Showing posts with label জোরপূর্বক চুল কাটা. Show all posts
Showing posts with label জোরপূর্বক চুল কাটা. Show all posts

Tuesday, April 14, 2020

চাচার জেদে চাচীর হেয়ারস্টাইল চেঞ্জ (শেষ পর্ব)

চাচা এবার বারান্দার মুখে দাঁড়িয়ে নাপিতকে উদ্দেশ্য করে বলতে লাগলেন -- ‘‘এমন করে কাটবেন যাতে পিছনের চুল দিয়ে একটা ঝুঁটিও বাঁধতে না পারে। খালি মাথার তালুতে যেন বাচ্চা মেয়েদের মত একটা ছোট ঝুঁটি বা মাথার দুই কোণে ছোট দুইটা ঝুঁটি করার মত চুল থাকে। আর চুলের সিঁথি মাথার মাঝখান থেকে যেকোন একপাশে নিয়ে যাবেন। আর গাল আর ঘাড় কামিয়ে দেবেন। 

- তারমানে একদম বেটাগো মত চুল কাটমু?
চাচা মাথা নেড়ে সায় দেন।
- শর্ট না মিডিয়াম?
চাচা শ উচ্চারণ করে পরে মিডিয়াম বলে লিভিং রুমে যান।

এদিকে চাচীর মুখের ওপর চুল ঝুলছে। ফোঁস করে নাক টানার শব্দ শুনে তিনি কাঁদছেন বোঝা যাচ্ছে। তিনি হয়ত ভাবছেন- চাচা কেন তার সঙ্গে এমনটা করছেন। এদিকে নাপিত তার এলোমেলো চুলগুলো সব পিছনে আনেন। চুলে বেশ কয়েকবার আঙ্গুল চালান তারপর পাটের ব্যাগ থেকে একটা চিরুনি বের করে চুল আঁচড়ান বেশ কয়েকবার। তারপর মাথার কাছাকাছি চুল মুঠো করে ধরে বারান্দার মুখে দাঁড়িয়ে থাকা আমার কাছে একটা রাবার ব্যান্ড চান। আমি একদৌড়ে চাচীর বেডরুম থেকে কয়েকটা রাবার ব্যান্ড এনে নাপিতকে দিই। নাপিত এবার চাচীর চুল আরো কয়েকবার আঁচড়ে চারভাগ করে চারটি ঝুঁটি করলেন। মাথার তালুর সামনে থেকে কপালের ওপর ঝোলানো চুল একভাগে, মাথার দুপাশে ২ কানের সামনে ২ ভাগ, ২ কানের পিছনে পিঠ বেয়ে চলা সব চুল ১ ভাগ। এবার কাঁচি তুলে সবচাইতে লম্বা পনিটেল মানে পিছনের চুলে কাঁচি লাগিয়ে আস্তে আস্তে চেপে বসাতে লাগলেন। ১ মিনিট পরেই একটা ক্ষীণ ছিক শব্দে পনিটেল চাচীর মাথা থেকে আলগা হয়ে নাপিতের হাতে চলে আসে। এবারে ইলেক্ট্রিক ক্লিপারের চার্জার খুলে গার্ড লাগিয়ে ঘাড়ের যেখান থেকে পনিটেল কাটা হয়েছিল সেখানে ধরে উপরের দিকে কাটতে শুরু করেন। চাচীর মেছকির ওপর কাটা চুল ঝরঝর করে ঝরতে থাকে। মাথার পিছনটায় ভোঁ ভোঁ শব্দ করে ক্লিপারের ঘর্ষণে চাচী চমকে উঠেন। এবার কানের দুপাশে বাঁধা পনিটেল কাঁচিতে কেটে তারপর শুরু করেন কানের সামনে থেকে মাথার দুপাশের চুল ক্লিপিং করা। দুপাশের চুল ছোট করা হয়ে গেলে তিনি ট্রিমারের গার্ড খুলে চিপের আর ঘাড়ের যেখানে চুল গজানো শেষ সেখানটা একটু সরলরেখায় কেটে নিলেন। এখন চাচীর মাথার সব পাশের চুল ছোট খালি মাথার তালুতে একটা পনি বাদে। এবার উনি সেই মাথার তালুর পনির গোড়ায় কাঁচি ধরলেন কিন্তু চাচার নির্দেশ মনে করে রাবার ব্যান্ডটা ৩/৪ ইঞ্চি উপরে তুলে অতঃপর ব্যান্ডের নিচে কাঁচি দিয়ে কাটলেন। এরপর আমাকে ডেকে একটা বোতল বাড়িয়ে দিলেন পানি আনতে। এনে দিলে বোতলের মুখে স্প্রেয়ার লাগিয়ে তা দিয়ে সারা মাথায় পানি স্প্রে করে প্রথমেই মাথার তালুর চুল কিছু ছোট করলেন তারপর মাথার ডানপাশে নতুন সিঁথি কেটে মাঝখানের সিঁথি মিলিয়ে দিলেন। তারপর কপালের সামনের চুলের বামপাশ ডানপাশ অপেক্ষা খানিকটা ছোট করে দিলেন। তারপর ক্ষুর আর নতুন ব্লেড বের করে অর্ধেক ভেঙে ক্ষুরে লাগিয়ে কানের পিছনে, কানের লতির সমান্তরালে আর ঘাড় কামিয়ে দিলেন। সব শেষে মাথার চারপাশে ও ওপরে আরেকবার কাঁচি চালিয়ে লুক মানানসই করে নিলেন। অতঃপর চাচীকে সুন্দর করে মাথা আঁচড়ে, পাউডার কেস বের করে স্পঞ্জ দিয়ে পাউডার লাগালেন ও সেটা দিয়ে চাচীর মুখ ও কাঁধের ওপরকার চুল ঝেড়ে ফেললেন। তারপর চাচী উঠে নিজের মাথার চারপাশে হাত দেয় এবং পিছনে ফিরে দেখে তার সব চুল ফ্লোরে পড়ে আছে। চাচী কোনো কথা না বলে বাথরুমে গোসল করতে ঢুকলেন।

চাচা এদিকে নাপিতের পাওনা মিটিয়ে দিলেন। ইতিমধ্যে চাচী যে গোসল সেরে বেরিয়ে নিজের স্পেশাল রুমে গিয়ে দরজা আটকালেন আর খুললেন না। চাচা কিছুটা ভয় পেলেন তবে তিনি জানতেন চাচী ওভাররিএ্যাক্ট করবে না। এদিকে সন্ধ্যায় বুয়া এসে তো বেডরুম আর ব্যালকনি ঝাড়ু দিতে গিয়ে চুলের ঢিবি দেখে অবাক। অবশ্য চাচী এর মধ্যে একবার রুম থেকে বেরোলে চাচীকে দেখেও সে তাজ্জব হলো। রাতের খাবার খাওয়ার সময়ও চাচী কোনো কথা বললেন না। তবে রাতে চাচার সঙ্গে এক বিছানাতেই ঘুমালেন। টানা ৩ দিন চাচী আমাদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। সবশেষে ৪ দিন পর সকালে চাচী আমাকে বলল- জানিস নাফি তোর চাচ্চু আসলে আমার চুল কাটিয়ে ভালো করেছে; আগে তো গোসলের পর চুল ভালো ভাবে মোছা আর শুকানোর জন্য সময় লাগত এখন আর লাগছে না, তার পর কিভাবে চুল বাঁধলে লুক ঠিক থাকবে সে নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে তৈরি হতে হত। এখন তো এক আঁচড়েই রেডি, সময় কম লাগছে, চুলের মধ্যে আর জট পড়ে না। সেদিন তোর এক আন্টি বলল : আমাকে নাকি আগের থেকে অনেকটা ইয়ং লাগে। আসলে আমিও অনেক দিন যাবৎ ভাবছিলাম চুল ছোট করে ফেলি কিন্তু ভালো দেখাবে কি না সেটা ভেবে আর করা হয়নি। তোর চাচ্চুর জেদে যাক সেটা ট্রাই করা হলো। আমি বললাম : তাহলে তুমি কি চুল এবার থেকে ছোট রাখবে? চাচী বলেন : তোর চাচ্চু তো প্রথম রাতেই বলেছিল এখন থেকে এভাবেই রাখতে। তোর কয়েকজন আন্টিও বলেছে এমনই রাখতে। আমিও তাই ভাবছি; তোর চাচ্চু বললে বড় হতে দেব নাহলে ৩ মাস বাদে কেটে ফেলব। 


চাচার জেদে চাচীর হেয়ারস্টাইল চেঞ্জ (১ম পর্ব)

আমি নাফি। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩য় বর্ষের ছাত্র। জন্মের পরপরই মা মারা যাওয়ায়, বাবা বিবাগী হয়ে আমাকে চাচা-চাচীর হাতে তুলে দিয়ে নিরুদ্দেশ হন। নিঃসন্তান চাচা-চাচীই আমাকে পিতৃমাতৃস্নেহে এত বড় করেছে। এবার আসল কথায় আসি। আমার একটি লুকানো অভিলাষ বা ফেটিশ আছে। আমার ফেটিশ হচ্ছে মেয়েদের চুল নিয়ে। এ পর্যন্ত আমি কয়েকজন মেয়ে বন্ধুর চুল কাটা স্বচক্ষে দেখে নিজের ফেটিশ সন্তুষ্টি করেছি কিন্তু আমার মনোবাঞ্ছা হলো আমাকে মাতৃস্নেহ দেওয়া চাচীকে ছোট চুলে দেখা। চাচীর সোজা রেশমি চুল বর্তমানে প্রায় কোমর পর্যন্ত। এককালে প্রায় হাঁটু পর্যন্ত লম্বা ছিল কিন্তু বয়স বাড়তে বাড়তে চুলের দৈর্ঘ্য হ্রাস পায়। তাছাড়া চাচীও এমনিতে সাজগোঁজ পছন্দ মহিলা। গত কয়েক বছর ধরে উনি ২ মাস অন্তর হাই ক্লাস দামী পার্লারে গিয়ে চুলের আগা ট্রিম করান ও স্টাইল করিয়ে আসেন। এর মাঝে অনেক বার ইনিয়ে বিনিয়ে চাচীকে চুল কাটবার প্রস্তাব দিলেও চাচী রাজি হননি বরাবর এড়িয়ে গেছেন। তবে ঘটনাচক্রে একদিন আমার মনোষ্কাম পূর্ণ হয়। আজ সে গল্পই বলব।

আমার চাচা ব্যবসায়ী মানুষ। ঠিকাদারি ব্যবসা করেছেন বহুদিন যাবৎ। তারপর নামলেন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়। মূলত চাচার অক্ষমতার জন্যই তারা সন্তানবঞ্চিত। চাচা অবশ্য চেয়েছিলেন চাচী যেন অন্যত্র নতুন করে সংসার পাতেন কিন্তু চাচীই ওনার সঙ্গে থেকে যান। যাই হোক একদিন চাচা আমিসহ একটা জমি দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎ তিনি মাঝরাস্তায় গাড়ি থামিয়ে রাস্তার বামপাশে তাকিয়ে আমাকে বললেন: ‘দেখত ওটা তোর চাচী না?’ আমি তাকিয়ে দেখলাম, চাচী একটা লোকের সঙ্গে হেসে হেসে কথা বলছে। আমি চাচাকে জিজ্ঞেস করি ‘বেরিয়ে দেখবে?' চাচা না বলে গাড়ি চালানো শুরু করেন। চাচা অবশ্য চাচীর কাছে কখনো তার দৈনন্দিন জীবন নিয়ে কিছু জানতে চান না। আরেকদিনও চাচা বাড়ি এসে আমাকে বললেন: আজকেও না তোর চাচীকে দেখেছি একটা হোটেলে সেই লোকের সঙ্গে বসে কফি খাচ্ছে। আমি শুনেও না শুনার ভান করে থাকলাম। আমার মনে হলো চাচা খুব হতাশার মধ্যে আছেন। অন্য আরেকদিন মাসের ১ম দিনে চাচা বাসায় বসে ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্টস চেক করছিলেন। তিনি স্টেটমেন্টে দেখেন চাচী পার্লারে প্রচুর টাকা ব্যয় করছেন। তিনি ডায়মন্ড উম্যান সেলুন নামের একটি সেলুনে ৳১৫০০০০ খরচ করেছেন। বলা বাহুল্য এর মধ্যে চাচা এক ঠগের পাল্লায় পড়ে বেশ কিছু টাকা গচ্চা দিয়েছেন। তার ব্যবসায়ের বেশ খানিকটা লোকসান হয়েছে এছাড়াও চাচীকে পরপর দুবার এক আগন্তুকের সাথে দেখে চাচার মন বিতৃষ্ণ ছিল। আর এখন চাচীর এই বিপুল পরিমাণ টাকা পার্লারে ওড়ানো দেখে চাচার মেজাজ বিগড়ে যায়।

চাচা চাচীকে ডাকতেই চাচী বেডরুমে ড্রেসিং টেবিলের সামনে থেকে মাথার ওপর মস্ত খোঁপা নিয়ে উঠে আসেন। চাচা তার বের হবার মতলব বুঝতে পেরে জিজ্ঞেস করল- কোথাও যাচ্ছ? চাচী উত্তর দেন- পার্লার যাচ্ছি চুলের আগা ট্রিম করাতে।
চাচা : কোথায়?
চাচী : ডায়মন্ড উম্যান সেলুন।
চাচা : কোথাও যাবে না তুমি। অনেক দিন ধরে দেখছি তুমি পার্লারে গিয়ে বেহিসাবি খরচা করছ। এটা অতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে। আমি আর সহ্য করব না।
চাচী : কিন্তু আমার চুল ট্রিম করা দরকার।
চাচা : তাহলে অন্য কোনো পার্লারে গিয়ে সস্তায় করাও।
চাচী : (বিরক্ত হয়ে) আশ্চর্য! আমি কোথায় যাব সেটা কি এখন তুমি ঠিক করে দিবে?
চাচা : (ক্ষিপ্ত স্বরে) বেশ আমি তবে তোমার জন্য অন্য ব্যবস্থা করছি।
চাচা আমার রুমের দরজা একটু খুলে মাথা ঢুকিয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন তোর কোনো কাজ না থাকলে আমার সঙ্গে বেরোবি? চাচার চড়া গলা শুনে আমি আর দেরি না করে একটা শার্ট পরে চাচার সঙ্গে গাড়ি করে বের হলাম। একই সময়ে চাচীও অন্য গাড়িতে ড্রাইভার নিয়ে পার্লারের দিকে গেলেন। 


চাচার সঙ্গে একটা দালানের কন্সট্রাকশন তদারকি তারপর সেখান থেকে ঘুরে চাচার অফিসে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে কিছু টুকটাক কাজ সেরে আবার চাচা আমিসহ গাড়িতে বের হলো। আমি অবাক হচ্ছিলাম চাচা কেন আজ আমাকে সঙ্গে নিয়ে এলো। গাড়ি চালাতে চালাতেই চাচা আসল কথাটা পাড়লেন। আমাকে চমকে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন: “এই শহরে সস্তা নাপিতের দোকান চেনা আছে?” আমি বলি ঠিক চেনা নেই তবে গলির ভেতর আছে জানি। চাচা আমাকে গাড়ি চালিয়ে সেখানে নিয়ে যেতে বলল। আমিও আর কিছু জানতে না চেয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে সেই গলির দিকে চললাম। তারপর গলির মুখে গাড়ি রেখে আমরা দুজন হেঁটে গলির ভেতর ঢুকে নাপিতের দোকান খুঁজতে লাগলাম। কিছু লোককে জিজ্ঞেসের পর পাশাপাশি কয়েকটা নাপিতের দোকান তালাবদ্ধ অবস্থায় খুঁজে পেলাম। তারপর আরেকটু সামনে এগিয়ে একটি দোকান খোলা পেলাম সেখানে চাচার বয়সী একজন লোক টিভি দেখছিলেন। দোকানে পা রাখতেই লোকটি রিমোট ছেড়ে দাঁড়িয়ে বলল: কি করাবেন? চাচা বলল- এখানে না, সাথে চলেন। তারপর লোকটা কাঁচি, চিরুনি সমস্ত কিছু একটা পাটের ব্যাগে সঙ্গে নিয়ে দোকানে তালা মেরে বেরিয়ে এলেন। তারপর তাকে নিয়ে আমরা গাড়ি করে বাসায় যখন এলাম তখন বিকাল ৪:৩০।

চাচা রুমে ঢুকেই ওনাকে ফ্ল্যাটের পিছনের বারান্দায় ১টি টুলে বসিয়ে সামনে নিচু আরেকটি টুল রেখে চাচীকে ডাকলেন। চাচী তখন বেডরুমে শুয়ে একটা ম্যাগাজিন পড়ছিলেন। চাচী সাড়া দিলে বেডরুমে গিয়ে চাচীকে বললেন বারান্দায় চলো।
চাচী : কেন? বারান্দায় কি হবে?
চাচা : তোমার যাতে আর চুল ট্রিম করাতে না হয় তার ব্যবস্থা করেছি।
চাচী : (রেগে গিয়ে) কি যা তা বলছ? মাথা ঠিক আছে?
চাচা এবার চাচীর হাত ধরে টানতে থাকেন। চাচীও প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি হয় কিছু। আমি এদিকে সেই নাপিতকে ফ্লাস্ক থেকে গরম চা আর বিস্কুট খেতে দিই। নাপিত তার পাটের ব্যাগ থেকে চিরুনি, কাঁচি বের করে ও ইলেক্ট্রিক ক্লিপার চার্জে দেয়। আমার মনে বেশ খুশি লাগছিল ভেবে আমার মনের আশা আজ চাচার উছিলায় পূর্ণ হবে। শেষমেশ চাচী চাচার সঙ্গে পেরে উঠলেন না। চাচীর হাত ধরে চাচা বেডরুম থেকে বেরিয়ে বারান্দায় আসতে দেখলাম চাচীর চুল এক পাশে ১২/১৩ ইঞ্চি কাটা আর চাচার হাতে একখানা কাঁচি বিকালের রোদে চকচক করছে। তারপর চাচীকে ঐ নাপিত লোকটার সামনে বসিয়ে দিয়ে চাচা ন্যা... বলতে গেলেই আমি চাচাকে টেনে একপাশে এনে বলি; করছটা কি চাচ্চু? প্রায়ই তোমরা দুজনে একসঙ্গে পার্টিতে যাও, নিজেদের বাসাতেও পার্টি হয়। ওখানে চাচী ন্যাড়া মাথায় কি করে যাবে? এছাড়া বাসায় প্রায়ই তোমার বন্ধুরা আসে আবার চাচীর বান্ধবী, পাড়া পড়শি ঘনঘন বিকেলে এসে বসে আড্ডা দিয়ে যায়। এসব লোকদের সামনে চাচী কি ন্যাড়া মাথায় যেতে পারবে? আর ভুলে গেলে সামনে তোমাদের কুড়িতম বিবাহবার্ষিকীর পার্টি করবে বাসায়। এসব শুনে চাচার রাগ পড়ল। তিনি মাথা ঠাণ্ডা করে জিজ্ঞেস করলেন; তবে তুই-ই বল কি করা উচিৎ? আমি বলি: চাচীর চুল এক্কেবারে ছোট করে দিতে বল। চুল ছোট করলে চাচীর পার্লার যাওয়া বন্ধ হবে শিওর। চাচ্চুর মুখ দেখে বুঝলাম প্রস্তাব চাচার মনে ধরেছে। 

(চলবে...)

Wednesday, March 25, 2020

দাদের জন্য মাথা–মুড়োনো

বর্ণিতা একাদশ শ্রেণিতে পড়াশুনা করত। তার কোমর পর্যন্ত দীর্ঘ চুল ছিল। তার মা-বাবা গ্রামে নিজ বাড়িতে বসবাস করত আর সেখানে ভালো স্কুল ছিল না তাই ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বর্ণিতা শহরে তার মেসো-মাসির বাসায় থাকত।

বর্ণিতার চুল বেশ ঘন ছিল তবে বর্ণিতা ঠিকঠাক মত চুলের যত্ন নিতে পারত না। তার মাসিও দিনভর নিজের আপিসের ও গেরস্থালীর কাজে ব‍্যস্ত থাকায় তার পিছনে খুব একটা সময় দিতে পারত না। অপরিষ্কার থাকায়, গোসল করে চুল ঠিকঠাক না শুকানোয় ও ভিজা তোয়ালে মাথায় জড়িয়ে রাখায় বর্ণিতা একসময় ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ল। সেরে উঠলেও তার মাথায় শেষ পর্যন্ত দাদ হয়। দাদের কারণে তার মাথার চুল পড়তে শুরু করে। বর্ণিতার মাসি তাকে নিয়ে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যান। ডাক্তার ব্যবস্থাপত্রে লিখেন যে এ থেকে মুক্তি পেতে প্রথমে মাথা ন্যাড়া করে সেলিসাইলিক এসিড ঘটিত মলম দিনে ২ বার লাগাতে হবে, যত দিন চুল গজিয়ে বড় না হয় এবং কিছু ট্যাবলেট খাওয়ার জন্য দিয়েছিলেন।

যেহেতু মাথার ত্বকে মলম লাগাতে হলে বর্ণিতার মাথা ন্যাড়া করতে হবে তার মাসি তাকে এজন্য কয়েক বার তাকে পার্লারে চুল কামাতে যেতে বলেছিলেন। তবে সে কখনই এই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি কারণ সে প্রতিবেশী ও সহপাঠীদের ঠাট্টা-মস্করা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। তার মাসি হাল না ছেড়ে প্রতিদিন তাকে মাথা ন্যাড়া করতে বলতেন। দিনকে দিন তার চুলগুলি আরো বেশি পরিমাণে ঝরে পড়তে শুরু করে। এভাবে কয়েক সপ্তাহ পর শরৎকালে পুজোর ছুটিতে সে বাসায় ছিল। সকাল ১০টা আন্দাজ তার মাসির ফ্ল্যাটের কলিং বেলটি বেজে উঠল। তার মাসি দরজাটি খুলতেই একজন শ্যামবর্ণের মাঝারি উচ্চতার বছর তিরিশের এক ব্যক্তি একটি ছোট ব্যাগ কাঁধে প্রবেশ করলেন। তার মাসি লোকটিকে ফ্ল্যাটের পিছন দিকে ঝুলবারান্দার দিকে যেতে নির্দেশ দিলেন। বর্ণিতার মাসি তাকে এককাপ চা এবং কিছু নাশতা দিতে বললেন এবং সে ঐ আগন্তুকের হাতে তা দিয়ে ভিতরে আসে। বর্ণিতা গোলাপী চুড়িদার পড়া ছিল; তার মাসি তাকে কোন পুরানো পোশাক পরে আসতে বললেন এবং সে জিজ্ঞাসা করল কেন তিনি তাকে এই নির্দেশ করলেন। মাসি নিরুত্তর থাকলেন। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে উত্তর না পেয়ে বর্ণিতা তার মাসির কথামত একটা পুরাতন জামা পরে আসে।


ঠিক সেই মুহূর্তে সে সেই আগন্তুককে দেখল যে মাথা মুড়ানোর জন্য তার সরঞ্জাম প্রস্তুত করছিল। এ দেখে সে আঁতকে উঠল। এই সম্পর্কে সে তার মাসিকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, তোমার মাথা দাদে ভরে গেছে; এখনই এর প্রতিকার করতে হবে; দাদ ছোঁয়াচে রোগ কে জানে কখন আমার শরীরেও সংক্রমণ হয়। তাই এই রোগ যাতে আর না ছড়ায় ও তোমার মাথার চুল যাতে আর না ঝরে সেজন্য তোমাকে ন্যাড়া হতে হবে। বর্ণিতা এ কথা শুনে কান্নাকাটি শুরু করে এবং এটি না করার জন্য তার মাসির কাছে মিনতি করে তবে তিনি ইতিমধ্যে ঠিক করে ফেলেছেন। বর্ণিতা কাঁদছিল কিন্তু তিনি তার হাতটি ধরে নাপিতের সামনের টুলে বসিয়ে দিলেন ও তাকে তার কাজ করতে বলে কাঁচাবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। নাপিত লোকটি বারবার তাকে তার চুলের কবরী খুলতে বলেন কিন্তু বর্ণিতা তাকে অনুরোধ করল যাতে তার চুলের সঙ্গে কিছু না করা হয়। তিনি বলেন- দিদি আমার কিছুই করার নেই; আমাকে যা করতে বলে গেছে আমি তাই করতে বাধ্য। নাপিত বর্ণিতার চুলের বিনুনি খুলতে লাগল কিন্তু সে কাঁদতেই থাকল। এরপর নাপিত পানিভর্তি মগ থেকে হাতের তালুতে পানি নিয়ে তার চুল ভেজাতে আরম্ভ করল। বর্ণিতার কপাল বেয়ে ফোঁটা ফোঁটা পানি মেঝেতে পড়তে শুরু করে তখন নাপিত লোকটি তার চুল পাট করে চুলের গোড়া পর্যন্ত ভেজাতে আরও কিছু পানি ছেটায়। এরপর তিনি তার সঙ্গে আনা ক্ষুরে একটি অর্ধেক ব্লেড ঢুকালেন। এবার তিনি বর্ণিতাকে তার মাথা নোয়াতে বললেন তবে বর্ণিতা তা না করে কেঁদেই চলছে তাই তিনি বর্ণিতার মাথাটি জোর করে নোয়ালেন এবং তার চিবুক তার বুক স্পর্শ করল। তখন তিনি বর্ণিতার মাঝের মাথায় ক্ষুর রেখে ঘাড়ের দিকে টানা শুরু করলেন আর বিপুল পরিমাণ চুল তার পিঠে গড়িয়ে পড়তে লাগল। ৫ মিনিটের মধ্যে তার মাথার পেছনটা সম্পূর্ণ চুলশূণ্য হয়ে গেল এবং তিনি বর্ণিতার মাথার সামনের অংশটি কামাতে শুরু করে আর তার চুল বৃষ্টির মতো তার কোলে পড়তে শুরু করে। অতঃপর তিনি বর্ণিতার মাথা ডানদিকে কাত করে তার মাথার বাম পাশ ২ মিনিটের মধ্যে কামিয়ে আবার মাথা বামদিকে কাত করে ডান পাশ কামিয়ে দেন। বর্ণিতার মাথা তখন পুরোপুরি টাক কেবল কিছু খোঁচা খোঁচা চুল ছাড়া। সবশেষে নাপিত তার মাথায় মিনিপ্যাক শ্যাম্পু প্রয়োগ করলেন এবং তার মাথার বিপরীত দিক থেকে ক্ষুর টানলেন যাতে তার মাথার ত্বক এক্সট্রা মসৃণ হয়।

এরই মধ্যে বর্ণিতার মাসি বাজার থেকে ফিরে এসে বর্ণিতার দিকে হাসিমুখে তাকালেন। বর্ণিতা মাথা উঠিয়ে তার দিকে একবার তাকিয়ে আবার মাথা নিচু করে কাঁদতে লাগল। তারপর বর্ণিতার মাসি নাপিতকে তার পারিশ্রমিক দিলেন এবং টানা ৪ মাস প্রতি সপ্তাহ অন্তর এসে বর্ণিতার মাথা মুড়িয়ে যেতে বললেন। এরপর চার মাস ধরে বর্ণিতার মাথায় চুলের অস্তিত্ব ছিল না বললেই চলে। ৪ মাস পুরোপুরি টাক থাকার পর অবশেষে বর্ণিতার মাথার দাদ দূর হলো। আর বর্ণিতাও কিছু স্বস্তি পেল। তারপর বর্ণিতা দ্বাদশ শ্রেণিতে যখন প্রমোশন পেল তখন তার চুল কাঁধ ছুঁয়েছে।

Wednesday, October 30, 2019

নাপিতের দোকানে একটি সুন্দর চুল কাটা উপভোগ করলাম

আপনি যদি একজন পুরুষ হন এবং ধনী না হন তবে নাপিতের দোকানে আপনার পালাটির জন্য অপেক্ষা করা একটি ক্লান্তিকর কাজ। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। রবিবার ছিল, ভিড়ের কারণে চুল কাটার জন্য ভাল দিন ছিল না তাই সন্ধ্যায় দেখার পরিকল্পনা করলাম। 

সন্ধ্যায়ও ব্যতিক্রম ছিল না, আমার নিয়মিত দোকানের উভয় নাপিতই ব্যস্ত ছিল, ছোট পুরানো দোকানে তিনজন লোক অপেক্ষা করছে। আমি যখন সংবাদপত্র ঘাঁটতে ঘাঁটতে অপেক্ষা করছিলাম, একজন মহিলার ভিতরে পদার্পণের উদ্ভট কল্পনার কথা চিন্তা করছিলাম, তখন বয়স্ক নাপিত আমাকে বসতে টোকা দিলেন। আমি যখন উঠলাম, দরজা খুলে গেল, এবং তদ্বারা ২০-এর দশকের মাঝামাঝি একজন লোক একটি …. নিয়ে প্রবেশ করল। ….একজন নারী। প্রায় ২৫ বছর বয়সী এক নবযুবতী। আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম এবং হতজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম। লোকটি নাপিতের কাছে এসেছিল, এবং তারা কিছু আলোচনা করেছিল। আমি যখন আমার জ্ঞান ফিরে পেলাম, আমি কীভাবে আমার পালা এড়িয়ে যেতে হবে তা পরিকল্পনা করতে শুরু করি। আমি খুব বুঝতে পেরেছিলাম, এটা হচ্ছে মহিলাটি যার কেশকর্তন হতে যাচ্ছে। আমাকে কিছু পরিকল্পনা করতে হয়েছিল, আমি সুযোগটি মিস করতে পারি না। 

আমি ভাবছিলাম আর ভাবছিলাম যখন নাপিত আবার আমার কাঁধে টোকা দিয়ে প্রফুল্ল মুখে জিজ্ঞেস করল, "আপনি কি একটু অপেক্ষা করতে পারেন, যদি কিছু মনে না করেন, তারা তাড়াহুড়ো করছে এবং..." সে তার বাক্য শেষ করার আগেই আমি ইতিবাচক জবাব দিলাম। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, "দুজন নাকি একজন?" 

নাপিত অস্ফুট উত্তর দিল, “এক” এবং মেয়েটিকে বসতে ইশারা করল। ওয়েটিং এরিয়ায় বসলাম। লোকটি ধীরভাবে তাকে বড় নাপিত চেয়ারে নিয়ে গেল, এবং তারপরে আমার পাশে বসল। 

আমি আয়নায় মেয়েটির মুখ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। তার কালো চুলের ঘন বিনুনি সামনে ছিল, হলুদ সালোয়ার কামিজের উপর সাদা দোপাট্টায় ঢাকা তার ক্ষুদে বুনির উপর বিশ্রাম নিচ্ছিল। তার চোখ নিচের দিকে, তাই তার মাথাও। নাপিত পিছন থেকে এসে তাকে মৃদু ছোঁয়া দিয়ে সোজা বসিয়ে দিল। নাপিত মেয়েটির দিকে তাকিয়ে হাসল কিন্তু কোন উত্তর পেল না। সাদা কাপড়ের কেপটা নিয়ে একবার ঝাঁকিয়ে আলতো করে ওর গায়ের উপর রেখে ওর বিনুনিটা বের করে দিলো। তিনি একপাশে কেপ গেরো দিলেন। নাপিত বিনুনিটি পিছনের দিকে টেনে নিয়ে গেল এবং দিক নির্দেশনার জন্য লোকটির দিকে তাকাল। আমি দৈর্ঘ্য দেখে অবাক হয়েছিলাম। মেঝে থেকে কয়েক সেন্টিমিটার উপরে চেয়ারের নীচে বিনুনিটি ঝুলছিল। এটা খুব পুরু। নাপিত লোকটির সাথে কী কথোপকথন করেছিল তা আমি মিস করেছি। ঘুরতে ঘুরতেই দেখলাম লোকটা তার ঘাড় ধরে উপরে নিচে নাড়াচ্ছে। 

নাপিত তৎক্ষণাৎ কাজে নেমে পড়ল। তিনি ধীরে ধীরে বিনুনি ধরে থাকা রাবার ব্যান্ডটি বের করলেন এবং লোকটির কাছে দিলেন। এতে কিছু ছিন্ন চুল লেগে আছে। তার চুলে আঙ্গুল ঢুকিয়ে সে গিঁট সরাতে নিচের দিকে যেতে লাগল। তিনি এমন কঠোরভাবে গিঁটগুলি সরিয়ে ফেললেন, আমি দেখতে পাচ্ছিলাম, মেয়েটির মাথা প্রবলভাবে কাঁপছে এবং প্রতি রাউন্ডের সাথে পিছনের দিকে টানছে। নাপিত অবশেষে চিরুনিতে সরে গেল এবং মাথার ত্বক থেকে শেষ পর্যন্ত চিরুনি শুরু করল, তার চুল আরও জোরে টেনে ধরল। 

আমি দেখতে পাচ্ছিলাম মেয়েটি ব্যাথা পাচ্ছে, কারণ সে একবার বা দুবার গুঙিয়েছিল। লোকটি উঠে দাঁড়ালো এবং নাপিতকে আরো সতর্ক হতে বলল। নাপিত আশ্বাসভাবে মাথা নেড়ে তার যথাসাধ্য চেষ্টা করতে লাগল, কিন্তু তা ব্যর্থ হল। সে ব্যথা অনুভব করতে থাকে। 

একবার তার চুল আঁচড়ানোর পর, নাপিত স্প্রেয়ারে চলে গেল, তার চুল কুয়াশাবৃত হলো, উপর থেকে তার চুল ভিজিয়ে দিল। সন্তুষ্ট হওয়ার আগেই সে প্রায় পুরো একটা বোতল খালি করে ফেলেছিল। তার চুল এতই ভিজে ছিল, সেখান থেকে জল ঝরছিল। তার চুলের নিচের জায়গাটা এখন ভিজে গেছে। 

নাপিত এখন কাঁচির দিকে চলে গেল। আমি আশা করছিলাম যে এটি তার মাঝপিঠ বা অন্য কিছু পর্যন্ত হবে, কিন্তু তিনি এটি তার কানের ঠিক নীচে রেখেছিলেন এবং কচ্‌চ্‌চ্‌চ্‌চ্‌চ্‌...চ্‌চ্‌চ্‌চ্। মেয়েটি কেঁপে কেঁপে উঠল যখন চুলের প্রথম গোছাটা নিচে পড়ে গেল, কিছু তার কোলে, অবশিষ্টাংশ নিচে। নাপিত কাঁচি দিয়ে কুচ কুচ করে কাটতে থাকল, লোকটি আস্তে আস্তে উঠে চেয়ারের কাছে গেল। কাহ্‌চ্‌চ্‌চ্‌চ্…..চ্‌চ্‌চ্‌চ্‌ আরও বেশি করে ওর বেণীটা কেটে গেল। নাপিত আবার চিরুনি দিয়ে আবার কচকচ্ছচ… তার লম্বা চুলগুলো এখন মেঝেতে। বিশাল এক পাঁজা। চুল চলে যাওয়ায় তার পিঠ এবং ঘাড়ের কিছুটা অংশ এখন উন্মুক্ত হয়ে গেছে। 

লোকটি আবার আমার সাথে বসল, নাপিত এখন চুল বিভাজন করছে। আমি নিজের কৌতূহল প্রতিরোধ করতে না পেরে লোকটিকে জিজ্ঞেস করলাম, "সে কি তোমার গার্লফ্রেন্ড?" 

পাট করার পর নাপিত তার চেয়ারের বাম পাশে চলে গেল। কাঁচি আর চিরুনি দিয়ে আরও বেশি করে কাটতে লাগল। চিরুনি দিয়ে চুল ধরে, কাঁচি দিয়ে কচ কচ। তিনি পাশ থেকে মাঝখানে চুল পাঠান, তার মাঝের বিভাজন ব্যাহত করে। যখন সে কাঁচি দিয়ে কেটে ফেলতে থাকল, তার মাথার খুলি পাশে উন্মুক্ত হয়ে গেল। তিনি আশ্বস্ত হওয়ার পরে, তিনি চেয়ারটি ঘোরান, যাতে মেয়েটির মুখটি আমাদের দিকে ছিল এবং নাপিত এখন তার মাথার ডান দিকে কাঁচির পোঁচ মারতে পারে। 


লোকটি আমার প্রশ্নের উত্তর দিল, "সে আমার বোন" আমি আরও জিজ্ঞাসা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তার শক্তভাবে বন্ধ চোখ এবং বিভ্রান্ত মুখ আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। আমি তার দৃঢ়ভাবে বদ্ধ মুষ্টি দেখতে পাচ্ছিলাম। তার চুল ক্রমশ কমছে, কাটা চুলে কোল ভরে যাচ্ছে। আমি লোকটিকে জিজ্ঞাসা করার আগেই “কেন তার বোন চুল কাটছে? কেন সে একটি নাপিতের দোকানে চুল কাটাচ্ছে? কেন সে এত ছোট করছে?” আমাকে অন্য নাপিত ডেকেছিল, এবং আমি প্রত্যাখ্যান করতে ব্যর্থ হই। ধীর গতিতে, আমি অন্য চেয়ারের দিকে এগোতে লাগলাম, আমি দেখলাম নাপিত মেয়েটির চেয়ারটি ঘুরিয়ে এখন তার পিছনের দিকে চলে যাচ্ছে। নাপিত একই কৌশল অবলম্বন করে পিছনের চুল কাটতে, চিরুনি দিয়ে সংগ্রহ করে, কাঁচি দিয়ে ছাঁটতে থাকে। এরপর সে সামনে থেকে সব চুল পেছনে আঁচড়াতে থাকে এবং তার মাথার ওপরে ছেঁটে দেয়। চুল তার কোলের উপর, তার মুখ দিয়ে ঝরছে. তার মুখ অসংখ্য কাটা চুলে ঢাকা ছিল। তিনি তা করতে থাকেন এবং অবশেষে সামনে চলে যান। তিনি সামনের সমস্ত চুল আঁচড়ালেন। তার চুল এখনও তার চোখ ঢেকে যথেষ্ট লম্বা ছিল। তিনি আলতো করে তার চিবুক স্পর্শ করল, তার মাথাটা একটু তুলল এবং তার কপালের মাঝখানে তার চুল কাটতে লাগলেন। চুল ওর মুখে চুমু খেয়ে ওর কোলের দিকে এগিয়ে গেল। 

তারপরে তিনি কাঁচিটি ফেলে দিয়ে তার চুল আঁচড়ান, তাকে একটি স্মার্ট, কেতাদুরস্ত বয়কাট দিয়েছিলেন। কিন্তু তার কাজ করা হয়নি। মেয়েটি তখনও চোখ বন্ধ করে রেখেছিল, নাপিত একটি ড্রয়ার খুলে সোজা রেজার বের করে। নতুন ব্লেড ভরে, তিনি আবার তার স্প্রেয়ারটি বেছে নিলেন, তার পিছনে এবং পাশে ভিজিয়ে দিলেন। 

আলতো করে ওর মাথাটা সামনের দিকে ঠেলে পিছন থেকে চুল সরাতে লাগলো। আমি প্রতিফলনের মাধ্যমে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম, তিনি ঘাড়ের গাঁইট উন্মুক্ত করেছেন, সমস্ত সাদা এবং চকচকে। একইভাবে তিনি কানের দৈর্ঘ্য পর্যন্ত চুল অপসারণ করে পাশের জন্য করেছিলেন। 

নাপিত তারপর একটি প্রশস্ত ব্রাশ তুলে নেয় এবং তার গর্দান, মুখ এবং কান চুলমুক্ত করে দিতে শুরু করে। তারপর পাউডার লাগিয়ে আস্তে আস্তে কেপটা খুলে দিল। আমি অবিরাম মেয়েটিকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, তার প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আমার নাপিত আমাকে সমর্থন করার মেজাজে ছিল না এবং ক্রমাগত আমাকে এতে বাধা দেয়। আমি সেই মুহূর্তটি মিস করেছি যখন সে তার চোখ খুলল। আমি তাকে ক্রমাগত আয়না দিয়ে নিজের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখেছি। সে আস্তে করে উঠে চলে গেল, কারণ তার ভাই তার জন্য টাকা দিয়েছে। তখন সে তার কাটা চুলের দিকে তাকাতে থাকে যখন তার ভাই তার হাত ধরে তাকে নিয়ে যায়। 

আমি সেখানে বসে আমার চুলের কাজ শেষ করছি সেই সময়ে দেখলাম অন্য নাপিত কাটা চুলগুলো ঝাড়ু দিয়ে কোণার ডাস্টবিনের কাছে ফেলে দিচ্ছে। 

আমি তখনও বিভ্রান্ত ছিলাম যে সে বাস্তব নাকি আমার জন্য একটি কল্পনা ছিল?? 

Translated from HC&S stories

Sunday, April 29, 2018

হেডশেভ কনফেশন

এই গল্পটি আসলে একটা হেডশেভ কনফেশন যা আমি একটি সাইটে ইংরেজিতে পেয়েছিলাম এবং ভাল লাগাতে আমার ব্লগে বাংলায় অনুবাদ করে পাবলিশ করলাম। আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে।

আমি যখন পরিবারের সাথে বাংলাদেশে ছুটিতে গিয়েছিলাম তখন আমার বয়স ছিল ১৬ বছর। আমার বাবা-মা মূলত সেখানকারই লোক। সেখানে পৌঁছানোর পর আমি সেখানকার তাপদাহ সহ্য করতে পারিনি। আমি সবসময় ঘামছিলাম এবং এ নিয়ে অভিযোগ করছিলাম। একদিন আমার মা আমাকে শপিংয়ে যেতে প্রস্তুত হতে বললেন। তাই আমি একটি নীল সালোয়ার কামিজ পরলাম। আমার মা, কাকি, ছোট কাকাত বোন এবং আমি ড্রাইভারের জন্য গেটের বাইরে অপেক্ষা করছিলাম। অনেক দূর থেকে আমার মা গাছের নিচে একজন বৃদ্ধকে দেখলেন। তিনি আমার কাকীকে জিজ্ঞাসা করলেন যে এ কি সেই লোকদের একজন যারা ক্ষৌরকর্ম করে? আর আমার কাকী হ্যাঁ বলল। আমার মা বলল চলো সেখানে, আমি কিছু দেখতে চাই। আমার কাকী তাকে বাদ দিতে বলছিলেন কিন্তু আমার মা জোর করলেন। সুতরাং আমরা সেখানে গেলাম এবং আমার মা জিজ্ঞাসা করলেন আপনি কত টাকা চার্জ করেন? যারটা কাটব তার ওপর নির্ভর করে বুড়ো বললেন। অতঃপর আমার মা আমার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে আমার মেয়ের জন্য বলেন। আমি হতবুদ্ধি হয়ে গেলাম। আমার চোখেমুখে ফুটে উঠেছিল ‘মা তুমি কি বলছ!’ কিন্তু তিনি আমাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করলেন। বৃদ্ধ যখন জিজ্ঞাসা করলেন আপনি কি করাতে চান, তিনি বললেন আমি তার মাথা মুড়াতে চাই। বৃদ্ধ লোকটি তার দাম নিয়েছিল এবং আমার মা আমাকে বসে পড়তে বললেন। আমি অস্বীকৃতি জানাতে তিনি সত্যিই রেগে গেলেন। তিনি বললেন যে এই গরম আমার মতো বাচ্চাদের পক্ষে অসহনীয় তাই টাক হয়ে যাওয়াই শ্রেয়। 



আমার কাকীও বলেন হ্যাঁ এখন ন্যাড়া হবার ভাল সময়। আমি কাঁদতে শুরু করি এবং বৃদ্ধ লোকটি তার কাজ আরম্ভ করে। তিনি আমার চুলকে ঠান্ডা জলে ভেজাতে লাগলেন, একটি ব্লেড নিয়ে মাথার মাঝখান থেকে কামাতে লাগলেন। সব শেষ হয়ে গেল, আমি টাক হয়ে যাচ্ছিলাম। 


৫ মিনিট পর তিনি আমার মাকে এটি স্পর্শ করে দেখতে বলেছিলেন তবে মা শেভিং ক্রিম দিয়ে আরও একবার এটি করতে বললেন, তাই তিনি করলেন। পুনর্বার কামানোর পর তিনি আমার মাথায় আফটার শেভ জেল মেখে দিলেন। খুব ঠান্ডা অনুভব হয়েছিল। আমার খুড়তুতো বোন আমার দিকে তাকিয়ে হাসি আটকাতে পারেনি। যেখানে আমার বয়স ১৬ বছর, সম্পূর্ণ ন্যাড়া মাথায় আর কোমর দৈর্ঘ্যের চুলের সাথে তার বয়স মাত্র ১২। আমি বিব্রত ছিলাম. আমার মা আমাকে মাথা ঢাকতেও দেয়নি। আমাকে অনেকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে দেখছিল। কিছু লোক এমনকি আমার মাকে মলে থামিয়েছিল জিজ্ঞাসা করতে যে সদ্য কামানো হয়েছে কিনা। অবশেষে আমি বাড়ি ফিরলে পরিবারের বাকি সদস্যরা আমাকে দেখে হো হো করে হাসছিল এবং আমার ন্যাড়া মাথা নিয়ে কৌতুক করছিল।

[সংগৃহীত ও অনূদিত]

Thursday, November 10, 2016

হেয়ারকাট কনফেশন

#স্বীকারোক্তি 

#মহিলা

তো এটা ২০০৫ সালে ঘটেছিল, আমি তখন ১১ ক্লাসের মেয়ে। ঠিক সে বছর আমার এক বন্ধু আমার কাছে একটি বাজি হেরেছে (আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন না কী বাজি ধরেছিলেন? আপনি অনুমান করতে পারেন), এবং ফলস্বরূপ আমাকে তাকে যেমন ইচ্ছে তেমন চুলের ছাঁট দিতে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ঠিক আছে, সে খুব একটা প্রতিবাদ করেনি, এবং টিফিনের ছুটিতে আমরা সবাই তার চুল কাটার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। পুরো ক্লাস আমাদের চারপাশে জড়ো হয়েছিল, আমি আমার হাতে চিরুনি এবং কাঁচি তুলে নিলাম। আমি তার কাঁধ দৈর্ঘ্যের চুল আঁচড়ে নিলাম এবং কাঁধ থেকে প্রায় ১ ইঞ্চি উপরে ছাঁটার জন্য চিরুনি বসালাম। আমি ছাঁটাই শুরু করলাম, হঠাৎ একজন শিক্ষিকা ক্লাসে প্রবেশ করলেন। 

তো আপনারা কি ঘটেছে অনুমান করতে পারেন। তিনি আমাকে কাঁচি, চিরুনি এবং কাটা চুল হাতে দেখেছিলেন বলে তিনি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন তা ঠিক করতে পারছিলেন না। আচ্ছা, তিনি আমাকে অধ‍্যক্ষের কাছে নিয়ে গেলেন। আমি অবিলম্বে গার্জিয়ান কল এবং এক সপ্তাহের জন্য বহিষ্কৃত হয়েছিলাম। 

ঘটনা এখানেই শেষ হয়নি। বাবা আমার উপর রেগে গেলেন। স্কুলের পরপরই তিনি আমাকে একটি নাপিতের দোকানে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং আমাকে সত্যি সত্যিই খুব ছোট করে চুল কাটিয়ে দিয়েছিলেন। আমার চুল তখন পিঠের মধ‍্যখান পেরিয়ে গেছে, এবং নাপিতের চেয়ারে বসে নাপিতকে আমার চুল স্পর্শ করতে দিয়ে খুব বিশ্রী লাগছিল। আমার গর্দানে কাঁচির ব্লেড অনুভব করার সময় আমার খুব খারাপ লাগছিল। 


আচ্ছা এটা আমার স্বীকারোক্তি, আমি বাংলার একজন কেভির মেয়ে। 


{ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ও অনূদিত}

Monday, March 14, 2016

ব্যাংকার বান্ধবীর মেকওভার

আমি জেনে খুব খুশি হয়েছিলাম যে আমার সহপাঠী ঋষিকা সম্প্রতি ব্যাংকের শাখা ম্যানেজার পদে পদোন্নতি পেয়ে আমার এলাকায় অবস্থিত শাখায় পোস্টেড হয়েছে। আমরা স্কুলে খুব বেশি ঘনিষ্ঠ ছিলাম না, তবে আমরা একই ক্লাসে ছিলাম। আমাদের ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড আসলে আমাদের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করেছিল; আমি গ্রামের নাপিতের ছেলে, সে গ্রাম্য চিকিৎসকের মেয়ে, তবুও আমরা বন্ধু ছিলাম। আমি স্কুলটি ছেড়ে যাওয়ার সময় ৮ বছর আগে আমি তাকে সর্বশেষে দেখি। আমি তাকে স্মরণ করলাম, চিকন, খাটো মেয়েটি আর মাথার চুল সুন্দর, ছেলেদের মতন করে কাটা। সে ছিল আমার স্কুলে চুল ছোট রাখা একমাত্র মেয়ে। তার বয়কাট যদিও আমাদের বন্ধুত্বের একটি বিশেষ হেতু ছিল, কারণ সে কেবল আমার বাবার কাছেই তার চুল কাটাত। যখনই তার চুল কাটার দরকার পড়ত, সে আমাদের বাড়িতে আসত বা তাদের বাড়িতে বাবার ডাক পড়ত, কিন্তু ১৪ বছরে পা দেবার পর আর সে কখনই দোকানে ঢোকেনি। স্কুল ছেড়ে যাওয়ার পরে আমরা আলাদা হয়ে গেলাম। আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে রাজধানীতে চলে গেলাম আর সে গ্রামে থেকেই পাশের পৌরসভার কলেজে পড়া চালিয়ে গেল। 


সে নতুন পদে যোগদানের এক সপ্তাহ পর আমি তার ব্যাংকে তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম, কেবলমাত্র তাকে কিছু সময় সঙ্গ দেবার জন্য। সে এখন ২৭ বছরের একটি সুন্দরী মহিলা হিসাবে বিকশিত হয়েছেন, গৌরবর্ণা ও সুডৌল‌ গড়ন আর সে প্রায় নিতম্ব পর্যন্ত চুল বাড়িয়েছে। সুন্দর নীল সালোয়ার-কামিজে তাকে অপূর্ব দেখাচ্ছিল। তবে সেখানে তার অবস্থা দেখে আমার করুণা হলো। সেখানে তার কোনো কর্তৃত্ব নেই, দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে তাকে প্রাপ্য সম্মান দেয় না। সে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় দৌড়াচ্ছিল, যেন সে সেখানে চাকর। আমি তার সাথে দেখা করলাম না যাতে আমার উপস্থিতিতে সে বিব্রত না হয়। আমি চলে আসলাম তবে তার জন্য আমার বাড়িতে আসার একটি বার্তা রেখে গেলাম। আমি তার সমস্যাটি দ্রুত বুঝতে পারি, তার সমস্যা হল তার আজ্ঞাবহ ব্যক্তিত্ব এবং বিনয়ী আচরণ। 


সেদিন সন্ধ্যাবেলায় সে একই সালোয়ার-কামিজ পরে আমার বাড়িতে আসে। আমরা আমাদের স্কুল পরবর্তী জীবন ও বর্তমান অবস্থান সম্বন্ধে কিছু গালগল্প করলাম। আমি তখন বিষয়টিকে চুলের দিকে পরিবর্তন করেছি, "তুমি আমার বাবার কাছে আর যাও না?" 

সে হেসে বলল, “কেন যাব? আমার চুল কাটা দেখতে তুমিও তো আর দাঁড়াও না। 

আমি হাসলাম, সেও মৃদু হেসে বলল- তুমি হাসছ কেন? আমার চুল কাটার সময় তুমি সর্বদা সেখানে দাঁড়াতে, যখন আমি ১১শ শ্রেণিতে ন্যাড়া করেছিলাম তখনো। 

আমি জবাব দিলাম, হুম আমার মনে আছে, তুমি কাঁধ থেকে কিছুটা নিচ পর্যন্ত চুল বাড়িয়ে এসেছিলে এরপর ফাঁকা তকতকে মাথায় ওড়না দিয়ে বাড়ি ফিরেছিলে। 

সে হেসে বলল: হ্যাঁ, কাঁধ পর্যন্ত বড় হয়েছিল পরে কামিয়েছিলাম। এখন যে লম্বা চুল দেখছ এটা আমি কলেজ থেকে বাড়তে দিয়েছি। 

আমি ফট করে বললাম, "হয়ত তোমার এবার মেকওভার করা উচিত, চুল শর্ট করে ফেলো" 

সে কিছুটা ক্রুদ্ধ এবং অধিকারবোধক স্বরে নিজের পনি বাঁধা চুলগুলোকে ছোঁয় অতঃপর দুহাতের তালুবন্দি করে পাহারা দেবার ভঙ্গিতে বলে, আমি আমার চুল ভালোবাসি। 

আমি বললাম- এটা অনেক লম্বা। 

সে বলল: আমি এটি লম্বাই ভালোবাসি।

আমি তাকে চেয়ার থেকে টেনে এনে একটি স্টুলে বসালাম, তারপরে চিরুনি আনলাম। সে এবার শঙ্কিত হল। আমি বললাম, "আমাকে এটা আঁচড়ে দিতে দাও। আমি নাপিতের ছেলে, আমি সে পেশায় না গিয়েও চুল কাটতে জানি। তোমার কমপক্ষে পিঠের মাঝ অবধি কাটা উচিৎ " সে চেয়ার থেকে ওঠার চেষ্টা করেছিল কিন্তু আমি তাকে সেখানে ধরে বলেছিলাম, "কমপক্ষে ডগাচেরা থেকে মুক্তি পাবে, আমাকে এটি ট্রিমিং করতে দাও" সে এটা বুঝতে পেরে রাজি হয় যে, আমার কাঁচির মাঝে চুল না দিয়ে সে যেতে পারবে না। তাই আমি বসার ঘরের মাঝখানে দৈনিক পত্রিকা বিছিয়ে তার উপর চেয়ার রাখি ও পাশে টি-টেবিলে কাঁচি, চিরুনিসহ অন্যান্য জিনিসগুলিও সাজিয়েছি। তারপর আমি ডাকলে সে নিঃশব্দে এসে সেই চেয়ারে বসে চুল পিছনে ছড়িয়ে দিয়ে, আমার কাছে সমর্পণ করল। আমি তখন তাকে একটি তোয়ালে দিয়ে ঢেকে দিলাম যা তাকে ভয় পাইয়ে দিল। আমি তাকে আশ্বস্ত করলাম, “আমি ঠিক ১ ইঞ্চি ছাঁটব, নো টেনশন। আমি সামনের দিকে কিছু চুল স্টাইল করার কথা ভাবছি তাই আমি তোয়ালে জড়িয়ে দিয়েছি। ভেব না বেশি দৈর্ঘ্য কাটব না। " সে এখন মেরুদণ্ড সোজা করে বসে ছিল, তাকে খুব উদ্বিগ্ন দেখাচ্ছিল। আমি তার পুরো চুলের উপর থেকে নীচ পর্যন্ত জল স্প্রে করা শুরু করলাম। তারপরে চুলের মাঝে আমার আঙ্গুলগুলি ঢুকিয়ে আমি তার মাথা ম্যাসেজ করা শুরু করলাম যা তাকে সামান্য রিল্যাক্স করে। তারপরে আমি তার চুলগুলি চিরুনি দিয়ে কাঁচি নিলাম। তিনি কাঁচি দেখতে পেল না কিন্তু কাঁচির ফলাদ্বয়ের খোলা ও বন্ধ হবার ক্লিংক শব্দ শুনেছিল। আমি আরেকবার চিরুনি চালিয়ে যেই না, কাঁচি তুলে চুল কাটতে উদ্যত হলাম তখনই সে বলে উঠল 'উম্মম ... আমারও মনে হয় আমার চুল অনেক লম্বা হয়ে গেছে ... তুমি এটি অল্পখানিকটা কাটতে পারো’ আমি খুশি হয়ে বললাম, ‘কাঁধ পর্যন্ত?’ 



সে চিৎকার করে বলল, না! না! না! সর্বাধিক মাঝ পিঠ পর্যন্ত’' আমি বলেছিলাম, "রিল্যাক্স এটা আমার হাতে ছেড়ে দাও" আমি তার চুলটি সর্বশেষবার আঁচড়ে নিলাম, তার চুলের শেষপ্রান্ত থেকে ৬ ইঞ্চি উপরে কাঁচি রেখেছি। তার চুল টানটান করতে তার চুলের শেষটি আঁকড়ে ধরে। সে চোখ বন্ধ করে বলছিল, "খুব ছোট নয় ... খুব বেশি নয় ... ছোট নয়" আমি তার ঘাড় মেঝের দিকে বাঁকিয়ে দিলাম, যাতে তার চিবুকটি তার বুক স্পর্শ করে। আমি কাটতে প্রস্তুত ছিলাম। তাড়াতাড়ি আমি কাঁচিটি তার ঘাড়ের কাছে সরিয়ে নিলাম এবং সে কিছু করতে পারার আগেই, কাচচছ… ছছ। তার বেশিরভাগ কেশরই তখন আমার বাঁ হাতের মুঠিতে ঝুলছিল। পুরো চুল আমার হাতে না আসা পর্যন্ত আমি কাঁচি চালাতে থাকি। আমি চুলগুলো মেঝেতে বিছানো পত্রিকায় ফেলে দেওয়ার পর এক মূহুর্তের নিঃস্তব্ধতা ছিল। সে বেশ ধাক্কা খেয়েছিল। কয়েক মুহুর্ত পরে সে তার সম্বিৎ ফিরে পেল। সে তৎক্ষণাৎ চুলের সন্ধানে তার পিঠ হাতড়ে নিল, তারপরে ঘুরে দেখল এক গোছা লম্বা চুল মেঝেতে পড়ে আছে। সে আমার দিকে মুখ ঘোরায়, তার চোখ ভিজে উঠেছে এবং সে কিছু বলতে চেয়েছিল কিন্তু কোনও আওয়াজ আসেনি। তখন সে কাঁদতে লাগল, “আমার চুল! তুমি কেন এটা কাটলে? " আমি উত্তর দিলাম না। সে চেয়ার থেকে নেমে মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসে দুহাতে চুল তুলে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। আমি আস্তে করে তাকে কাঁধে চেপে ধরে চেয়ারে বসিয়ে দিলাম। সে ভীষণ কাঁদছিল ... আমি কিছু বলিনি। আমি কেবল চিরুনি তুলে তার চুল ছড়িয়ে দিতে শুরু করলাম। তারপরে আমি তার চুলে পানি স্প্রে করে আঁচড়ালাম। সে ফোঁপানি বন্ধ করবার পর আমি বললাম, ‘'এটা আবশ্যক ছিল, তোমার একটা মেকওভার দরকার, তুমি এখন একজন ব্যবস্থাপক, কিন্তু কেউ তোমাকে সম্মান করে না'’ 


আমি তার চুল নীচে আঁচড়ালাম ও ইলেক্ট্রিক ক্লিপার বের করে তার গার্ডটি ২য় পর্যায়ে উঁচু করলাম যাতে কাটা চুল কিছু বড় থাকে। তারপর আবারো তার ঘাড় বেঁকিয়ে দিয়ে আমি মাথার পিছনে এটি নিচে ঠেলে দিলাম, তার পিঠের উপর চুল বৃষ্টির মত পড়তে‌ লাগল। সে বাঁধা দেয়নি। পুরো ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত আমি পিছনে চালিয়ে যাচ্ছি। পিছনে এখন তীক্ষ্ণাগ্র কিন্তু কালো চুল, তার ঘন চুলের জন্য কোনো সাদা চামড়া দেখা যাচ্ছিল না। আমি তারপরে তার দুপাশের চুল শর্ট করে ক্লিপ করলাম। আমি অতঃপর পুনশ্চ চিরুনি দিয়ে তার চুলের সিঁথি মাঝখান থেকে বামে পরিবর্তন করে তার সামনের চুল ভিন্ন স্টাইলে আঁচড়ে দিলাম। এরপর একটি কাঁচি দিয়ে আমি বাড়তি চুল ছেঁটে ফেললাম। চুল যাতে বাতাসে উড়ে সারা ঘরময় না ছড়ায় তাই আমি ফ্যান বন্ধ করে রেখেছিলাম আর এতে তার মুখমণ্ডল ঘেমে যায় ফলে কাটা চুল তার মুখের আর্দ্রতার কারণে তার মুখের সাথে লেপ্টে থাকে। আমি তখন ক্ষুর হাতে নিলাম, কিন্তু পরে ভাবলাম যে তার ঘাড়ের গিঁটে ও চিপে বেশি চুল নেই তাই আমি আবার ক্লিপার অন করে গার্ড সরিয়ে আমি এটিকে কিনারায় চালালাম। চুল কাটা সম্পূর্ণ হল। আমি তাকে একটি আয়না এনে দিলাম। তাকে এখন একেবারে অন্যরকম দেখাচ্ছে। আমি তোয়ালে খুলে নিয়ে তার মুখ ও কাঁধ থেকে চুল মুছে দিলাম। তার পুরো সালোয়ার কামিজ তখন ছোট চুলের কণা দিয়ে ঢেকে গেল। আমি তখন তাকে গোসল করতে বললাম। সে আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল, "আমি এখন কি পরতে পারি?" আমি জবাব দিই, "আমি একজন নাপিত, তোমার সুপার চুলের সাথে কি পরলে মানাবে তা আমাকে জিজ্ঞাসা করো না" সে মুচকি হেসে শাওয়ার নিতে গেল এবং আমি জায়গাটি সাফ করতে শুরু করি। তার সমস্ত চুল ঝাঁটা দিয়ে ঢিবি করে তা একটি পলিথিন বন্দী করলাম। 


Translated from HC&S stories

Friday, February 12, 2016

সৎ মায়ের জবরদস্তিতে রেশমীর বদল

রবিবার সকাল ১১টা। স্মিতার ১৮ বছর বয়সী সৎ মেয়ে তার ইয়োগা ক্লাস থেকে সবেমাত্র ফিরে এসেছে। যদিও তা সকাল ৮টা নাগাদ শেষ হয়েছে কিন্তু রেশমী গত কয়েক সপ্তাহ নাগাদ ৩ ঘণ্টা দেরি করে ফিরছিল। তার চুলগুলি অগোছালো দেখাচ্ছে এবং ধুলোবালিতে ভরা দেখাচ্ছে। স্মিতা এবং রেশমী কখনই একে অপরকে পছন্দ করত না, একে অপরের কাছাকাছি থাকলে বাতাসে সবসময়ই উত্তেজনা থাকে। রেশমী দরজা দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করতেই স্মিতা তার পথরোধ করে জিজ্ঞাসা করল,“তুমি কোথায় ছিলে রেশমী?" রেশমী জবাব দিল, "None of your business." স্মিতা পাল্টা বলে, "Of Course It's of my business” এবং তুমি জান না খোলা চুল ইয়োগা ভঙ্গির জন্য ঠিক নয়। 


রেশমী উত্তর দিল, "আমার চুলের যত্ন কিভাবে নিতে হয় তা আমি জানি সো আপনি নিজের 'সুন্দর চুল’ নিয়ে ভাবুন। স্মিতা বলে: তোমার না গত সপ্তাহে চুল কাটার কথা ছিল, তোমার চুল ছোট করা উচিৎ। রেশমী ব্যঙ্গ করে উত্তর দিল, ওহ! আমি ভুলে গেছিলাম স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ, আমি এটি ১/২ বছর পরে গিয়ে কাটাব। স্মিতা এবার বিরক্ত হল, "দেখ যদি তুমি আমার মতো সুন্দর চুল চাও তবে তোমাকে এখনি এটি ছোট করতে হবে এবং তুমি কলেজের পরে বাড়ানো শুরু করতে পার।" রেশমী প্রত্যুত্তর দেয়নি। সে কোনোক্রমে তার সৎমাকে পছন্দ করে না তবে স্মিতার চুল সত্যই চমৎকার এবং প্রশংসনীয়। সে ধীরে ধীরে উত্তর দিল, "আমি এখন ক্লান্ত স্মিতা আর আমি চুল ছোট করছি না, সম্ভবত আপনার মতো ভাল হবে না তবে তা যাই হোক ভালই হবে" স্মিতা বলে যায়, তুমি তোমার খোলা চুল এবং দেরি হবার ব্যাখ্যা এখনো দাওনি। রেশমী দীর্ঘশ্বাস ফেলে উত্তর না দিয়ে তার ঘরে যেতে লাগল। স্মিতা আরও বলে, "আমি জানি তুমি আবার সেই লোফারটার সঙ্গে ছিলে" রেশমী হঠাৎ থমকে গেল। 


স্মিতা বলে, "রেশমী এসো, আমি তোমার চুল কাটার বন্দোবস্ত করেছি। রেশমী অবাক হয়ে বলল, "আমার চুল কাটানোর বন্দোবস্ত?" স্মিতা ফিরে জবাব দিয়েছিল, 'ফ্রেশ হয়ে কিছু স্ন্যাকস খেয়ে তৈরি হয়ে নাও 'হেয়ারড্রেসার আজ ১২টায় আসছে। আমি তোমাকে এর ১০ মিনিট আগে বাগানে চাই। "রেশমী এবার ভীত হয়, তবে সে তার ভয় আড়াল করে জবাব দেয়, "হাঁ, আপনি ভেবেছিলেন ঘরে হেয়ারড্রেসারকে ডাকলে আমি কাটিয়ে নেব। আমি রেস্ট নেব, বিরক্ত করবেন না" স্মিতা হেসে বলেন, “দেখ রেশমী, তুমি আমার মেয়ে; যদিও আমাদের বয়সের পার্থক্যে আমাদের আদর্শ মা-মেয়ে জুটি বলা চলে না, তবুও তোমার ভালর জন্য যা করা উচিত তা আমি করব, তুমি না চাইলেও। আমি জানি তুমি কখনই হেয়ারড্রেসারের কাছে যাবে না, তাই আমিই তাকে ডাকলাম এবং লাস্ট ওয়ার্নিং! তুমি যদি বাধ্য মেয়ের মত চুল কাটতে না বসো তবে জোর করেই কাটানো হবে" রেশমী এবার ভয় পেল। এই মুহূর্তে তার ভাই বা তার বাবা নেই সেখানে সত্য। 


তাই সে আপসে চুল কাটাবে, কিন্তু খুব ছোট করে না। সে ১২টার আগেই বাগানে পৌঁছে, একটি ট্যাঙ্ক টপ এবং শর্টস পরে। স্মিতা বাগানের একপ্রান্তে একটা সোফা রেখেছিল। স্মিতা তাকে দেখে খুশি হয়ে বলে এই তো ভাল মেয়ে। রেশমী বাধা দিয়ে বলে "দেখুন আমি কাটাতে রাজি, তবে অতটা ছোট নয়, কাঁধ পর্যন্ত ঠিক আছে, তবে ছেলেদের ধাঁচে কাটা ..." সে কথা শেষ করার আগেই হেয়ারড্রেসার প্রবেশ করল। আরও সঠিকভাবে বলতে একজন ৩০ বছর বয়সী নাপিত প্রবেশ করলেন। রেশমী তাকে সিটি সেন্টারের পাশে নাপিতের দোকানের নাপিত বলে শনাক্ত করতে পারল। রেশমী এবার অস্বীকার করে বলে “আমি চুল কাটাচ্ছি না স্মিতা। আপনি নাপিত ডেকেছেন, আপনিই চুল ছাঁটুন বা কাটুন বা মুড়িয়ে নিন" স্মিতা বলল- রেশমী সিন ক্রিয়েট করো না। 


রেশমী কথা না বলে লম্বা শ্বাস ফেলে তার রুমের দিকে হাঁটতে শুরু করল। তখন স্মিতা তার হাত ধরল। রেশমী এখন রেগে উঠল, কিন্তু স্মিতাকে না বুঝতে দিয়ে বলে, স্মিতা আমাকে একা ছেড়ে দিন। জবাবে স্মিতা বলল- স্টুলে বসো, নাপিত বেশি সময় নিবে না। আমাকে জোর করতে বাধ্য করো না। রেশমী হাত ঝাঁকিয়ে চিৎকার করে বলে, ‘How dare you!' এবং এক দৌড়ে সশব্দে দরজা খুলে ঘরে ঢুকে গেল। স্মিতা রাগান্বিত হল। সে নাপিতকে তার সরঞ্জাম নিয়ে তার পিছু আসতে বলে। কয়েক মিনিট পরে রেশমীর দরজায় হিংসাত্মক গালিগালাজ হলো, তবে দরজা সহজে খুলে গেল। স্মিতা ঢুকে ঘরটি চেক করল তবে রেশমীকে পেল না। সারা বাড়ি তন্নতন্ন করে খোঁজা হল। সবশেষে তাকে বিক্ষিপ্ত চুলের সাথে স্মিতা ঘরের আলমারির পিছনে লুকানো অবস্থায় পাওয়া যায়। 



রেশমীর দু'কাঁধ চেপে ধরে তাদের প্রতিবেশী মোনা আন্টি ও স্মিতা। স্মিতা হেসে বলল, ওফ! তুমি বেশ ঝঞ্ঝাটে। তোমাকে বের করতে আমায় মোনাকে ফোন করতে হল শেষ পর্যন্ত" রেশমী উঠতে অস্বীকৃতি জানালেও দু'জনের মিলিত শক্তির কাছে সে অসহায় হয়েছিল। তাকে আলমারির পিছন থেকে তুলে বিছানায় বসিয়ে দুজনে মিলে কোমর পর্যন্ত নুইয়ে দিল এবং তার মাথার উপরে করা খোঁপা খুলে গেল। স্মিতা নাপিতকে অর্ডার করলেন, “ঝুলপি কাটুন” তার চুল সামনে ঝুলতে থাকায়, তার কাঁদোকাঁদো মুখটি ঢেকে গেল। নাপিত একবার চুলে তার আঙুল চালাল এবং কাঁচিটি তার মুখের নীচে রাখল এবং কাচ্চছ্...ক্যাচচছছছচ… তার চুলের গাছি মাটিতে পড়ল। নাপিত বেশ দ্রুত কেটেছিল। রেশমী নিজের চোখের সামনে মেঝে নিজের চুল দিয়ে ভর্তি দেখল। 


সে রিল্যাক্স হলো এবং মাথা তুলে পিঠ সোজা করে বসল। তার চুল এখন কাঁধের উপরে অসমান ও অপরিপাটি করে কাটা ছিল। সে তার চুল স্পর্শ করে কাঁদতে লাগল। সে আরো বেশি করে কেঁদে উঠল। তাকে আবার স্মিতা ও মোনা আন্টি দুহাত চেপে ধরল ও বাগানে এনে স্টুলে বসাল। সে এবার বাঁধা দেয়নি, সে ভেঙে পড়েছে। তার গলায় একটি হলুদ কেপ বাঁধা হল। মোনা এবং স্মিতা দুজনেই তাকে ছেড়ে দিয়েছে। নাপিত তার চুলে প্রচুর পরিমাণে পানি স্প্রে করল যতক্ষণ না তার চুল বেয়ে ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়ল। এরপর চুল দুটি অংশে পৃথক করে, একটি অংশ যা ক্লিপদিয়ে এঁটে দিল যা ছিল সামনের অংশ আর অন্য অংশটি তার মাথার দুপাশ এবং পিছনের চুল। 


এরপর পিছন থেকে কাঁচি এবং চিরুনির সাহায্যে কাটা শুরু তার মাথা সামনে নুইয়ে দিয়ে। লোকটি চিরুনি দিয়ে চুলের আগা তুলে করে গোঁড়ার দিকে কাঁচি চালালেন। ঝুলপিগুলো ঝরে পড়ছিল, কোনোটি মাটিতে পৌঁছেছিল, বাকিটা কাঁধে এবং কোলের উপর থামে। তারপরে তিনি কাঁচিটা পরিবর্তন করলেন ও পিছনে সোজা হেয়ারলাইন তৈরি করলেন এবং তার পরে একটি ক্ষুর বের করে এতে ব্লেড ঢুকান। তারপর আবার কিছুটা পানি স্প্রে করে হেয়ারলাইনটার নিচে ক্ষুর রেখে টান দিলেন ... মৃদু ঘ্যাঁচ শব্দে ঠান্ডা ব্লেডের স্পর্শে রেশমী কেঁপে উঠল। 


নাপিত এর পুনরাবৃত্তি করল। রেশমীর এক আজব অনুভূতি হলো। তিনি ঘাড় চাঁছা সম্পন্ন করে, কাঁচি নিয়ে রেশমীর ডানপাশে যান। তিনি চুল সোজা করে আঁচড়ান এবং তারপরে চিরুনি দিয়ে চুল খাড়া করে কাচ্চছ কাচ্চছ শব্দে কাঁচি চালিয়ে চুলের গোড়া থেকে খানিকটা উপরে তা মাথার ত্বক হতে বিচ্ছিন্ন করেন। তিনি প্রক্রিয়াটির পুনরাবৃত্তি করেছিলেন, যতক্ষণ না স্মিতার সন্তুষ্টি হয়। তিনি বাম পাশে গিয়ে একই কাজ করলেন। তারপরে তিনি ক্লিপটি সরিয়ে তার সামনের চুলগুলি খুললেন। তিনি এটিকে চিরুনি দিয়ে দুদিকে ছড়িয়ে দিলেন, তারপরে আবার পানি স্প্রে করলেন। তারপরে তিনি কাঁচি চিরুনিটি বামপাশে রেখে রেশমীর চুল পাট করলেন। তার সিঁথি মাঝ থেকে ডানপাশে পরিবর্তিত হয়। এরপর তিনি কাঁচি তুললেন এবং কাঁচিটিকে মাটির সমান্তরাল রেখে নতুন সিঁথির ডানপাশের চুল ছাঁটাই শুরু করলেন। তারপরে তার চুলের নতুন সিঁথি দৃশ্যমান করতে তিনি আরো কিছু ছেঁটে আবার ক্ষুর ধরলেন। এরপরে তিনি সামনের সমস্ত চুল সামনে থেকে চিরুনি দিয়ে পিছনে ঠেলে ঠেলে কাটতে শুরু লাগলেন। কাটা চুল তার মুখমণ্ডল বেয়ে কোলের উপর পড়তে লাগল। 


নাপিত তারপরে তার সমস্ত চুল সামনের দিকে আঁচড়ান ও তার কপালের ওপর যেখানে চুল গজানো শুরু হয়েছে তার থেকে ২ ইঞ্চি নিচ থেকে যতটুকু দীর্ঘ চুল ছিল তা সরাসরি কাটলেন। রেশমীর কানের সমান্তরালে হাল্কা বাদামী রঙের লোম ছিল মাত্র তবুও নাপিত সেখানে ক্ষুর প্রয়োগ করলেন। রেশমীর আবারো অস্থির অনুভূতি হয়েছিল। সবশেষে নাপিত তার সামনের চুল মুঠি করে ধরে তার দৈর্ঘ্য পরখ করল এবং কেপ ঢিলা করে দিল। অতঃপর দুই কানের পিছনে গোল করে চেঁছে ঘাড়ের শেষ পর্যন্ত ছোট চুলের বৃদ্ধির অঞ্চল ক্ষুর দিয়ে পরিষ্কার করে। তারপর তিনি রেশমীর মুখ, ঘাড় আর গলার তলা স্মিতার আনা তোয়ালে দিয়ে মুছেন এবং কেপ খুলে কেপের ওপরে পড়া সমস্ত চুল মাটিতে ফেলে দেন। 


এবার স্মিতা একটি আয়না বাড়িয়ে দেয় রেশমীর দিকে নিজের চেহারা যাচাই করার জন্য। সে স্টুল থেকে উঠে আয়নায় মুখ রেখে তার মাথা ছুঁয়ে দেখল ও ভেজা চোখে কাঁপতে কাঁপতে সোজা বাড়ির ভিতরে চলে গেল। সে সারা দিন নিজের রুমের দরজা আটকে বসে ছিল এবং না খেয়ে কাটালো। কেবল রাতে তার ভাই ফিরলে সে আশ্বস্ত হয় ও তার ভাইকে বলে স্মিতা সীমা ছাড়িয়ে গেছে। 


Translated from HC&S stories

Saturday, November 14, 2015

আন্টির চুল কাটতে দেখলাম

আমাদের হাউজিং সোসাইটিতে দুটো বিল্ডিং। সীমা কাকীমা আমাদের ওপরের ফ্ল্যাটেই থাকে। ৫’৮” হাইট আর দারুণ হেলদি চেহারা তার সঙ্গে তার একমাথা লম্বা চুল যা কোমর অবধি বিনুনি হয় এবং তার সঙ্গে বাতাবিলেবু সাইজের খোঁপা। তার সঙ্গে নানা বিষয়ে কম্পিটিশন চলত অপোজিট টাওয়ারে থাকা জয়া কাকীমার সাথে। জয়া কাকীমারও হাইট ভালো ৫’৭” কিন্তু রোগা গড়ন তবে কাকীমার পনিটেল পাছা ছাড়িয়ে যায় যেহেতু তার চুল তার ঊরু অবধি। আমাদের পাড়ার ক্লাব আয়োজিত এক শীতের পিকনিকে নর্মাল মহিলাদের একটা কাবাডি ম্যাচ হয়েছিল। এবং যথারীতি সেখানেও দুই কাকীমা দুটো ডিফারেন্ট টিমে ছিল। তাই বিচারকের আসনে বসা সকলেই জানত ওনার স্বাস্থ্যবতী শরীর নিয়ে ওনার সঙ্গে কেউ মোকাবেলায় টিকবে না। কিন্তু উনি জয়া কাকীমার কাছে আটকে গেলেন কারণ জয়া কাকীমা আরামসে ওনার ঘাড় জড়িয়ে ধরে পিঠে চড়ে বসলেন আর সীমা কাকীমা তাকে ছাড়াতে গিয়ে লাইন ক্রস করার আগেই দম ছেড়ে দিলো। তারপর বাসে চড়ে ফিরে আসার সময় হাসাহাসির মাঝে কার চুলের কোয়ালিটি ভালো এই টপিকে জয়া কাকীমা সীমা কাকীমাকে তাচ্ছিল্য করেছিল আর তার খোঁপা খুলে দিয়েছিল যেখানে অনেক ডগাচেরা ছিল। কারণ জয়া কাকীমা নিয়মিত তার চুল ট্রিমিং করে এবং তখন তার খোলা চুলের লেংথ কদিন পরেই আবার হাঁটু ছোঁবে। তো সেই দিনের বদলা নেবার মওকা এলো এবারের দোলযাত্রায়। আর ভাগ্যিস এইবার দোলের সময় আমি বাড়িতেই ছিলাম। জয়া কাকীমা একেবারেই রঙ খেলে না কিন্তু তার ছেলে এবং তার স্বামী নিচে এসে সবার সঙ্গেই রঙ খেলে। কিন্তু সীমা কাকীমা চুটিয়ে রঙ খেলে এবং মাঝেমধ্যে অতর্কিতে এসে জোর করে কোলে তুলে রংয়ের টাবে ফেলে দিয়ে মজা করে। তো যখন সবাই তেতলায় গিয়ে জয়া কাকীমাকে ডাকছে তখন সে কিছুতেই নিচে নামবে না, এমনকি মুখেও আবীর মাখাবে না। তাই তখন সীমা কাকীমা জয়া কাকীমার ছেলেকে দিয়ে চালটা চাললো‌। তার ছেলে মা বলে ডাক দিয়ে ওদের ফ্ল্যাটের ডোর বেল টিপে দৌড় দিয়ে পালিয়ে গেল। আর জয়া কাকীমা তার ছেলে ফ্ল্যাটে ঢুকতে এসেছে বলে দরজা খুলে দিল। সঙ্গে সঙ্গে দরজার পাশ থেকে হুট করে সীমা কাকীমা বেরিয়ে এসে হালকা গড়নের জয়া কাকীমাকে পাঁজাকোলা করে একাই পুরো তেতলার সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে সেই রংয়ের টাবে ফেলে দিলো। আর যেহেতু জয়া কাকীমা রঙ খেলবার জন্য প্রস্তুত ছিল না তাই হাত-পা ছুড়তে গিয়ে উল্টো সিঁড়ির রেলিংয়ে লাথি মেরে ব্যথা পেল। এদিকে জয়া কাকীমার বেণী বাঁধা চুল পুরো বাদুরে রঙে ডুবে পুরো নীলচে হয়ে গেল। জয়া কাকীমা রেগে টং হয়ে গেল সাথে সাথে সে খুব চিন্তায়ও পড়ে গেল। আর সীমা কাকীমার উল্লাস আর দেখে কে? যাহোক মেইন ব্যাপারটা ঘটল দুদিন পর যখন সীমা কাকীমা ভালো সাজার নাম করে জয়া কাকীমার ফ্ল্যাটে গিয়ে বোঝালো যে তার তড়িঘড়ি করে বিউটিশিয়ানের সঙ্গে কথা বলা উচিৎ। কিন্তু বিউটিশিয়ান তার ঐ কেমিক্যালি ড্যামেজড চুল দেখে বলেছিল তার দুমাসে হেয়ার স্পা আর আনুষঙ্গিক কিছু কাজের জন্য বেশ কয়েকবার পার্লারে আসতে হবে। আসলে এই খবরগুলো পুরো সোসাইটিতে সীমা কাকীমাই বলে বেড়িয়েছিল কারণ ঐসময় সর্বদা তিনি জয়া কাকীমার ছায়াসঙ্গী হয়ে গেছিল যেটা খুবই অদ্ভুত কারণ তাদের স্নায়ুযুদ্ধের ইতিহাস অনেক পুরনো।  আমরা ভেবেছিলাম তিনি জোর করে রঙে চোবানোর প্রায়শ্চিত্ত করছিলেন। কিন্তু ‌একদিন হঠাৎ সকাল থেকেই জয়া কাকীমার ফ্ল্যাট থেকে ভাসা ভাসা কান্নার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম সঙ্গে সীমা কাকীমার সেই হেঁড়ে গলা। তার পর বিকেলে ছাদে ঘুরবার সময় যার সাক্ষী হলাম। দেখি জয়া কাকীমা তার পুরো চুল খুলে বসে আছে আর সীমা কাকী তার ঐ বড় খোঁপাটা খুলে কিসব করছে জয়া কাকীমার ঘরে। আমি ভাবলাম দুজনেই হয়ত চুল কাটবে। কিন্তু দেখলাম সীমা কাকীমা জয়া কাকীমার মাথাটা ভালো করে ভিজিয়ে একটা সুন্দর হেড ম্যাসেজ দিলো। আর জয়া কাকীমা অসহায়ের মত মাথাটা পেছনে হেলিয়ে দিয়ে বসে আছে আর তার চুল পুরো মাটিতে ঠেকেছে। 


সীমা কাকীমা তার বিশাল শরীর আর খোলা চুলে জয়া কাকীমাকে পুরো ঢেকে দিয়েছিল। আমি আমাদের বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে সেরকম দেখতে পাচ্ছিলাম না। তবে সৌভাগ্যক্রমে আমাদের ছাদের স্টোর রুমের (যেটা জয়া কাকীমাদের ফ্ল্যাটের জানালার একেবারে অপোজিটে) সেটার চাবিটা এনেছিলাম আর সেখানে গিয়ে দেখি সীমা কাকীমা কতটা প্ল্যান করে জয়া কাকীমার আজ এই হ্যাজ করেছে। দেখলাম জয়া কাকীমার চুলটাকে রাবার ব্যান্ড দিয়ে বেঁধে পুরো ঘাড় অবধি ওঠালো আর কাঁচির এক ঝটকায় পুরো চুলের পনিটা কেটে মাটিতে ফেলে দিলো। জয়া কাকীমার চুল এখন ববকাট লেংথ। সেই তখন আবার জয়া কাকীমাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে ক্লিপার দিয়ে শেপ ঠিক করতে লাগল এবং সেটা করতে করতে তাকে পুরো বয়কাট মেরে দিলো। জয়া কাকীমা হয়ত সব কিছু বুঝতে পারল কিন্তু কিছুই করতে পারল না। এর পূর্বে জয়া কাকীমা প্রায়শই টপ আর জিন্স পড়ত; একটা বড় খোঁপা করে। কিন্তু আজকাল সে ঐ বয়কাট চুলই রাখছে তাই পেছন থেকে দেখলে তাকে পুরো ছেলেই মনে হবে। আর সীমা কাকিমার বিনুনি এখন পাছা ছুঁইছুঁই। তাদের মধ্যে এখন কোনো টপিক নিয়ে রেষারেষি হয় না।

Tuesday, April 21, 2015

পানিপুরি ও মাথা মুড়ানো

হাই বন্ধুরা আমি রাধিকা। আমার বয়স ২৩ বছর। আমার কটিদেশ পর্যন্ত লম্বা রেশমী চুল ছিল। ছোটবেলা থেকেই আমি লম্বা চুল করতে খুব আগ্রহী ছিলাম। সাম্প্রতিক কালে আমার বিয়ে হয়েছে আমার থেকে ২ বছরের বড় এক পুরুষের সঙ্গে। আমার বিয়ের পর আমি গড়পড়তা ভারতীয় মেয়েদের মত আমার বরের বাড়িতে গিয়েছিলাম। আমার শ্বশুরবাড়িতে সবাই আমার প্রতি খুবই স্নেহশীল ও আমাকে অনেক আদর করেন। এখানে আসবার ২৮ দিন পর একদিন আমার শাশুড়ি এবং শ্বশুর তাদের মেয়েদের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তারা বলেছিল যে তারা ১ বছরের জন্য বাড়িতে ফিরবে না। 

একদিন আমি আর আমার স্বামী রাস্তার ধারে পানিপুরি খাচ্ছিলাম। রাস্তায় সবাই আমার লম্বা চুল দেখে আমার সম্পর্কে কথা বলছিল। এটা আমার স্বামীকে রাগান্বিত করেছিল। পানিপুরির দোকানের পাশেই একখানা নাপিতের দোকান আছে। সেখানে একটি অল্পবয়সী মেয়ে এবং তার বাবা দোকানে ছিল। সেই বাবা তার মেয়ের মাথা মুড়োতে বলেছিলেন। আমার স্বামী তাদের দিকে গম্ভীরভাবে তাকিয়ে ছিল। কিন্তু মেয়েটি তার বাবার কাছে তাকে ছেড়ে যাওয়ার জন্য অনুনয় করছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি। অবশেষে সে মাথা খেউরি করানোর জন্য রাজি হয়। অতঃপর আমাদের পানিপুরি খাওয়া শেষ হয়। আমার স্বামী তার জন্য টাকা দিয়েছিল। কিন্তু সে ওই জায়গা থেকে নড়ছিল না। আমি বললাম আমরা কি সরে যাব? সে বলল না আর সে বলল আমার সাথে চলো। সে ওই নাপিতের দোকানে যাচ্ছিল। সেখানে সে চুল কাটার জন্য বলল। 

তখন নাপিত বলল আমার দেরি হবে। আমার স্বামী বললেন কোন সমস্যা নেই আমরা অপেক্ষা করব। নাপিত যখন তার মাথা কামিয়ে দিচ্ছিলেন তখন আমার স্বামী তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। যখন এটি চলছিল তখন সে আমার দিকে তাকাল এবং আমার চুল স্পর্শ করে এবং বলে যে এটি খুব সুন্দর এবং এত লম্বা। অল দি বেস্ট ডিয়ার। আমি তার কথায় বিভ্রান্ত হয়ে গেলাম। আমি ভেবেছিলাম কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে। তারপর ২০ মিনিট পর তার মাথার চুল মুড়ানো শেষ হয়ে গেল। অনন্তর তারা চলে গেল। তৎক্ষণ নাপিত চুল কাটার জন্য আমার স্বামীকে ডেকেছিলেন। আমার স্বামী বলেন আসলে এটা চুল কাটানো নয় এটা মস্তক মুণ্ডন এবং এটা আমার জন্য নয় এটা আমার স্ত্রীর জন্য। তার কথা শুনে আমি চমকে উঠলাম। আমি যা ভাবছিলাম তা সত্য। তৎক্ষণাৎ আমি আমার স্বামীর সাথে তর্ক করেছি কিন্তু তাকে মানাতে পারিনি। সে বলল তুমি যদি এখানে মাথা কামিয়ে না নাও তাহলে আমি জোর করে বাড়িতে তোমার মাথা কামিয়ে দেবো। এবং আমাদের দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম না হওয়া পর্যন্ত তুমি টাক মাথায় থাকবে। সে আমাকে আমার সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য সময় দিয়েছিল। 

আমি ভেবেছিলাম আমার ১ম বাচ্চার জন্ম হবে ১ বছর পর আর ২য় বাচ্চার জন্ম হতে পারে ৩ বছর পরে। তাহলে আমি ৪ বছর ধরে টাক থাকব। তাই আমি আমার মাথা মুড়ানোয় রাজি হয়েছি। আমার স্বামী বলেছিলেন যে এটি একটি ভাল সিদ্ধান্ত। তারপর আমি নাপিতের চেয়ারে বসলাম। নাপিত আমার গলায় একটা সাদা কাপড় জড়িয়ে দিলেন। তারপর উনি আমার মাথায় পানি ছিটিয়ে দিলেন। তারপর তিনি সিঁথির মাঝখান থেকে ন‍্যাড়া করা শুরু করলেন। প্রথম স্ট্রোকের কারণে আমি ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিলাম। আমার কোলে কিছু পরিমাণ চুল পড়ে। তারপর তিনি ২০ মিনিটের মধ্যে আমার মাথা মুড়ানো সম্পন্ন করলেন। আয়নায় নিজেকে কেশশূন্য অবস্থায় দেখে আমি হতবাক হয়ে গেলাম। নাপিত আমার মাথায় শেভিং ফোম লাগিয়ে আবার চাঁছলেন। আমার স্বামী আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে নাপিতকে আবার শেভ করতে বলল। 

তিনি আবার কামালে এবার আমার স্বামী সন্তুষ্ট হলেন। এরপর নাপিতকে টাকা দিয়ে বেরিয়ে এলেন। আমার স্বামী বলেছিল যে দেখো প্রিয়া মনে করো না তুমি তোমার সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলেছ তোমার সৌন্দর্য চুলে দেখা যায় নি। এটা তোমার মুখমণ্ডলে দেখা গেছিল। আমাদের সমস্ত আত্মীয়রা আমার মাথা–মুড়োনোর জন্য হতবাক হয়ে গিয়েছিল। তারা সবাই এ বিষয়ে আমার স্বামীর কাছে জানতে চাইলে সে বলে এই সিদ্ধান্ত রাধিকার। ১ বছর পর আমার প্রথম সন্তান হলো। এসময় আমার বয়কাট দৈর্ঘ্যের চুল আছে। আমরা সবাই আমার বাচ্চার চূড়াকরণের জন্য তিরুপতি গিয়েছিলাম। আমার সমস্ত আত্মীয়রা আমাকে মাথা ন্যাড়া করতে বলেছিল। আমি বলেছিলাম এটা অসম্ভব। তারা আমার সিদ্ধান্ত মেনেছিল এবং বলেছিল ঠিক আছে। ২ বছর পর আমার ২য় শিশুর জন্ম হয়। এই সময় আমার চুল আমার নিতম্ব পর্যন্ত রয়েছে। আমি আমার চুলের বৃদ্ধিতে খুশি ছিলাম। যখন আমরা আমার ২য় শিশুর চূড়াকরণের জন্য তিরুপথিতে গিয়েছিলাম তখন সবাই আমায় মুড়ানোর জন্য বলেছিল। এইবারও আমি না বলেছিলাম। 

কিন্তু এবার তারা মেনে নেয়নি। তারা বলেছিল এটাই প্রথা বাবা-মায়ের মাথা কামানো উচিত। এখন আমি আমার চুল নিয়ে দুঃখিত হয়ে উঠি। অতএব মুড়োনো ছাড়া আমার কোন উপায় নেই। সেহেতু আমি মুণ্ডনের জন্য প্রস্তুত হলাম। আমি মুণ্ডন হলে গিয়ে একজন নাপিতের সামনে বসে মাথা কামানোর জন্য বললাম। তিনি ২ মিনিটের মধ্যে আমার মাথা কামিয়ে ফেললেন। এখন আমি ২য় বার সম্পূর্ণ টাক হয়ে গিয়েছিলাম। এই সময়ের মধ্যে আমি প্রতি বছর এবং প্রতি গ্রীষ্মের জন্য আমার মাথা ন‍্যাড়া করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আমার চুল লম্বায় বাড়ানোর চিন্তা ছেড়ে দিয়েছি।

Friday, March 27, 2015

মায়ের কথায় পার্লারে চুল কাটানো

দীপা কলকাতার মেয়ে। সবে কলেজ পাশ করে একটা বেসরকারি সংস্থায় চাকরিতে ঢুকেছে। বেতন ভালো। স্বচ্ছল পরিবারের মেয়ে। বাবা মায়ের একমাত্র আদুরে সন্তান। শরীর বেশ স্বাস্থ্যবতী। কিন্তু দৃষ্টিকটু তো নয়ই। বরং সুন্দরী বলা চলে। গায়ের রং বেশ ফরসা, গোলাপি আভা। মুখ অতীব সুশ্রী। স্টাইলিশ মডার্ন মেয়ে। যতদিন ভার্সিটিতে পড়েছে চুল ছিল কাঁধের অল্প নিচ অব্দি। তারথেকে বড় চুল কোনোদিনই রাখেনি। ইদানীং তার ইচ্ছে হয়েছিল লম্বা চুল রাখবে। তাই ঠিক করে গত প্রায় এক বছর সে আর চুল ছোট করেনি। ফলে তার চুল পিঠ পেরিয়ে প্রায় কোমর ছুঁইছুঁই। পিঠ ঢাকা একঢাল ঘন কালচে বাদামী রঙের নরম চুলে তার সৌন্দর্য বেড়েছে বৈ কমেনি। কিন্তু তার আর আগের মত স্টাইল করা হয়না। পাছে চুল ছোট হয়ে যায় তাই আর সে চুল নিয়ে তেমন এক্সপেরিমেন্ট করতে সাহস পায়না। এই করেই চলছিল বেশ। মাঝেসাঝে চুলের ডগাটা অল্প কেটে সমান করে নিতো নিজেই। কিন্তু এবার গরমে যেন আর পেরে উঠছিল না। একে গরম, ঘাম, তার ওপর ওই বড় চুল সামলানোই দুঃসহ হয়ে উঠছিল। কথাটা মা কে বলতেই মা হাহা করে উঠল। “কি দরকার অত বড় চুল রাখার? কালই আমার সঙ্গে পার্লার যাবি। আমি নিয়ে যাব। কোনও কথা শুনবো না। শেষে শরীর খারাপ বাধলে সামলাবে কে?” দীপা না করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কোনও কথাই টিকল না। পরদিন রোববার, মা কোনও কথাই শুনবে না। তার সাধের চুলের গোছা টা কেটে ফেলতেই হবে। মা কোনও কথাই শুনবে না। কি দরকার ছিল মা কে বলার। এখন আফসোস হচ্ছে। মন খারাপ হয়ে গেল তার। রাতে ভাল ঘুমও হল না। পরদিন ঘুম থেকে উঠে থেকেই শুরু হয়ে গেল মায়ের তাড়া। উঠ, খেয়ে নিয়ে তারাতারি রেডি হয়ে নে। বেরবো, নয়তো ফিরতে দেরি হয়ে যাবে। দীপার প্রায় কান্না পাচ্ছিল। তবু আরেকবার বলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু মা কোনও কথাই শুনল না। দশটার মধ্যেই ওরা হাজির হল মহল্লার পার্লারে। মোটামুটি ভিড় ছিল। তাই একটু অপেক্ষা করতে হল। বসে বসে ভাবছিল দীপা কে জানে কতটা চুল কাটা যাবে আজ। আর সে আগের মত বেণী করতে পারবে কিনা কে জানে! আবার সেই পনিটেল করতে হবে বাচ্চাদের মত। এখন আর তার কোনও কথাই খাটবে না। মা যা বলবে তাই করবে ঐ মেয়েটা, যে কাটবে। 


অবশেষে এল তার পালা। মা নিয়ে গিয়ে বসাল তাকে সেলুনের চেয়ারে। তারপর মা যা বলল তাতে তার চোখে জল এসে গেল। মেয়েটা দীপা কে জিগ্যেস করেছিল "কি করবে?" সে কিছু বলার আগেই মা উত্তর দিয়ে দিল, " চুল টা কেটে ফেল, দেখ কত বড় করে ফেলেছে, ওইটুকু মেয়ে সামলাতে পারে? ছোট করে দাও।" মায়ের কথা অনুযায়ী মেয়েটা দীপাকে একটা কেপ বেধে দিল গলায়। তারপর চুলটা আঁচড়াতে আঁচড়াতে জিগ্যেস করল "কতটা ছোট করাবেন? পিঠ অব্দি?" তার উত্তরে মা আবার হাহা করে উঠলো "না না, ছোট করে দাও একদম ছেলেদের মতো। যেন ঘাড়ে জল না বসে।" অর্থাৎ বেণী তো দুরের কথা পনিটেল ও আর করতে হবে না তাকে। মেয়েটাও কিছুটা অবাক হলো কথা শুনে। বলল : “সবটা কেটে ফেলবেন? এতখানি চুল?" মা কোনও কথাই শুনল না। মা অনড়। "হ্যাঁ হ্যাঁ, কি হবে অত লম্বা চুল রেখে? তুমি কাটতো।" অগত্যা মেয়েটি কাজ শুরু করে দিল। দীপার মাথা নিচু হয়েই ছিল। সে শুধু অনুভব করল কাঁচির আওয়াজ তার ঘাড়ের কাছে। মিনিট খানেকের ও কম সময় লাগলো, তার চুলের গোছাটা আলাদা হতে তার ঘাড় থেকে। তারপর শুধু চিরুনি আর কাঁচি চলল তার গোটা মাথা জুড়ে। মাঝে মাঝে ঠাণ্ডা জলের স্প্রে তে বুঝতে পারছিল না তার চোখের জল কি গড়িয়ে পরছিল গাল বেয়ে? মেয়েটা ইচ্ছে করেই সামনের চুল একটু বড় রেখেছিল, দীপার ভ্রু অব্দি। কিন্তু মা পিছনে দাঁড়িয়ে তদারকি করছিলেন ঘাড়ের চুল। যখন কাটা শেষ হল মায়ের পছন্দ অনুযায়ী তখন ঘাড় আর কানের কাছে চুল বেশি বাকি ছিলও না। দীপার সাদা কেপটা ভরে উঠেছিল ঘন বাদামি নরম চুলের টুকরোয়। দীপা ভেবেছিল বোধায় শেষ হল। আয়নার দিকে তাকায়ও নি একবারও। উঠতে যাচ্ছিল। মা আবার বসাল। এরপর মা যেটা বলল সেটায় আরও দুঃখ পেল দীপা। মা বলল "ঘাড় টা শেভ করে দাও।" দীপা মাথা নিচু করে অনুভব করল ধারাল ক্ষুরের স্পর্শ ঘাড়ে। যখন মেয়েটা কেপ খুলে নিল দীপা উঠে দাঁড়ালো মেঝের দিকে তাকিয়ে কান্না পেল তার। চেয়ারের চারপাশের মেঝে ভরে একটা ঢিপি হয়েছে চুলের। মেয়েটা টেবিলে রাখা চুলের লম্বা গোছাটা দোকানের এক কোনে রাখা একটা বস্তায় ভরে দিল। ওটা বিক্রি হবে ভাল দামে। দীপা ভ্রুর কাছে অনুভব করছিল সদ্য কাটা চুলের ডগার স্পর্শ। ঘাড়ে হাত দিতেও ভয় লাগছিল তার।
বাড়ি ফিরে যখন ঘরে ঢুকছে কাজের মেয়েটা অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল তার দিকে। স্নান করার সময় চুলে শ্যাম্পু করতে গিয়ে বুঝল অত শ্যাম্পু তার লাগবে না। অকারনে নষ্ট হল অনেকটা। ঘাড়ে হাত পড়াতে বুঝল মা কি অস্বাভাবিক ছোট করে দিয়েছে পিছনের চুল। যেন অন্য কারো ঘাড়ে হাত দিচ্ছিল সে।
বাথরুম থেকে বেরিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকিয়ে অবাক হল দীপা। এতটা সুন্দরী সে কখনো ভাবেনি নিজেকে। ঠিক যতটা খারাপ তাকে লাগবে ভেবেছিল ততটাই সুন্দরী লাগছে তাকে। সত্যিই মা না সব বোঝে।

Friday, September 26, 2014

পরিবর্তন (১৮+) শেষ পর্ব

বিল্টু ওই অবস্থাতেই মাটিতে বসে পড়ল। সে বুঝতে পারছে না আজ কি হচ্ছে। হাঁপিয়ে গিয়েছিল সে। কিন্তু ক্লান্তির থেকেও গোটা শরীরে কি যেন উত্তেজনা অনুভব করছিল সে। বেশ কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে রইল মাটির দিকে তাকিয়ে। পরমাও কিছুটা ধাতস্থ হয়েছে ততক্ষণে। কিন্তু সারা শরীরে যন্ত্রণা ছাড়া কিছুই অনুভব করতে পারছিল না। পুরোটাই তার মনে হচ্ছিল একটা দুঃস্বপ্নের মত। উঠে বসল সে বিছানায়। তার শরীরে তার লম্বা চুল ছাড়া আর কোনও আচ্ছাদন নেই। লজ্জাও আর নেই। এবার বিছানা থেকে টলতে টলতে নেমে দাঁড়াল। এইসময় বিল্টু মুখ তুলে তাকাল একবার তার দিকে। দুজনের চোখে চোখ পড়ল। আর পরমার দিকে তাকাতেই বিল্টুর আবার কি যেন হয়ে গেল। পরমার ভিজে উলঙ্গ শরীর জুড়ে প্রায় হাঁটু অব্দি ঝুলে থাকা এলোমেলো ভিজে চুল আর ঘোলাটে দৃষ্টি যে কোন পুরুষ কেই সেই সময় পাগল করে দিতে পারে, বিল্টুর আর কি দোষ। সেও উঠে দাঁড়ায়। কম্পিউটারের সামনে চেয়ারটা টেনে এনে তারপর পরমার ডান হাতের কনুইটা ধরে টেনে বসিয়ে দিলো চেয়ারে। পরমা কোনও প্রতিবাদ করল না। তার আর কিছু বাকিও ছিল না বিশেষ খারাপ লাগার মত। বিল্টু আবার তার চুলে হাত দিলো। এবার আর আগের মত হাত কাঁপছিল না। বরঞ্চ অন্য উত্তেজনা অনুভব করছিল। বেশ যত্ন করে এলোমেলো চুলগুলো মাথার পিছনে জড়ো করে আবার গোছা করল। তারপর হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ নেড়ে চেড়ে শুকালো চুলের গোছাখানা। সদ্য শ্যাম্পু করা নরম শুকনো চুলের স্পর্শ লাগছিল তার যৌনাঙ্গে তাতেই সেটা আবার শক্ত হয়ে উঠল। অনেকক্ষণ চুলটা ম‍্যাসাজ করল। তারপর সেই অবস্থাতেই চুলের গোছাটা বেশ ভালো করে আঁচড়ে রাবার ব্যান্ড দিয়ে একটা পনিটেল করল উঁচু করে। এতক্ষণে তার নজর পড়ল পরমার বাকি শরীরের পানে। কি অদ্ভুত সুন্দর লাগছে। তার মাসাজের কারনেই হোক আর ক্লান্তিতেই হোক পরমার মাথা এলিয়ে পড়েছে পেছন দিকে। আর চেয়ারের পিছনে প্রায় মেঝে অব্দি ঝুলে রয়েছে সেই আশ্চর্য সুন্দর চুলগাছি। লক্ষ্য করল চুলের গোছাটা যেটা এতদিন কালো মনে হত, সেটা ঠিক কালো নয়। বরং গাঢ় তামাটে রংয়ের। পরমার ফর্সা উলঙ্গ শরীরে গোলাপী মুখে আর মাথার পেছনের তামাটে রঙের লম্বা চুলের গোছায় তাকে বিল্টুর পর্ন মডেল ছাড়া আর কিছুই মনে হচ্ছিল না। তবু কি যেন একটা খুঁত রয়েছে। ঠিক নিখুঁত মডেলদের মত নয়। বিল্টুর মনে হল চুলগাছির আগা অসমান এবড়ো থেবড়ো। কাঁচি টা তুলে নিয়ে সমান করলো ডগাটা। এই প্রথম পরমার চুলের টুকরো আলাদা হয়ে মেঝেতে পড়ল। যদিও তা সামান্যই। বড়জোর এক ইঞ্চি হবে। হ্যাঁ, এইবার পার্ফেক্ট হয়েছে গোছাটা। তার আরও ইচ্ছে হল পরমার কপালটাও চুলে ঢেকে দিতে। যেমন সে দেখেছে ছবিতে মডেলদের। সে পনিটেলটা খুলল। মাথার সামনের চুল মাথার তালুর মাঝ অব্দি আলাদা করে বাকি পিছনের চুল আঁচড়ে আবার পনিটেল করল। তারপর সামনে এসে পরমার সামনের চুল মুখের সামনে আঁচড়াল। লম্বা চুলে পরমার শরীরের সামনের অংশ ঢাকা পরে গেল তার ফলে। বিল্টু এবার সুন্দর করে ভ্রুর নিচ অব্দি সমান করে নিখুঁত করে ছেঁটে ফেলল সেই চুল। লম্বা চুলের টুকরোগুলো পরমার উন্মুক্ত স্তন বেয়ে ঝরে পরছিল কোলে দুই উরুর ফাঁকে। ব্যাং কাটা হলে চুলের গাছিগুলো যত্ন করে সরিয়ে রাখল বিল্টু। কিন্তু তবু, কি যেন চোখে লাগছে। চেয়ারখানা এবার নিজের দিকে ঘুরিয়ে লক্ষ্য করল পরমার শরীরে অবাঞ্ছিত চুল বগলে ও যৌনাঙ্গে। এক মগ জল এনে শেভিং কিটটা খুলে রেজার হাতে নিপুণভাবে শেভ করল সেগুলি। পরমার বোধবুদ্ধি লোপ পেয়েছে, সে কোনো প্রতিবাদ করছে না। এমন কি বিল্টু যখন তার হাতটা তুলে ধরছিল সে যেন নিজের অজান্তেই সহযোগিতা করছিল তাকে। যেন মাদকাসক্ত কোনও সুন্দরী রমণী। প্রায় আধঘণ্টা পর কাজ শেষ হলে এবার বিল্টু পরমার দিকে তাকিয়ে বুঝল আর তার পক্ষ্যে নিজেকে সামলানো অসম্ভব। এই শরীর যেন তাকে ডাকছে। সে আর সামলাতে পারলো না। পনিটেলটা ধরে পরমাকে দাঁড় করিয়ে তার শরীরটা সামনে ঝুকিয়ে আবার সে লিপ্ত হল কামলীলায়। দাঁড়িয়ে, চেয়ারে বসে পরমাকে কোলে বসিয়ে, শেষে বিছানায় শুয়ে আড়াই ঘণ্টা ধরে ভোগ করল সেই শরীর। শেষে যখন বিল্টুর হুঁশ হল ততক্ষণে সে বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে আর পরমা তার যৌনাঙ্গের ওপর বসে নিজেই উন্মাদের মত লাফাচ্ছে। পরমা সমস্ত লাজ-লজ্জা বিসর্জন দিয়ে নিজেকে রূপান্তরিত করে ফেলেছে ওর দেখা সেই মডেলদের একজনে। যার প্রধান উদ্দেশ্য তার যৌনসঙ্গীকে চরম সুখের উপলব্ধি করানো। তারপর যা ঘটল তাতে বিল্টু শুধু অবাক হল না, ভয় পেল যেন। চরম মুহূর্তে পরমা তার যৌনাঙ্গে মুখ দিয়ে চেটেপুটে সব যৌনাঙ্গ নিঃসৃত রস সবটুকু পান করল। তারপর বিল্টু কে হাত ধরে তুলে তার যৌনাঙ্গ ধরে নিয়ে চলল সেই টুলটার দিকে। আর সে বিল্টুর দিকে তাকিয়ে এমন এক কামুক হাসি হাসছিল যে হাসি বিল্টু দেখেছে, কিন্তু পরমার মুখে নয়। পরমাও কোনোদিন হাসেনি সেরকম হাসি। যেন সে এক বারাঙ্গনা আর তার প্রথম খদ্দের বিল্টু। 

এবার পরমা টুলটায় বসল আর কাঁচিটা তুলে বিল্টুর হাতে দিয়ে নিজে তার দিকে পিছন ফিরে বসল। যেন বলতে চাইল নাও এবার আসল কাজ শেষ কর। বিল্টুর মনে পড়লো সেই নিউজ এ‍্যাংকার মেয়েটির কথা। যেমনটা সে দেখতে চেয়েছিল পরমাকে। বিল্টু প্রথমেই পনিটেলটা আলাদা করল পরমার মাথার ত্বক থেকে। তারপর ট্রিমার তুলে নিলো। প্রায় আধঘণ্টা যাবৎ উন্মত্ত খেলা যখন শেষ হল তখন পরমার মাথার চুল বড়জোর দু ইঞ্চি বাকি আছে। ঘাড় আর দু কানের পাশে চুল প্রায় নেই বললেই চলে। ঘাড় থেকে মাথার ওপর অব্দি চুল ক্রমশ বড় হয়ে মাথার ওপর দু ইঞ্চি লম্বা। মাথার সামনের ব্যাং তখনও তেমনি। বেশ সুন্দর দেখাচ্ছে তাকে। এরপর দুজনে জামা কাপড় পরে যখন ঘর থেকে বের হল তাদের নিজেদের সম্পর্ক আগের মত তো নেই-ই বরং যেন বদলে গেছে দুজনেই। দুজনেই যেন খুব খুশি। 

পরমা নিজেকে আয়নায় দেখল। বেশ দেখাচ্ছে তাকে। আজকালকার মডার্ন বাংলার ম্যাম। 

পরে যেদিন সে কলেজে ঢুকল সবাই তাকে দেখে যথেষ্ট অবাক হল। আরো অবাক হল যখন দেখল পরিবর্তন শুধু পরমার মুখমণ্ডলে হয়নি। এই দুদিনে যেন মানুষটাই বদলে গেছে।

পরিবর্তন (১৮+) ৩য় পর্ব

তারপর আর হয়ত কোনোদিন এভাবে চুল নিয়ে সে খেলা করতে পারবে না। সুতরাং আজই তার সুযোগ। সে যা প্রাণ চায় আজ করতে পারে মাকে নিয়ে। তার খুব ইচ্ছে হল চুল কেটে ফেলার আগে ওই চুল সে নিজের হাতে শ্যাম্পু করে দেবে। শুধু তাই নয় তার ইচ্ছে হল এতদিন যা কল্পনা করে বাথরুমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছে আজ তাকে সামনে দাঁড় করিয়ে আনন্দ নেবে। এই ভাবনাতেই তার এত আনন্দ হল যে তার মনেও রইল না ওই মহিলার সঙ্গে তার কি সম্পর্ক। কাম এমন এক জিনিস যা একবার যখন মানুষের মাথায় ভর করে তখন আর দিগ্বিদিক জ্ঞান থাকে না। 

বিল্টুরও তাই হল। তবে এর ফলে পরমাকে যে যন্ত্রণা সহ্য করতে হল তার জন্যে কিছুটা হলেও পরোক্ষে পরমা নিজেই দায়ী সেটা সে তখন মনে মনে মেনে নিয়েছিল। কোনোদিন বিল্টুকে সময় না দেওয়ার ফলে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তার ফলেই আজ বিল্টু ভুলে গিয়েছে এই মহিলার সঙ্গে তার কি সম্পর্ক? সে কিছু বাদ রাখবে না। মনের সব ইচ্ছা সে আজই পূরণ করবে। পরমাও মনে মনে সেটাই চাইছিল যদিও, সব যন্ত্রণার আজই অবসান হোক; তবু বিল্টুর এহেন আচরণ সে আশা করেনি। বিল্টু এতক্ষণ ওর চুল নিয়ে খেলা করছিলো সেটা পরমা ওর ছেলেমানুষি ভেবেছিল। বিল্টুর ঘরের লাগোয়া একটা বাথরুম ছিল যেটা বিল্টু মাঝেসাঝে রাতের দিকে ব্যবহার করত, খুব ছোট যদিও তবু একজনের পক্ষে যথেষ্ট ছিল। বিল্টু এবার পরমার লম্বা চুল ভালো করে পেঁচিয়ে গোছ করে ডান হাতে গুছিয়ে ধরে কবিতাকে বলল ‘বাথরুমে চল।’ পরমা হতবাক হয়ে গেল এবার। প্রতিবাদ করবে কি করে? তার চুলের গোছা বিল্টু শক্ত করে ধরে আছে। সে ঘাড়ও নাড়াতে পারছে না। চিৎকার করবে? লোকে কি বলবে? দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। এখন বিল্টুর কথা মানা ছাড়া কোনো উপায় নেই। সে প্রথমে বিল্টু কে ধমক দেওয়ার চেষ্টা করলো। ফল হল বিল্টু এক হ্যাঁচকা টান মেরে তাকে টুল থেকে প্রায় দাঁড় করিয়ে দিল। পুরোপুরি দাঁড়াতেও পারলো না সে। চুলে হঠাৎ হ্যাঁচকা টান পরায় মাথাটা ঘুরে গিয়েছিল, ফলে দুহাতে মাথা ধরে বিল্টুর হাতে ধরা চুলের গোছা থেকে প্রায় ঝুলে রইল। বিল্টু ডান হাতে চুলের গোছা আর বাঁ হাতে পরমার বাঁ কনুই টা ধরে তাকে সোজা করে দাঁড় করিয়ে দিল। পরমা বেশিক্ষণ দাঁড়িয়েও থাকতে পারলো না। মাথা ঘুরে বসে পড়লো মাটিতে। বিল্টু তখনও ধরে ছিল চুলের গোছা। পরমা এবার কেঁদে ফেলল। কাকুতি মিনতি করতে লাগলো আর অঝোরে কাঁদতে লাগলো। মজা হল এই, যে সে যত কাঁদতে লাগলো বিল্টুর পৈশাচিক আনন্দ যেন তত বেড়ে যেতে লাগল। এই তো চেয়েছিল সে। আজ সে সত্যিই কিছু বাদ রাখবে না। বিল্টু চুলের গোছাটা ছেড়ে দিয়ে একটানে সেটা খুলে ফেলল। তারপর নিজের প্যান্ট খুলে ফেলে ওই চুলের গোছায় তার যৌনাঙ্গ ডুবিয়ে পরম আনন্দে মায়ের রেশম কোমল চুলে তার বাঁড়াটা ঘষতে লাগল কিছু চুলের গোছা সে তার সাড়ে ছয় ইঞ্চি লম্বা বাঁড়ার ওপর পেঁচিয়ে চটকাতে লাগল পরমার ঘন চুলের গোছার মাঝে বিল্টুর ধোন পুরোপুরি উধাও হয়ে গেল। বিল্টু কেমন পাগলের মতো হয়ে গেল এত চুল পেয়ে সে কিছু লম্বা চুল তার পায়ু ছিদ্র তেও চেপে চেপে ভরে নিল আর কোমরে পেঁচিয়ে রাখল তার নিচের সব কিছু সে কবিতার চুলের আবেশ দিয়ে ঢেকে ফেলেছে। পরমার কিছু করার নাই সে শুধু ছেলের অর্ধনগ্ন শরীরের সামনে মাথা নিচু করে সেই কাম যন্ত্রণা যেন মাথা পেতে গ্রহন করছিলো। 


পরমার গলায় তখনো সাদা কাপড়টা জড়ানো ছিল। বিল্টু চুলের গোছাটা ছেড়ে দিয়ে একটানে সেটা খুলে ফেলল। তারপর নিজের প্যান্ট খুলে ফেলে ওই চুলের গোছায় তার যৌনাঙ্গ ডুবিয়ে পরম আনন্দের তার চেনা খেলায় লিপ্ত হল। পরমা ছেলের অর্ধনগ্ন শরীরের সামনে মাথা নিচু করে সেই কাম যন্ত্রণা যেন মাথা পেতে গ্রহন করছিলো। তবু যেন তার মনে হচ্ছিলো এতেই যদি বিল্টু শান্ত হয় তবে তাও সে আজ মেনে নিতে রাজি আছে। তবে ওই চুল সবটুকু কেটে ফেলতে তার যে একটু আগে কষ্ট হচ্ছিলো সেটা আর হচ্ছিলো না। খালি মনে হচ্ছিলো ওই আপদ বিদেয় হওয়াই ভালো। যা দেখে নিজের ছেলে কামুক হিংস্র পশু তে পরিণত হয় সেই সৌন্দর্য তার চাই না। করুক যা প্রাণ চায় বিল্টুর, যা হয় হবে। 

কতক্ষণ পেরিয়েছে পরমা জানে না। সে মাথা নিচু করেই বসেছিল। তার চোখ দিয়ে সমানে জল পড়ছিল। সে এবার অনুভব করলো বিল্টু ঠাণ্ডা হয়েছে। কিন্তু তাতেও পরমার দুর্গতি শেষ হল না। বিল্টু এবার আবার তাকে দাঁড় করিয়ে তার গা থেকে সত্যিই শাড়ি সায়া ব্লাউজ খুলে নিলো। তারপর নিজের টি-শার্টটাও খুলে আবার পরমার চুলের মুঠিটা ধরে টেনে নিয়ে গিয়ে বাথরুমে ঢুকিয়ে নিজেও ঢুকে বাথরুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দিল। আগামী দেড় ঘণ্টা পরমার গোঙানির আওয়াজ চাপা পরে রইল অন্ধকার বাথরুমের ভেতর। ঘণ্টা দুয়েক পর যখন বাথরুমের দরজা খুলল পরমার শরীরে আর কোনও ক্ষমতা অবশিষ্ট নেই। এতটুকু সুতোও নেই শরীরে। যেন একটি জীবন্ত মৃতদেহ। পরমার স্তনগুলো জোরে জোরে চুষতে থাকল। পরমা চিত হয়ে গোঙাতে লাগল তার ফর্সা নগ্ন শরীর জুড়ে এলো চুল। বিল্টু পরমার গায়ে জল ঢেলে তাকে ভিজিয়ে তার শরীর ও চুল ভোগ করা শুরু করল। সে তার গুদে আঙ্গুলি করতে করতে জিভ ভরে দিল। পরমার চোখ উল্টে গেল কি ভীষণ আরাম সে পাচ্ছে তার জানান দিতে সে বিল্টুর মাথাটা ভোদায় চেপে ধরে। বিল্টুও তার যৌনাঙ্গে মুখ দিয়ে চেটেপুটে যৌনরস সবটা পান করল। এর পর বিল্টু পরমার ভেজা চুল গায়ে জড়িয়ে নিল আর পরমার ল্যাংটো শরীর জড়িয়ে ধরল। চুলের আবেশে দুজনই পরম তৃৃপ্তি পেল। পরমা এখন নিজেই কোমর উঠিয়ে তার ছেলের বাঁড়া গুদে নেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে বিল্টুও দেরি না করে পনিটেলখানা ধরে পরমাকে দাঁড় করিয়ে তার শরীর টা সামনে ঝুকিয়ে সে লিপ্ত হল কামলীলায়। কটা বড় ঠাপ দেওয়ার পর সে বীর্যপাত করল সঙ্গে পরমাও জল খসাল। এর পর পরমা নিজে তার লম্বা এবং ভেজা চুুল দিয়ে বিল্টুর ধোনে লেগে থাকা বীর্য মুছে দিল। বিল্টু নিজের বিকৃত কামকে শান্ত করে তারপর পরমার চুল শ্যাম্পু করে দিল প্রাণভরে। শরীরের কোনও অংশ বাদ দেয়নি সাবান ঘষতে। বাথরুম থেকে বেরোনোর পর পরমার অবসন্ন নগ্ন ভিজে শরীর টা এনে কোনোরকমে চিত করে শুইয়ে দিল বিছানায়। পরমার মাথা ঝুলে রইল বিছানার ধারে। আর তার ঘন লম্বা ভিজে চুল এলিয়ে ছড়িয়ে পড়লো বিছানা থেকে মেঝে অব্দি অনেকখানি জুড়ে।

পরিবর্তন (১৮+) ২য় পর্ব

বিল্টু এতক্ষণ শুয়েছিল খাটের ওপর। এবার উঠেছে। পরমা বুঝতে পারছে বিল্টু বাথরুমে যাচ্ছে। বিল্টু বাথরুমে ঢুকতেই পরমা ঘরে ঢুকে চিরুনিটা হাতে তুলল তারপর চিরুনিটা ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারে রেখে বিছানায় বসে চোখে হাত দিয়ে জোরে জোরে শ্বাস নিতে লাগল। প্রায় আধঘণ্টা পর বিল্টু বেরোলো বাথরুম থেকে। পরমা ডাকল

– “বিল্টু শোনো”

বিল্টু ঘরে ঢুকল। ওকে দেখে মনে হচ্ছে যেন খুব ক্লান্ত। বুঝতে কিছুই বাকী ছিল না পরমার। গম্ভীর গলায় আদেশ বেরোলো ওর মুখ থেকে,

– “এখানে বসো”

বিল্টু বসল। মুখ নিচের দিকে। পরমা অধৈর্য হয়ে উঠে দাঁড়াল। খোলা চুল টা জড়িয়ে নিলো। ঘাড়ের কাছে একটা বড়সড় রেশমের বলের মত ঝুলে রইল খোঁপাটা। পরমা বলতে শুরু করল,

– "কি চাও তুমি? তোমার কম্পিউটারে আমি দেখেছি। কি ওগুলো…" আরো বলতে যাচ্ছিল, বিল্টু কেঁদে ফেলল। পরমা এটা আশা করেনি। ঘাবড়ে গেল বিল্টুর কান্না দেখে। ওর খোলস টা যেন হঠাৎ উধাও হয়ে গেল বিল্টুর কান্না দেখে। ওর পাশে বসল পরমা। ওর গলা অনেক নরম হয়ে এসেছে। বিল্টুর মাথায় হাত বোলাতে লাগলো। বিল্টু এক ঝটকায় জড়িয়ে ধরল ওকে। অঝোরে কেঁদে চলেছে সে। পরমা এবার বলল,

– "কি চাই তোর? আমায় বল, কেন ওসব দেখিস তুই?”

বিল্টু এবার কথা বলল, ওর কান্না থেমেছে।

– “আমি জানি না মা। তোমার চুলটা দেখলেই আমার…"


পরমা কোনও কথা বলল না। শুধু বিল্টুর মাথায় হাত বোলাতে লাগলো। ও বুঝতে পেরেছে ওর কি করা উচিত। কিছুক্ষণ পর সব শান্ত হলে বিল্টুকে বলল এদিকে এসো। বিল্টু গেলে পরমা বলল সকালে তুমি যেই চুল আমার চিরুনি থেকে নিয়েছিলে ওটা এখনই দাও আমায়। বিল্টু ঘাবড়ে গিয়ে বলল আমি কিছু জানিনা তুমি কোন চুলের কথা বলছ। পরমা বলল তাহলে আমায় তোমার বাবাকে একটা ফোন করতে হবে মনে হয়। বিল্টু কাঁদতে কাঁদতে বলল না না দাঁড়াও দিচ্ছি বলে সে বাথরুমের দিকে যেতে গেল তো পরমা ধমক দিয়ে বলল ওদিকে না এখানে দাঁড়িয়ে যা করার কর। বিল্টু কোনো উপায় না পেয়ে পরমার সামনেই ধোনটা বের করে ওতে লেগে থাকা চুলগুলো ছাড়াতে লাগল। পরমা বলল এগুলো তুমি কি করেছ ছিঃ! ছিঃ!! বিল্টু লজ্জায় মাথা হেঁট করে ধোনের থেকে চুল বার করে পরমার হাতে দিলো। পরমা রেগে বলল তুমি এমন কেন করেছ? তুমি জানো চুলের ধারে তোমার নুনু কেটে গিয়ে রক্তপাত হতে পারত? বিল্টু চুপ করে রইলো। পরমা বলল অনেক হয়েছে আর না বিল্টুকে বলল তৈরি হয়ে নে। আমরা বেরুবো। বিল্টু জিজ্ঞেস করল, ‘কোথায়?’

– 'আমি চুল কেটে ফেলব, তুই আমায় নিয়ে যাবি।'

বিল্টু চমকে উঠল একটু। ও নিজেও অনেকবার মাকে কল্পনা করেছে, গলায় সাদা কেপ জড়ানো, মায়ের চোখে জল পড়ছে, তবুও ও থামছে না নিজের হাতে কেটে ফেলছে মায়ের চুল। একদম ছোট বয়কাট। টিভিতে যে মেয়েটা খবর পরে ঠিক তার মত। ওর আজ যেন একটু সাহস হল। বলল


– ‘মা, তোমার চুল যদি আমি কাটি? প্লিজ না বলো না। আমি কথা দিচ্ছি আর ওসব আমি দেখব না। মন দিয়ে পড়াশোনা করব।'

পরমা এবার হাসল। বুঝল সমস্যা এখন সমাধানের পথে। এতদিন নিজেকে দিদিমণি ভেবে এসেছে। আজ প্রথম মা ভাবতে ভাল লাগছে নিজেকে। ছেলের জন্যে এটুকু করতে পারবেনা সে? বলল ঠিক আছে। বিল্টুকে এত খুশি দেখেনি সে কোনোদিন। বিল্টুকে বলল, 'বল আমি কি করব। কোথায় বসব? বরং তোর ঘরে চল।’

বিল্টু অবাক, আজ কি সে স্বপ্ন দেখছে? তারাতারি সব ব্যবস্থা করতে লাগলো সে। নিজের ঘর পরিস্কার করে ঘরের মাঝে একটা টুল রাখল সে। একটা সাদা কাপড় জোগাড় করলো চুল কাটার সময় মায়ের গায়ে জড়ানোর জন্য। বাবার শেভিং কিট কাঁচি চিরুনি সব জড়ো করল টুলটার কাছে।

পরমা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখছিল চুলের গোছা সামনে নিয়ে। নিজেকে আজ বড় কুৎসিত লাগছে তার। কি করতে চলেছে সে কিছুই জানে না। সোমবার যখন কলেজ যাবে তাকে দেখে লোকে হাসবে। কিন্তু কোনো উপায় নেই তার। ওর মুখ চোখ দেখে মনে হচ্ছিল যেন কোন অজানা শত্রু তার সর্বস্ব লুট করে নিতে চলেছে। যেন সর্বসমক্ষে উলঙ্গ করে দেয়া হবে আর একটু পরেই। না, সব চুল সে কিছুতেই কাটবে না। খুব জোর চার আঙ্গুল, আট আঙ্গুল, আচ্ছা বেশ খুব বেশি হলে কোমর অব্দি। তার বেশি না। সে তখনও জানে না, বিল্টু ঠিক তখনই ট্রিমারটা চালিয়ে টেস্ট করছে তার জন্যে।কবিতা আর তাকিয়ে থাকতে পারল না আয়নায়, চুলটা তুলে খোঁপা করে নিলো। আরও মিনিট দশ কাটল। চমক ভাঙল বিল্টুর ডাকে, 'মা, এসো।' 

পরমা গিয়ে ঢুকল বিল্টুর ঘরে। বিল্টু মাকে ঘরে ঢুকিয়ে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দিলো যাতে কেউ ওদের বিরক্ত না করে। পরমাকে দেখে মনে হচ্ছিল না যে সে স্বেচ্ছায় মেনে নিচ্ছে এই ব্যবস্থা। যেন ওকে জোর করে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল এমন একটি ঘরে যেখান থেকে সে যখন বেরোবে ততক্ষণে তার মান সম্মান শরীরের আচ্ছাদনটুকু লুট করে নেবে কেউ। তবুও ওকে ঢুকতেই হবে ওই ঘরে। এছাড়া আর কোনো উপায় নেই ওর। বিল্টু ওকে হাত ধরে নিয়ে গিয়ে টুলটাতে বসিয়ে দিলো। পরমার শরীরে যেন প্রাণ নেই। বিল্টু সাদা কাপড়খানা জড়িয়ে দিচ্ছে ওর গলায়। তারপর হাত পড়ল ওর খোঁপায়। কবিতার শরীরে শিহরণ খেলে গেল। বিল্টুর শরীরও স্থির নেই। মায়ের নরম চুলের খোঁপায় হাত দিয়ে ওর বুক উত্তেজনায় কাঁপতে শুরু করেছে। ওর পক্ষে মাথা ঠিক রাখা অসম্ভব হয়ে উঠল। এতদিন যা সে স্বপ্নে দেখে এসেছে আজ তা বাস্তবে পেয়ে সে সব ভুলে গেল। সে ভুলে গেল একটু আগে কি ঘটেছে। খালি তার মনে হতে লাগলো এতদিন যে সকল মডেলদের সে কম্পিউটারে দেখে এসেছে তাদেরই কেউ একজন তার সামনে বসে আছে এবং তাকে নিয়ে সে যা খুশি করতে পারে। সে পাগলের মত খেলা করতে লাগল মায়ের চুল নিয়ে। প্রথমে খোঁপাটা দু’হাতে নেড়েচেড়ে দুহাতে টিপে শেষে নাক ডুবিয়ে গন্ধ শুঁকতে লাগল। পরমা বুঝতে পারল না বিল্টু কেন এমন করছে। কিন্তু তার খালি মনে হতে লাগল বিল্টু এখন যা চাইছে তা না পাওয়া অব্দি ওর মন শান্ত হবে না। তাকে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে গেলে সে যা চাইছে তাই দিতে হবে। নতুবা সে তলিয়ে যাবে এক অন্ধকার জগতে। তাই সে চুপচাপ বসে রইল। আর নিজেকে পুরোপুরি বিল্টুর হাতে ছেড়ে দিল। বিল্টুর তখন মাথার ঠিক নেই। ততক্ষণে খোঁপাটা খুলে ফেলেছে সে।ঘন কালো মখমলের মত নরম কালো চুল মেঝে অবধি ঝুলে রয়েছে, ঢেকে ফেলেছে পরমার গোটা দেহ। আর বিল্টু দুহাতে নিয়ে খেলছে, গায়ে মাখছে সেই পশম। হঠাৎ বিল্টুর মনে হল এই চুল তো মা কেটেই ফেলবে খানিক বাদে। 


চলবে…

পরিবর্তন (১৮+) ১ম পর্ব

পরমা চক্রবর্তী একটি কলেজের বাংলার অধ‍্যাপিকা। মার্জিত রুচিসম্পন্ন গম্ভীর ব্যক্তিত্বের আড়ালে সুন্দরী উপমাটি তার ক্ষেত্রে যেন ভয়ে জড়সড় হয়ে থাকে। কারণ সে একজন প্রফেসর। এমনটাই অন্তত সে ভাবত নিজের ব্যাপারে। তাই সে সুন্দরী হলেও কোনো ছাত্র তার সঙ্গে ফাজলামি করার সাহস দেখাত না। হাল্কা রঙের শাড়ি, মানানসই সাজপোশাক, কপালে বড় টিপ, ও ঘাড়ের কাছে বড় খোঁপা বা লম্বা বেণী করে যখন সে ক্লাসে ঢুকত ছাত্র-ছাত্রীদের চরম কোলাহলও নিমেষে থেমে যেত তাকে দেখে। সারাদিন এই পরিবেশে অভ্যস্ত হয়ে যখন সে সন্ধ্যে বা ভোরবেলায় যখন ছাদে একা থাকত তখনও যেন নিজেকে সেই খোলসের মধ্যেই অনুভব করত। এই খোলসের মধ্যে থাকতেই সে অভ্যস্ত। তবে সে যে সুন্দরী সেটা সে ভালোই জানত। তার কাছে সৌন্দর্য মানে স্বাভাবিক, প্রাকৃতিক; যেমন বুনোফুল। কৃত্রিম সার দেওয়া বাগানের গোলাপেরও যে সৌন্দর্য আছে সেটাকে সে সুন্দর ভাবতে জানে না। তাই নিজেকেও চিরকাল কৃত্রিম সাজ থেকে দূরে রাখত যতটা সম্ভব। তার প্রমাণ তার হাঁটু ছুঁইছুঁই একঢাল ঘন কালো লম্বা অল্প কোঁকড়ানো চুল। পৃথিবীতে ওই একটি জিনিস তার চোখে সবচেয়ে সুন্দর। পরম আদরে লালন করত সে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সে কাটাত আয়নার সামনে ঘুড়িয়ে ফিরিয়ে অনেকক্ষণ ধরে আঁচড়াত, নাড়ত চাড়ত। যেন পরম আনন্দে খেলা করত। কিন্তু কখনো খেয়াল করেনি বিল্টু তাকে লক্ষ্য করত আড়াল থেকে।

পরমা যে সুন্দরী সেটা আগেই বলেছি। ৫’৬” লম্বা ফর্সা সুঠাম সুশ্রী চেহারা। তার চুলের বর্ণনা আগেই দিয়েছি। তবে সেই বর্ণনায় তার সৌন্দর্য কিছুই তুলনা করা যায়না। বিল্টুরও যে সেই চুল এত পছন্দ তাতে আর তার দোষ কি? তার মায়ের এই লম্বা ঘন কালো মখমলের মত চুল তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল যে সে স্বপ্নেও নিজের মাকেই দেখতে পেত আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়াচ্ছে, কিম্বা কখনও কখনও নিজেকেও ভাবত মায়ের চুল দুহাতে নিয়ে সাড়া গায়ে মাখছে সেই নরম পশমের কোমলতা। তার সারা শরীর দিয়ে অনুভব করছে। আরও এক ধাপ এগিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলত কল্পনার জগতে যেখানে সে মায়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ত।ইন্টারনেটে খুঁজে বেড়াতো তার কল্পনার জগৎ। আর সেসব আবর্জনা জড়ো করত নিজের কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে। তারপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাথরুমে কাটিয়ে অবশেষে মোহ কাটলে ভীষণ অপরাধী ভাবত নিজেকে। কিন্তু আবার নিজের মাকে খোলা চুলে দেখলে নিজেকে সামলাতে পারত না, আবার ফিরে যেত নিজের পুরনো জগতে। এই চাপে দিন দিন সে অবসাদে ডুবে যাচ্ছিলো। কিন্তু কোনোদিন কাউকে জানতে দেয়নি। পরমাও জানার চেষ্টা করেনি এতদিন তার নিজের ছেলের মানসিক সমস্যাগুলো। চিরকাল নিজের খোলসেই ঢুকেছিল সে। নিজের অজান্তেই পরোক্ষে সে নিজেই নিজের সন্তানের সর্বনাশের কারন হয়ে দাঁড়াচ্ছিল।

পরমার স্বামী বিশ্বম্ভর তার ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত। সে বিশেষ নজর দিতে পারে না সংসারে। আর ছোট্ট সংসারে যা প্রয়োজন হয় পরমাই সামলে নেয় সব। কাজের লোকও আছে দুজন। সকালে সন্ধ্যে কাজ করে যায়। কলকাতার দামী ফ্লাটে দুজনের আয়ে সচ্ছল ভাবেই চলে যায়।


বিল্টুর বয়স ১৮ পরমার একমাত্র সন্তান। ভালো নাম বিশ্বরূপ। একটা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে এই বছরই এডমিশন নিয়েছে। বিল্টুর ঘর আলাদা। ওর ঘরে কাজের মেয়ে দিনে দুবার ঝাঁট দেওয়া আর একবার মোছার জন্য ঢোকে। সেটা বিল্টু জানে। তাই কখনও অতিরিক্ত নিরাপত্তার কথা ভাবেনি সে। আর মা-বাবার ল্যাপটপ আছে। তার কম্পিউটারে যে পাসওয়ার্ড দেয়া উচিত সেটাও সে কখনো অনুভব করেনি।

ব্যাপারটা যখন প্রথম পরমার নজরে পরে তখন নিজেকে সামলাতে বেশ কিছুক্ষণ সময় লেগেছিল তার। কাউকে কিছু বলেওনি সে। বিল্টু সেদিন কলেজে গিয়েছিল। পরমার ল্যাপটপে কিছু গোলমাল হওয়াতে ভেবেছিল বিল্টুর কম্পিউটারে মেইলটা একবার চেক করবে। তাতেই ব্যাপারটা পরমা প্রথম জানতে পারে। এই ধরনের কোনও বিপদে যে তাকে পরতে হতে পারে সেটা সে আগে ভাবেনি। ব্যাপারটা জানার পর থেকে সে সজাগ হয়ে বিল্টুকে বেশ কিছুদিন ভালো করে লক্ষ্য করে সমস্যাটা কতটা গভীরে পৌঁছেছে বুঝতে পেরেছিল। 

সেদিন ছিল শনিবার। পরমার কলেজ সেদিন ছুটি ছিল। সকাল বেলা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়াচ্ছিল। আর আড়চোখে লক্ষ্য করছিলো বিল্টুও তাকে দেখছে খাটের পাশটায় বসে। বয়ঃসন্ধির সময় যে সন্তানের বন্ধু হতে হয় সেটা সে জেনেছে সমস্যাটা জানার পর তার এক মনোবিদ বন্ধুর সঙ্গে আলোচনা করে। আর এইসময় যে বেশি বকাঝকা করলে সেটাও সে জেনেছে তার কাছ থেকেই। তাই নিজেকে সামলে রেখেছে অনেক কষ্টে। চুুুল আঁচড়ানোর পর চিরুনিতে লেগে থাকা চুল সমেত চিরুনিটা পরমা রেখে দিল টেবিলের ওপর। আর তার পর বেরিয়ে এল রুমের বাইরে এবং দরজার আড়ালে লুকিয়ে সে যা দেখল তাতে তার মাথায় রক্ত উঠে গেল। পরমা দেখল তার ছেলে সেই চিরুনিটা তুলে তাতে লেগে থাকা চুলগুলো আস্তে করে বার করল আর শুঁকতে লাগল। পরমা অবাক হয়ে ভাবল সে কেন এমন করছে! এর পর বিল্টু নিজের প্যান্ট খুলে তার নুনু বার করল এবং পরমার সেই আঁচড়ে ফেলে দেওয়া চুল সে ওখানে পেঁচিয়ে নিল সঙ্গে সঙ্গে তার লিঙ্গ ফুলে দাঁড়িয়ে গেল । এ বয়সেই তার ধোন বেশ দীর্ঘ ও লম্বা। সে তার নুনুর লাল মুন্ডিতে ওই চুল থুথু দিয়ে পেঁচাতে থাকল । পাছা পেরোনো লম্বা চুল পেঁচানোর পর ওর ধনের লাল অংশটা কালো হয়ে গেল এবং উত্তেজনায় বীর্য বেরিয়ে গেল বিল্টুর। এদিকে আড়াল থেকে পরমা যে সব দেখছে সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই বিল্টুর। অতঃপর বিল্টু একটা টিস‍্যু বের করে বীর্য মুছে ফেলল। কিন্তু সেই চুল ওই ভাবেই লাগিয়ে রাখল নুনুতে আর ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়ল বিছানায়। পরমার তো রাগে গা জ্বলছে ঐসব দেখে। যার ভয়ে গোটা কলেজের ছেলে মেয়ে কুঁকড়ে থাকে তার নিজের ছেলে কিনা শেষ অবধি তার চুলের কামনায় এত নোংরা কাজ করল ছিঃ। তবে তার বন্ধু যে সমাধান বলেছে সেটা তার কাছে মেনে নেওয়া অসম্ভব মনে হয়েছিল। কিন্তু বন্ধু তাকে বুঝিয়েছে, এ ছাড়া বিল্টুকে শোধরানোর আর কোনও উপায় নেই। কিন্তু কিভাবে কি বলবে কিছুই ভেবে পাচ্ছিল না পরমা। শুধু বিল্টু কে দেখছিল আর যত দেখছিল তত তার মাথা গরম হয়ে উঠছিল।

Tuesday, July 9, 2013

একজন সুকেশিনী যুবতীর বালিকাতে রূপান্তর

এটি ছিল ২৪শে ফেব্রুয়ারী, ২০০৮ রবিবার সকালবেলা আমি আমার চুল কাটার দোকানটি খুললাম এবং কেবল সেবাপ্রার্থীদের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আমি শাড়ি পরিহিতা এক ভদ্রমহিলা এবং বছর কুড়ি বয়সের এক সদ‍্য যুবতীকে আমার সেলুন অভিমুখে আসতে দেখলাম। মেয়েটি একটি হাঁটু দৈর্ঘ্যের স্কার্ট এবং একটি প্রশস্ত বৃত্তাকার গলার টি-শার্ট পরে ছিল। সে তার শরীরের সুবিকশিত গড়নের সাথে সত্যই খুব সুদর্শনা ছিল। তার চুল ছিল কটিদেশ অবধি দীর্ঘ, কালো, ও প্রতি পদক্ষেপে দুলছিল। ভদ্রমহিলা ও মেয়েটি আমার সেলুনে প্রবেশ করেছিল। 

ভদ্রমহিলা আমার কাছে এসে হিন্দুস্তানিতে জিজ্ঞাসা করলেন "ভাইয়া ক‍্যায়া আপ লড়কিওন কে বাল কাটতে হ্যায়?" (আপনি কি মহিলাদের চুল কাটেন?) এবং তিনি হিন্দিতে বলে যান - "এ হচ্ছে নিধি আমার মেয়ে, পরের মাস থেকে তার পরীক্ষা শুরু হচ্ছে, তথাপি সে তার চুলের পিছনে অনেক সময় ব্যয় করে, এবং তার যেহেতু মাত্র ১৯ বছর বয়স তাই আমার মনে হয় তার চুল ছোট করে কাটা সঙ্গত, আপনি কি এটি করতে পারবেন?” 

"হ্যাঁ ম্যাডাম আমি পারব, কাঁধসমান বব তার জন্য দুর্দান্ত হবে", আমি যখন বললাম সে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল ও তার চোখের পানি ঝরছিল। "না ওটা নয়, ভদ্রমহিলা বলেছিলেন," আমি সত্যিই ছোট এবং আকর্ষণীয় কিছু চাই এবং কেবল একবার ব্রাশ চালানোই তাকে প্রস্তুত করার জন্য যথেষ্ট হয়" তিনি বলেছিলেন। 

আমি বুঝতে পারছিলাম তিনি কী চাইছিলেন। "আপনার বলার মানে বয়েজ কাট?" - আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম। "হ্যাঁ আমি সেটাই চাই" - তিনি আমাকে বললেন।
আমি যখন দেখি নিধি অসহায়ভাবে ওয়েটিং চেয়ারে বসে আছে, মাথা নীচু করে কাঁদছে, সে ঝোঁকানো অবস্থায় আমি তার স্তনের খাঁজ দেখতে পাচ্ছিলাম এবং আমি এইরকম সেক্সি ক্লিভেজ দেখে নিজেকে থামাতে পারি না।"

ঠিক আছে, ম‍্যাম তাকে চেয়ারে বসতে বলুন - আমি মহিলাকে বললাম। নিধি জাও বৈঠো আপনে বাল কাটওয়ালো (নিধি যাও বসো তোমার চুল কাটিয়ে নাও) মাম্মি এত ছোট না প্লিজ - নিধি কেঁদে কেঁদে তার মাকে অনুনয় করে। আমি যখন তাদের দেখছিলাম তখন ভাবলাম আমি আমার মেকওভার দক্ষতা দেখানোর একটি সুযোগ পেয়েছি এবং আমি এটা ছাড়ছি না। নিধি আমার দিকে আসার সাথে সাথে চেয়ারে বসতে বসতে আমি তার লোমশ পা ও বাহু দেখলাম এবং আমার মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল। আমি একটি দীর্ঘ সাদা স্কন্ধাবরণ এনে তার শরীরে এটি জড়িয়ে রাখি, আমি দেখতে পাচ্ছি তার মুখটি, সে শিশুর মতো কাঁদছে।

হঠাৎ ভদ্রমহিলা আমাদের কাছে এসে আমাকে বললেন - "আপনি পেছনের চুলগুলি যতটা পারুন খাটো করে কাটুন এবং সাইডেও যতটা সম্ভব ছোটো করুন" আমি ভদ্রমহিলাকে বাধা দিয়ে বললাম - "আমি কি তার চুলগুলি একটি সুপার শর্ট ক্রপে কাটব? সেটা কেমন তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন? আমি তাকে ব্যাখ্যা করেছিলাম এবং তাকে একটি খুবই ছোটো চুলের মেয়ের ছবি দেখিয়েছিলাম। আমি তাকে নিশ্চিত করেছিলাম যে একটি শর্ট ক্রপ তার মেয়ের পক্ষে সবচেয়ে ভাল।

তিনি রাজি হওয়ায় আমি একটা চিরুনি নিয়ে নিধির চুলের একটি উঁচু পনিটেল বেঁধেছিলাম। আমি দেখছি সে নিরুপায় হয়ে বসে আছে, কেবল তার লম্বা চুল ছোট না করার জন্য মিনতি করছে। আমি একটি কাঁচি নিয়েছি এবং নিধি কেবল শুনতে পাচ্ছে "শিকককক, ছিকককক" আমি তার লম্বা চুল কেটে ফেলতে শুরু করলাম। কয়েক পোঁচের মধ্যেই তার দীর্ঘ বর্ধিত পনিটেলটি আমার হাতে এসেছিল মোটামুটিভাবে কাটা চিবুক দৈর্ঘ্যের ববকে তার মাথায় রেখে। নিধির চোখ ফেটে পড়ল অশ্রুতে আর লাজুকতায়। আমি নির্মমভাবে তার পনিটেলটি মেঝেতে ফেলে দিলাম। তার মাকে সন্তুষ্ট মুখে দেখলাম, নিধিকে খুব বিপর্যস্ত। 


আমি তার চুলের উপর জল স্প্রে করেছিলাম এবং এটিকে একেবারে বাম পাটি করে আঁচড়েছিলাম, যেমন আমি অনুভব করলাম এত ছোট করে চুল কাটার পরে তাকে খুব শিশুবৎ দেখাবে। চুল কাটা এগোতে থাকে, আমি তার বাম দিকের চুল দিয়ে শুরু করলাম, যখন আমি চূর্ণকুন্তল ক‍্যাঁচ ক‍্যাঁচ করে ছাঁটাই করছিলাম তখন তার খুব সুন্দর ছোট্ট কানটি বেরিয়ে আসতে শুরু করেছিল। আমি চাঁদির বাম দিক থেকে কাটতে কাটতে নিচে বাম কানের পেছনে নেমে আসলাম এবং ত্বক মোটামুটিভাবে ঢাকা না থাকে এমনভাবে করেছিলাম, এমন সময় দেখছি নিধি লজ্জায় লাল হয়ে উঠছে। মজাচ্ছলে আমি তার উন্মুক্ত কান টানলাম ও ভাঁজ করলাম এবং ঘেরটি নির্ধারণ করি, আমি তার কর্ণছত্রের পাশ থেকে প্রায় সমস্ত চুল ছেঁটে নিয়ে একে 'V'র আকার দিলাম।

তার মা তার হেয়ারকাট দেখছিলেন এবং যখনই নিধি থামতে অনুরোধ করে তিনি রাগী চোখে তার দিকে তাকান এবং নিধি খোলসে ঢুকে পড়ে। আমি নিধির ডান পাশের চুলগুলি বাম পাশের মতোই কাটছি। আমি দেখতে পাচ্ছিলাম তার ছোট্ট মুখমণ্ডল যেন আরো ছোট হয়ে উঠছে।

এবার তার পেছনের চুল কাটার জন্য সময় হয়েছিল। আমি বেশ কয়েকটি আকারের চিরুনি এবং কাঁচি নিয়েছিলাম। আমি যখন তার মাথাটি সামনে আনমিত করে দিই, তখন তার চিবুক তার স্তন স্পর্শ করছে। আমি পিছনের চুল কাটতে শুরু করি, প্রায় ত্বকের লাগোয়া করে আমি তার পিছনের চুল কাটলাম। আমি যখন পাশে তাকাই দেখি তার মা খুবই পরিতুষ্ট ছিল। আমি তার ঘাড়ের গাঁইটে হেয়ারলাইন উঁচু রেখেছিলাম, কারণ তার গ্রীবার পশ্চাতে কেবল ঝাপসা চুল ছিল। আমি তার চাঁদির উপরে আরও জল স্প্রে করেছি। মাথার তালুতে ২.৫ ইঞ্চি দীর্ঘ রেখে কাটা শুরু করি। আমি তার চৌকো করে ছাঁটা চুল চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে সামনে এনে চোখের উপরে ঝুলে থাকা চুল ছেঁটে ভ্রুর ওপর তুললাম। নিধি বাচ্চার মতো কাঁদছিল আর দেখতেও বাচ্চার মতো লাগছিল।

হঠাৎ তার মা আমাদের কাছে এসে আমাকে বললেন : উপর কা বাল অওর ছোটা করো (উপরের চুলকে আরও খাটো করে কাটুন) ", নিধি আরও সচেতন হয়ে উঠল এবং আমি উপরের চুলকে আরও খাটো করে কাটতে শুরু করলাম, এবার এটি মাত্র ১.৫ ইঞ্চি রেখে খুবই ছোট ব‍্যাং সহ রাখলাম, প্রকৃতপক্ষে প্রায় কোনো ব‍্যাং ছাড়াই আমি শেষ করেছি। তার চুল কাটা শেষ এবং সবশেষে আমি চিকন করার কাঁচি নিয়েছিলাম এবং ঘনত্ব হ্রাস করার জন্য এটি তার সমস্ত মাথার উপর দিয়ে চালালাম।

আমি তার মাকে জিজ্ঞাসা করলাম আমি কি তার গ্রীবার পশ্চাদ্ভাগ কামাব নাকি গর্দানের আবছা চুলগুলো উপরের কাটা জায়গার সঙ্গে মিশিয়ে দিব? তার মা তার ঘাড়ের পেছনটা কামাতে রাজি হন। আমি এক হাতে স্ট্রেইট রেজার ও হাতের চেটোতে জল নিয়ে আলতো করে তার মাথার পেছনের দিক এবং কানের পিছনে ও পাশে চিপের উপর লেপে দিলাম। আমি ওখানকার আবছা চুলগুলি শেভ করতে শুরু করে দিই। এরপর আমি তার চিপের নীচে গালও শেভ করেছি।

আমি নিধিকে কাঁদতে আর লাজুক হতে দেখলাম। হঠাৎ আমার মাথায় একটি ফন্দি আসলো এবং আমি নিধির মাকে বুঝালাম কীভাবে চাইনিজ মেয়েরা তাদের শরীর এবং মুখমণ্ডল কামায়। তার মাকে কিছুটা উৎসাহী দেখাল। এক মিনিট চিন্তা করার পরে তিনি আমাকে নিধির বগল, পা, বাহু এবং মুখ শেভ করতে বললেন, তিনি আমাকে তার ভ্রুয়ের আকার ঠিক করে দেওয়ার জন্য পুনরায় অনুরোধ করেছিলেন। এখন আমি নিধির সব পোষাক খুলে নিয়েছিলাম কেবল তার অন্তর্বাস ছাড়া এবং তার শরীরের অযাচিত লোমগুলি কামাতে শুরু করি। আমি তার ভ্রুও কিছুটা কামিয়ে দিই যাতে সেটা ছোট ও তীক্ষ্ণ এবং পাতলা দেখায়। নিধি তাকে ছেড়ে দিতে কাকুতি মিনতি করছিল, মাম্মি অওর কেয়া করোগে মেরে উপার (মাম্মি তুমি আমার উপর আর কি করবে?) আর শিশুর মতো কাঁদছিল। 

শেষাবধি আমি তার সদ‍্য কাটা চুলগুলি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখলাম। আমি আবার একটি কাঁচি এবং একটি চিরুনি নিলাম। আমি খানিকটা ফিনিশিং টাচ দিতে শুরু করি, হঠাৎ আমার মনে আরেকটি পরিকল্পনা আসলো। আমি ভাবছিলাম আমি যদি তার চুলগুলি আরো খানিকটা ছোট করে দিই তবে তার গোলাকার মাথার আকৃতিটি দৃশ্যমান হবে যাতে তাকে আরো সুন্দর এবং শিশুসুলভ দেখাবে। কাউকে কিছু না জিজ্ঞাসা করে আমি চুল আরও ছোট করে কাটতে শুরু করলাম, এবার কেবল ১ ইঞ্চি চুল উপরে রেখে সমস্ত ব‍্যাং কেটে ফেললাম। 

আপনি কি ওর চুল আরো খাটো করছেন? -তার মা আমাকে জিজ্ঞেস করেন। না না কেবল এটি সঠিকভাবে মিশ খাওয়াচ্ছি - আমি মিথ্যা বলে কেটেই যাচ্ছি। ফলস্বরূপ একটি দীঘল কেশী পরিপক্ক চেহারার মেয়েটি খুব খুব খর্বকেশী খুকীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। আমি কেপটি খুলে তার খুব ছোট চুলো মাথায় আমার হাত ঘষলাম। জল স্প্রে করে অন্তিম বারের জন্য চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে দিলাম। চেয়ারটা ঘুরিয়ে নিধিকে নীচে নেমে আসতে বললাম। সে মেঝেতে কাটা চুলের দিকে তাকিয়ে কাঁদছিল। তার মা এগিয়ে এসে আমার হাতে ৳৫০০ এর নোট গুজে দেন। এরপর তার হাত ধরেন এবং মুখে হাসি নিয়ে তার ছোট চুলের মাথায় আনন্দে হাত বোলায়। তারা সেলুন থেকে চলে গেল এবং আমি বুনো উল্লাসে লাফিয়ে উঠি যে এত লম্বা চুল এত ছোট করে কাটানোর সুযোগ পেয়েছি।

গঙ্গায় বেণীদান

আমার বয়স তখন ১৮ বছর, সবেমাত্র আমি কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম, আমার লম্বা ঢেউ খেলানো পাছার ছোঁয়া কালো চুল ছিল। এক রবিবার আমার মা বললেন-"শালিনী, আমি তোমার জন্য স্থানীয় নাপিতকে ডেকেছিলাম" আমি বললাম (খুব ভয় পেয়ে)-"কেন মা?" সে বলল - "আমি তোমার বাবাকে অনেক বছর আগে বলেছিলাম যে তুমি কলেজে ভর্তি হলে আমি তোমার চুল গঙ্গায় (ভারতের একটি বিখ্যাত নদী) ভাসাব, এবং আজ রবিবার সে ফ্রী আছে, তাই তোমার মাথা ন্যাড়া করো সে একটা প্যাকেট নিয়ে তোমার চুল রাখবে, গঙ্গায় ফেলে দেবে। আর তোমাকেও তার সাথে তোমার কামানো মাথায় কিছু জল দিতে হবে, স্নান করে ঘরে আসতে হবে" আমি বললাম - "না মা, আমি এখন অনেক বড় হয়ে গেছি নেড়া করার জন্য, আমার বন্ধুরা আমাকে জ্বালাতন করবে।" মা বললেন - "আমি যা বলছি শোন, বা তুমি জানো আমি কি করতে পারি" নাপিত এলো এবং আমাকে চেয়ারে বসতে টেনে নিয়ে গেল। "না মাম্মি প্লিজ"- আমি চিৎকার করে বললাম "তার মাথা পরিষ্কার এবং মসৃণ করুন"- সে নাপিতকে বলল আমি অসহায় হয়ে বসে আছি, নাপিত আমার কাঁধ ধরে সোজা করে বসিয়ে দিল এবং এখনও তার হাত মাঝে মাঝে আমার স্তনে স্পর্শ করছে। সে একটি সাদা সুতির কাপড় খুলে তাতে আমাকে জড়িয়ে দেয়; আমার চোখে পানি বয়ে যাচ্ছিল। 

মা তাকে বললেন- "সুনো সুনীল, পেহলে বাল কেইচিঁ সে বহুত ছোটা কাট লো, ফির উস্ত্রা সে মুন্ডওয়া দো, দো তিন বার উস্ত্রা সর পে বুলানা, তা কি একদম সাফ হো যায়ে" (শুনুন সুনীল প্রথমে কাঁচি দিয়ে খুব ছোট চুল কেটে ফেলুন এবং তারপর সোজা রেজারে মাথা ন্যাড়া করুন, এবং ক্ষুরটি ২ থেকে ৩ বার চালান যাতে মাথায় কোন চুল অবশিষ্ট না থাকে।) নাপিত একটি কাঁচি বের করে আমার লম্বা চুলগুলি প্রায় কিছুই না থাকে অমন করে কাটতে শুরু করে। আমি কেবল আমাকে ছেড়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করতে পারি। কিন্তু আমার কিছুই শোনা হয়নি। আমার চুল পড়ে যাওয়ায় আমি দুঃখিত বোধ করতে লাগলাম, কিছু সময় পর নাপিত পানি দিয়ে মাথা ঘষে। যখন সে রেজারটি বের করে আমার সারা মাথায় চালায়। আমি খুব লজ্জিত বোধ করলাম। আমার চিপের এলাকার নিচের দিকে আমার গালের মিহি আঁশের মত পশমগুলি কামানো হয়। আমি সত্যিই লজ্জিত এবং বিব্রত বোধ করছিলাম আমার ছোট বোনেরা সেখানে দাঁড়িয়ে আমার নতুন চেহারা দেখে হাসছিল। এবং ধীরে ধীরে আমি খুব ভাল আকৃতির পাতলা ভ্রু নিয়ে সম্পূর্ণ টাক হয়ে গেলাম (গত দিন আমি একটি বিউটি পার্লারে ভ্রু আকৃতি দিয়েছিলাম)। আমার বাবা আমাকে গঙ্গাতে নিয়ে গেলেন, আমার চুল ফেলে দিলেন। আমি গঙ্গায় স্নান করেছিলাম। এবং আমার টাক মাথায় গঙ্গাজল ঘষে অনেক কেঁদেছিলাম। আমি কিছু দিন টাক ছিলাম। ধীরে ধীরে আমার চুল লম্বা হতে থাকে।

Tuesday, May 29, 2012

আমার বোনের মাথা মুণ্ডন

হাই বন্ধুরা। আমি নেহা বয়স ২২ ইংরেজি বিভাগে ফাইনাল ইয়ারে পড়ছি। আজ আমার মা আমাদের বাড়িতে একজন নাপিত ডেকেছেন। প্রথমে আমি তাকে দেখে টেনশনে পড়েছিলাম কারণ গত ৩ বছর ধরে আমি আমার মাথা মুণ্ডন করেছি কিন্তু সম্প্রতি আমার মায়ের পরামর্শ অনুযায়ী বব কাট করতে যাচ্ছি। আমার পাশে থাকা আমার বোন (বুজ্জি, ১২ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত, এবং ১৭ বছর বয়সী) আমাকে আবার নুন্নাপু গুন্ডু আক্কা বলে ডাকতে শুরু করেছে। সেই সময় আমার চোখ জলে ভরে গিয়েছিল এবং আমার মাকে বলতে শুরু করেছিলাম যে এটা যথেষ্ট। আমি যথেষ্ট মাথা মুড়িয়েছি এখন আর নয়। তখন আমার মা উত্তর দিলেন যে কে বলেছে মাথা মুণ্ডন তোমার জন্য। আমি এবং আমার বোন তার উত্তর দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম এবং আমি খুব স্বস্তি অনুভব করেছি। এদিকে আমার মা বাড়ির উঠোনে এক মগ জল এবং একটি ছোট স্টুল সাজিয়েছেন। এখন আমার মা আমার বোনকে তার মাথা বেলের জন্য প্রস্তুত হওয়ার উদ্দেশ্যে ডাকলেন। সে সম্পূর্ণরূপে হতবাক হয়েছিলেন কারণ তার ঘন মাঝারি মসৃণ চুল ছিল এবং একবার আমাদের পরিবারের সাথে তার মাথা মুণ্ডন করেছিল। তারপর কোন চুল কাটা এবং মাথা ন্যাড়া হয়নি। সে জোরে জোরে কাঁদতে শুরু করল এবং আমার মাকে মাথা মুণ্ডন না করার জন্য অনুরোধ করতে লাগল। কিন্তু আমার মা পাত্তা দেননি এবং বলেছিলেন যে ফাইনাল ওপেন পরীক্ষা পর্যন্ত সে টাক হয়ে থাকবে যাতে সে তার পড়াশোনায় আরও মনোযোগ দিতে পারে। সে কেঁদেছিল, আমার মাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছিল কিন্তু তার সমস্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। তাকে নাপিতের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে স্টুলে বসানো হয়। নাপিত রেজার ব্লেড প্রস্তুত করছে এমন সময় আমার মা তার চুল খুলে ফেলতে শুরু করলেন। আমার মা আমার বোনকে শেষবারের মতো তার চুল দেখতে, স্পর্শ করতে বলেছিলেন কারণ সে পুরো ১ বছরের জন্য টাক হয়ে যাচ্ছে। সে অনেক কাঁদছিল। তখন আমার আম্মু মুন্ডন শুরু করতে বলল। প্রথম দিকে তার চুল মাথার ত্বকের কাছে কাটা হয় এবং চুলের গোছা পড়ে যায়। আমার বোন ওজনহীন বোধ করে এবং তার চুল স্পর্শ করতে শুরু করে যা এত ছোট হয়ে যায় যে সে পনিটেলের জন্য তার চুল ধরে রাখতে পারে না। এখন সে খুব কাঁদতে শুরু করল। আমার মা তাকে থাপ্পড় মারলেন এবং তাকে চুপ থাকতে বললেন। এখন নাপিত তার মাথার ত্বকে পানি ঢেলে তাতে ম্যাসাজ করতে লাগল। তারপর ৫ মিনিট পর সে পেছন থেকে মুন্ডন শুরু করল। প্রথমে পিছনের দিকে একটি বড় হলুদ ছোপ দেখা গেল। এবং নাপিত তার মাথা বাম দিকে, ডান দিকে ঘুরাতে থাকল এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই পিছনের দিকটি সম্পূর্ণ কামানো হলো। এবং তিনি সামনের দিকে শেভ করতে শুরু করেছিলেন এবং আমার বোন আবার কাঁদতে শুরু করেছিল কারণ তার সুন্দর চুল তার কোলের উপর পড়েছিল। 



এবং ১৫ মিনিটের মধ্যে সবকিছু শেষ হয়ে গেল। আমার মা তার মাথার ত্বক স্পর্শ করলেন এবং তাকে ২ বার প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করতে বলেন - একবার বিপরীত দিক থেকে এবং একবার জেল দিয়ে। এই প্রক্রিয়াটি আরও ৫ মিনিট ধরে চলতে থাকে। এর পরে আমার বোনের মসৃণ চকচকে নরম টাক হয়েছে। আমার মা তাকে কিছু টাকা দিয়েছিলেন এবং তাকে ঘন ঘন দেখা করতে বলেছিলেন। না হলে আমার বোনকে পুরুষদের সেলুনের দোকানে পাঠানো হবে। এখন আমার মা তার পোষাকের উপর থাকা চুলগুলো সরিয়ে হাসিমুখে একটি আয়নায় তার মুখ দেখালেন। তিনি তাকে তার নতুন চেহারার সাথে মানিয়ে নিতে পরামর্শ দেন। সে তার নতুন চেহারার জন্য কেঁদে উঠল এবং স্নান করতে ভিতরে গেল। এর পরে আমার বাবা এবং আমার ঠাকুরমা আমার বোনের গুন্ডু পছন্দ করতেন এবং সব সময় স্পর্শ করতেন যখন আমার বোন এটিকে ঘৃণা করতেন। আমার বাবা তার টাক চেহারা পছন্দ করেন কারণ সে খুব আকর্ষণীয় এবং সুন্দরী ছিল সেহেতু তিনি আমার মাকে কয়েক বছর ধরে আমার বোনের মাথার চুল কামানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। আমিও তার নতুন চেহারা পছন্দ করেছি। আমি আমার বোনের ভবিষ্যত মাথা মুণ্ডানোর অভিজ্ঞতা শেয়ার করব। অনুগ্রহ করে আপনারাও আপনাদের মাথার মুণ্ডনের কিছু ঘটনা বলুন এবং তাকে উৎসাহিত করুন কারণ সে তার নতুন চেহারা সম্পর্কে লাজুক এবং বিব্রত হয়েছিল।

সিনেমায় সুযোগ

আমার বাড়ি দক্ষিণ ভারতের কোচিতে এবং গত বছর যখন ঘটনাটি ঘটেছিল তখন আমার বয়স ছিল উনিশ বছর। আমার বাবা, যিনি সৌদি আরবে একজন ব্যবসায়ী ছিলেন, মার...