া হলো। আর সেঁজুতিও তার ৩ বান্ধবী সহ একটি জুৎসই কক্ষ হোস্টেল সুপার ম্যাডামের অনুমতি নিয়ে দখল করে নিলো। এভাবে হোস্টেলে এক মাস গত হলো এর মধ্যে প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শেষ হয় এবং গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়। এসময় সেঁজুতির বান্ধবী শর্মি গরমের ছুটিতে তার মাসির বাসায় বেড়াতে যায়। শর্মির মাসি তার চুলের যত্নে গাফিলতি করত ফলস্বরূপ তার মাথায় উকুন বাসা বাঁধে। শর্মি তার সঙ্গে কিছুদিন বেড শেয়ার করায় শর্মির মাথায়ও উকুনের উপদ্রব আরম্ভ হয়। শর্মি তখনও তা আমলে নেয়নি। এদিকে গরমের ছুটি শেষে সবাই হোস্টেলে ফিরে আসে। শর্মিও ফিরে আসে কিন্তু মাথাভর্তি উকুন ও উকুনের ডিম নিয়ে। ক্লাসে সেঁজুতি, শর্মি ও রিদিমা একসঙ্গে এক বেঞ্চে বসত; ডাইনিংয়ে একসঙ্গে খেতো, এছাড়াও তারা একে অপরের বিছানায়ও মাঝেমধ্যে শুতো। ফলে যখ হবার তাই হলো শর্মির মাথার উকুন তার সকল রুমমেটের মাথায় পৌঁছে গেল। সেঁজুতিসহ সবাই মাথা চুলকে চুলকে অস্থির। তেল দিলে খানিকটা আরাম পায় কিন্তু তেল না দিলেই উশখুশ, অশান্তি। প্রতিদিন বিকেলে উপরনিচ করে বসে বসে উকুন বাছা তাদের নিত্যক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে। ক্লাসেও তারা উকুনের কামড়ে পড়ায় মনোযোগ দিতে পারছে না। এদিকে সহপাঠীদের সাথে দুষ্টুমির ছলে তারা নিজের মাথা থেকে উকুন নিয়ে ক্লাসের অন্যান্য ছাত্রীদের মাথায়ও দুয়েকটা উকুন ছেড়ে দিয়েছে। ব্যস আর যায় কোথায়! সারা হলের মেয়েদের মাথায় উকুনের ছড়াছড়ি। মেয়েরা আগে বিকাল হলেই ব্যাডমিন্টন, ভলিবল খেলতে স্কুলের মাঠে নামত। নতুবা কমনরুমে গিয়ে পত্রিকা, ম্যাগাজিন পড়ত কিংবা দাবা, লুডু বা ক্যারম খেলত। এখন তার বদলে বিকালে তারা হোস্টেলের সিঁড়িতে বসে উকুন বাছতে। হোস্টেল সুপার ম্যাডাম এবং সহকারী আবাসিক শিক্ষিকারা তা লক্ষ্য করলেন। এছাড়াও উকুনের কারণে ছাত্রীরা মাথা পরিষ্কার করতে প্রচুর পরিমাণে জল ব্যয় করছে।
অতঃপর সেদিন রাতে রাতের খাবার শেষ করে হোস্টেলে থাকা সকল ছাত্রীদের হোস্টেলের অতিথি কক্ষে হাজির থাকতে নির্দেশ দিলেন হোস্টেল সুপারিনটেনডেন্ট। তাই সেঁজুতিসহ সব মেয়েরা আগেভাগেই ভোজনপর্ব চুকিয়ে অতিথি কক্ষে প্রবেশ করল। তারপর সেখানে হোস্টেল সুপারিনটেনডেন্ট ও আবাসিক শিক্ষিকারা এলেন। তারা সব মেয়েদের উদ্দেশ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার গুরুত্ব, ধর্মীয় তাৎপর্য ও না থাকার অপকারিতা নিয়ে ছোটখাটো বক্তব্য দেন। তারপর তাদের এই উকুনের সমস্যা নিয়ে কিছুক্ষণ ভর্ৎসনা করলেন। সব শেষে হোস্টেল সুপার বললেন কালকে ক্লাস বন্ধ থাকবে এবং কাল সকালে হোস্টেলে ২ জন নাপিত আসবে তাদের সবার চুল ছাঁটানোর জন্য। হোস্টেলের সব মেয়েরা যেন তৈরি থাকে। এ কথার পর হোস্টেলের মেয়েরা কিছু সময়ের জন্য বাক্য হারিয়ে ফেলল। কিছুক্ষণ পর হৈ হই রব উঠল, কিছু মেয়ে প্রতিবাদ করল এবং শিক্ষিকাদের সঙ্গে তর্ক জুড়ে দিলো ও কিছু মেয়ে চিৎকার করে কেঁদে উঠল। যাই হোক হোস্টেল সুপার ও অন্যান্য শিক্ষিকারা কিছুতেই নমনীয় হলেন না। বাক-বিতন্ডা করা মেয়েরা কিছুতেই তাদের সঙ্গে পেরে উঠল না। উল্টে হোস্টেল সুপার ধমক দিলেন যে বা যারা কালকে তাদের চুল কাটানোর জন্য থাকবে না তারা যেন সকলে হোস্টেল ছেড়ে দেয়; তাদেরকে স্কুল থেকে রাসটিকেট করবেন। মেয়েরা সব দুঃখী মনে গেস্টরুম পরিত্যাগ করল। বাইরে বেরিয়ে তারা কেউ বিদ্রোহ ঘোষণা করল কোনোভাবেই নিজের চুল তো দূরে থাক একটা লোমও বাঁকা করতে দিবে না, কেউ বলল এই স্কুলেই আর পড়বে না, কেউ চুপচাপ হোস্টেল ছেড়ে দিবে ভাবল। তারপর হোস্টেলের সিঁড়ির গোড়ায় কিছুক্ষণ জটলা করে পরে যে যার যার রুমে চলে গেল। এদিকে সেঁজুতিরাও রুমে ফিরল। সেঁজুতির মন ভারাক্রান্ত। সে ভাবছে হোস্টেল সুপার ম্যাডাম কি কাল সত্যিই নাপিত ডেকে আনবেন তাদের চুল কাটানোর জন্য নাকি মজা করছেন। কিন্তু হোস্টেল সুপার ম্যাডাম মোটেও মজা করার পাত্রী নন। তিনি যা বলেন তাই করেন। এদিকে সেঁজুতির অপর দুই রুমমেট বান্ধবী শর্মিকে দুষছে আর শর্মি মাথা নিচু করে চুপচাপ খাটে বসে আছে তার চোখের কোণায় নোনতা জল শুকিয়ে আছে। তারপর সকাল হলো সব মেয়েরা ঘুম থেকে উঠে পরিপাটি হয়ে ব্রেকফাস্ট সারলো। সেঁজুতি দেখল কিছু মেয়ে ব্যাগ গুছিয়ে হোস্টেলের গেট দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। সে তাদের একজনকে ডাকল ‘সোনিয়া, কোথায় যাচ্ছিস?’ সোনিয়া বলল: বাড়ি যাই রে। এই ম্যাডামগুলো একদম ডাইনি! এদের বিশ্বাস নেই। সেঁজুতি ভাবল সেও বাড়ি চলে যাবে কিনা কিন্তু পরশু যে পরীক্ষা আর সে হোস্টেলে চলে আসায় বাবার অফিসের সুবিধার্থে পরিবারের সবাই তার অফিসের কাছে নতুন বাসায় শিফট হয়েছে। সেখানকার পথ নেহাত কম নয়। এই বলে সে রিডিং রুমের দিকে যেতে লাগল। এমন সময় হঠাৎ হোস্টেলের ঝাড়ুদার মাসি ঘণ্টায় বাড়ি দিলেন মানে হোস্টেল প্রাঙ্গণে সবাইকে জমায়েত হবার নির্দেশ। সে হোস্টেলের উঠানেই দাঁড়িয়ে থাকল আর সব মেয়েরাও যে যেখানে ছিল বেরিয়ে এলো। তারপর হোস্টেল সুপারিনটেনডেন্ট ম্যাম সেখানে হাজির হলেন। তারপর তারা কতজন আছে গুণে দেখলেন। ৪৪ জনের মধ্যে ১৩ জন নেই। তারা সকালে উঠেই বাড়ি রওনা দিয়েছে। হোস্টেল সুপার ম্যাম বললেন বেশ তবে এ কজনই থাক। যারা চলে গেছে তাদের বেডে অন্য ছাত্রীরা উঠবে। এরই মধ্যে তিনি একবার হাতঘড়ির দিকে তাকিয়ে পরক্ষণে হোস্টেলের গেটের দিকে তাকালেন। হোস্টেলের গেট দিয়ে একজন ডাইনিং বয়ের পিছু পিছু দুইজন লোক ঢুকল। তাদের কাঁধে ঝোলা আর তাতে চুল কাটবার সরঞ্জাম। তারপর স্কুলের মাঠে যেন কান্নার রোল পড়ে গেল। কিন্তু হোস্টেল সুপার ম্যামের হুঙ্কার ও অন্যান্য শিক্ষিকার ধমকে সব শান্ত নীরব হয়ে গেল। তারপর নাপিত দুইজন তাদের পিঁড়ি, চওড়া কাপড়ের টুকরা, চিরুনি, কাঁচি, ক্ষুর, ব্লেড ইত্যাদি বের করলেন। হোস্টেল সুপার ম্যাডাম আদেশ দিলেন দুজন দুজন করে গিয়ে নাপিতদের সামনে বসতে। ম্যাডামের কথা অমান্য করার সাহস আর কেউ দেখাতে পারল না। প্রথম জুটি গিয়ে নাপিতদ্বয়ের সামনে রাখা পিঁড়িতে বসল। অতঃপর নাপিতরা হোস্টেল সুপারের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল কেমন ধারা কাটব দিদিমণি? দিদিমণি বললেন সবার চুল কাঁধ পর্যন্ত কাটবেন। নাপিতরা বলল সবার মুখের গড়নের সাথে এমন স্টাইল মানাবে না। হোস্টেল সুপার ম্যাডাম তাদের যতটা সম্ভব মুখের গড়নের সঙ্গে মানানসই রেখে চুল কাটতে বললেন। নাপিতরা সম্মতি জানিয়ে তাদের কাজ শুরু করল।
Wednesday, April 17, 2019
ভালবাসা নাকি অভিশাপ
Wednesday, December 7, 2016
মায়ের মেকওভার (১৮+) ২য় পর্ব
সেদিন দীপের আর দোলার কি হয়েছিল বলা শক্ত। দোলা যখন বাথরুম থেকে বেরোলো তখনো দীপ সেই ভাবেই আধ নেংটো হয়ে সোফায় বসে হাঁপাচ্ছে। দোলাকে আরেকবার গা ধুতে হয়েছে সাবান দিয়ে। গায়ে তোয়ালে জড়ানো আর চুল কোনওরকমে উঁচু করে এলো খোঁপা করা। দীপের দিকে চোখ পড়তেই চোখ নামিয়ে ভেতরের ঘরে ঢুকে গেলেন। পেছন পেছন দীপও গেল। দোলা শাড়ি পরতে যাচ্ছিল। দীপ বাধা দিল। আজ সে কিছুতেই মা কে শাড়ি পরতে দেবে না। আজ দোলাকে সে জিন্স পরিয়েই ছাড়বে। অগত্যা দোলা কে পরতে হল। একটা জিন্স আর টাইট টপ। উফ কি দেখাচ্ছে মা কে। শ্যাম্পু করা খোলা চুল হাঁটু অব্দি নেমে এসেছে প্রায়। আর লজ্জায় দোলা প্রায় মিশে যাচ্ছে মাটিতে। দীপ আর সামলাতে পারল না। দোলার চুলের মুঠি খামচে ধরে টেনে এনে বিছানায় ফেলে এলোপাথাড়ি চুমু খেতে লাগল। প্রথমে চুমু খেয়ে শেষে আবার সেক্স করতে উদ্যত হতেই এবার দোলা বাধা দিলো। অনেক তো হল আবার পরে। না এক্ষুনি চাই। দোলা কিছুতেই করবে না। কিন্তু দীপ এমন জোরে তাকে বিছানায় চেপে ধরেছে যে তার নড়াচড়া করার উপায় নেই। কিছুক্ষণ চেষ্টা করার পর হাঁপিয়ে তার শরীর শান্ত হয়ে গেল। দীপ আবার দোলাকে উলঙ্গ করে তার গুদে আঙ্গুল চালাতে চালাতে চুমু খেতে লাগল। দোলা মুখ সরিয়ে নিচ্ছিল; যতটা সম্ভব বাঁধা দেবার চেস্টা করছিল। তাতে দীপ আরও উন্মাদ হয়ে উঠল। দোলার শাড়ি ছিঁড়ে সেই দিয়ে দোলার হাত পা মুখ বেঁধে বিছানায় ফেলল। তারপর আবার শুরু করে দিল। আজ দোলার রক্ষা নেই। কিন্তু তার কিছু করবার ও নেই। প্রায় ঘণ্টাখানেক উল্টে পাল্টে করার পর দীপ আবার একগাদা মাল ফেলল। আর এই প্রথমবার দোলার জল খসল। বিছানা দীপের মাল আর দোলার জলে ভিজে গেল। এতক্ষণে দীপের কাম কমেছে। আর দোলার শরীরও অবশ। তার চুল বিছানায় ছড়িয়ে পরেছে। দীপ উঠে দাঁড়াল। দোলার চুলের মুঠি ধরে তাকেও মেঝেতে দাঁড় করিয়ে আগে তার চুলের গোছাটাকে যতটা সম্ভব টাইট করে একটা খোঁপা করে দিল। তারপর তার হাত পা খুলে দিয়ে বলল তারাতারি রেডি হয়ে নিতে। সে তাকে পার্লারে নিয়ে যাবে। দোলার শরীর আর চলছিল না। তাও কোনরকমে একটা শাড়ি জরিয়ে আর খোঁপাটা খুলে একটা বেণী করে বেরোলো দীপের সঙ্গে। সে কিছুই বুঝতে পারছিল না। বুঝতে চাইছিলও না।
ঘন্টা চারেক পর দোলা আর দোলার বেণী বাড়ি ফিরল বটে। কিন্তু দোলার তখন কাঁধ অব্দি স্ট্রেট ইনভার্টেড বব, ঘাড়ের কাছে একদম মিহি করে ছাঁটা, আর মুখের শেপের সঙ্গে মানানসই তামাটে রঙের ব্যাং কাটে দোলা কে যা লাগছিল সেটা নিচের তলার দীপের বন্ধুদের উঁকি ঝুঁকি তেই বোঝা যায়। আর দোলার পোঁদ পেরোনো মোটা বেণীখানা দীপের হাতের পলিথিনের প্যাকেটে। দোলা ভিতরের ঘরের বিছানায় গিয়ে পড়েই ঘুমিয়ে গেল।
তার ঘুম যখন ভাঙল তখন রাত হয়ে গেছে। কিন্তু বাইরের ঘরে বেশ কিছু ছেলের গলার আওয়াজ আসছে। কড়া মদের গন্ধ চারদিকে। দীপ এসে অপ্রকৃতিস্থ হেসে দাঁড়াল। বলল, মা আমার বন্ধুরা এসেছে তোমার নতুন হেয়ার স্টাইল দেখতে। রেডি হয়ে বাইরে এসো। দেরি হলে ওরা এখানে এসে যাবে। আর আমার আনা সেই ড্রেস গুলোর মধ্যে একটা পর। একটা জিন্সের হট প্যান্ট আর একটা শর্ট টপ পরে দোলা বাইরে এসে দেখেন পাঁচটা দীপের বয়সী ছেলে মদের আসর বসিয়েছে বাইরের ঘরে, তাদের মধ্যে একজনের হাতে দোলার কাটা বেনীটা। সে সেটা দিয়ে নিজের ধোনে বোলাচ্ছে। দোলার মুখ শুকিয়ে গেল। কি যেন বলতে যাচ্ছিল। তার আগেই দীপ তার চুলের মুঠি খামচে ধরে টেনে এনে ছেলে গুলোর মাঝে সোফায় বসিয়ে দিল।
Friday, July 12, 2013
বাজি হেরে চুল কাটানো
হেয়ারড্রেসার রঞ্জনাকে চুল কাটার জন্য ভিতরের কক্ষে ডাকে; সে এবং তার বান্ধবী দুজনেই কক্ষের ভিতরে ঢোকে। রঞ্জনা হেয়ারড্রেসারের সামনের চেয়ারে বসল, তার বন্ধু সুমিত্রা হেয়ারড্রেসারকে তার চুল কাটার কথা বলে। হেয়ারড্রেসার জিজ্ঞেস করলেন কোন স্টাইলে চুল কাটাতে চান? তার বন্ধু সুমিত্রা বলে বয়কাট। তারপরে হেয়ারড্রেসার তার শরীরকে সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন এবং তিনি তার লম্বা চুলগুলিতে জল স্প্রে করে ভিজিয়ে নেন। তারপর তিনি তার লম্বা চুলগুলো ভালোভাবে আঁচড়ে দেন। অতঃপর কাঁচি নিয়ে রঞ্জনার চুল কাটা শুরু করেন। তার লম্বা চুল গেছে এখন সে ববকাটে। তারপর তিনি চুল কাটার মেশিন দিয়ে তার মাথায় অবশিষ্ট বাকি চুল ছোট করে কেটে ফেললেন। তার সমস্ত চুল ৫ মিনিটের মধ্যে চলে গেছে। এখন তার চুল বয়কাট স্টাইলে আছে। রঞ্জনা তার নতুন চেহারা দেখে আরেকদফা কাঁদল। তারপর চুল কাটার পারিশ্রমিক দিয়ে দুজনেই পার্লার ছেড়ে বেরিয়ে আসে।
Wednesday, April 27, 2011
চেহারা নিয়ে বিভ্রম কাটানোর জন্য কেশ কর্তন
সিনেমায় সুযোগ
আমার বাড়ি দক্ষিণ ভারতের কোচিতে এবং গত বছর যখন ঘটনাটি ঘটেছিল তখন আমার বয়স ছিল উনিশ বছর। আমার বাবা, যিনি সৌদি আরবে একজন ব্যবসায়ী ছিলেন, মার...
-
আমাদের সমাজে ন্যাড়া মাথার মেয়েকে সুন্দরী মনে করা হয় না। বর্তমানে ন্যাড়া মাথার পুরুষকেও মানুষজন বিশেষ ভালো চোখে দেখে না। তাহলে মেয়েদের মাথা ন...
-
১৭ বছর বয়সী টিনা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তার চুল পরীক্ষা করছিল। অবশেষে তার চুলগুলি তার স্তনের দৈর্ঘ্যকে স্পর্শ করেছে দেখে সে খুবই উত্তেজিত...
-
হাই পাঠকগণ, এটি আমার আরেকটি গল্প আমি আশা করি আপনারা সবাই আমার গল্পগুলি পড়ে উপভোগ করবেন। এই গল্পটিতে আছে আমি (নন্দ), মাহা একে অপরের সাথে সে...






