Showing posts with label মুন্ডন. Show all posts
Showing posts with label মুন্ডন. Show all posts

Monday, July 27, 2020

বয়ফ্রেন্ডের আব্দার রক্ষায় ভাইকে দিয়ে ন‍্যাড়া করালো বোন

আমার নাম তৌফিক। আমি আমার আব্বু ও আপুর সঙ্গে একটা মফস্বল শহরে ফ্ল্যাটে থাকি। আমার বয়স যখন ৫ বছর তখন আমার আম্মু আমার আব্বুর থেকে তালাক নিয়ে আমাদের ছেড়ে চলে যান। এরপর অনেকের অনুরোধ সত্ত্বেও আব্বু আবার বিয়ে করেননি। আসলে আব্বু আমাদের দুই ভাইবোনকে ভীষণ ভালোবাসেন তো তাই। আমার আব্বু একটা গার্মেন্টসের মালিকের অংশীদার। তাই আব্বু ম‍্যাক্সিমাম নিজের বিজনেস নিয়ে ব‍্যস্ত থাকে। এবার আসি আমার আপুর ব‍্যাপারে। আপু আমার থেকে প্রায় ৬ বছরের বড়। আপু বেশ স্বাস্থ্য সচেতন। মিডিয়াম হাইট আর খুব চিকন বা মোটাও না। আপুর পিঠ ছাপানো এক মাথা চুল আছে। আর আমি মনে মনে সেই চুলের পাগল। আমি আপুকে চুল ছাড়া কল্পনাই করতে পারি না। তবুও আমার মনে সুপ্ত ইচ্ছা আপুর চুল নিয়ে খেলব, গন্ধ নিব। কিন্তু কখনো করার সাহস হয়নি। তো যা বলছিলাম আপু একটা প্রাইভেট ভার্সিটিতে এমবিএ পড়ছে। আপু খুব ফ‍্যাশন সচেতন। সবসময় ট্রেন্ডিভাবে চলাফেরা করে। আপুর এক বয়ফ্রেন্ড আছে নাম রামিন। রামিন ভাই খুব সোজা সরল আর মিশুক লোক। আমাকে খুবই ভালোবাসে। যাই হোক কোভিড-১৯ এর কারণে আপুর ভার্সিটি বন্ধ সাথে আমার কলেজও বন্ধ। তো আমরা পুরো ফ‍্যামিলি এখন বাসাতেই থাকি বেশিরভাগ সময় যদিও আব্বুর ব‍্যবসা চাঙ্গা রাখতে অফিসে দৌড়াতে হয়। তো এবার মূল ঘটনায় আসি– আপু বাসায় থাকলে ম‍্যাক্সিমাম মোবাইল, ল‍্যাপটপ সামনে নিয়ে বসে থাকে কেবল রান্না, খাওয়া, গোসলের সময় বাদে। তো একদিন আপু দুপুরে গোসল সেরে আমাকে খেতে ডেকে নিজেও খেতে বসলো। বসার পর আপু খেতে খেতে হঠাৎ বলল আচ্ছা তৌফিক আমাকে আমার চুল ছাড়া কেমন দেখাবে? আমি শুনে থতমত খেয়ে আপুর দিকে তাকিয়ে বললাম কেন আপু তুমি তোমার চুল কি করবে?
আপু : আহঃ বল না।
আমি : (একটু ভেবে নিয়ে) খারাপ দেখাবে না। কিন্তু তুমি কি করতে চাচ্ছ বলো তো?
আপু : সত‍্যি বলছিস আমাকে খারাপ দেখাবে না?
আমি : হ‍্যাঁ সত‍্যি
আপু : বলছি শোন তবে, তোর রামিন ভাইয়া বলছে- সে আমার টাক মাথার ছবি দেখতে চায়।
আমি : রামিন ভাইয়ের হঠাৎ এই খেয়াল হইলো কেন? এখন তুমি কি নাড়ু হইতে চাও? নাড়ু মাথার ছবি দিতে তো নাড়ু হওয়ার দরকার নাই। অনেক এ‍্যাপসে তোমার ছবি ইনপুট করলে নাড়ু মাথার ছবি দেখাবে।
আপু : না ও সিরিয়াসলি বলছে ভিডিও কলে আমার নাড়ু মাথার ছবি দেখবে।
আমি : ও এখন এই আব্দার পূরণ করতেই হবে?
আপু : হ‍্যাঁ, ও তো কখনো আমার কাছে কিছুই চায় নাই। এই বার কিছু বলছে। আহ্লাদ পূর্ণ করে দেই।
(কথা বলার ফাঁকে ফাঁকে খাওয়া শেষ করে দুজনেই দুজনের থালা গ্লাস ধুয়ে উঠিয়ে রাখলাম।)
আমি : কিন্তু আপু তুমি নাড়ু হবে কেমনে? আব্বু মাইন্ড করবে না?
আপু : ঐসব আমি দেখে নিবো।
আমি : নাড়ু কোথায় হবা? কবে হবা? পার্লার তো এখন বেশিরভাগ সময় বন্ধ পড়ে থাকে। বিয়ে, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে গিয়ে বসে থাকে ওরা। এছাড়া তো বাইরে দেখাই যায় না।
আপু : কেন তুই করে দিবি। কালকেই হবো বলছি রামিনরে।
আমি : আমি কেমনে করব! আমি পারব না।
আপু : এহঃ বদমাইশ। তুমি যে ফোনে কিসব নাপিতের কাজকারবার দেখো আমার জানা আছে। তুই মানা করলে আমি আব্বুকে তোর সব দুষ্কর্মের কথা বলে দিব‌।
আমি : (একটু ভেবে নিয়ে) আচ্ছা ঠিক আছে। তো কখন নাড়ু হবা বলছিলা?
আপু : আজকে রাতে ফাইনাল করে বলব তোকে। বিকালে দোকানে যেয়ে নতুন ব্লেড কিনে আনিস। কেমন?
আমি : ওকে।
(যার যার রুমে গিয়ে দরজা চাপিয়ে দিয়ে নিজের নিজের মত ব‍্যস্ত হয়ে গেলাম)
রাতে আব্বু বাসায় আসলে সবাই একসঙ্গে খেতে বসলাম। আব্বু খেতে খেতে বললেন শোনো আমি আগামী তিনদিন কাজের জন্য তোমাদের আঙ্কেলের বাড়িতে থাকব বাসায় আসব না। তোমরা সাবধানে মিলেমিশে থাইকো। আমি আপুর দিকে তাকালে আপুকে অনেক নিশ্চিন্ত মনে হলো। এরপর খেয়ে উঠে যখন আব্বু টিভি দেখছিল তখন আব্বুর বিছানা করে দেওয়ার নাম করে আপু আমাকে ডেকে বলল কাল সকাল ১০টার সময় ন‍্যাড়া করব। তুই মাথায় রাখিস। আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম। 


আমি নিজের ঘরে ঘুমাতে চলে এলাম। কিন্তু কেন যেন ঘুম এলো না। আমি আধো ঘুমে স্বপ্ন দেখলাম ব্লেডের টানে আপুর চুল মাথার ত্বক থেকে খসে খসে পড়ছে। আর আপুর চুলভরা কালো মাথা সাদা হয়ে যাচ্ছে। তারপর দেখলাম আপুর চুলের মুঠি আমার হাতের মুঠোয় আর আপু নিজেকে আয়নায় ন‍্যাড়া অবস্থায় দেখছে। দেখে আমার বেশ ভালো লাগল। ইচ্ছা করল আপুর ন‍্যাড়া মাথায় একটা চুমু খাই।
এভাবে বিছানায় গড়াগড়ি করতে করতে কখন ঘুমিয়ে গেছি মনে নাই। ঘুম থেকে উঠে মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি ৮:২৩ বেজে গেছে। আর এদিকে রুটিন অনুযায়ী আমার সেদিন সকালে চা বানানোর কথা। আমি তড়িঘড়ি উঠে ড্রয়িং রুমে গিয়ে দেখি ওখানে টি-টেবিলে এক কাপ চা আর নাস্তা রাখা আর আপু বসে ফোন টিপছে। আমাকে দেখে বলল গতরাতে ঘুমিয়েছিলি কয়টায়? আমি উত্তর না দিয়ে ব্রাশ হাতে নিয়ে বেসিনে গিয়ে ব্রাশ করলাম। তারপর আপুকে বললাম স‍্যরি দেরি হয়ে গেছে। আপু বলল সমস্যা নাই। খালি আমার দেরি হইলেই কথা শুনাতি। আমি চুপ করে আপুর ডান পাশের সোফায় বসে নাস্তা খেয়ে ফেললাম। আপু আমাকে বলল মনে আছে আর সোয়া এক ঘণ্টা পর। আমি ফোনের দিকে তাকিয়ে বললাম হ‍্যাঁ। নাশতা খেয়ে কিছু হোমটাস্ক করে এক ঘণ্টা পর আমি আপুর রুমে নক করে ডাক দিলাম। আপু বলল আমার অনলাইন ক্লাস চলছে আধাঘণ্টা ওয়েট কর। আমি গিয়ে ব্লেড, ডাবল এজড সেফটি রেজর, সাবান, শ‍্যাম্পু এগুলো জড়ো করতে লাগলাম। আধা ঘণ্টা পর আপু রুম থেকে বেরিয়ে আমাকে ডাকল। আমি আওয়াজ দিয়ে বললাম বাথরুমে এসো। আপু বলল বাথরুমে কেন? আমি বলি প্রথমে চুলে শ্যাম্পু লাগিয়ে পরিষ্কার করে নিই। আপু সম্মতি দিয়ে নিচে রাখা টুলে বসে পড়ল। আপু আপুর মাথা নিচু করে পানি ঢেলে চুল ভিজিয়ে প্রথমে ভালো মত কয়েকবার ম‍্যাসাজ করলাম তারপর শ‍্যাম্পুর বোতল থেকে শ‍্যাম্পু আপুর মাথার তালুতে ঢেলে আবার ম‍্যাসাজ করলাম। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর আবার আপুর মাথায় পানি ঢেলে ধুয়ে দিলাম। এরপর চুল শুকিয়ে গেলে দেখলাম মাথার ত্বকে কোনও ধুলো নেই। অতঃপর আপুকে বললাম এবার আব্বুর রুমে চলো। সেখানে আয়নার সামনে আব্বুর বিছানার র‍্যাক্সিন শীট বিছিয়ে তার উপর চেয়ার রেখে তাতে আপুকে বসালাম। অতঃপর আপুর চুল আবার স্প্রেয়ার দিয়ে ভিজিয়ে আঁচড়ালাম যাতে চুল মসৃণ হয়। চুল আগাগোড়া আঁচড়ানো হলে তার চুলে একটা হালকা ঢিল দেয়া পনি বাঁধলাম। তারপরে রেজরটিতে ব্লেড ভরে আপুর কপালের সামনে ধরলাম তারপর আলতো করে পিছন দিকে ব্লেড এগিয়ে আনলাম। সবকিছু ভালোই চলছিল কিন্তু আমি ভুলে আপুর চুল আঁচড়ানোর বিপরীতে (পেছন‌ থেকে সামনে) রেজর টান দিলাম আর আপুর মাথার একদিকে সামান্য কেটে যায়। আপু উঃ করে হালকা আওয়াজ করে বলল এই তুই কি করতেছিস? তোকে আমার মাথা ন‍্যাড়া করতে বলছি মাথার চামড়া তুলে ফেলতে বলি নাই। আমি স‍্যরি বলে আস্তে আস্তে চুল আঁচড়ানোর দিক অনুসারে চুলের গোড়ায় রেজর চালাই। চুলগুলো গোল গোল দলা পাকিয়ে আপুর ঘাড় আর কাঁধ বেয়ে নিচে পড়তে থাকে। এভাবে পুরোটা কামানো হলে আপুকে বললাম মাথা ছুঁয়ে দেখতে। আপু মাথা উঠিয়ে আয়নায় তাকিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে বলল খসখসে যেন না থাকে এমন কর। আমি আপুর মনের ভাব বুঝতে পেরে আপুর মাথায় আমার শেভিং ক্রিম লাগালাম তারপর আরেকবার সামনে থেকে পিছনে রেজর চালিয়ে পরিষ্কার চকচকে টাক করে ফেললাম। আবার আপুকে বললাম এবার ছুঁয়ে দেখো কেমন হয়েছে? আপু আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের মাথায় আবার হাত দিয়ে হাসিমুখে বলল এবার একদম মনমাফিক হয়েছে। আমি বললাম একটু বসো আমি এন্টিসেপটিক নিয়ে আসি। আপু বললো থাক গোসল করে এলে তারপর লাগিয়ে দিস। আমি বললাম তাহলে গোসল করে এসো। আমি এগুলো গুছিয়ে নিতে পারব। আপু থ‍্যাঙ্কস বলে দৌড়ে তোয়ালে হাতে নিয়ে গোসল করতে ঢুকল। আমি এই ফাঁকে আপুর কামানো চুল ধরে দেখলাম তা শুকিয়ে গেছে। আমি দৌড়ে কিচেন থেকে একটা পলিথিন ব্যাগ খুঁজে এনে চুলগুলো সেই ব‍্যাগে পুরে আমার ঘরে এনে রেখে দিলাম।

Saturday, February 13, 2016

প্রেমিকের জন্মদিনের উপহার

২৪ বছর বয়সী আরতি উদযাপনের জন্য প্রস্তুত। সে তার পোষাক চেক করল, জিন্সের সাথে একটি হলুদ টপ, তার প্রেমিকের পছন্দের। তার চুল ওর প্রিয় শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়েছে, এবং তার পছন্দ মতো একটি ক্ল ক্লিপ দিয়ে এঁটেছে। সে দরজার বেল টিপে অপেক্ষা করতে লাগল। 

দরজা খুলল এবং তাকে দ্রুত ভিতরে টেনে নিয়ে গেল। সে তাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে বলল, "শুভ জন্মদিন যশ" 

লোকটি তাকে পাল্টা জড়িয়ে ধরে তারপর তাকে চুম্বন করে, "ধন্যবাদ সুইটি" এবং চুলের গন্ধ নিল এবং চুল পড়ে যেতে দিয়ে ক্লিপটি খুলে ফেলল। সমস্ত কালো এবং চকচকে চুলগুলি তার কোমর পর্যন্ত পৌঁছেছে, এটি কোনও ঢেউখেলানো ছাড়াই ঘন এবং সোজা। 

আরতি ওকে থামানোর চেষ্টা করলো, “আরে আমি তোমার পছন্দের পোশাক পরেছি, প্রিয় খুশবু লাগিয়েছি তবুও আমার চুল আগে”। 

যশ উত্তর দিল, "আমি সেরা দিয়ে শুরু করি, তোমার চুল সবচেয়ে ভালো... তোমার ঠোঁটের পরে" 

আরতি এবার তার চুল পিছনে রেখে আবার অভিযোগ করল, “তুমি এখনও প্রস্তুত নও” 


যশ ওকে টেনে নিয়ে বলল, "এটা সকাল ০৫-৩০টা প্রিয়ে, চলো বিছানায় গিয়ে ঘুমাবো" 

আরতি বাঁধা দিল, "এটা তোমার জন্মদিন, আর তোমার জন্য আমার অনেক সারপ্রাইজ আছে এবং দিনটা আগেই প্ল্যান করে রেখেছি" 

যশ হাসল, "হ্যাঁ, আমার জন্মদিন, আমি কি আরাম করব না?" 

আরতি উত্তর দিল, “না…তোমাকে উপভোগ করতে হবে, আরাম করতে হবে না। ফ্রেশ হয়ে নাও…জলদি। আমি কিছু কফি এবং নাস্তা বানাবো" 

কিছুক্ষণ পর যশ ফিরে এল, নাস্তা দেওয়া হল। তারা একসাথে এটি খেয়েছিল এবং তারপর অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে বেরিয়ে গেল। 

আরতি জিজ্ঞেস করলো, "আমার চুল নিয়ে খেলতে চাও?" “এখন না” যশ উত্তর দিল। 


আরতি নিঃশব্দে বলল, “তুমি আফসোস করবে”। যশের প্রথম চমক মোড়ক খুলে গেল যখন সে তার বাইকের চাবির নাগাল ধরতে গেল। আরতি বলল, আজ তুমি পিলিয়ন (ব‍্যাকসিট) রাইডার হবে, আমি চালাব। 

যশ উত্তর দিল, "তোমার লাইসেন্স নেই" 

আরতি খুব একটা পাত্তা দেয়নি, কিছুক্ষণ পরেই ওরা বাইকে করে কোথাও যাচ্ছে। যশ জিজ্ঞেস করল, "আমরা কোথায় যাচ্ছি?" আরতি জবাব দিলো, "তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে" 

আধঘণ্টা পথ চলার পর তারা উপশহরে পৌঁছে যায়। তারা সিনেমা হলের কাছে থামে এবং বাইক পার্ক করে। আরতি বলল, “এই যে তোমার সারপ্রাইজ! শুভ জন্মদিন যশ" 



যশ জিজ্ঞেস করল, "তাহলে কি আমার সারপ্রাইজ হচ্ছে পুরনো সিনেমা হলে সিনেমা দেখা" আরতি মুচকি হেসে বললো, "না বোকা, তোমার সারপ্রাইজ হচ্ছে তোমার গার্লফ্রেন্ডকে একজন রাস্তার নাপিত দ্বারা নেড়া করা দেখা।" 


যশ বিড়বিড় করে বলল, "কি??" 

আরতি হাসতে থাকে এবং তার জ ক্লিপ ছুঁয়ে বলে, "হলের বাম পাশে দেখ, রাস্তার একজন নাপিত" 

সে তখন তার হাত ধরে নাপিতের কাছে হাঁটা শুরু করল। 

যশ কেঁপে উঠল, “দাঁড়াও। মাথা ন্যাড়া করছো?" 

আরতি থেমে উত্তর দিল, "আজ্ঞে হ্যাঁ" 

যশ এবার ঘাবড়ে গেল, “তুমি কি সিরিয়াস? আমার জন্য? আমি তোমার চুল লম্বা পছন্দ করি" 

আরতি মুচকি হেসে বলল, "আমি জানি তুমি আমাকে টাক দেখতে পছন্দ করবে, তুমি ঘুমের মধ্যে বকবক কর, আমি কয়েকবার শুনলাম" 

যশ লাল হয়ে যাচ্ছিল। আরতি বললো, "আমিও তোমার রাস্তার নাপিতের কথা জানি" 

তারপর সে আবার হাঁটা শুরু করে। তাকে শেষবারের মতো থামানো হয়েছিল যশ বলল, এটা করার দরকার নেই। আরতি কিছু বলল না। যশ চালিয়ে যান, "আমি চাই না তুমি এটা কর, এটি খারাপ এবং অদ্ভুত দেখাবে" 

আরতি তাকে আশ্বস্ত করে বললো, "এটা তোমাকে আমার উপহার, তুমি ঠিক করো না কি উপহার পাবে, তোমার কি টাক গার্লফ্রেন্ড নিয়ে কোন সমস্যা আছে?" যশ তোতল‌‌িয়ে বললো, "হ্যাঁ... মানে না... হ্যাঁ...আআ" 


তারা নাপিতের কাছে পৌঁছে গেল। সে ফ্রী ছিল এবং কেবল তার কাঁচি তীক্ষ্ণ করছিল। তাদের দেখে সে থমকে গেল। 

নাপিত একজন মধ্যবয়সী লোক ছিল। একটি বড় কাপড়ের উপর বসার জন্য একটি ইট ছিল। এর পাশে একটি বাক্স রাখা ছিল। আর তার পাশে ছিল কাটা চুলের স্তূপ। আরতি দ্রুত ইটের উপর আড়াআড়ি পায়ে, চুল নাপিতের দিকে মুখ করে বসল। তিনি বসার সাথে সাথে তার ক্লিপটি সরিয়ে ফেললেন। তার চুল এত লম্বা ছিল, এটি মাটিতে স্পর্শ করেছিল এবং সেখানে স্তূপে দলা পাকিয়েছিল। সে বলল, "মাথা ন‍্যাড়া করুন প্লিজ" যশের হৃৎপিণ্ড একটা স্পন্দন এড়িয়ে গেল। নাপিত অবাক হলো না। সে ধীরে ধীরে বললো, "মাথা মুণ্ডনের জন্য ঘুরে যাও" সে ঘুরেছিল, এবং এখন নাপিতের মুখোমুখি হয়েছিল। নাপিত তার কাঁধে হাত পাঠিয়ে চুলগুলো আঁকড়ে ধরে তার দুই পাশ দিয়ে সামনের দিকে নিয়ে এল। তার চুল এখন দুই ভাগে বিভক্ত। তারপরে তিনি বাম অংশটি নিয়েছিলেন এবং একটি গুছি তৈরি করার জন্য এটি তার হাতের চারপাশে মুড়িয়েছিলেন। তিনি ডানে একই কাজ করেছেন। তারপর সে উঠে দাঁড়াল এবং একটি সাদা কেপ নিয়ে তার পিছনে গেল এবং ধীরে ধীরে তাকে কেপ দিয়ে ঢেকে দিল। 

নাপিত যশের দিকে ফিরে জিজ্ঞেস করল, "তুমি এটা কামানো চাও?" 

যশ আবার তোতলা হয়ে উঠল, “উম…না, হ্যাঁ। শুধু তার চুল কামানো" 


নাপিত কাষ্ঠহাসি হেসে বলল, "ওর সুন্দর চুল আছে" নাপিত তখন তার টুল বক্স থেকে একটি ক্ষুর বের করে তাতে নতুন ব্লেড ঢুকিয়ে দেয়। নাপিত তখন মাথাটা সামনের দিকে বাঁকিয়ে তার কাছে পানির বোতলটা নিয়ে তার মাথায় ঢেলে দিল। তারপর আস্তে আস্তে গুছি খুলে তার ভিতরে আঙ্গুল ঢুকিয়ে তার মাথার ত্বকে বৃত্তাকার দিকে নাড়াতে লাগলো। আরতি ম্যাসাজ উপভোগ করলো। যশও উত্তেজিত হয়ে উঠছিল। নাপিত তখন চুলের গোড়ায় আঁকড়ে ধরে এবং বারবার শেষ পর্যন্ত আঙ্গুলগুলি পিছলে যেতে থাকে। অবশেষে ম্যাসাজ সম্পূর্ণ হল, এবং নাপিত চুল দুটি ভাগে বাম এবং ডানে ভাগ করে, সামনে থেকে পিছনের সবটুকু, এবং অংশগুলিকে সামনে ছুঁড়ে দিল। কিছু চুল তার কোলে, অন্যগুলো ভূমি স্পর্শ করেছে। 

আরতি বলল, “ওহ! আমার স্কুল হেয়ারস্টাইল। তোমার মনে আছে আমার দুই পাশের পোনি ঠিক কতটা ছিল" যশ পাল্টা জবাব দিল, "হ্যাঁ, আছে, পার্থক্য হল তোমার চুল তখন কাঁধ পর্যন্ত ছিল" আরতি কিছু বলার আগেই নাপিত তার মাথা এমনভাবে বাঁকিয়ে নিল যে তার চিবুক তার বুকে স্পর্শ করল, তারপর ক্ষুরটি নিল। 

তার মাথার কেন্দ্রে ব্লেডটি স্পর্শ করে তিনি ধীরে ধীরে ডানদিকে সরান। একটা সাদা টাক দাগ দেখা দিল। যশ আগের চেয়ে বেশি উত্তেজিত ছিল। কামানো বিখণ্ড চুলগুলি পড়ে গেল কিন্তু তার কাঁধে থেমে গেল। নাপিত টাকের জায়গাটা আঙ্গুল দিয়ে ছুঁয়ে আবার ক্ষুরটা রাখল, এবার বেশ দ্রুত চালাল। আরও বেশি তার স্বাস্থ্যবান চুল পড়ে গেছে। 


নাপিত তখন তার বাম দিকে ক্ষুর চালাতে শুরু করে এবং তার টাকের দাগ আকারে বেড়ে যায়। নাপিত তারপর ডান দিকে সরে গেল। তিনি একবার থামলেন, তার ডান কাঁধে জমে থাকা সমস্ত ভেজা চুল তুলে মাটিতে ফেলে দিলেন। সে তার মাথা বাম দিকে বাঁকিয়ে তারপর কেন্দ্রের কাছে রেজার রেখে তার ডান কানে পর্যন্ত লম্বা খাবল দিতে শুরু করে। ঘাই চালিয়ে তিনি পিছনে সরে যান। তার চুল একবার কামানো তার সামনে পিছলে যেতে শুরু করে। নাপিত অন্য অংশের তুলনায় তার চিপে ক্ষুরটি বেশি চালায়। তার মাথার ডান দিকটা প্রায় পরিষ্কার হয়ে গেছে। আরতি অনুভব করতে পারল শীতল হাওয়া। তার ডান পার্টিশনের সামনে থেকে শুধু চুল বাকি ছিল। নাপিত বাম পাশ দিয়ে একই কাজ করেছে, এবং তার সামনের চুল এখন পর্যন্ত রেহাই পেয়েছে। আরতির আশেপাশের জমিন কালো পুঞ্জ দিয়ে ছেয়ে গেছে। 


নাপিত ক্ষুর দিয়ে থামল। তিনি তারপর সামনের চুলের পার্টিশন বিগঠিত করে ফেললেন, এবং সামনের সমস্ত চুল মিশ্রিত করলেন। তার ছেড়ে যাওয়া কেশরাজির মধ্যে দিয়ে চুলগুলি স্লাইড করার পরে, সে আবার শুরু করল, এখন চুলগুলি সামনে এমনভাবে ছুঁড়েছে যাতে এটি আরতির মুখ ঢেকে যায়। 

তাই ক্ষুরটি মাঝখানে রেখে সামনের দিকে ছোট ছোট ঘাই দিতে লাগলেন। প্রতিটি আঘাতে তার কিছু চুল মাটিতে পড়ে যায়। আরতি শেভ উপভোগ করছিল তাই যশও ছিল। আরও কিছু আঘাতের পর শেষ কুচিটি বাকি ছিল। নাপিত খুব ধীরে ধীরে এটি মুণ্ডন করে। নাপিত তখন তার মাথায় হাত চালায়, পরীক্ষা করে এবং এটি মসৃণ করার জন্য ক্ষুরটি আবার চালায়। শেষ হয়ে গেলে তিনি যশের দিকে ফিরে বললেন, "এটা পরীক্ষা করে দেখুন" 

যশ তার মাথা ছুঁয়ে দিল, খুব ধীরে ধীরে। তার একটি খুব ভিন্ন সংবেদন হলো। যখনই তিনি তার মাথায় স্পর্শ করতেন তখন তিনি একটি নরম কুশনে অভ্যস্ত ছিলেন, কিন্তু এখন এটি ভিন্ন। হাত চালাতে গিয়ে আরতি জিজ্ঞেস করল, "কেমন?" 

যশ উত্তর দিল, "ধন্যবাদ" এবং তারপর নাপিতের দিকে ফিরে তার কাজ অনুমোদন করল। নাপিত ধীরে ধীরে কেপটি খুলল এবং আরতিকে একটি আয়না দিয়েছিল যখন সে তার মাথায় আফটার শেভ লোশন লাগিয়েছিল। আরতি নিজেকে চিনতে পারল না। সে তার মাথা ছুঁয়ে অবাক হয়ে গেল। উঠতে উঠতেই যশকে জড়িয়ে ধরল সে। সে অবাক হয়ে বলল, "এটা এখন খুব হালকা" যখন তারা তাকে টাকা দিয়ে চলে গেল তখন নাপিত ঝাড়ু দিতে শুরু করেছিল। তার চুল পুরানোটির কাছাকাছি একটি দ্বিতীয় গাদা তৈরি করেছে। যশ যখন বাইকে তার পিছনে বসেছিল তখন সে অভিযোগ করেছিল, "আমি খোঁপা মিস করছি..." আরতি হেসে বলল, “এখন খোঁচাভাব উপভোগ কর। আমার পরিকল্পনা অনুযায়ী আমাদের পরবর্তী গন্তব্য..." 

যশ তাকে বাধা দিল, "প্ল্যানটা কেটে দাও, চলো শেষ গন্তব্যে যাই, আমার বাড়ি... আমি রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারব না" আরতি খিলখিল করে হেসে উঠল। যশ হেসে বললো, "আমি তোমাকে বলছি, এটা শেভ করার জন্য তুমি আফসোস করবে না" 


Translated from HC&S stories

Friday, July 3, 2015

কুচ বরণ মেয়ে তার মেঘ বরণ চুল (২য় খণ্ড)

লিখেছেন : সন্ধ্যা প্রদীপ

এমন সেলিব্রিটি ইমেজ নিয়ে তার দিনগুলো ভালই কাটছিল এমন সময় ডিপার্টমেণ্টের একটি ব্যাচের নবীনবরন উপলক্ষে অনেক বড় অনুষ্ঠান করার প্রস্তুতি শুরু হলো। সব ব্যাচ অংশ নেবে এতে। সে যেন এক আনন্দ মেলা। প্রতি দিন বিকেলে রিহার্সেল হয়,আড্ডা হয় আরো কত কিছু। একটা ফ্যাশান শো আর একটি যুগল নাচ। পার্টনার তিন ব্যাচ সিনিয়র রিয়াদ ভাই। রিহার্সাল চলতে লাগল পুরোদমে। রিয়াদ ছেলে হিসাবে বেশ হ্যান্ডসাম, জান্নাত তাকে আগেও অনেকবার দেখেছে কিন্ত এই প্রথম বার কাছে থেকে ভাল করে লক্ষ্য করল। কি চমৎকার তার কথা বলার ভঙ্গি আর কি চমৎকার তার ব্যাক্তিত্ব। এই রিহার্সালের মধ্যে দিয়ে সবার সাথে সবার অনেক খাতির হয়ে গিয়েছে। জান্নাত যদিও অন্য সবার ব্যাপারে খুব সাবলীল কিন্ত রিয়াদ ভাইর কাছে তার কেমন যেন একটা সঙ্কোচ রয়েই গেল। যদিও সেটা শুধু সাধারন ক্ষেত্রে, রিহার্সালে তারা দুজনেই খুব ভাল করতে লাগল। তার ছোট চুল তাই তাদের জন্য ঠিক করা হয়েছে ওয়েষ্টার্ন গান। তাদের বোঝাপড়া এক্ষেত্রে এত ভাল হয়েছিল যে অন্যরা তাদের কাজ ফেলে ওদের রিহার্সাল দেখত।

আজকাল জান্নাতকে কেমন যেন একটা নেশায় পেয়ে বসেছে। সারাদিন বিকেলের জন্য মন উতলা হয়ে থাকে। আর বিকেল চলে গেলেও স্মৃতিগুলো পিছু ছাড়তে চায় না। সে বার বার নিজেকে আয়নায় দেখে আর নিজের মনেই হাসে। এর মাঝেই একদিন সে রিয়াদ আর তার বন্ধুদের কিছু আলোচনা শুনে ফেললো। মাস্টার্সের ব্যাচের কিছু ছাত্রছাত্রী ডিপার্টমেন্টের ক্যান্টিনের বারান্দায় বসে আড্ডা দিচ্ছিল ভেতরের ঘরে যে সে আছে তারা সেটা খেয়াল করেনি তাই এটা সেটা বলতে বলতে একজন হঠাৎ বলে ফেললো– আমি যে নাটকটা লিখেছি তাতে রিয়াদ কে নায়ক করবো ভাবছি কিন্ত মনমতো নায়িকা পাচ্ছিনা। অন্য একজন বলল কেন ওর পার্টনারকে নিয়ে নে। আগেরজন বললো, নাহ! ঐ মেয়ের তো চুল নেই গ্রাম ভিত্তিক কাহিনীতে একদম মানাবে না। অন্য আর একজন বললো, মেয়েটাকে কিন্ত আমাদের রিয়াদের সাথে খুব মানায়, পার্টনারশিপটা পার্মানেন্ট করে নে, কি বলিস রিয়াদ? তখন রিয়াদ বিব্রত গলায় বলে উঠল, আরেহ কি যে বলিস তোরা।বাজে কথা বলিস না। সবার একচোট হাসির মাঝেই একজন মেয়ে বলে উঠল, ওখানেও তো একই সমস্যা, চুল! আমাদের রিয়াদ দেখতে হাইফাই হলে কি হবে পছন্দ একদম কবরী-ববিতার যুগের মত ঘন কালো কেশবতী কন্যা। বয়কাট দিয়ে কি আর ওর মন ভরে? সবাই আর একচোট হেসে উঠল।

এইসব আলোচনা শুনে জান্নাতের গালদুটো লাল হয়ে উঠল। সে মনে মনে ভাবল, ও তাহলে আমাকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, আমার চুল নিয়ে মজা করা হচ্ছে?রূমে ফিরে আয়নাতে নিজের চেহারা দেখে চুল কাটার পর প্রথমবার তার আফসোস হলো। বারবার মনে হতে লাগল, ইশ যদি চুলগুলো এভাবে কেটে না ফেলতাম তবে কেউ আর আমাকে নিয়ে মজা করতে পারত না। একটা দিন তার এইসব ভাবনাতেই কেটে গেল, এমনকি সে ক্লাসে বা রিহার্সেলেও গেল না। তারপর হঠাৎ তার মনে হলো আচ্ছা, আমি তো আমিই।আমার চুল বা অন্য কিছু তো আমি নই শুধু আমার দেহের একটা অংশ। সেটা সাময়িকভাবে না থাকতে পারে কিন্ত আমি তো সম্পূর্নই রয়েছি তার সামনে। আমার সাথে মিশে আমাকে চেনার ও কাছ থেকে জানার সুযোগ সে পাচ্ছে। এতকিছুর পর যদি মানুষ হিসাবে আমাকে তার ভাল লাগে তবে সে নিশ্চয় চুলের মত তুচ্ছ কোনো বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাবে না। আর যদি কারো কাছে আমার চেয়ে আমার চুল বড় হয়ে দেখা দেয় তো সেই মানুষকে আমার দরকার নেই। নিজের এভাবে বুঝিয়ে জান্নাত মনটাকে স্থির করে।

পরদিন থেকে সে আবার রিহার্সেলে যাওয়া শুরু করে। রিয়াদের সেই বন্ধু অবশেষে নাটকের নায়িকা হওয়ার জন্য তাকে প্রস্তাব দেয়, অবশ্য তার জন্য একটা পরচুলা আনা হবে বলে ঠিক করা হয়। জান্নাত ভেবেছিল না করে দেবে কিন্ত হায়রে মানুষের মন! মোহ থেকে বের হওয়া কি এত সোজা? আর কিছু না হোক রিয়াদ ভাইয়ের একটু কাছে থাকা, তার গায়ের পারফিউম আর সিগারেটের ধোঁয়া মিশ্রিত পুরুষ পুরুষ গন্ধ, তার কথা শোনা। এটুকু ভাললাগার জন্যেই সে প্রস্তাব ছাড়তে পারেনা। একমাসের রিহার্সেলের পর দারুন একটা প্রোগ্রাম হয়। জান্নাত অনেক প্রশংসা পায়। তারপর দিন কাটতে থাকে আপন গতিতে। পরীক্ষা শেষে রিয়াদের বিদায়ের সময় হয়ে আসে। তারা পরিচিতদের নিয়ে একটা বিদায়ী ডিনারের আয়োজন করে কিন্ত বিশেষ নিমন্ত্রন সত্ত্বেও জান্নাত সেখানে যায় না। কেন যায় না তা সে নিজেও জানে না। বরং সেদিন সে পার্লারে গিয়ে ২য় বারের মত ন্যাড়া করে আসে।

এরপর কেটে গেছে আরো একটা বছর। জান্নাত এবছর অনার্স ফাইনাল দেবে। বহু ব্যস্ততার মাঝে তার দিন কাটে। কখনও হঠাত করে তার রিয়াদের কথা মনে হয় খুব অল্প সময়ের জন্য। আসলে মোহ অনেকটা বৃক্ষের মত, তার বীজ বপনের পর যত্ন করলে তবেই চারা বের হয় আর একদিন তা বিশাল আকার নেয়। জান্নাতের মনে মোহের বীজ বপন হয়েছিল সেইসব দিনে, চারাও গজিয়েছিল কিন্ত সে বুদ্ধিমান তাই হাওয়া পানি দিয়ে সেটাকে আর বড় হতে দেয়নি। নিজের জীবনে চেয়ে না পাওয়ার বেদনার কূপ খনন করেনি। শুধু মাঝে মাঝে হঠাৎ একটু ফিরে তাকায় মোহের চারাটির দিকে। ব্যস এ পর্যন্তই। সে শুধু একটা হিসাব মেলাতে পারেনা। নাটকের দিন স্টেজে ওঠার আগে লাল-সবুজ গ্রামীনচেক শাড়ি, রেশমি চুড়ি পড়ে যখন সে রিয়াদের সামনে যায় তখন রিয়াদের চোখে এক অদ্ভুত দৃষ্টি ছিল।নিজের স্বপ্ন পুরুষের চোখে তীব্র মোহ আর মুগ্ধতার প্রথম দৃষ্টি যে দেখেছে সেই নারীমাত্রই জানে সে দৃষ্টি কেমন। জান্নাত হিসাব মেলাতে পারেনা, সেই দৃষ্টির কারণ কি সে না তার লম্বা নকল চুল সে তা আজও বোঝে না।

কুচ বরণ মেয়ে তার মেঘ বরণ চুল (১ম খণ্ড)

লিখেছেন : সন্ধ্যা প্রদীপ

উইমেন্স বিউটি পার্লারের বারান্দায় নিতু চুপচাপ বিমর্ষ চেহারা নিয়ে বসে ছিল। জান্নাত যখন ভেতর থেকে কাজ সেরে তার সামনে এসে দাঁড়ালো তখন আক্ষরিক অর্থেই নিতুর চোখ প্রমান সাইজ রসগোল্লার মত হয়ে গেল। সে কিছুক্ষণ কিছু বলার চেষ্টা করে না বলতে পেরে প্রায় কাঁদোকাঁদো হয়ে গেল এবং বলেই ফেললো, তুই শেষ পর্যন্ত সব শেষ করেই দিলি? জান্নাতের মুখে তখন এক বিচিত্র হাসি, তাতে কিছুটা কৌতুক কিছুটা বিদ্রুপ আর হয়ত একটু সহানুভূতি। সে দুহাতে নিতুকে জড়িয়ে ধরে বললো, রাগ করিস না লক্ষ্মীটি। তুই তো জানিসই কেন চুলগুলো কাটা জরুরী ছিল। নিতু নিজেকে জান্নাতের আলিঙ্গন থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে প্রায় কান্নার স্বরে বললো তাই বলে তুই একেবারে টাক করে ফেলবি? যদি একটা বয়কাট দিতি তাহলেও এত খারাপ লাগতো না, তোর এত সুন্দর চুল!একটু মায়াও লাগলো না সব কেটে ফেলতে? আসলে নিতু জান্নাতের প্রাণের বন্ধু তাই এই চুল কাটার অভিযানে নিতুকে সে সাথে এনেছে। যদিও সে এব্যাপারে মোটেও রাজি ছিল না তাই পার্লারের মেয়েটা যখন এত্তবড় কাঁচি দিয়ে ঘ্যাঁচ ঘ্যাঁচ করে তার ঘন কালো চুলের বোঝা কেটে দিচ্ছিল তখন নিতু আর সহ্য করতে না পেরে বাইরের বারান্দায় এসে বসেছে। পার্লারের মেয়েটারও মনে হয় এত সুন্দর চুল এভাবে কাটতে মন চাইছিল না তাই সে বার বার জিজ্ঞাসা করছিল আসলেই সে মাথা ন্যাড়া করবে কিনা। সেখানে উপস্থিত সবাই ওকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করছিল কিন্ত জান্নাতের এক জিদ।

নিতুর অভিযোগ জান্নাত মোটেও গায়ে মাখল না বরং নিজের ন্যাড়া মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, দেখ আমার খুলির সাইজ দেখার এমন সুযোগ আর পাবি কখনো? আমার মাথাটা বেশ সুন্দর না? ন্যাড়া মাথাতেও আমাকে বেশ গর্জিয়াস লাগছে, তাইনা? নিতু মুখ বাঁকিয়ে বললো আর ঢং করিস না। তোকে দেখতে প্রমাণ সাইজ কাতল মাছের মত লাগছে। রোনালদো ও তোকে দেখলে চমকে যাবে। জান্নাত একটা অট্টহাসি দিয়ে ব্যাগ থেকে রঙ্গিন একটা স্কার্ফ বের করে মাথায় জড়িয়ে নিল তারপর বলল, চল আজ এই বিশেষ দিনে সঙ্গদানের জন্য তোকে গ্রিল চিকেন খাওয়াই। এই বলে সে নিতুকে টানতে টানতে একটা রেস্টুরেন্টের দিকে নিয়ে গেল। সন্ধ্যায় হলে ফিরে বাথরুমে গোসল করতে ঢুকে সে নিজের মাথায় হাত বুলিয়ে নিঃশব্দে কিছুক্ষণ কেঁদে নিলো। তার চুলগুলো তার নিজেরও ভীষন প্রিয় ছিল। কিন্ত কি করা তার সিদ্ধান্তে সে অটল।

ছোটবেলা থেকেই জান্নাত বেশ রূপসী।মাঝারি উচ্চতার, মাঝারি স্বাস্থ্যের জান্নাতকে দেখতে অনেকটা পুতুল পুতুল লাগে। ফর্সা গায়ের রং, ফোলা ফোলা গালে গোলাপী আভা। তার মিষ্টি চেহারাটাকে ফ্রেম করেছে কোমর ছাড়িয়ে যাওয়া এক রাশ কুচকুচে কালো চুল। কিন্ত এই মুগ্ধ করা রূপই তার জীবনের সমস্ত দুঃশ্চিন্তার কারণ। তাদের যৌথ পরিবার তাই সবাই একবাড়িতেই থাকে। জান্নাতের বাবা বেশ পুরোনো চিন্তার লোক। জান্নাতের মনে হয় তার বাবার জীবনের একটাই লক্ষ্য আর সেটা হচ্ছে জান্নাতের বিয়ে দেয়া। আর পাড়ার মানুষজনও যেমন, সে যখন ক্লাস এইটে পড়ে তখন পাড়ার এক চাচি তার ভাইয়ের সাথে জান্নাতের বিয়ের সম্বন্ধ নিয়ে আসে। ব্যস, সেই থেকেই বাবার মাথায় ঢুকেছে মেয়ের বিয়ের পোকা। যদিও তিনি মেয়েকে খুবই ভালবাসেন, সব আবদার রাখেন কিন্তু এই পোকা তার মাথা থেকে বের করা অসম্ভব।বড় চাচুমনিও জান্নাত কে খুবই আদর করেন কিন্ত তারও এক অভিমত। কেউ যদি বিয়ের কথা পাড়ে অমনি দুই ভাই মিলে লেগে যায় খোঁজখবর করতে। আপত্তি করলেই শুরু হয় লেকচার, এই বাড়ির কোন মেয়ের কত কচি বয়সে বিয়ে হয়েছিল; মা চাচীরা কত কম বয়সে বালিকাবধূ হয়ে এই বাড়িতে এসেছিল ইত্যাদি।

বড় চাচুমনি তো তার মেয়ে ফারিহা আপুকে কলেজ শেষ হতে না হতেই বিয়ে দিয়ে দিল। ফারিহার গায়ের রঙ ছিল শ্যামলা। চাচুর এক কথা অসুন্দর মেয়ে ঘরে জিইয়ে রাখার কোনো মানে হয় না, ইঞ্জিনিয়ার পাত্র পাওয়া গেছে এখনি বিয়ে দেয়া উচিৎ। আপু কত মন খারাপ করল, কত কাঁদল তবু কেউ কথা শুনল না। অথচ আপু পড়ালেখায় কত ভাল ছিল, জান্নাতের চেয়েও ভাল। নির্ঘাত সে ঢাকা ভার্সিটিতে ফাটাফাটি একটা সাবজেক্ট নিয়ে পড়তে পারত। কিন্ত বিয়ের পরে তার আর পড়া হল না, দুবছরের মধ্যে বাচ্চা হয়ে গেল তাই স্থানীয় কলেজে ভর্তি হয়েও শেষে ছেড়ে দিতে হলো। জান্নাতের ক্ষেত্রে চাচুর যুক্তি হচ্ছে সুন্দর মেয়ে বেশি দিন ঘরে রাখতে হয় না। কি অদ্ভুত যুক্তি!

জান্নাতের তার পরিবারের এইসব চিন্তাই অসহ্য লাগে। মা-চাচিও যেন কেমন, হ্যাঁও বলেনা নাও বলেনা। একমাত্র ছোট চাচুমনি তাকে একটু সাপোর্ট দেয় কিন্ত বাবাদের ভয়ে সেও বেশি কিছু করতে পারেনা। জান্নাতের এসএসসি পরীক্ষার পর তো তার বাবা এক মোল্লার সাথে তার বিয়ে প্রায় দিয়েই ফেলেছিল। জান্নাতের কান্না দেখে ছোটচাচু যদি গোপনে নাবালিকা বিয়ের অপরাধে পুলিশের ভয় দেখিয়ে ঐ পার্টিকে না ভাগাতো তাহলে তার আর এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া হত না। জান্নাত পিওর হাউসওয়াইফ হওয়ার কথা চিন্তাই করতে পারেনা। তার জীবনে কত্ত স্বপ্ন! বাড়িতে থাকলে মা-চাচিদের জীবন দেখলে তার অবশ্য খারাপ বলে মনে হয় না। সবাইকে দেখেশুনে রাখা, সবার যত্ন করা, বাচ্চাদের মানুষ করা সব মিলিয়ে কেমন একটা স্নিগ্ধ মায়া আছে তাদের জীবনে। কিন্ত জান্নাত নিজের জীবন থেকে আরো বেশি কিছু চায়। কতকিছু জানার আছে, দেখার আর শেখার আছে।তার ইচ্ছা সে অনেক পড়ালেখা করবে তারপর একটা ভাল চাকরি করবে। তখন সে যখন যা ইচ্ছা কিনতে পারবে। পরিবারের সবাইকে এটা সেটা কিনে দিতে পারবে, আর তার খুব ইচ্ছা পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়াবে। তবে সবচেয়ে বড় হচ্ছে স্বাধীন আর স্বাবলম্বী হওয়া। এসবের জন্য তো তাকে মন দিয়ে পড়ালেখা করতেই হবে।

জান্নাত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে প্রায় পাঁচ মাস হতে চলল। গরমের ছুটি শুরু হয়েছে এবার বাড়ি যাওয়ার পালা কিন্ত ছোট ভাইয়ের কাছে সে শুনেছে বাবা আবার পাগলামি শুরু করেছে জান্নাত বাড়িতে গেলেই ছেলেপক্ষ তাকে দেখতে আসবে। অনেক ভেবে তাই সে ঠিক করেছে যে নিজের চুল কেটে ফেলবে। এবার তো আর বয়সের অযুহাত দিয়ে ঠেকাতে পারবে না কিন্ত চুলহীন কোনো মেয়েকে নির্ঘাত ছেলে পক্ষ পছন্দ করবে না। তার এই প্রস্তাব শুনে বান্ধবীরা সবাই একযোগে আর্তনাদ করে উঠেছিল। তখন জান্নাত বলেছিল, তোরা কি চাস আমাকে কোনো হুজুরের সাথে বিয়ে দিয়ে দিক আর সমস্ত জীবন আমাকে পর্দাঘেরা বাড়ির মধ্যে কাটাতে হোক। নিশাত বলেছিল, কিন্ত তুই চুল কাটলে বাসার সবাই বকবে না? জান্নাত বলেছিল তা বকবে কিন্ত কিছু একটা বলে ম্যানেজ করা যাবে আশা করি। সবাই আমাকে অনেক ভালবাসে কিন্ত যদি শুধু এই বিয়ের পাগলামিটা না করত! বর্ষা তার স্বভাবসুলভ ঢংমেশানো স্বরে বলেছিল, ইশ তুই চাস না কিন্ত তোর বাবা মা কি সুন্দর তোর বিয়ে দিতে চায়। আমি বিয়ে করতে চাই কিন্ত আমার বাবা মা একবারও সে কথা বলে না। তার কথা শুনে সবাই একচোট হেসেছিল।

শেষ পর্যন্ত জান্নাতের ইচ্ছে পূরণ হলো।বাসায় যাওয়ার পর তার ন্যাড়া মাথা দেখে সবাই আঁতকে উঠল, জান্নাতের মা তো প্রায় মূর্ছা যায় এমন অবস্থা। সবাই যখন জানতে চাইলো কেন এমন হল তখন সে সরল মুখ করে বলেছে, তোমরা তো জান না হলের গণরুমে কত তেলাপোকা। রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম তেলাপোকাতে জায়গায় জায়গায় চুল এমন ভাবে কেটেছে যে শেষে চুল ন্যাড়া করতে হলো। আরো দুজন মেয়ের এমন ন্যাড়া করতে হয়েছে। নইলে কি আমার এমন সুন্দর চুল আমি ন্যাড়া করি? যতই আজব হোক এমন অকাট্য যুক্তি না মেনে আর উপায় কি? তাই বাসার লোক শান্ত হলো, বিয়ের আপদও বিদায় হলো। দিন যায়, জান্নাতের চুল বড় হয়ে ঘাড় ছেয়ে পড়ে কিন্ত জান্নাত প্রতিবার বাড়ি যাওয়ার আগে ছেলেদের মত করে চুল ছেঁটে ফেলে। ছোট চুলেও জান্নাতের মুখের মিষ্টতা ম্লান হয় না কিন্ত ছেলের মায়ের মেয়ের চুল দেখে পছন্দ হয় না তাই বিয়ের কথাগুলো আগায় না। এভাবেই দুটি বছর কেটে গেল। জান্নাতের পড়ালেখার খাতিরে চুল বিসর্জন দেয়ার কাহিনী বান্ধবীদের মুখ থেকে অনেকেই জেনে গিয়েছে। এইজন্য সমস্ত হলে তাকে সবাই বিশেষ শ্রদ্ধার চোখে দেখে। জুনিয়রদের কাছে তো সে রীতিমত বিদ্রোহী নারীত্বের প্রতিমূর্তি।

Tuesday, April 21, 2015

পানিপুরি ও মাথা মুড়ানো

হাই বন্ধুরা আমি রাধিকা। আমার বয়স ২৩ বছর। আমার কটিদেশ পর্যন্ত লম্বা রেশমী চুল ছিল। ছোটবেলা থেকেই আমি লম্বা চুল করতে খুব আগ্রহী ছিলাম। সাম্প্রতিক কালে আমার বিয়ে হয়েছে আমার থেকে ২ বছরের বড় এক পুরুষের সঙ্গে। আমার বিয়ের পর আমি গড়পড়তা ভারতীয় মেয়েদের মত আমার বরের বাড়িতে গিয়েছিলাম। আমার শ্বশুরবাড়িতে সবাই আমার প্রতি খুবই স্নেহশীল ও আমাকে অনেক আদর করেন। এখানে আসবার ২৮ দিন পর একদিন আমার শাশুড়ি এবং শ্বশুর তাদের মেয়েদের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তারা বলেছিল যে তারা ১ বছরের জন্য বাড়িতে ফিরবে না। 

একদিন আমি আর আমার স্বামী রাস্তার ধারে পানিপুরি খাচ্ছিলাম। রাস্তায় সবাই আমার লম্বা চুল দেখে আমার সম্পর্কে কথা বলছিল। এটা আমার স্বামীকে রাগান্বিত করেছিল। পানিপুরির দোকানের পাশেই একখানা নাপিতের দোকান আছে। সেখানে একটি অল্পবয়সী মেয়ে এবং তার বাবা দোকানে ছিল। সেই বাবা তার মেয়ের মাথা মুড়োতে বলেছিলেন। আমার স্বামী তাদের দিকে গম্ভীরভাবে তাকিয়ে ছিল। কিন্তু মেয়েটি তার বাবার কাছে তাকে ছেড়ে যাওয়ার জন্য অনুনয় করছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি। অবশেষে সে মাথা খেউরি করানোর জন্য রাজি হয়। অতঃপর আমাদের পানিপুরি খাওয়া শেষ হয়। আমার স্বামী তার জন্য টাকা দিয়েছিল। কিন্তু সে ওই জায়গা থেকে নড়ছিল না। আমি বললাম আমরা কি সরে যাব? সে বলল না আর সে বলল আমার সাথে চলো। সে ওই নাপিতের দোকানে যাচ্ছিল। সেখানে সে চুল কাটার জন্য বলল। 

তখন নাপিত বলল আমার দেরি হবে। আমার স্বামী বললেন কোন সমস্যা নেই আমরা অপেক্ষা করব। নাপিত যখন তার মাথা কামিয়ে দিচ্ছিলেন তখন আমার স্বামী তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। যখন এটি চলছিল তখন সে আমার দিকে তাকাল এবং আমার চুল স্পর্শ করে এবং বলে যে এটি খুব সুন্দর এবং এত লম্বা। অল দি বেস্ট ডিয়ার। আমি তার কথায় বিভ্রান্ত হয়ে গেলাম। আমি ভেবেছিলাম কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে। তারপর ২০ মিনিট পর তার মাথার চুল মুড়ানো শেষ হয়ে গেল। অনন্তর তারা চলে গেল। তৎক্ষণ নাপিত চুল কাটার জন্য আমার স্বামীকে ডেকেছিলেন। আমার স্বামী বলেন আসলে এটা চুল কাটানো নয় এটা মস্তক মুণ্ডন এবং এটা আমার জন্য নয় এটা আমার স্ত্রীর জন্য। তার কথা শুনে আমি চমকে উঠলাম। আমি যা ভাবছিলাম তা সত্য। তৎক্ষণাৎ আমি আমার স্বামীর সাথে তর্ক করেছি কিন্তু তাকে মানাতে পারিনি। সে বলল তুমি যদি এখানে মাথা কামিয়ে না নাও তাহলে আমি জোর করে বাড়িতে তোমার মাথা কামিয়ে দেবো। এবং আমাদের দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম না হওয়া পর্যন্ত তুমি টাক মাথায় থাকবে। সে আমাকে আমার সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য সময় দিয়েছিল। 

আমি ভেবেছিলাম আমার ১ম বাচ্চার জন্ম হবে ১ বছর পর আর ২য় বাচ্চার জন্ম হতে পারে ৩ বছর পরে। তাহলে আমি ৪ বছর ধরে টাক থাকব। তাই আমি আমার মাথা মুড়ানোয় রাজি হয়েছি। আমার স্বামী বলেছিলেন যে এটি একটি ভাল সিদ্ধান্ত। তারপর আমি নাপিতের চেয়ারে বসলাম। নাপিত আমার গলায় একটা সাদা কাপড় জড়িয়ে দিলেন। তারপর উনি আমার মাথায় পানি ছিটিয়ে দিলেন। তারপর তিনি সিঁথির মাঝখান থেকে ন‍্যাড়া করা শুরু করলেন। প্রথম স্ট্রোকের কারণে আমি ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিলাম। আমার কোলে কিছু পরিমাণ চুল পড়ে। তারপর তিনি ২০ মিনিটের মধ্যে আমার মাথা মুড়ানো সম্পন্ন করলেন। আয়নায় নিজেকে কেশশূন্য অবস্থায় দেখে আমি হতবাক হয়ে গেলাম। নাপিত আমার মাথায় শেভিং ফোম লাগিয়ে আবার চাঁছলেন। আমার স্বামী আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে নাপিতকে আবার শেভ করতে বলল। 

তিনি আবার কামালে এবার আমার স্বামী সন্তুষ্ট হলেন। এরপর নাপিতকে টাকা দিয়ে বেরিয়ে এলেন। আমার স্বামী বলেছিল যে দেখো প্রিয়া মনে করো না তুমি তোমার সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলেছ তোমার সৌন্দর্য চুলে দেখা যায় নি। এটা তোমার মুখমণ্ডলে দেখা গেছিল। আমাদের সমস্ত আত্মীয়রা আমার মাথা–মুড়োনোর জন্য হতবাক হয়ে গিয়েছিল। তারা সবাই এ বিষয়ে আমার স্বামীর কাছে জানতে চাইলে সে বলে এই সিদ্ধান্ত রাধিকার। ১ বছর পর আমার প্রথম সন্তান হলো। এসময় আমার বয়কাট দৈর্ঘ্যের চুল আছে। আমরা সবাই আমার বাচ্চার চূড়াকরণের জন্য তিরুপতি গিয়েছিলাম। আমার সমস্ত আত্মীয়রা আমাকে মাথা ন্যাড়া করতে বলেছিল। আমি বলেছিলাম এটা অসম্ভব। তারা আমার সিদ্ধান্ত মেনেছিল এবং বলেছিল ঠিক আছে। ২ বছর পর আমার ২য় শিশুর জন্ম হয়। এই সময় আমার চুল আমার নিতম্ব পর্যন্ত রয়েছে। আমি আমার চুলের বৃদ্ধিতে খুশি ছিলাম। যখন আমরা আমার ২য় শিশুর চূড়াকরণের জন্য তিরুপথিতে গিয়েছিলাম তখন সবাই আমায় মুড়ানোর জন্য বলেছিল। এইবারও আমি না বলেছিলাম। 

কিন্তু এবার তারা মেনে নেয়নি। তারা বলেছিল এটাই প্রথা বাবা-মায়ের মাথা কামানো উচিত। এখন আমি আমার চুল নিয়ে দুঃখিত হয়ে উঠি। অতএব মুড়োনো ছাড়া আমার কোন উপায় নেই। সেহেতু আমি মুণ্ডনের জন্য প্রস্তুত হলাম। আমি মুণ্ডন হলে গিয়ে একজন নাপিতের সামনে বসে মাথা কামানোর জন্য বললাম। তিনি ২ মিনিটের মধ্যে আমার মাথা কামিয়ে ফেললেন। এখন আমি ২য় বার সম্পূর্ণ টাক হয়ে গিয়েছিলাম। এই সময়ের মধ্যে আমি প্রতি বছর এবং প্রতি গ্রীষ্মের জন্য আমার মাথা ন‍্যাড়া করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আমার চুল লম্বায় বাড়ানোর চিন্তা ছেড়ে দিয়েছি।

Wednesday, January 28, 2015

মালা চ‍্যাটার্জীর ন‍্যাড়া অভিযান (১৮+) [শেষ ভাগ]

একটি মেয়ে যখন যৌনসঙ্গমের গল্প শেয়ার করতে আসে তখন তার লুকানোর কিছুই থাকে না, সেটা তার স্বামীর সাথেই হোক বা একজন ছেলে বন্ধুর সাথে (অবশ্যই আমি নীলকে ফিরে আসার পর সে সম্পর্কে সব বলেছিলাম। সে শুধু অভিভাবকীয় ভঙ্গিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছিল – না কেন তুমি তোমার পায়ের মধ্যে তার শিশ্ন নিয়েছিলে? - যা খুব সাধারণ হবে। আমার স্বামী আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে ঠিক যতটা আমি তাকে বাসি - তিনি বিদ্বিষ্ট হয়েছিলেন কেন আমি একজন অচেনা পুরুষ নাপিতকে তার লূঁঢ়টিকে আমার শরীরে প্রবেশ করতে দিয়েছিলাম, এবং তাও , আমার মধ্যে সরাসরি বীর্যপাত করার জন্য, যদিও আমি কিছুই জানতাম না যে সে ভিডি (যৌনব্যাধি) বহন করছে নাকি এইচআইভি বা হেপাটাইটিস-বি, যা যৌন সংক্রমিত?) আমি বললাম – তুমি যদি তার পাংশুকেশী, ৯ ইঞ্চি বাড়া এবং তার রেশম-কোমল অণ্ডকোষ দেখতে , তুমি নিশ্চিত হতে তিনি বাগান থেকে তাজা। যাই হোক না কেন, তারপর এসেছিল আমার স্বপ্ন- আমার মাথা মুণ্ডানোর ইচ্ছা। আমি আবার সপসপে ভিজে ম্যাক্সিটা আবার না পরে সম্পূর্ণ ল্যাংটো হয়ে বসলাম, আমার নগ্ন শরীরের উপর বাসি, ট্যালকম পাউডারের গন্ধযুক্ত বহির্বাসের একটি সাদা কভার-পিস দিয়ে। সামনে খোলা ছিল যেহেতু সে আমার সামনের অংশটি ঢেকে দিয়েছে। আমার স্তন তার সামনের দিকে ঝুলে ছিল, এবং আমি তাকে সতর্ক করে দিয়েছিলাম যে আমার মাথা কামানোর সময় আমার স্তন দেখতে বা স্পর্শ করতে না, কারণ তখন সে প্রক্রিয়ার মধ্যে ক্ষুর দিয়ে আমাকে আঘাত করতে পারে। 

আমি তাকে আমার চুলের আস্তরণ উপরে তুলতে আদেশ দিয়েছিলাম, সে তা করেছিল। আমি তাকে তার জোড়া কাঁচি দিয়ে আমার কাকের ন‍্যায় কালো জলপ্রপাতের ধারা কাটতে বলেছিলাম, সে তা করেছিল। আমি তখন তাকে আমার মাথার ত্বকে স্পর্শ করা কাঁচি দিয়ে বাকি চুলটি কেটে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলাম, এবং সে আবার তা করেছিল। এই ক্রু কাটের পরে আমাকে একটি স্কুলের ছেলের মতো লাগছিল, যদিও অসমভাবে কাটা হয়েছে, এবং কেবল চিরে কেটেছে। 

তারপর আমি নিচু হয়ে, সে যে পায়জামা পরেছিল তার উপর তার কুঁচকির অঞ্চলে আমার মুখ রাখলাম। আমি তার পায়জামার উপর ধূসর দাগ নিয়ে কৌতুক করেছিলাম এবং সে স্বীকার করে যে এটি তার বীর্য ছিল যেটি সে ২ দিন আগে হস্তমৈথুনে বের করেছিল, কারণ সে তার শরীরে থাকা বীর্য নিয়ে ঘুমাতে পারেনি। আমি ভেবেছিলাম তার ঊরুসন্ধি দিয়ে ‘মিল্কিং অফ এ‍্যা কাউ’ স্টাইলটি করা উচিত, কিন্তু এর বিপরীত ভেবেছিলাম, কারণ পরের দিন যখন সে আমার কাছে আসবে, সে যত বেশি সময়কাল বীর্যধারন করবে ততই ভাল। 

তারপর সে আমার মাথায় পানি ছিটিয়ে মালিশ করতে লাগল। ওহ কি ম্যাসাজ. আমি হয়তো সারা জীবন পাথরের মতো ন‍্যাড়া হয়ে থাকতে পারি যদি ২৯/৩০ বছরের এমন কোনো ছেলে প্রতিদিন তার মোটা হাত দিয়ে আমার মাথায় মালিশ করে, 'বিড়ির' গন্ধ এবং সস্তা শেভিং রাউন্ডের অজানা সুগন্ধসমেত যা সে তার শেভিং কাস্টমারদের জন্য ব্যবহার করে। . সে আমার মাথাকে আদর করেনি, বরং দুদিক থেকে আমার মাথাকে উৎপীড়ন করেছে – উভয় চিপ এবং উভয় কান।

প্রায় ১৫/১৬ মিনিট পর, আমার প্রিয় নীল আমাদের তাগাদা দিতে আসে। আমাকে বিরজুকে ম্যাসাজ বন্ধ করতে এবং শেভিং শুরু করতে বলতে হয়েছিল। আমার সামনে একটি আয়না (১০ × ১২ ইঞ্চি হতে পারে) রাখা ছিল। আমি স্টিলেটো ক্ষুরটিকে আমার কোমল মাথার ত্বকের উপর পালকের মতো দৌড়াতে দেখছিলাম, এবং প্রতিবার এটি দৌড়ানোর সাথে সাথে নীলাভ বেগুনি রঙের নগ্ন মাথার একটি দাগ একসাথে যুক্ত হয়েছে, এবং ৩ মিনিটের মধ্যে, আমি ভুলে গিয়েছিলাম যে আমি কখনও লোমহর্ষক কাকের মতো কালো ঢেউ খেলানো জলপ্রপাতের ধারার তুল‍্য কালো চুল জিনিসটি বহন করেছি। যেন আমি মাথা ন্যাড়া হয়েই জন্মেছি। 

কিছু মেয়ে বলে যে তারা মাথা মুণ্ডানোর সময় কেঁদেছিল। আমার কাছে হাস্যকর লাগে। কারণ একটি মেয়ে বা এমনকি একজন বিবাহিত মহিলা যার মাথা চকচকে কামানো, যদি টাক মাথাটি মেহেন্দি ডিজাইনে রাঙিয়ে দেওয়া হয় তবে আরও সুন্দর, লম্বা লম্বা চুলের ১০০০ বছরের পুরানো স্টাইলের চেয়ে অনেক বেশি মনকাড়া এবং সেক্সি এবং আকর্ষণীয় দেখায়। 



মালা চ‍্যাটার্জীর ন‍্যাড়া অভিযান (১৮+) [দ্বিতীয় ভাগ]

সে (বিরজু) আমার মুখ ও গালে সামান্য জিলেটের ফোম লাগিয়ে তাতে জল ছিটিয়ে ফেনা তৈরি করে। এই সময় ক্যামেরা ক্রুদের একজন দেখতে এসেছিল আমরা দুজন কি করছিলাম, এবং আমাকে চোখ টিপে ইঙ্গিত দিয়ে জিজ্ঞাসা করল। আমি উত্তর দিয়েছিলাম যে আমরা সেক্স করছি না যদি সে এটাই বোঝাতে চায়। বরং বলেছিলাম যে আমি ইতিমধ্যে আমার বগলের সাথে আমার ভোদা কামিয়েছি, এবং এখন আমি আমার মুখ এবং গাল শেভ করার সময় উপভোগ করছিলাম 'ছেলেরা যেমন করে'। 


আমরা দুজনেই হাসিতে ফেটে পড়লাম, আর বিরজুও আমার কৌতুক উপভোগ করে হাসিতে ফেটে পড়ল। আমি তার দিকে চোখ টিপে বললাম যে আজ আমি ট্রেইলর-শুটে ব্যস্ত থাকব, কিন্তু তাকে অবশ্যই পরের দিন আমার হোটেলে এসে দেখা করতে হবে, ঠিক সকাল ১১-০০ টায়, কারণ পুরো ইউনিট একসাথে আমার ভবিষ্যত স্বামীর "নীল'’ সাথে আগামীকাল 'স্পট হান্ট'-এর জন্য বের হবে। বিরজু আমাকে সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ট সময় থাকতে হবে, কারণ আমি ইতিমধ্যেই বিরজু দ্বারা কামোত্তেজিত হয়েছিলাম, যার হাত আমার গোপনাঙ্গ স্পর্শ করেছিল এবং আমার মাথা ব্যথা হবে যতক্ষণ না সে নিজেই আমার মধ্যে কামনার আগুন নিভিয়ে দেয়। বিরজু অবশ্যই, পরের দিন সকাল ১০-৫০ টায় হাজির হলো, এবং ৩-৩০ টা পর্যন্ত আমার সাথে বিছানায় রইল, কিন্তু এটি অন্য গল্প।

Sunday, August 26, 2012

আমার টেকো অভিজ্ঞতা

বন্ধুরা আমি অন্ধ্র থেকে ১৮ বছর বয়সী কাব্য বলছি। আগে আমার পাছার দৈর্ঘ্যের চুল ছিল কিন্তু আমি তা মাঝারি দৈর্ঘ্যের থেকে কিছুটা কম কেটে ফেলেছি। আমার চুলগুলি লিকি এবং উকুনগুলির জন্য বনের মতো তাই আমি এটি কেটেছি যাতে আমি এরপরে সহজে সামলাতে পারি। কিন্তু কোন কাজ হয় না। আমি যদি কোনো অ্যান্টিলাইস শ্যাম্পু প্রয়োগ করি তাহলে আমার চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং পড়তে শুরু করে। তাই আমি খুব বিরক্ত হয়েছি এবং হেডশেভ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি যাতে আমি কিছু সময়ের জন্য পরিত্রাণ পেতে পারি। আমার মা এটাতে সম্মত হননি এই বলে চুল ফের বাড়তে আরও সময় লাগে। আমি তাকে আশ্বস্ত করি যে এটির জন্য খুব বেশি হলে ৩-৪ বছর সময় লাগবে। আমি ছোট চুলের স্টাইলগুলির অভিজ্ঞতা নিতে চাই। আমার মা আমার বাবার সাথে আমার মাথা মুড়ানোর সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আলোচনা করেছিলেন। এই রবিবার সকালে আমার বাবা আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন তুমি কি মাথা মুণ্ডন করতে চাও? আমি হ্যাঁ বললাম। তারপরে আমার বাবা আমাকে তার সাথে নাপিতের দোকানে আসতে বলেছিলেন যেখানে তিনি প্রায়শই যান। আমি তার সাথে গিয়েছিলাম। পথে আমি প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে চিন্তা করে খুব উত্তেজিত এবং উৎসাহী বোধ করি। আমরা পৌঁছেছিলাম। এটি বৃহৎ একটি ছিল যার প্রতিটি পাশে ৪টি করে ৮টি চেয়ার এবং ৩ জন পুরুষ নাপিত। এটি পুরুষ গ্রাহক এবং ছোট শিশুদের দ্বারা ভরা ছিল। আমরা ১০ মিনিট অপেক্ষা করলাম তারপর আমার পালা এলো। আমি গিয়ে আরাম করে বসলাম। আমার বাবা তাকে ন‍্যাড়া করতে বলেছিলেন। তারপর সে আমার গলায় সাদা কাপড় বেঁধে আমার শরীর ঢেকে দিলো। পরে আমার চুল আলগা করে গোড়া পর্যন্ত জলে ভিজিয়ে দিলো। রেজারে ব্লেড রেখেছিল এবং আমি এই সমস্ত প্রক্রিয়াটি বড় বড় চোখ করে দেখছিলাম।

সে বলে যে সে প্রথমে ঘাড় পর্যন্ত চুল কাটবে এবং তারপর চাঁছবে। তায় শেভ করা এবং সময় বাঁচানো সহজ হবে। আমি রাজি হই। সে কাঁচি নিয়ে আমার চুলের পিছনে গিয়ে কেটে দিলো। চুলের গুচ্ছ মেঝেতে পড়েছিল। আমি এটি আয়নায় দেখেছি এবং এখন সে ক্ষুর নিয়েছিল এবং আমাকে খুব নীচে ঝুঁকিয়েছিল যে আমি নিজেকে আয়নায় দেখতে পারিনি। এবং আমার মাথার মাঝখান থেকে পিছনের দিকে, বাম এবং ডান দিকে ক্ষুর সরাতে শুরু করে। চারিদিকে বৃষ্টির মত চুল পড়তে লাগল। সে আমার মাথার সামনের অংশটিও কামিয়ে দেয় আমার মাথাকে বিভিন্ন দিকে বেঁকিয়ে নিয়ে। আমি আমার মাথা ঘোরানো এবং শেভ করার এই উপায়টি পুরোপুরি উপভোগ করেছি। আমার সমস্ত চুল এখন মেঝে, আমার মুখ এবং আমার কোলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। সে আমার টাক মাথায় জিলেট জেল লাগাল এবং আমার চুলের লাইনের চারপাশে আবার মসৃণভাবে কামালো.. সে আমার গুন্ডু ঘষে এবং মসৃণ অনুভব করে এবং পরে আমার চুলের কণা মুছে ফেলার জন্য আমার ঘাড় এবং মুখ ঝেড়ে দেয়। সে আমার মাথায় কিছু পাউডার লাগালো এবং কাপড় খোলে এবং আমি আমার ঘাড় এবং কান ঢাকা চুল ছাড়া আয়নায় আমার প্রতিফলন দেখলাম। আমায় সুন্দর লাগছিল এবং এটা পছন্দ করেছিলাম। আমার বাবা সাহসী হওয়ার জন্য আমাকে প্রশংসা করেছিলেন। সেখানে সবাই আমার গুন্ডুর দিকে তাকাল এবং বলল আমি গুন্ডুর সাথে স্নিগ্ধ এবং আকর্ষণীয় ছিলাম। বাড়িতে পৌঁছানোর পর আমার মা আমাকে এবং আমার তাজা মসৃণ গুন্ডু দেখে হাসলেন খুব জোরে বললেন যে আমি খুব মজার ছিলাম কিন্তু পরে বলেছিল এটা ভাল। আমি সত্যিই এটা পছন্দ করেছি এবং আমার টাক মাথা অনেক বার মালিশ করি। 

Sunday, August 5, 2012

পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ করায় স্বাতীর শাস্তি- গল্প পোস্ট করেছেন প্রভাসূর্য

হাই এই গল্পটা স্বাতীর। একজন বিটেক অন্তিম বর্ষের ছাত্রী। তার নিতম্ব অব্দি লম্বা চুল ছিল। ও তার জ্যেঠার বাসায় থেকে পড়াশোনা করত কারণ ওর বাসা কলেজ থেকে দূরে ছিল। ওর বাবা পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছিলেন বলে তার পক্ষে আয় রোজগার করে সংসার চালানোটাই চ্যালেঞ্জিং ছিল। তাই ছোট থেকে জ্যেঠাই ওর ও ওর ছোটভাইয়ের পড়ালেখার খরচ চালাতেন। ওদের জ্যেঠা তাদের দু ভাইবোনের পড়াশোনার ব্যাপারে বেশ মনোযোগী ছিলেন। স্বাতীর ভাই ভালো ছাত্র হলেও স্বাতী ছিল লেখাপড়ায় দূর্বল। ইতিমধ্যে স্বাতী তৃতীয় বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারে উত্তীর্ণ হলো কিন্তু তার প্রথম সেমিস্টারের রেজাল্ট বেশ খারাপ হয়। তার রেজাল্ট দেখে তার জ্যেঠা তাকে সতর্ক করে দেন যে পরের সেমিস্টার ফাইনালে যদি সে এবার পার্সেন্টেজে ৭০ এর নিচে পায় তবে তাকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। তার জ্যেঠা বেশ বদরাগী হওয়ায় স্বাতী তাকে বেশ ভয় পেত।


যাই হোক দেখতে দেখতে সেমিস্টার পরীক্ষা শেষ হয়ে রেজাল্টের দিন চলে আসলো। স্বাতী কলেজে গিয়ে রেজাল্ট জেনে আসলো এবং দুর্ভাগ্যজনক ভাবে সে এবারও A পেতে ব্যর্থ হয়েছে। যাই হোক তার জ্যেঠার রাগ থেকে বাঁচতে ও শাস্তি এড়ানোর জন্য জ্যেঠাকে মিথ্যা বলার সিদ্ধান্ত নিলো। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে সে বাসায় ফিরে জ্যেঠাকে পরিকল্পনামাফিক মিথ্যা রেজাল্ট জানিয়ে রান্নাঘরে ঢুকে সকালের নাস্তা পাতে বেড়ে মুখে তুলতে না তুলতেই তার বান্ধবী সৌম্যা তার বাসায় এলো। সে বাসায় ঢুকতেই জ্যেঠা তাকে তার রেজাল্ট জিজ্ঞেস করলেন। সে তার নিজের রেজাল্ট বললে জ্যেঠা স্বাতীর রেজাল্টটাও তাকে জিজ্ঞেস করলেন নিশ্চিত হওয়ার অভিপ্রায়ে। আগে থেকে জানিয়ে করে না রাখায় সৌম্যা তার বান্ধবীর প্রকৃত ফলাফল জ্যেঠাকে জানিয়ে দিলো সে ৬৯% পেয়েছে এবং স্বাতী রেজাল্টে ৬০% পেয়েছিল । ফলে জ্যেঠা সত্য রেজাল্ট জেনে রাগে ফুঁসতে লাগলেন। তিনি আরো ক্ষিপ্ত হলেন এই ভেবে যে স্বাতী তাকে মিথ্যা কথা বলেছে। তিনি স্বাতী এখন বাইরে যেতে পারবেনা বলে আগে সৌম্যাকে বিদায় করলেন। তারপর স্বাতীকে ডেকে প্রচুর বকাঝকা করলেন। স্বাতী ভয়ে কাঁপতে লাগল। 


অতঃপর তিনি স্বাতীর ক্লাস এইটে পড়ুয়া ছোট ভাইকে ডেকে বললেন যাও গিয়ে পাড়ার মোড়ে রাস্তার ধারে যে নাপিত বসে তাকে বাসায় ডেকে নিয়ে এসো। স্বাতী মনে মনে ভাবলো কেন ভাইকে তিনি নাপিত ডেকে আনতে বলছেন? অল্প কিছুক্ষণ পর স্বাতীর ভাই নাপিত ডেকে নিয়ে এলে জ্যেঠা স্বাতীকে বললেন যাও গিয়ে পিছনের উঠানে বসো, নাপিত তোমার মাথা মুড়িয়ে দিবে। এ কথা শুনে স্বাতী থ হয়ে গেল। স্বাতীর জ্যেঠা আবার একই কথা বললে স্বাতী ছলছল চোখে তার জ্যেঠাকে অনুরোধ করলো তার মাথা ন্যাড়া না করতে। স্বাতীর ভাইও তার বোনের এই দশা দেখে তার জ্যেঠাকে অনুরোধ করল কিন্তু স্বাতীর জ্যেঠা অনড়। তিনি দুইজনকে এক ধমকে চুপ করিয়ে দিলেন। স্বাতীর কিছু করার ছিল না। স্বাতীর জ্যেঠা তাকে ব্ল্যাকমেইল করছিলেন এই বলে যে, “সে যদি তার কথা না শুনে তবে তিনি তার বাবা-মাকে বলবে স্বাতী তার কথা মেনে চলে না। এছাড়া তিনি স্বাতীর পড়াশোনার জন্য আর কোনো খরচ দেবেন না।” স্বাতীর কোনো বিকল্প জানা ছিল না তাই সে কথা না বাড়িয়ে রাজি হয়ে গেল। 


তিনি নাপিতকে নির্দেশ দিলেন স্বাতীর মাথার চুল কামিয়ে দিতে; নাপিত কিছুটা ইতস্তত করছিল কিন্তু স্বাতীর জ্যেঠার চোখ রাঙানিতে উনিও বাধ্য ছেলের মতো তার সাজসরঞ্জাম নিয়ে বাড়ির পিছনে এলেন। নাপিত তার সঙ্গে আনা চৌকির উপর বসলেন এবং জ্যেঠা একটা নিচু পিঁড়ি এনে নাপিতের সামনে পেতে দিয়ে তাতে স্বাতীকে বসতে বললেন। স্বাতী কাঁদতে কাঁদতে নাপিতের সামনে গিয়ে বসল এবং তার বেণী করা চুল খুলল। নাপিত জলভরা মগ থেকে তার মাথায় পানি ছেটাতে আরম্ভ করলেন এবং মাথা ঘষতে লাগলেন যাতে তার চুল সম্পূর্ণরূপে ভিজে যায়। তারপর সে ক্ষুরে ব্লেড লাগালেন এবং স্বাতীর মাথা ধরে নোয়ালেন। স্বাতীর বুক ছ্যাঁৎ করে উঠল আর সে মনে মনে বলল এই গেল আমার চুল। সে চুল কামানো শুরু করলেন। স্বাতীর মাথায় ব্লেডের স্ক্র্যাপ স্ক্র‍্যাপ শব্দ হচ্ছিল। স্বাতীর চোখ থেকে এক নাগাড়ে জল বেরিয়ে যাচ্ছিল কিন্তু উনি থামলেন না। স্বাতী লক্ষ্য করল তার মাথা থেকে একটা ভিজা চুলের দলা গড়িয়ে পড়ল। স্বাতীর মাথার পেছনটা কামানো হয়ে গেল। তারপর নোয়ানো অবস্থা থেকে মাথা তুলে সোজা করে সামনের দিকটা কামানো শুরু করলেন। সামনের দিকটা শেষ করে পাশটা শুরু করলেন। এভাবে তিনি কামানোর নিমিত্তে মাথা সামনে পিছনে নোয়াতে ও কাত করতে লাগলেন। তিনি ধীরে ধীরে একটা পাশ কামানো শেষ করলেন এবং একটা ভিজা চুলের দলা গড়িয়ে পড়ল। উনি স্বাতীর মাথা উল্টো দিকে কাত করলেন। তিনি অন্য পাশও কামানো শেষ করলেন এবং স্বাতী তার চুলের দলা গড়িয়ে পড়তে দেখল। স্বাতী জানত তার সব চুল চলে গেছে কিন্তু তার কিছু করার ছিল না। জ্যেঠা নাপিতকে টাকা দিলো এবং স্বাতীকে বললেন স্নান করে আসতে। পরের দিন সকালে স্বাতী কলেজ যেতে চাইছিল না কিন্তু ভাবল সে কলেজে না গেলে তার সহপাঠীরা তাকে অসুস্থ ভেবে তার বাসায় চলে আসবে। তাই সে ওড়না দিয়ে মাথা ঢেকে কলেজে গেল। কলেজে তার এক আমুদে বান্ধবী যখন তার মাথা থেকে ওড়না টেনে সরিয়ে নিলো তখন সে খুব লজ্জা পেল এবং সব সহপাঠীরা তার দিকে তাকিয়ে হাসছিল। তারা জিজ্ঞেস করল তুমি মাথা কামিয়েছ কেন? স্বাতী বলে আমার মন্দিরে একটা মানসী ছিল। তাই আমি স্থানীয় মন্দিরে আমার মাথা ন্যাড়া করাই।

Friday, January 13, 2012

মাথা মুড়ানো ও নাক ফোঁড়ানো

আমি ১৯ বছর বয়সী এবং ৩ দিন আগে যুক্তরাজ্যে কর্মরত প্রবাসী লোককে বিয়ে করেছি। তার মা একজন দক্ষিণ ভারতীয় এবং তিনি তার বাবাকে অনেক আগেই হারিয়েছেন। তারা সারাজীবন আসামে বসবাস করেছেন। 

আমার প্রথম দিন, সকালে প্রস্তুত হতে বলা হয়েছিল. আমি সব অলংকার দিয়ে সেজে নতুন শাড়ি পরলাম। 


আমাদের সোহাগ রাতের আগে আমি এবং আমার স্বামীর কিছু আচার অনুষ্ঠান করার কথা ছিল। 

আচার-অনুষ্ঠান কী এবং পুজো কেমন তা আমার জানা ছিল না। 

আমরা নদীর ঘাটে পৌঁছে যাই। আমার শাশুড়ি এবং আরও কয়েকজন মহিলা ঘাটে বসে আছেন। আমার স্বামী আমার সামনে বসে আছে। আর তার পেছনে পরিবারের অন্য পুরুষরা বসে। আমি একটু নার্ভাস বোধ করলাম। পণ্ডিত এসে আমার কাছে বসে। আমি উপরের দিকে তাকাই এবং পরিবারের একটি ১৩ বছর বয়সী বিতৃষ্ণ মেয়েকে আমার কাছে বসতে আনা হয়। আমি ভিড়ের মধ্যে কাউকে বলতে শুনি “সুধিয়ার বয়স কি ১৩ বছর হয়ে গেছে? মুণ্ডন কি আজই হবে?" … আমি বুঝতে পারি কেন অন্য মেয়েটি এত অনিচ্ছুক ছিল - তাকে আজ ক্লিন শেভ করা হবে এবং সে টাক হবে। আচারানুষ্ঠান কেন হবে সে নিশ্চিত ছিল না। পণ্ডিত কথা শুরু করে বললেন, সুধিয়ার বয়ঃপ্রাপ্তি হয়েছে এবং তার মাথা তক্তকে ও মসৃণ ন্যাড়া করতে হবে এই পবিত্র নদীর ঘাটে। আমি অদ্ভুত অনুভব করছিলাম কারণ আমি কোন মেয়েকে প্রকাশ্যে কামানো হতে দেখিনি। 

ছোট্ট মেয়েটি কাঁদতে শুরু করে এবং বেশ কয়েকজন মহিলা তাকে ধরে রেখেছিলেন।  নাপিত তার ক্ষুর-উস্তারা ধারালো করতে লাগল। সুধিয়ার মা নাপিতকে নির্দেশ দিলেন, “পুরো মাথা সাফ মুড়াবেন… আপনি কি প্রথমে কাঁচি দিয়ে কাটবেন নাকি সোজা ক্ষুর চালিয়ে দিবেন?” এই কথা শুনে মেয়েটি আরও জোরে কেঁদে উঠল এবং তার মা তাকে থাপ্পড় মেরে বলল “আর একবার তুমি যদি চিৎকার করলে তো সারা বছর তোমার মাথা বেল রাখব।” … সুধিয়ার মাথায় জল ঢেলে দেওয়া হল.. মেয়েটি অবজ্ঞাত ছিল এবং নাপিত তার মাথা ধরেছিল এবং বললেন "ব‍্যস ৫ মিনিট লাগবে, ওর মধ্যে তুমি টাক হয়ে যাবে… "এবং লোকেরা হেসে উঠল। উস্তারা মেয়েটির মাথায় প্রথম পাস করেছে এবং একটি সাদা কেশমুক্ত ত্বক দেখা দিয়েছে…। তার মাথার কেন্দ্রের একটি বড় কেশদাম তার চোখের সামনে পড়ে গেল। পাসের পর পাসে তার সব চুল পড়ে গেল। মেয়েটির মা কাছে এসে তার মাথার খুলি ছুঁয়ে তা অনুভব করলেন এবং নাপিতকে জিজ্ঞেস করলেন, “এ ধারে এই যে ছুটে গেছে খানিক.. পুরোটা আচ্ছা করে চমকাও আর সাফ ২ চার বার ক্ষুর ঘোরাও… মাথা তাজা মুড়ানো লাগা চাই আর এমন না হয় আমি ২ দিনের মধ্যে দুবার নিয়ে আসি এর মাথা মুড়াতে… চমকাও”… নাপিত নির্দেশ মেনে চলল… “বিবি জি এবার হয়ে গেল… মাস ভর মাথায় একটা চুলও দেখা যাবে না…\” ছোট্ট মেয়েটি এখন সম্পূর্ণ টাক হয়ে গেছে এবং কেঁদে চোখ বের করে ফেলেছে। কতিপয় মহিলারা সুধিয়ার কাছে এসে নদী থেকে কিছু জল নিয়ে তার টাকের উপর ঢেলে দেন এবং তারপর কিছু কুমকুম নিয়ে তার টাক মাথায় স্বস্তিকা আঁকল। তারা তাকে তার টাক মাথায় স্পর্শ করে অনুভব করতে বললেন। সে আবার কাঁদতে শুরু করে। একজন মহিলা বললেন, “এখন “কেন কাঁদছ তুমি.. মাথা মুড়ে গেছে, … অভ্যস্ত হয়ে নাও” অন্য একজন বলল। "আয়না দেখাও এবং মাথায় হাত বোলাও" … মেয়েটি নিজেকে দেখল ও দুঃখ পেল।




আমি এই সব দেখেছিলাম এবং ভয় পেয়েছিলাম কিন্তু অদ্ভুত অনুভব করছিলাম… আমি জানতাম না এটা কী ছিল…. একটা মেয়ের মাথা ন্যাড়া করতে দেখে আমি কেঁপে উঠেছিলাম... আমি যা জানতাম না তা হল এই… পণ্ডিত এবার আমার দিকে ফিরে বললেন, “বিধি শুরু করি তবে। গিরিজা, তোমার পতির দীর্ঘায়ুর জন্য, তোমাকে মুণ্ডন করতে হবে। তোমার পতি তোমার ঝুঁটি নিজেই কাটবে আর পরে তুমি ওটা নদী তে ভাসিয়ে দিয়ে আসবে। এর পরে, নাপিত এই ক্ষুরটি তোমার পতিকে দেবে যে শিখাকে ছেড়ে  তোমার মাথায় পহেলা ক্ষুর ঘুরাবে। এর পর নাপিত তোমার মুণ্ডন করবে। “এর মানে আমাকে পরিষ্কার ন‍্যাড়া করা হবে। আমার কোন ধারণা ছিল না। আমি একটি ছোট শহরের বাসিন্দা এবং আমার সৎ পরিবার আমাকে এই ব্যক্তির সাথে বিয়ে দিয়েছে কারণ সে যুক্তরাজ্যে থাকে। আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম… আমি কাঁপছিলাম… আমি যা দেখেছিলাম তা আমার সাথে ঘটতে চলেছে। আমার হাঁটু পর্যন্ত লম্বা চুল ছিল... আমি আমার স্বামীর দিকে তাকালাম যিনি মুচকি হাসছিলেন... প্রক্রিয়া শুরু হলো...। আমার চুল কাটা হয়েছিল, নদীতে দিয়ে দিলাম... কাঁদতে লাগলাম এবং শাশুড়ি কর্তৃক তিরস্কৃত হলাম... আমি তখন ফিরে এলাম। আমার স্বামী ক্ষুর নিলেন এবং আমার চুলের একটি অংশ কামিয়ে দিলেন... আমি দৈন্যপীড়িত ছিলাম। নাই (নাপিত) আবার এসে আমার চুলে পানি দিয়ে চাঁছা শুরু করলো….. একজন মহিলা বললেন “কান্না বন্ধ করো…. স্বামীর জন্য মুণ্ডন করাচ্ছ”.. পণ্ডিত আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “ছোটবেলায় মুণ্ডন হয়েছিল?” আমি একটা কথাও বললাম না… “আরে হয়েছিল কি না? মাথা মুড়ানো হয়েছিল তোমার?” … শাশুড়ি যখন আমাকে খোঁচা দিয়েছিল তখন আমি বললাম না … পন্ডিত চালিয়ে গেলেন “ঠিক আছে, কোন ব‍্যাপার নেই… এই সারা বছর প্রতিটি তীর্থে তার মাথা ন্যাড়া করে দেবেন সব ঠিক থাকবে”… আমি আরও চুপসে গেলাম। কয়েক মিনিটের মধ্যেই আমি নেড়ামুন্ডি হয়ে গেলাম। আমার শাশুড়ি আমার টাক মাথা অনুভব করলেন এবং নাইকে বললেন… “আর একটু সাফ করো আর আচ্ছা করে চমকিয়ে সাফ করো” … নাই আবার শুরু করল এবং আমি এখন কিউবলের মতো টাক হয়ে গেছি। আমাকে নদীতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আমার শাশুড়ি আমার টাক মাথা ধুয়ে দেয়। এখন আমাকে বসানো হয়েছিল এবং সমস্ত মহিলা কাছে এসে এক এক করে আমার টাক মাথা অনুভব করেছিল এবং তাতে কিছু তেল দিয়েছিল। অবশেষে আমার স্বামীকে ডেকে আমার টাক মাথায় সিন্দুর দিতে বলা হলো। এবার শাশুড়ি বললেন ""পন্ডিত জি এমনকি এর নাকও ছ‍্যাঁদানো হয়নি" (তার নাকও ছিদ্র করা হয়নি) পন্ডিত বললেন "হাঁ এক্ষুনি ছিঁদিয়ে দাও আর নথ পরাও" (হ্যাঁ, ছিদ্র করো না এবং তাকে পারিবারিক নাক-আংটা পরতে বাধ্য করো।)… ছিদ্রকারীকে ডাকা হয়েছিল। শাশুড়ি আমার কেশহীন মাথাটি ধরে রেখেছিলেন এবং একটি মোটা নথ ছিদ্রকারককে দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এর মুণ্ডন এখনি হয়েছে কি? "শাশুড়ি বললেন... হাঁ সবে মাত্র হয়েছে" ইয়া বড় নাকের রিং দিয়ে আমার নাক ছিদ্র করায় আমি চিৎকার করে উঠলাম। 

আমরা বাড়িতে এলাম। আমাকে আমার রুমে পাঠানো হলো। . আমি আমার টাক মাথাটা একটা আঁচল দিয়ে ঢেকে রেখেছিলাম। আমি দুঃখিত এবং বিব্রত এবং হতবাক ছিলাম। আমার স্বামী এসে আমাকে আমার ঘোমটা সরাতে বললেন এবং বললেন সে আমার মাথা দেখতে চায়। আমি না বলেছি। তারপর সে আঁচলটি সরিয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করল যে আমি এখনও আমার ন‍্যাড়া মাথা অনুভব করেছি কিনা। আমি কাঁদতে লাগলাম এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলাম কেন এই আচার। সে বলে, এটা তার মায়ের মানত এবং তার মা তাকে এই শর্তে আমাকে বিয়ে করতে দিতে রাজি হয়েছেন। সে বলে, আমার মাথা কামানো দেখে সে খুব উত্তেজিত। আমার স্বামী আমাকে বাথরুমে নিয়ে গেল এবং সামনে একটি মানব দৈর্ঘ্যের আয়না, আমাকে চোখ তুলে তাকাতে বলল। আমি টাক ছিলাম এবং আমার নথ পরানো ছিল। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করল, কেমন লাগছে... এবং আমার হাত ধরে আমার মাথায় ঘষতে লাগলো...। আমি আমার চুল হারানোর জন্য খুব দুঃখিত... আমি আমার স্বামীর সাথে ৩-৪ দিনের মধ্যে ইউকে চলে যাচ্ছি এবং সে বলেছিল যে, উৎসবগুলিতে, সে তার মায়ের কাছ থেকে আমার মাথা ন্যাড়া করার নির্দেশ পেতে পারে এবং সে এটা নিজেই করতে পারে। ... এসব ছাড়া সে আমাকে ভালোবাসে কিন্তু আমি আমার চুল হারানোয় ভীত ও দুঃখিত...

Monday, April 4, 2011

অবশেষে আমার মাথা ন্যাড়া হয়ে গেল (গায়ত্রীর গৃহ মুণ্ডন ৩য় পর্ব)

শনিবার - 02/04/2011 

আমি সকাল ৬.৩০ টার দিকে ঘুম থেকে উঠেছিলাম এবং আমার মন তৈরি করেছিলাম যে সবকিছু ঠিকঠাক আছে বলে টেনশন/চিন্তা না করার জন্য, আমাকে শুধু সহযোগিতা করতে হবে। তাই আমি আমার চুলের জন্য একটিবার তেল দেয়া ও ধোয়ার পরিকল্পনা করেছি এবং এটিতে তেল দিতে শুরু করেছি। এর মধ্যে আমার পিসি এলেন, মাথায় তেল মালিশ করলেন এবং গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত তেল লাগিয়ে দিলেন। সে আমার চুল থেকে একটি চুলের জটা তৈরি করেছে। প্রায় ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর, আমি শেষবারের মতো হেডবাথ নিয়েছিলাম। তারপর আমার পিসি আমাকে চুল শুকাতে সাহায্য করেছিলেন এবং তাদের জট বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন। সকাল ৯.৩০ নাগাদ এটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে গিয়েছিল এবং আমি মধ‍্যখানে সিঁথি নিয়েছি এবং আমার চুল আঁচড়ালাম এবং আমার প্রিয় জটা হেয়ারস্টাইল তৈরি করেছি। হ্যাঁ এটাই শেষবার আমি আমার চুল স্পর্শ করেছি। প্রাতঃরাশের সময়, আমার ঠাকুমা আমাকে বলেছিলেন যে নাপিত ১২ টার আগে যে কোনও সময় আসতে পারে। আমি তার দিকে তাকিয়ে হাসলাম। তিনি বলেছিলেন যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে এবং চিন্তা করবেন না। আমার মনোযোগ অন্যত্র করার জন্য আমি কিছু কমেডি টিভি চ্যানেল দেখছিলাম। খোলাখুলি বলতে গেলে, আমি সবকিছু ভুলে গিয়েছিলাম এবং প্রচারিত কমেডি ক্লিপগুলিতে হাসতে শুরু করেছি। 


১১.৪০ টায়, নাপিত এসেছিলেন এবং আমার মা তাকে আমার বাড়ির পিছনের উঠোনে নির্দেশ করেছিলেন। আমি জানি এই সময় আমার কান্না করা উচিত নয়। আমার ঠাকুমা আমাকে জড়িয়ে ধরেন, আমার পিসি আমাকে আমার কপালে চুম্বন করেছিলেন, এদিকে আমার মা বললেন যে তারা ঘরের ভিতরে বসে থাকবে এবং আমার মাথার চুল কামানো দেখবে না কারণ আমি তাদের দেখে কাঁদব। তাই তারা আমাকে একা যেতে বলে এবং মাথার মুণ্ডনের জন্য বাড়ির উঠোনে ইদারার পাশে বসতে বলে কারণ সেখানে নাপিত অপেক্ষা করছিল। 


কুয়া থেকে একটি বালতি ভর্তি জল প্রস্তুত ছিল এবং নাপিত আমাকে একটি ছোট কাপ/মগ আনতে বলেছিল। শীঘ্রই আমি ভিতরে গেলাম এবং সবাই (আমার ঠাকুমা, পিসি, মা) ভাবলাম আমি ভয়ে বেরিয়ে এসেছি। আমি মগ নিলাম, আমার মা আমাকে থামিয়ে দিলেন এবং বললেন যে তারা গায়ত্রীর নতুন চেহারা দেখার জন্য অপেক্ষা করছে। 

আমি যখন বাড়ির পিছনের দিকে হাজির হলাম তখন ঠিক ১১.৪৫টা। তারপর আমি নাপিতকে মগ দিলাম, তিনি আমাকে তার রেজারে নতুন ব্লেড পরিবর্তন করে মস্তক মুণ্ডনপ্রার্থীকে আনতে বললেন। আমি শুধু মুখচাপা স্বরে এটা আমার জন্য বলেছি। তিনি এক মুহুর্তের জন্য আমার দিকে তাকালেন কারণ আমি হাঁটু দৈর্ঘ্যের ক্রপড ট্র্যাক প্যান্টের সাথে একটি গোল গলার টি-শার্ট পরেছিলাম। আমার কবরী খোঁপা এখনও ঘাড়ের উপর রয়েছে তা ঠাহর করে আমি এটি সরিয়ে দিয়েছি এবং আমার কানের পিছনের চুলগুলি সারিবদ্ধ করেছি। আমার চুল আলগা করার পর, আমি উঠোনের দরজা থেকে সরে তার সামনে বসলাম। আমার আলগা চুলের প্রায় শেষ ৩ ইঞ্চি মাটি ছুঁয়েছে। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন পরচুলা তৈরির জন্য আমার চুলের প্রয়োজন আছে কিনা। আমি বললাম না কারণ আমি জানি আমার মা আমাকে স্কার্ফ ছাড়া অন্য কিছুতে আমার কামানো চাঁদি ঢাকতে দেবেন না। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম এত লম্বা চুল দেখে সে এমন প্রশ্ন করেছে কিনা। এর জন্য তিনি উত্তর দিলেন যে এটি যদি পরচুলা/বিক্রির জন্য হয় তবে তিনি মাথার দুপাশে চুলের দুটি গিঁট তৈরি করবেন। 

Sunday, April 3, 2011

ন‍্যাড়া হবার পূর্ব দিবারাত্রির ঘটনা (গায়ত্রীর গৃহ মুণ্ডন ২য় পর্ব)

আমার পরিবারে অনুসরণ করা অর্থহীন প্রথা/ঐতিহ্য সম্পর্কে অনেক তর্ক করেছি। কিন্তু কোন উপায় নেই, তাদের কাছে সবকিছুর উত্তর আছে। সর্বোপরি আমি একটি নির্দিষ্ট বিন্দুর বাইরে তর্ক করতে পারি না এবং তাদের হাসাতে হবে কারণ আমার ঠাকুমা এবং মাসি দুজনেই আমাকে এত ভালোবাসেন কারণ আমি পুরো পরিবারে একমাত্র নাতনি/কন্যা সন্তান (আমার পিসির কেবল ছেলে ছিল)।


আমি নিজেকে বোঝাচ্ছি, এমনকি যদি আমি উল্টো হয়ে দাঁড়াই, এটি এড়ানো যায় না। আমি যতই প্রতিরোধ করব, ততই আমার ঠাকুমা ও পিসি আমার উপর চাপ সৃষ্টি করবে। যা আমি চাই না।


সমস্ত চিন্তা বাদ দিয়ে আমি শান্ত হয়ে গেলাম এবং সকালে মাথার চুলের বিষয়টি ভুলে গেলাম। আমি আমার ঠাকুমা এবং পিসির সাথে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে শুরু করলাম। একটি চূড়ান্ত চেষ্টা করার জন্য আমি আমার ঠাকুমাকে জিজ্ঞাসা করলাম মাথা মুণ্ডানোর পরিবর্তে অন্য কোন কাজ করা যেতে পারে কিনা। তিনি বলেন, অন্য কোন বিকল্প থাকলে তিনি আগেই বলতেন। তাই আর কোনো উপায় নেই। আমার ঠাকুমা আমাকে শেষবারের মতো মাথা ধৌত করতে বললেন। এবং বলেন যে পুরোহিত/জ্যোতিষী (তারা পারিবারিক মন্দিরের পুরোহিতের সাথে পরামর্শ করে কারণ এটি আমার পরিবারে বংশানুক্রমিকভাবে অনুসৃত রীতি/আচারের সাথে সম্পর্কিত) এখন খেউরি করতে বলে, তাহলে মাথা মুণ্ডন করা সহজ এবং সুবিধাজনক হবে কারণ হেডবাথ সারাদিনের জন্য আমার চুলকে নরম ও কোমল করে তুলবে। 


পরের মুহূর্তে আমার হৃদস্পন্দন স্বাভাবিকভাবেই লাফিয়ে উঠল। আমার পিসি এসেছিলেন এবং তিনি স্বেচ্ছায় আমাকে একটি বিশেষ হেডবাথ দিয়েছিলেন, তারপর তিনি আমার চুল শুকিয়েছিলেন এবং চুলের ব্রাশ দিয়ে জট বিচ্ছিন্ন করেছিলেন। এটি একটি খুব সুন্দর অভিজ্ঞতা ছিল কারণ আমার চুল আমার পিসি দ্বারা এত যত্ন নেওয়া হচ্ছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সে আমার হেডবাথের সময় সবকিছু করেছে, এটি প্রমাণ করে যে আমার প্রতি তার কতটা ভালবাসা, যত্ন এবং স্নেহ রয়েছে। সে খোলাখুলি কথা বলে আমার মাথার চুল কামানোর জন্য আমাকে নৈতিক সমর্থন দিয়েছে। এবং এছাড়াও সে আমাকে মাথা মুণ্ডন না করা পর্যন্ত আমার চুল আলগা ও বাঁধনমুক্ত রাখতে বলেছিল। 


শুভ তিথি পেয়ে আমার ঠাকুমা এবং মা এসেছিলেন। শুক্রবার (আজ)/শনিবার আমার চুলকে বিদায় জানানোর দিন। ফেরার সময় তারা স্থানীয় এক নাপিতকে আজ আমাদের বাড়িতে আসতে বলেছে। তাই সন্ধ্যার মধ্যে সবকিছু হয়ে যাবে এবং শেষ হবে। আমি ভেবেছিলাম তারা আমাকে মন্দিরে নিয়ে যাবে কারণ এটি একটি প্রথা/আচার ভিত্তিক জিনিস, কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে তারা বলল যে আমার মাথা আমার বাড়ির পিছনের উঠোনে ন্যাড়া করা হবে। তারা আমাকে এর জন্য প্রস্তুত হতে বলল, আমি মাথা মুন্ডানোর জন্য অনভিলাষী সায় দিয়েছিলাম। 



আমি শুক্রবার রাতে ঘুমাতে পারিনি এই ভেবে যে আমি তক্তকে ন‍্যাড়া করব এবং আমার সমস্ত চুল শনিবারে চলে যাবে। আমি প্রায় এক ঘন্টা ধরে কেঁদেছিলাম, তারপর আমি আয়নার সামনে চুল আঁচড়াতে, চুল নিয়ে খেলতে, চুলের কিছু স্টাইল করতে কিছু সময় কাটিয়েছি। কিন্তু অবশেষে আমার চুল ধরে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়লাম। 

Wednesday, March 30, 2011

আমার পিসি এবং ঠাকুমা আমার মাথার চুল কামানোর পরিকল্পনা করছেন (গায়ত্রীর গৃহ মুণ্ডন ১ম পর্ব)

সবাইকে হ্যালো, আমি পুদুচেরি থেকে গায়ত্রী এবং এই ফোরামে নতুন। আমি ১৮ বছর বয়সী এবং এখনই আমার ১২শ পরীক্ষা শেষ করেছি। অনেক দিন ধরেই আমার নাক বেধন করা এবং কানে ডবল ফুটো করার আগ্রহ ছিল। আমি আমার মাকে জিজ্ঞেস করলাম, এবং সে বলেছে স্কুলের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে, যাতে নাক ছিদ্র করার পরে ক্ষতচিহ্ন নিরাময় করার জন্য ভাল সময় পায়। তার কথায়, আমি আমার পরীক্ষা শেষ হওয়ার অপেক্ষায় রইলাম। ফাইনাল পরীক্ষার সন্ধ্যায় আমার মা আমাকে একটি ছোট গহনার দোকানে নিয়ে যান এবং আমি আমার বাম পাশের নাক এবং কানে ডবল ছিদ্র করিয়েছিলাম। 

আমি খুব খুশি ছিলাম কারণ আমার দীর্ঘমেয়াদী ইচ্ছা পূরণ হয়েছে এবং নাক ভেদ করা আমার মুখে সুন্দর দেখাচ্ছিল। কিন্তু আমি স্বপ্নেও ভাবিনি যে এটি একটি খুব উদ্ভট পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আকর্ষণ করতে পারে - আমার মাথা কামানো। 

কলেজে ভর্তি হতে আমার অনেক দেরি আছে, আমার পিসি এবং ঠাকুমা বাড়িতে এসেছিলেন। আমি খুশি ছিলাম এবং তারাও বলেছিল আমার নাক ভেদ করা সুন্দর লাগছিল। কিন্তু তারা আমার অজান্তেই আমার মায়ের সাথে আমার মাথার চুল কাটার বিষয়ে আলোচনা শুরু করে। 

আমার পাছা পর্যন্ত স্বাভাবিক সোজা চুল বহমান। জিনগতভাবে আমার মায়ের পরিবারের চুল খুব ঘন, তাই আমারও অধোদেশ পর্যন্ত লম্বা চুল খুব ঘন। রক্ষণাবেক্ষণে বেশি সময় দেওয়ার কারণে মায়ের পরিবারের কোনও মহিলাই তাদের চুল লম্বা করে না। অনেকবার সবাই আমার চুল ছোট করার পরামর্শ দিয়েছে, কিন্তু আমি করিনি। 



আমি আমার চুল বড় করেছি সময় লাগিয়ে ধুয়ে, তেল দিয়ে। আমি আমার চুলের যত্ন নিতাম যেমনটি কোন ছেলে তার নতুন বাইকের যত্ন নেয়। আমার পরীক্ষার সময়ও আমি এটি ৩ দিনে একবার ধুয়ে ফেলতাম এবং পরিষ্কার এবং চকচকে রাখতাম। সপ্তাহে একবার, আমি এটি তেলে জবজবে করে রাখি এবং ভাল করে ধুয়ে ফেলি। আমি কখনোই শ্যাম্পু ব্যবহার করিনি, আমি যা ব্যবহার করি তা ছিল প্রাকৃতিক ভেষজ পাউডার যা আমার মা ভেষজ দিয়ে প্রস্তুত করেন। বাড়িতে থাকাকালীন আমার সবসময় কবরী হেয়ারস্টাইল ছিল (ঘাড়ের পিছনে ঝোলা একটি নিচু খোঁপা তৈরি করা)। আমি যে সুরুচিপূর্ণ ঢিলে গুছি ধরনের হেয়ারস্টাইল করতে ভালোবাসি। 

গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত, আমি আমার মাথা মুণ্ডানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতাম না। আমার পিসি আমাকে চুল আঁচড়াতে এবং তেল মাখতে সাহায্য করতেন। তিনি আমার মাথায় তেল দিয়ে মালিশ করেছিলেন এবং ১৫ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে চিরুনি দিয়েছিলেন এবং তার স্টাইলের একটি চুলের খোঁপা তৈরি করেছিলেন যা মাথার পিছনে আলতোভাবে এঁটে ছিল এবং আমার ঘাড়ে ঝুলে রয়নি। এবং আমি এইরূপ এটি পছন্দ করেছিলাম। 

তখন আমি তাকে চুলের খোঁপা কীভাবে করতে হয় তা জিজ্ঞেস করলে এবং কীভাবে এটি তৈরি করতে হয় তা জানতে তাকে আমার চুলে এটি পুনরায় করতে বলেছিলাম। সে আমাকে জিজ্ঞেস করল কেন আমার এটা সম্পর্কে জানা দরকার, এবং এটাও বলল যে যদিও আমি এটা জানি এটা আমার কাজে আসবে না। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম কেন? সে উত্তর দিয়েছে যে আসছে রবিবারের (৩ এপ্রিল) আগে আমার মাথা কামানো হবে। আমার পৌনঃপুনিক সন্তপ্ত প্রশ্নগুলি তাদের কাছ থেকে খুব উদ্ভট উত্তর পেয়েছিল। আমি ১৫ বছর বয়সে আমার নাক ছিদ্র করা অস্বীকার করেছিলাম। এখন আমি ১৮ বছর পূর্ণ করেছি এবং ১৮ বছর বয়স অতিক্রম করার পরে যখন নাক ছিদ্র করা হয় তখন হেডশেভ করা উচিত। আমি কান্নাকাটি করেছি এবং তাদের সাথে তর্ক করেছি, কিন্তু আমার পালানোর উপায় নেই। আমার মা আমাকে সমর্থন করতে আগ্রহী নন। তারা বলেন, কম চুলে আমি কলেজ চলাকালীন পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারি। আমার ঠাকুমা এবং পিসি এই বিষয়ে অনেক জেদি। আমি জানি না কিভাবে মনে মনে এটি গ্রহণ করব কারণ আমি আমার চুলকে খুব ভালোবাসি এবং সবাই বলেছিল যে আমায় লম্বা ঘন চুলে সুন্দর লাগছিল। স্প্লিট-এন্ড এড়াতে এবং সমস্ত চুল একই দৈর্ঘ্যে রাখার জন্য আমি ২ মাসে একবার ০.৫ সেন্টিমিটারের বেশি চুল কাটাই না। আমার জন্য হেডশেভ হলো এমন কিছু যা আমি হজম করতে পারি না এবং আমি আমার পাছার দৈর্ঘ্যের চুল থেকে আলাদা হতে রাজি নই।

Friday, January 11, 2008

ভদ্রমহিলাদের মাথা ন্যাড়া করতে বাধ্য করা হয়

হ্যালো আমি লক্ষ্মী একজন গৃহিণী। আমি জোরপূর্বক মাথার চুল কাটানোর আতঙ্কে ভুগছিলাম। মহিলারা সত্যিই মাথা শেভ করতে চান না। আমার গল্পটি ২০০৬ সালের ১৬ মে ঘটেছিল। আমি এবং আমার স্বামীর মা (আন্টি) বাড়ির কিছু কেনার জন্য বাজারে গিয়েছিলাম সেখানে আন্টির এক বন্ধু আমাদের সাথে দেখা করেছিল। আমার আন্টি তাকে আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় সে জিজ্ঞেস করে আমার আন্টি তোমার লক্ষ্মী কোন ঝগড়া ছাড়াই তোমার কথা শুনছে। আমি এ কথা শুনে রাগান্বিত হই। আমার আন্টি হ্যাঁ বলেছে কিন্তু কিছু সময় সে আমাকে উপেক্ষা করে। আমার আন্টির বান্ধবী বলল আমার ছেলের বউ সবসময় আমার সাথে প্রতিটা বিষয়ে ঝগড়া করে সে তার সৌন্দর্য নিয়ে গর্বিত। এবং সে যা বললো কথাগুলো সত্যিই আমাকে ভয় পাইয়ে দেয়। কি হলো আন্টির বন্ধু একদিন একজন নাপিতকে তার বাড়িতে ডেকেছিল। এবং পুত্রবধূকে ডাকেন যার নাম হলো ললিতা। ললিতা এখানে এসো এবং চা নিয়ে এসো। সে চা এনে নাপিতকে দিল। আন্টির বন্ধু বলল ললিতা ওর সামনে বসো। সে জিজ্ঞেস করে কেন? পরে বলব। আগে তুমি বসো। সে সময় তার স্বামী অফিসে গেছেন। সে তার সঙ্গে কেন বসতে হবে তা নিয়ে তর্ক করে। তখন আন্টি বললো তুমি মাথা কামাতে যাচ্ছ। তারপর তিনি হঠাৎ ভয় দেখায় এবং তাকে বকাঝকা করে। আন্টি বললেন যে তোমাকে এটা করতেই হবে। সে কান্নাকাটি করে এবং অনুনয় করে যে ‘আমি তা করব না’। তারপর আন্টি নাপিতকে আদেশ করলো তোমার কাজ করো। নাপিত ললিতাকে আমন্ত্রণ করলো প্লিজ এখানে বসো। সে আবার অনুরোধ করে আমি বসতে চাই না। তারপর আন্টি তাকে জোর করে বসিয়ে দিল। তারপর নাপিত সোজা ক্ষুরটা নিয়ে পানি আনতে বলল। আন্টি এনে ললিতার মাথায় ঢেলে দিল। নাপিত তার মাথা ম্যাসেজ করে। সে বলে যে প্লিজ আমি চাই না, আমাকে টাক করবেন না। নাপিত জোর করে তার মাথা নিচু করে এবং জোর করে তার মাথা কামান। সে কাঁদে কিন্তু কাজ বন্ধ করার মতো কেউই নেই, ছিল না। আমি সবটা শুনেছি এবং এই বছরে আমি তাকে দেখতে গিয়েছিলাম। তার খুব ছোট চুল ছিল এবং সে বলে যে আমার আন্টি আমাকে বলেছিলেন যে আমি সবসময় ছোট চুলে থাকব। সত্যিই আমি এই কথা শুনে হতবাক। আমি তার আন্টির কাছে গিয়ে বললাম, দয়া করে এটা বন্ধ করুন, নইলে আমি পুলিশে অভিযোগ করব। তারপরে সে শান্ত হয় এবং ললিতা তার চুল বাড়ায়।

সিনেমায় সুযোগ

আমার বাড়ি দক্ষিণ ভারতের কোচিতে এবং গত বছর যখন ঘটনাটি ঘটেছিল তখন আমার বয়স ছিল উনিশ বছর। আমার বাবা, যিনি সৌদি আরবে একজন ব্যবসায়ী ছিলেন, মার...